Category: বগুড়া

  • বগুড়ায় সরকারি রাস্তায় বাঁশের খুটি পুতে জায়গা দখলের অভিযোগ

    বগুড়ায় সরকারি রাস্তায় বাঁশের খুটি পুতে জায়গা দখলের অভিযোগ

    বগুড়ায় সরকারি রাস্তায় বাঁশের খুটি পুতে জায়গা দখলের অভিযোগ

    বগুড়া সদর উপজেলার সাবগ্রাম হাটে সরকারি তেঁতুলতলা সড়কে বাঁশের খুটি পুতে জায়গা দখল করার অভিযোগ উঠেছে সিহাব উদ্দিন, মাহমুদুল হাসান ও জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে। তারা সবাই হাটের সড়ক সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করেন। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বগুড়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরারব একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন হাটের ইজারাদার মোঃ আব্দুল কাইয়ুম সরকার। দীর্ঘ সময় পার হলেও এটির কোন সমাধান হয়নি। এদিকে, রাস্তায় বাঁশের খুঁটি পুতে জায়গা দখলকারী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাবগ্রাম হাট পৌরসভার অন্তর্গত নয়। তারপরেও হাটের ইজারাদার জোরপূর্বক আমাদের বসতবাড়ী সংলগ্ন বাড়ীর জায়গার উপর এবং পৌরসভা সড়কের উপর অবৈধবভাবে হাট লাগিয়ে আমাদের বসতবাড়ির ক্ষতি করছে। ব্যক্তিগত জায়গায় হাট না বসানোর জন্য ২২ জুলাই/২৫ তারিখে বগুড়া পৌরসভায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। সরেজমিনে দেখা যায়, কাইয়ুম সরকার বাংলা ১৪৩১ সনে সাবগ্রাম হাট ও বাজার সরকারিভাবে ইজারা নেন।

    এই হাটের দক্ষিণ-পশ্চিপার্শ্বে একটি সড়ক রয়েছে। যেটি বগুড়া পৌরসভা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। প্রায় ১৯ ফিট প্রশস্তের এই সড়কে সরকারিভাবে ইটের সোলিং করা হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে হাটের দিনসহ প্রতিনিয়ত মানুষ চলাচল করে থাকেন। কিন্তু সম্প্রতি জোরপূর্বক টিনের ছাউনি ও বাঁশের খুটি পুতে সড়ক দখল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে করে সাধারণ মানুষের চলাচলসহ হাটের ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টি সাবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে মৌখিভাবে জানানো হয়েছে। পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। বগুড়া সাবগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দীন বলেন, হাটের সড়কে খুটি পুতে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ শুনেছি। যারা সড়কে খুটি পুতে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেছেন, তারা মোটেও ঠিক করে নি। এতে হাটের ক্ষতি হচ্ছে। যতদ্রুত সম্ভব উভয় পক্ষকে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

  • আদমদীঘিতে নাশকতা মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    আদমদীঘিতে নাশকতা মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    আদমদীঘিতে নাশকতা মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    বগুড়ার আদমদীঘিতে বিএনপি অফিসে হামলা, ভাঙচুর সংক্রান্ত নাশকতা মামলায় ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ভোলা (৪২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আমিরুল ইসলাম ভোলা আদমদীঘি উপজেলার উথরাইল গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। সে সান্তাহার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, বিগত ২০২৪ সালের ৪ আগষ্ট আদমদীঘিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আদমদীঘি সদরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত বিএনপির অফিসের সামনে ককটেল নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিএনপি অফিসে ঢুকে দরজা জানালা ভাংচুর, চেয়ার, আলমারী, ফ্যানসহ অন্যান্য আসবাবপত্র, শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিলা ও তারেক রহমানের ছবিতে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৫ আগষ্ট আওয়ামীলীগের ১২৫ জন নেতা-কর্মীদের নাম উল্লেখ-সহ অজ্ঞাত আরো ২৫০ জনের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইন তৎসহ বিস্ফোরক উপাদানবলী আইনে একটি মামলা হয়। এ মামলায় সোমবার বিকেলে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ভোলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আমিরুল ইসলাম ভোলাকে রোববার দুপুরে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • বগুড়ায় হঠাৎ বৃদ্ধি চালের দাম-বিপাকে স্বল্প আয়ের মানুষ

    বগুড়ায় হঠাৎ বৃদ্ধি চালের দাম-বিপাকে স্বল্প আয়ের মানুষ

    বগুড়ায় হঠাৎ বৃদ্ধি চালের দাম-বিপাকে স্বল্প আয়ের মানুষ

    বাম্পার ফলনের পরও বগুড়ায় চালের দাম বৃদ্ধি হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে বগুড়ার বাজারে হঠাৎ দাম বেড়েছে মোটা ও চিকন চালের। প্রকারভেদে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৫ টাকা। আর খুচরা বাজারে বেড়েছে ৭ থকে ৮ টাকা। আবার জাতভেদে কোনো কোনো চালের কেজি প্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পাইকারিতে চালের দাম বাড়ায় স্থানীয় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। এদিকে, হঠাৎ করে চালের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের মধ্যে সবজি ও ধান-চাল উৎপাদনকারী জেলা বগুড়া। বোরো মৌসুম শেষ হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ফসল ভালো হয়েছে। আবার ফসল নষ্টও হয়নি। তারপরও বগুড়ায় হঠাৎ চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সুযোগ বুঝে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও মিল মালিক ধান সংগ্রহ করে কৃত্রিম ভাবে চাল মজুদ করছেন। যার ফলে দাম বেড়ে যাচ্ছে খুচরা বাজারে। এদিকে, বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাইফুল কাবির খান জানান, চালের বাজার স্বাভাবিক রাখতে ওএমএস (খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রি) কর্মসূচি সচল রাখা হয়েছে। অবৈধ মজুত খুঁজে বের করতে জেলার বিভিন্ন মিল পরিদর্শন করা হচ্ছে। কোথাও অবৈধ মজুত পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া খুচরা বাজারে কেউ যদি দাম বাড়িয়ে বিক্রি করেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। বগুড়ায় বিভিন্ন চালের বাজারে কাটারি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, শুভলতা ৬২ থেকে ৬৪ টাকা, ব্রি আর-২৮ চাল ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা এবং স্বর্ণা-৫ জাতের চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, রঞ্জিত ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। উল্লেখ্য, এবছর অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ ২০২৫ মৌসুমের আওতায় সরকারি প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহ মূল্য ৩৬ টাকা, প্রতি কেজি সিদ্ধ চালের সংগ্রহ মূল্য ৪৯ টাকা, প্রতি কেজি আতপ চালের মূল্য ৪৮ টাকা।

  • বগুড়ায় আওয়ামী দোসরের বিরুদ্ধে ইটভাটা ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

    বগুড়ায় আওয়ামী দোসরের বিরুদ্ধে ইটভাটা ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

    ইট ভাটা ও সম্পত্তি আত্নসাতের অভিযোগ

    বগুড়ায় আওয়ামী দোসরের বিরুদ্ধে ইটভাটা ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

    লিজ নেয়া ইট ভাটা ও সম্পত্তি আত্নসাতের অপচেষ্টার প্রতিবাদে বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম থানার রসুলগঞ্জ গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের স্ত্রী আকিমা আক্তারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার পক্ষে রুনা লায়লা। বুধবার দুপুরে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, বগুড়া জেলার সোনাতলা থানার মধ্যদিঘলকান্দি গ্রামের দানেজ উদ্দিন মন্ডল ও তার অংশীদারদের নিকট থেকে পরিত্যক্ত এমএমবি নামের একটি ইটভাটা লিজ নিয়ে ২০১৪-২০১৫ মওসুম থেকে ২০১৯-২০ দুই মেয়াদে ৬ বছর পরিচালনাকালে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বগুড়া জেলার সোনাতলা থানার নওদাবগা গ্রামের নজরুল ইসলামের পুত্র আজিমুল হকের সাথে ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ মওসুম পর্যন্ত যৌথব্যবসায় চুক্তিবদ্ধ হই। ইটভাটা পরিচালনায় আমার পক্ষে আমার বড় জামাতা ও বড় ছেলেকে দায়িত্ব দেই। এমন অবস্থায় উক্ত আজিমুল হক আমার পুর্বের কিছু পাওনাদারদের দ্বারা আমার জামাতা ও ছেলেকে বিভিন্নভাবে হয়রানী, শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এক পর্যায়ে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সহায়তায় আমার জামাতা ও ছেলেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ইটভাটা এলাকা থেকে তাড়িয়ে দিয়ে কাগজপত্র হাতিয়ে নেয়। আমি আয় ব্যয়ের হিসাব চাইলে গড়িমসি করে। ব্যবসায় ৫ বছরে আনুমানিক চুক্তি মোতাবেক ৩৫ শতাংশ লাভ হিসেবে পাওনা ৮৫ লক্ষ টাকাসহ মোট পাওনা দাঁড়ায় ১ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা। তার মধ্যে থানা পুলিশের সহায়তায় সে ১৯ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উক্ত আজিমুল আওয়ামী দোসর। সে সোনাতলা-সারিয়াকান্দি আসনের তৎকালীন এমপি শাহাদারা মান্নান এবং তার ছোট ভাই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লীটনের ক্যাডার। তার নামে চাদাবাজি, জমি দখল, বালু দস্যুতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। সে এলাকার কুখ্যাত গরু চোর আব্দুর রাজ্জাকের সহায়তাকারী এবং মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তার নামে সংবাদপত্রে অনেক সংবাদ প্রকাশ হলেও প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বর্তমানে সে আমার পাওনা পরিশোধে পড়িমসি করছে। আমি জায়গা জমি বিক্রি করে নিঃস্ব। এ ব্যাপারে আমি প্রশাসনের নিকট পাওনা আদায়ে সহযোগিতা কামনা করছি। এসময় স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বগুড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১১টি অস্ত্রসহ আটক-৫

    বগুড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১১টি অস্ত্রসহ আটক-৫

    বগুড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১১টি অস্ত্রসহ আটক-৫

    বগুড়ার সেউজগাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১১টি দেশীয় অস্ত্র, মাদক ও সেবন সামগ্রীসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার সদর সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন মো. সাজ্জাদ রায়হান আকাশের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায়। আটককৃতরা হচ্ছে, বগুড়া শহরের চক সূত্রাপুর জহুরুল পাড়া এলাকার আব্দুল মোতালেবের ছেলে মো. ফেরদৌস (৪৫), সেউজগাড়ি পালপাড়া এলাকার মৃত সালাউদ্দিনের ছেলে আলম আকন্দ (৪৫), চক সূত্রাপুর এলাকার সিরাজ শেখের ছেলে মো. শাওন শেখ (২৭), সেউজগাড়ি পালপাড়া এলাকার আলম আকন্দের স্ত্রী মোছা. তাসলিমা বেগম (৩৭) ও আলম আকন্দের মেয়ে আইরিন আক্তার সোনালী। এদের মধ্যে আলম আকন্দ ও তাসলিমা বেগম বগুড়ার আলোচিত তুফান সরকারের শ্বশুর-শাশুড়ি। অভিযানকালে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১১টি দেশীয় অস্ত্র, একটি বার্মিজ চাকু, ১৫ বোতল ফেনসিডিল, ২০০ গ্রাম গাঁজা, গাঁজা সেবনের সরঞ্জাম এবং বিপুল পরিমাণ খালি ফেনসিডিলের বোতল উদ্ধার করা হয়। নগুড়া সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন মো. সাজ্জাদ রায়হান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদকের সরঞ্জামসহ বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • বগুড়ায় শ্বশুর ও পুত্রবধূকে হাত-পা বেঁধে হত্যাকান্ড

    বগুড়ায় শ্বশুর ও পুত্রবধূকে হাত-পা বেঁধে হত্যাকান্ড

    বগুড়ায় শ্বশুর ও পুত্রবধূকে হাত-পা বেঁধে হত্যাকান্ড

    বগুড়ায় দুপচাঁচিয়ায় এক ব্যক্তি ও তার ছেলের বউকে হত্যা করা হয়েছে। নিহতরা হলেন, লক্ষ্মীমণ্ডপ গ্রামের পানা উল্লাহা প্রামাণিকের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আফতাব হোসেন (৭০) এবং সৌদি আরব প্রবাসী শাহজাহানের স্ত্রী রিভা (২৮)। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার জিয়ানগর ইউনিয়নের লক্ষ্মীমণ্ডপ গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান জানান। স্থানীয়রা জানায়, আফতাব হোসেনের দুই ছেলে এবং দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে শাহজাহান বেশ কয়েক বছর ধরে সৌদি প্রবাসী। তার স্ত্রী রিভা, ছেলে নীরব এবং মেয়ে পাঁচ বছরের মেয়ে মালিহাকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতেই থাকতেন। আফতাবের ছোট ছেলে থাকেন ঢাকায়। মঙ্গলবার রাতে আফতাব তার ঘরে এবং রিভা তার মেয়েকে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। সকালে মালিহা তার পাশে হাত বাঁধা এবং গলায় ফাঁস অবস্থায় তার মাকে পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীদের খবর দেন। পরে এলাকাবাসী এসে ঘরের বাইরে গিয়ে আফতাবকেও হাত বাঁধা ও গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। রিভার ঘরের আসবাবপত্রগুলো তছনছ অবস্থায় পড়ে ছিল। দুর্বৃত্তরা কয়েক লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে। তবে কি কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকান্ডের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

  • ৬ দফা দাবিতে বগুড়ায় স্বাস্থ্য সহকারীদের ‘অবস্থান কর্মসূচি’

    ৬ দফা দাবিতে বগুড়ায় স্বাস্থ্য সহকারীদের ‘অবস্থান কর্মসূচি’

    ৬ দফা দাবিতে বগুড়ায় স্বাস্থ্য সহকারীদের ‘অবস্থান কর্মসূচি’

    নিয়োগবিধি সংশোধ করে চাকরিতে ১৪তম গ্রেড ও ‘টেকনিক্যাল পদমর্যাদা’ দেওয়াসহ ছয় দাবিতে বগুড়ায় অবস্থান কর্মসূচি ও কর্মবিরতি পালন করেছেন স্বাস্থ্য সহকারীরা। মঙ্গলবার সকালে বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ হেলথ এ্যাসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন বগুড়া সদর শাখা এ অবস্থান কর্মসূচীর আয়োজন করে। তাদের কর্মসূচী সকাল ৮ টা থেকে ১০ পর্যন্ত চলে। অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মাসুদ রব্বানী, সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম, সদর উপজেলা সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আল রাহিসান, সমন্বয়ক আজম উদ্দিন, স্বাস্থ্য সহকারী শ্যাম সুন্দর, আলী আহসান, আতিকুর রহমান, মাইনুল হাসান, এনায়েতুল্লাহ খান, রিয়াজুল, সানজিদা আকতার, রাজিয়া খাতুন, সুরভীসহ অন্যরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের সাফল্যের পেছনের মূল কারিগর স্বাস্থ্য সহকারীরা। এদের বেতন ১৬তম গ্রেড দিয়ে শুরু হয়। ১০-১৫ বছরে প্রমোশন হলেও বেতন কাঠামোর কোনো পরিবর্তন হয় না। আমরা টেকনিক্যাল কাজ করি, কিন্তু আমাদের গ্রেড দিয়েছে নন-টেকনিক্যাল। এতে আমরা চরম বৈষম্যের শিকার। তারা আরও বলেন, বিভিন্ন সরকারের সময়ে টেকনিক্যাল পদমর্যাদা সহ বেতন স্কেল উন্নতির জন্য স্বাস্থ্য সহকারীরা আন্দোলন করলেও তা প্রতিশ্রুতি এবং আশ্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে দেশে প্রায় ২৬ হাজার স্বাস্থ্য সহকারী আছেন। তারা শিশু, গর্ভবর্তী নারী ও কিশোরীদের টিকাদান এবং কমিউনিটি ক্লিনিকে কাজ করেন। দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনরত স্বাস্থ্য সহকারীরা।

  • বগুড়ার যুবলীগ নেতা মতিন সরকার গ্রেপ্তার

    বগুড়ার যুবলীগ নেতা মতিন সরকার গ্রেপ্তার

    বগুড়ার যুবলীগ নেতা মতিন সরকার গ্রেপ্তার

    হত্যাসহ বিভিন্ন মামলার আসামি বগুড়ার যুবলীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর আবদুল মতিন সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। ঢাকার মোহাম্মদপুর বসিলা এলাকা থেকে শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার জানিয়েছেন। গ্রেপ্তার আবদুল মতিন সরকার বগুড়া শহর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর এলাকার মজিবর রহমান সরকারের ছেলে। ওসি সাংবাদিকদেও জানান, মতিন সরকারের বিরুদ্ধে ডজন খানেক হত্যা মামলা ছাড়াও অস্ত্র, মাদক আইনেও একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি দশ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। গত ৫ আগস্টের পর তার বিরুদ্ধে নতুন করে একাধিক হত্যা মামলা দায়ের হয়। এরপর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদে ভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। আব্দুল মতিন সরকারকে রোববার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • বগুড়ায় কৃষকদের নিয়ে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস

    বগুড়ায় কৃষকদের নিয়ে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস

    বগুড়ায় কৃষকদের নিয়ে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস

    বগুড়ার কাহালু উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কৃষকদের নিয়ে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস ও কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা অডিটোরিয়ামে কাহালু উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের নিয়ে এ পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসের আয়োজন করে। কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাওছার হাবীব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়ার উপ-পরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিটরিং অফিসার মাসুদ আহমেদ, কাহালু উপজেলা কৃষি অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস, অতিরিক্ত উপপরিচালক মোঃ এখলাস হোসেন সরকার, কৃষি কর্মকর্তা মীর কাশিম আলী, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নূর নবী, প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ মাশরুবা আলমসহ পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস কৃষক/কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তারা, ফসলের বহুমুখী করণ, আধুনিক উচ্চ ফলনশীল ধান উৎপাদন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, উত্তম কৃষি চর্চা, টেকসই পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে পার্টনার ফিল্ড স্কুলের ৩৫ জন সদস্য ও ৩৫ জন সাধারণ কৃষক-কৃষানী, সাংবাদিক, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, এনজিও কর্মী এবং কৃষি অফিসের কর্মকর্তা সহ মোট ১’শ জন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কাহালু উপজেলা চত্ত্বরে ফল মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কাওছার হাবীব। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসসহ কৃষি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বগুড়ায় সেনা অভিযানে মাদক-অস্ত্র উদ্ধার ॥ নারীসহ আটক-৯

    বগুড়ায় সেনা অভিযানে মাদক-অস্ত্র উদ্ধার ॥ নারীসহ আটক-৯

    বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর হরিজন কলোনিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার অভিযানে ২ কিলোমিটার এলাকার শতাধিক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র ও টাকা উদ্ধার করা হয়। এ সময় একজন নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ ৯ জনকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন-শহরের চকসূত্রাপুর চামড়াপট্টির শামসুল হক চঞ্চল, মুকুল ইসলাম, আল আমিন, নূর মোহাম্মদ মন্টি, হালিম ইসলাম, সালাম, মিরাজুল শেখ, মো. অপু ও মোসা. হেনা। উদ্ধার হওয়া মাদক ও অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে, ২ হাজার ২০০ বোতল বাংলা মদ, সাড়ে পাঁচ কেজি গাঁজা, ১৪ পুরিয়া হেরোইন, মাদক বিক্রির ৮৫ হাজার ৩২৭ টাকা, ছয়টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, চারটি বাটন ফোন, একটি ক্যামেরা, ছয়টি রামদা, চারটি চাকু ও একটি হাঁসুয়া। অভিযান সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনীর বগুড়া সদর ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন জানে আলম সাদিফ ও লেফটেন্যান্ট আল ফাহাদ সানির তত্ত্বাবধানে কয়েক ধাপে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ওই এলাকার প্রায় প্রতিটি বাড়ি থেকেই কমবেশি মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা বাড়িতে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সেনাসদস্যরা তালা ভেঙে উদ্ধার করেন মাদকদ্রব্য। এরপর উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য ও আটকদের বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
    বগুড়া সদর থানার ওসি হাসান বাসির সাংবাদিকদের জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদ্রকদ্রব্য উদ্ধার হওয়ায় শহরের বাসিন্দাদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।