Category: আন্তর্জাতিক

  • ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সাক্ষাৎ

    ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সাক্ষাৎ

    বাংলাদেশে সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানরত হোটেলে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলটির অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। এর আগে, দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে ঢাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। ওইদিন বিকেলেই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য খাত ও ইন্টারনেট সংযোগ সংক্রান্ত দুটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

  • সাব-জেলে বন্দিরা কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে- গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তা কারাগারে

    সাব-জেলে বন্দিরা কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে- গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তা কারাগারে

    সাব-জেলে বন্দিরা কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে

    গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তা কারাগারে

    গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রেক্ষিতে বুধবার (২২ অক্টোবর) আদালতে হাজির হলে ওই কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠান ট্রাইব্যুনাল। বুধবার সকালে পতিত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে গুম-খুন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ঢাকা সেনানিবাসের ‘সাব-জেল’ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়। পরে আদালত ওই কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এছাড়া মামলায় শেখ হাসিনাসহ অন্য পলাতক আসামিদের বিষয়ে সাতদিনের মধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হয়েছে।

    এ তিন মামলায় ২৫ জন সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জন আসামি। তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানা যায়। আওয়ামীলীগের শাসনামলে গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় গ্রেফতার হয়ে ১৫ সেনা কর্মকর্তা যে সাব-জেলে (অস্থায়ী কারাগার) আছেন সেটি কারা কর্তৃপক্ষেরই তত্ত্বাবধানে থাকবে। কারাবিধি অনুযায়ী তাদের দেখাশোনার দায়িত্ব কারা অধিদপ্তরের এবং তাদের খাওয়া-দাওয়াও এই নিয়মে কারাগার থেকে দেওয়া হবে। বুধবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে আদেশের পর তাদের ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোডে সাব-জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। আইজি প্রিজন জানান, ওই বন্দিদের নিরাপত্তায় কারাগার থেকে কারারক্ষী ও কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়েছেন। কারা বিধি অনুযায়ী বন্দিদের দেখাশোনার দায়িত্ব কারা অধিদফতর থেকেই এবং তাদের খাওয়া-দাওয়াও একই নিয়মে কারাগার থেকেই দেওয়া হবে। তাদের কোনো স্বজন দেখা করতে চাইলেও অনুমতি সাপেক্ষে কারাবিধি অনুযায়ী দেখা করার ব্যবস্থা করা হবে। বাইরে থেকেও কোনো খাবার দেওয়া হলেও এই বিধি অনুযায়ী পরীক্ষার মাধ্যমে সেগুলো দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর/২৫ ঢাকা সেনানিবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে সেনা হেফাজতে আছেন। চার্জশিটে প্রায় ২৫ সেনা কর্মকর্তার নাম এসেছে। এর মধ্যে অবসরে আছেন নয়জন, এলপিআরে একজন এবং কর্মরত আছেন ১৫ জন। যারা অবসরে গেছেন, তাদের ক্ষেত্রে আমাদের সেনা আইন প্রযোজ্য নয়। আদালতের আদেশে সাব-জেলে বন্দি ১৫ সেনা কর্মকর্তা হলেন- র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, র‌্যাবের সাবেক পরিচালক (ইন্টেলিজেন্স উইং) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল, র‌্যাবের সাবেক পরিচালক (ইন্টেলিজেন্স উইং) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (এখন অবসরকালীন ছুটিতে), র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) কর্নেল কে এম আজাদ ও র‌্যাবের সাবেক পরিচালক (ইন্টেলিজেন্স উইং) কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম। এছাড়া, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক (সিটিআইবি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক (সিটিআইবি) মেজর জেনারেল শেখ মো. সারওয়ার হোসেন, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক (সিটিআইবি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজাহার সিদ্দিক, বিজিবির সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম ও বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর রাফাত বিন আলম মুন।

  • ভারতের ত্রিপুরায় ৩ বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যা

    ভারতের ত্রিপুরায় ৩ বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যা

    ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে তিন বাংলাদেশি নাগরিককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বাসিন্দা এই তিনজনের মরদেহ বর্তমানে ভারতের খোয়াই জেলার সাম্পাহার থানায় রয়েছে। নিহতরা হলেন, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আলীনগর গ্রামের আশ্বব আলীর ছেলে জুয়েল মিয়া (৩২), বাসুল্লা গ্রামের কনা মিয়ার ছেলে পতি মিয়া (৪৫) এবং কবিলাশপুর গ্রামের কদ্দুস মিয়ার ছেলে সজল মিয়া (২০)। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য তারেকুর রহমান জানান, রাতে বিজিবি নিহতদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে ভারতে পাঠিয়েছে। সেখান থেকে পাঠানো মরদেহের ছবিতে জুয়েল, পতি ও সজলকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে ৫৫ বিজিবির (হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বৃহস্পতিবার সকালে গণমাধ্যমকে বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তবর্তী বিদ্যাবিল এলাকা দিয়ে ওই তিন বাংলাদেশি নাগরিক দুই-তিন দিন আগে ভারতে প্রবেশ করেন। তারা সীমান্ত থেকে প্রায় ৪-৫ কিলোমিটার ভেতরে ত্রিপুরা রাজ্যের কারেঙ্গিছড়া এলাকায় অবস্থান করছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা গরু পাচারের উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। গরু চোর সন্দেহে স্থানীয় ভারতীয় নাগরিকেরা সংঘবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।

  • শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন মারিয়া কোরিনা ॥ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উৎসর্গ

    শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন মারিয়া কোরিনা ॥ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উৎসর্গ

    শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন মারিয়া কোরিনা ॥ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উৎসর্গ

    ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও গণতন্ত্রের কর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপ্য বলে দাবি করছেন, তবে তার সব জল্পনা নস্যাৎ করে এ পুরস্কার জিতেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও গণতন্ত্রের কর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। নোবেল ঘোষণার পরপরই তিনি এই পুরস্কারটি উৎসর্গ করেছেন ভেনেজুয়েলার জনগণকে এবং স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে। নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ৫৮ বছর বয়সী মাচাদো এক্সে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি এই পুরস্কারটি উৎসর্গ করছি ভেনেজুয়েলার দুঃখভোগী জনগণকে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে, যিনি আমাদের আন্দোলনের প্রতি তার সিদ্ধান্তমূলক সহায়তা করছেন! তিনি আরও বলেন, আমরা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি এবং আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। আমরা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র অর্জনের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, মার্কিন জনগণ, লাতিন আমেরিকার দেশসমূহ এবং বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সমর্থন ও সহযোগিতার ওপর বিশ্বাস রাখছি। মাচাদো দীর্ঘকাল ধরে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক চাপকে সমর্থন করে আসছেন। ভেনেজুয়েলার উপকূলে বিশাল মার্কিন নৌবাহিনী মোতায়েনের মতো পদক্ষেপকেও তিনি গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে মনে করেন।

  • মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় গোমস্তাপুরের দু’রেমিটেন্স যোদ্ধা নিহত

    মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় গোমস্তাপুরের দু’রেমিটেন্স যোদ্ধা নিহত

    মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় গোমস্তাপুরের দু’রেমিটেন্স যোদ্ধা নিহত

    মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় গোমস্তাপুরের দু’রেমিটেন্স যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, গোমস্তাপুর উপজেলার গোমস্তাপুর সদর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের শুকুরুদ্দিন কালুর ছেলে ২৫ বছর বয়সী তুহিন আলী এবং ওই ইউনিয়নের নসিবন্দি নগর গ্রামের মো. কাবিলের ২৩ বছর বয়সী ছেলে মো. শামিম রেজা। তারা দু’জনই মালেশিয়ার একটি পাম বাগানে কাজ করতেন। নিহত তুহিনের মামা শফিকুল ইসলাম বলেন, রোববার মালেশিয়ায় সরকারি ছুটির দিন ছিল। তুহিন-শামীমসহ ৫জন ওভারটাইমে কাজে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে একটি পিকআপে করে ঘরে ফিরছেন তারা। এ সময় পাহাড়ি অঞ্চল সুঙ্গাই কোয়ান এলাকায় পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলকে বাঁচাতে গিয়ে পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। তাদের সঙ্গে থাকা ৩জন লাফ দিতে পারলেও তুহিন আর শামীম সড়ক থেকে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার দু’জন প্রবাসী নিহত হয়েছেন। রোববার স্থানীয় সময় বিকেল ৩ টার দিকে মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্যের কুয়ালা লিপিস জেলার সুঙ্গাই কোয়ান শহরে এ ঘটনা ঘটে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহতদের স্বজন ও গোমস্তাপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দীন। তিনি আরও বলেন, প্রায় দু-আড়াই বছর আগে আমার ভাগ্নে মালয়েশিয়ায় যায়। সেখানে একটি পাম বাগানে চাকরি করত। মালয়েশিয়া থেকে তাদের মরদেহ দ্রুত আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানায়। এ বিষয়ে গোমস্তাপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দীন বলেন, মালেশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আমার এলাকার দু’জন মারা গেছেন। এতে করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • লন্ডনে স্মারকগ্রন্থ ‘কালের অভিজ্ঞান’-এর মোড়ক উন্মোচন

    লন্ডনে স্মারকগ্রন্থ ‘কালের অভিজ্ঞান’-এর মোড়ক উন্মোচন

    সার্কেল পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ও সরপঞ্চ বিষয়ক

    লন্ডনে স্মারকগ্রন্থ ‘কালের অভিজ্ঞান’-এর মোড়ক উন্মোচন

    ব্রিটিশ শাসনামলের বৃহত্তর শ্রীহট্ট/সিলেট জেলার (বর্তমান সিলেট বিভাগ) স্থানীয় সরকারের সার্কেল পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ও সরপঞ্চ পদ্ধতি এবং নবীগঞ্জ থানার ৩৯নং সার্কেল পঞ্চায়েতের সহোদর সরপঞ্চ, ব্রিটিশ বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের স্থানীয় সংগঠক এবং এককালের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শ্রীমান সনাতন দাস ও শ্রীমান দীননাথ দাস স্মারকগ্রন্থ কালের অভিজ্ঞান-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান হয়েছে। সোমবার (২৮ জুলাই) লন্ডন সময় সন্ধ্যা ৬.০০ ঘটিকায় পূর্বলন্ডনের ভ্যালেন্সরোডের বাংলার স্বাদ রেষ্টেুরেন্টে সাংবাদিক-গবেষক মতিয়ার চৌধুরী প্রমুখ সম্পাদিত কালের অভিজ্ঞান গ্রন্থের সম্পাদনা পর্ষদের সদস্য লেখক-গবেষক শাহ আতিকুল হক কামলীর সভাপতিত্বে মোড়ক উম্মোচন অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ল এ্যালমনাই এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লেখক-গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান গৌস সুলতান। মূল আলোচক হিসেবে ছিলেন গবেষক ও বহুগ্রন্থ প্রণেতা ফারুক আহমদ, লেখক ও ইতিহাস বিষয়ক গবেষক ডা. গিয়াস উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ থেকে আগত কবি হাসিবা মুন। ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ড. আনসার আহমেদ উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্টানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রন্থের সম্পাদক সাংবাদিক-গবেষক মতিয়ার চৌধুরী।

    গ্রন্থ থেকে সরপঞ্চ অধ্যায়ের উপর পাঠ করেন-বাচিক শিল্পী ও সংবাদ পাঠিকা মুনিরা পারভিন, ঢাকা বিভাগের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সীর শ্রীহট্টের রাজস্ব জিলা ও পরগনা অধ্যায় থেকে পাঠ করেন কবি ও সাংস্কৃতিক কর্মি স্মৃতি আজাদ, গ্রন্থের সম্পাদকীয় অধ্যায় থেকে আলোকপাত করেন সম্পাদনা পর্ষদের সদস্য সাংবাদিক ও কবি মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। গ্রন্থের উপর অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন-টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক মেয়র আকিকুর রহমান, রাজনীতিবিদ শাহ জাহান আহমদ, ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সেক্রেটারী ও টিভি উপস্থাপক মিজানুর রহমান মিরু, স্বদেশ বিদেশ সম্পাদক সাংবাদিক বাতিরুল হক সরদার, তরুন গবেষক দেলওয়ার রহমান চৌধুরী, কবি এ্যাডভোকেট মুজিবুল হক মনি, লন্ডনে রাধারমণ উৎসবের প্রবর্তক সাবেক ফুটবলার জোবায়ের আহমদ হামজা, লন্ডনে দীগলবাক ইউনিয়ন ডেভল্যাপমেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা এম. এ. মতিন, ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ফাউন্ডার সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সাহেদ রহমান, সাংবাদিক কবি আজিজুল আম্বিয়া, সাংবাদিক কামরুল আই রাসেল, সাংবাদিক সেজু মিয়া, নারী নেত্রী আনজুমান আরা আঞ্জু, এডভোকেট সফিক উদ্দিন আহমদ, কবি নোমান আহমদ, হামজা রহমান,

    মাজিদুর চৌধুরী প্রমুখ। গবেষণা মূলক গ্রন্থটি মোগল আমল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমলের ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগের স্থানীয় সরকারের সার্কেল পদ্ধতির উপর রচিত। এতে সিলেট বিভাগের মোট ১২০জন সরপঞ্চ ও সহকারী সরপঞ্চের সংক্ষিপ্ত বিবরন তুলে ধরা হয়েছে। এতে আরো উঠে এসেছে প্রাচীন আমলে সিলেট অঞ্চলের পরগনা সমূহের বিবরণ ও মোগল আমলের সিলেটের দশটি রাজস্ব জেলার বিবরণ ও সীমানা। আলোচকরা বলেন-গ্রন্থে বৃহত্তর সিলেটের স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সার্কেল পদ্ধতি ও সরপঞ্চ বিষয়ক ইতিহাস এবং মোগল, ব্রিটিশ শাসনামলের অনেক অজানা অধ্যায় উঠে এসেছে। গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন-প্রবীণ সাংবাদিক ও গবেষক মতিয়ার চৌধুরী, সম্পদনা পর্ষদের সদস্যরা হলেন-লেখক সাংবাদিক শাহ আতিকুল হক কামালী, কবি সাংবাদিক মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, লেখক গবেষক সামসুল আমিন, সংগঠক জার্নেল চৌধুরী, সাংবাদিক গীতিকার মুজিবুর রহমান মুজিব, লেখক গবেষক রত্নদীপ দাস রাজু।

    এতে লিখেছেন-সিলেটের প্রবীণ সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক সিলেট জেলা প্রেসক্লাব ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশন ইমজা‘র সাবেক সভাপতি আল আজাদ, প্রকৌশলী ও বহুগ্রন্থ প্রণেতা শ্রীচৈতন্য গবেষণা কেন্দ্রের সম্পাদক মনোজ বিকাশ দেবরায়, সিলেটের শতবর্ষী ব্যক্তিত্ব মুকুন্দ্র চন্দ্র দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাস, কবি গল্পকার ও শিশু সাহিত্যিক পৃথৃীশ চক্রবর্তি। গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. শরদিন্দু ভট্টাচার্য। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে সিলেটের স্বনাম খ্যাত প্রকাশনী গাঁঙুড় প্রকাশন, প্রকাশক অসীম সরকার।

  • চীন সফরে যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল

    চীন সফরে যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল

    চীন সফরে যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল

    চীন সরকারের আমন্ত্রণে উচ্চপর্যায়ের সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি প্রতিনিধিদল। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আগামী ১১ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত চীন সফর করবে। বুধবার (৯ জুলাই) জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ঢাকাস্থ চায়না দূতাবাসে জামায়াত নেতাদের সম্মানে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চীনা কর্তৃপক্ষ। সেখানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সংবর্ধনায় জামায়াতের আমির ছাড়াও অংশ নেন, নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম, মাওলানা আবদুল হালিম, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন ও মোবারক হোসাইন, শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি ডা. আনোয়ারুল আজিম, আমিরে জামায়াতের পিএস নজরুল ইসলাম, ওমর হাসিব শফিউল্লাহ ও নওশাদ আলী ফরহাদ প্রমুখ। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই সফরকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়ে বলেন, সফরে চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে আলোচনা হবে, যা ‘জামায়াত এবং বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ’। এটা দল হিসেবে জামায়াত ইসলামীর দ্বিতীয় চীন সফর বলে জানান গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, চীনের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিকে কেন্দ্র করে চীন সরকার জামায়াতের এই প্রতিনিধি দলকে আমন্ত্রণ জনিয়েছে। এর আগে গত বছরের সেটেম্বরে জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবিরের ১০ জন নেতাসহ আরও ৪টি ইসলামী দলের একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে করেন। ১৪ সদস্যের এই দলের নেতৃত্ব দেবেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। এদিকে, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে গত মাসে বিএনপির একটি বৃহৎ প্রতিনিধি দল দেশটি সফর করে। চলতি বছরের শুরুতে বিএনপির আরও দুটি প্রতিনিধি দল চীন সফর করে।

  • প্রবল বর্ষণে বেনাপোল স্থলবন্দরে জলাবদ্ধতা ॥ ব্যাহত বন্দরের কার্যক্রম

    প্রবল বর্ষণে বেনাপোল স্থলবন্দরে জলাবদ্ধতা ॥ ব্যাহত বন্দরের কার্যক্রম

    প্রবল বর্ষণে বেনাপোল স্থলবন্দরে জলাবদ্ধতা ॥ ব্যাহত বন্দরের কার্যক্রম

    প্রবল বর্ষণে বেনাপোল স্থলবন্দরে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ব্যাহত হচ্ছে বন্দরের সকল কার্যক্রম। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকা ও অপরিকল্পিত উন্নয়নে জলাবদ্ধতার তৈরি হচ্ছে বেনাপোল স্থলবন্দরে। ফলে কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড ও গুদামে হাঁটুপানি জমে থাকায় পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রমে বিপর্যয় নেমে এসেছে। এই অবস্থায় কয়েকটি প্রবেশগেট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, রেল কর্তৃপক্ষ কালভার্ট না রেখে মাটি ভরাট করায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টিপাত হলেই বন্দর এলাকার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এর ফলে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং নিরাপত্তাকর্মীদের চলাফেরাও দুরূহ হয়ে পড়ে। এমনকি কোথাও কোথাও কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি জমে থাকায় শ্রমিকদের মধ্যে চর্মরোগসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। বন্দরের একটি ইয়ার্ড প্রথম দেখায় জলাশয় মনে হলেও সেটি মূলত চ্যাটিজ টার্মিনাল, যেখানে ট্রাক পার্কিং ও আমদানি পণ্য খালাস হয়। বেনাপোল বন্দরে বছরে ২২ থেকে ২৪ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়। এসব পণ্য সংরক্ষণে রয়েছে ৩৩টি শেড ও তিনটি ওপেন ইয়ার্ড, একটি ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড। কিন্তু অধিকাংশ অবকাঠামোই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া তৈরি হওয়ায় বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বন্দর সড়কের উচ্চতার চেয়ে গুদামগুলো নিচু হওয়ায় পানির স্বাভাবিক নিষ্কাশন সম্ভব হয় না। ফলে পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে এবং কর্মীদের চলাফেরায় ভোগান্তি বাড়ছে। এ নিয়ে একাধিকবার ব্যবসায়ীরা বন্দরের কাছে অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বন্দরে আগে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কেমিকেলসামগ্রী এখনো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে, যা বৃষ্টির পানিতে মিশে শ্রমিকদের চর্মরোগে আক্রান্ত করছে। বন্দর শ্রমিকরা জানান, প্রতিদিন হাঁটুপানির মধ্য দিয়ে কাজ করতে গিয়ে চুলকানি ও নানা অসুস্থতায় পড়তে হচ্ছে। পণ্যবাহী ট্রাকের চালকেরাও একই অভিযোগ করেছেন। বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক মামুন কবীর তরফদার জানান, রেল কর্তৃপক্ষ কালভার্ট না রেখে রেললাইন সম্প্রসারণের জন্য মাটি ভরাট করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • ‘করুণ পরিণতির’ মুখোমুখি হবে ইসরায়েল- আয়াতুল্লাহ খামেনি

    ‘করুণ পরিণতির’ মুখোমুখি হবে ইসরায়েল- আয়াতুল্লাহ খামেনি

    ইরানে ইসরায়েলি হামলার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি বলেছেন, এই হামলা ইসরায়েলের ‘বর্বর স্বভাবের প্রমাণ’। ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল নিজেই নিজের জন্য একটি করুণ পরিণতির পথ তৈরি করেছে, যার ফলাফল তারা নিশ্চিতভাবেই ভোগ করবে।’ এদিকে, ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানাতে আহ্বান জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই হামলা ‘বিশ্ব নিরাপত্তাকে অভূতপূর্ব হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে’। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যাকে তারা ইসরায়েলের প্রধান সমর্থক বলে অভিহিত করে এই হামলার পরিণতির জন্য দায়ী থাকবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগে বলেছিল যে, তারা এই হামলায় জড়িত ছিল না। শুক্রবার ভোর থেকে শুরু করে কয়েক দফায় ইসরায়েল ইরানের অন্তত ছয়টি স্থানে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। তেল আবিবের এক সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা শতাধিক হামলা চালিয়েছেন, নিশানায় ছিল অন্তত ৮টি স্থান। ইরানের একাধিক পারমাণবিক স্থাপনা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাসহ বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় তেল আবিবের হামলার ‘কঠোর জবাব’ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে তেহরানের একটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের মুখপাত্র আবুলফজল শেখারচি বলেন, ‘এ হামলার জবাব অবশ্যই ইরানি সশস্ত্র বাহিনী দেবে। ইসরায়েলকে তার হামলার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর জবাবের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এদিকে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র রয়টার্সকে বলেছে, ইসরায়েলের হামলার জবাব হবে কঠোর ও ফলাফল নির্ণায়ক।

  • ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান বাঘেরি ইসরায়েলি হামলায় নিহত

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান বাঘেরি ইসরায়েলি হামলায় নিহত

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান বাঘেরি ইসরায়েলি হামলায় নিহত

    ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরিসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা এবং বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইএনএন শুক্রবার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরির নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে। এর আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ জেনারেল হোসেইন সালামির নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। সালামি তেহরানে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সদরদপ্তরে হামলায় নিহত হন। ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক কর্মসূচিতে জড়িত থাকায় ২০০০ সাল থেকে তার ওপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। ১৯৮০ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় প্রথম বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে যোগ দেন সালামি। বাহিনীতে তার নেতৃত্বের সময়কালেই গত বছর ইরান ইসরায়েলের উপর প্রথমবারের মতো সরাসরি সামরিক হামলা চালায়। তিনশর বেশি ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল ওই হামলায়। ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে একদিন আগেই সালামি বলেছিলেন, ‘যে কোনো পরিস্থিতির জন্য’ তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোররাত ৪টার পর ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা এবং সামরিক কমান্ডারদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা শুরু হয়। তেল আবিব বলছে, তেহরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে একটি দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের শুরু হিসেবে এই হামলা চালাল তাদের সামরিক বাহিনী। এ অভিযানের নাম তারা দিয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’। তেল আবিব বলছে, তেহরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে একটি দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের শুরু হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের কমান্ডার গোলামালি রাশিদ, ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার সাবেক প্রধান ও পারমাণবিক বিজ্ঞানী ফেরেয়দুন আব্বাসি এবং পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে যুক্ত আরেক বিজ্ঞানী মোহাম্মদ মাহদি তেহরানচিও এ হামলায় নিহত হয়েছেন। বিবিসি লিখেছে, আব্বাসিকে ২০১০ সালে একবার হত্যার চেষ্টা হয়েছিল। সেই দফায় বেঁচে যান তিনি। নিহত অপর বিজ্ঞানী তেহরানচি তেহরানের ইসলামিক আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ছিলেন। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আলী শামখানি হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম। ইসরায়েলের এই হামলার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন খামেনি। তিনি বলেছেন, এই হামলা ইসরায়েলের ‘বর্বর স্বভাবের প্রমাণ’। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল নিজেই নিজের জন্য একটি করুণ পরিণতির পথ তৈরি করেছে, যার ফলাফল তারা নিশ্চিতভাবে ভোগ করবে।