Category: ধর্ম

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা উদযাপিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা উদযাপিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা উদযাপিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারী) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে “বাণী অর্চনা” কে সামনে রেখে এক আলোচনা সভা ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সরস্বতী পূজা কমিটির আহ্বায়ক প্রকাশ চন্দ্র শীল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবদুল ওদুদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার রায়, মার্কেন্টাইলস্ ব্যাংকের ম্যানেজার (অপারেশন) বিপুল কুমার পাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বিদ্যাদেবী সরস্বতীর কৃপা লাভের আশায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঘরে ঘরে পূজার আয়োজন করা হয়। সকালে পূজা শেষে ভক্তরা অঞ্জলি প্রদান করেন এবং প্রসাদ বিতরণ করা হয়। সরস্বতী পূজা উপলক্ষে অনেক স্থানে শিশুদের হাতেখড়ির মধ্য দিয়ে বিদ্যাচর্চার সূচনা করা হয়। পূজার আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াও আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যারতি ও আলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়।

  • শ্যামাপূজা ও শুভ দীপাবলি উৎসব

    শ্যামাপূজা ও শুভ দীপাবলি উৎসব

    অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভ শক্তির বিজয়ের প্রত্যয়ে সোমবার (২০ অক্টোবর) পালিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা (কালীপূজা) ও দীপাবলি উৎসব। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। দুর্গা ও কালীপূজার মধ্যে বিশেষ পার্থক্য হলো, দুর্গা অন্নদাত্রী উর্বরা শক্তির দেবী। অপরদিকে, কালী ঘূর্ণি প্রলয়ের দেবী। বলা হয়ে থাকে, কালী দুর্গার ললাট থেকে উৎপন্না, অর্থাৎ ললাটের সংকোচনেই ক্রোধভাবে প্রকাশিত হয় বলে কালী সদা ক্রোধান্বিত। বাস্তবিক কালি দুর্গারই রূপান্তর বিশেষ। শাস্ত্রমতে দেবী কালীর ১১টি রূপের আলাদা আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। কালীপূজার এই আরাধনাকে শ্যমাপূজো বা মহানিশি পূজাও বলা হয়। পূজা উপলক্ষে মন্দিরগুলো সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কালীপূজাতে গৃহে বা মন্ডপে মৃন্ময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। তাই বিভিন্ন অঞ্চলে শ্মশানে মহাধুমধামসহ শ্মশানকালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশের অনেক এলাকায় মন্ডপে বেশ ঘটা করে শ্যামাপূজা হয়।

  • শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে-রাজশাহী জেলা প্রশাসক

    শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে-রাজশাহী জেলা প্রশাসক

    শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে-রাজশাহী জেলা প্রশাসক

    রাজশাহীতে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় এই উৎসব এবার জেলাজুড়ে মোট ৪৬২টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৩৮২টি মণ্ডপ গ্রামীণ এলাকায় এবং ৮০টি মণ্ডপ মহানগরে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে পূজা শুরু হবে এবং মহাদশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হবে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার। তিনি বলেন, “শারদীয় দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রাণের উৎসব। প্রতিটি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ এখন জোরেশোরে চলছে। পূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান, পূজা চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ, আনসার এবং র‌্যাবের টহল থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে এবং স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হবে। সভায় রাজশাহী হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য, বিভিন্ন উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিমাশিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

  • শুরু হিজরি নতুন বছর ॥ ৬ জুলাই পবিত্র আশুরা

    শুরু হিজরি নতুন বছর ॥ ৬ জুলাই পবিত্র আশুরা

    দেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে শুক্রবার (২৭ জুন) থেকে মহররম মাস গণনা শুরু হচ্ছে। এ হিসাবে পবিত্র আশুরা পালিত হবে আগামী ৬ জুলাই। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সভা কক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মহররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে নিশ্চিত করা হয় যে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন একই পরিবারের ৪ সদস্য

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন একই পরিবারের ৪ সদস্য

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পরিবারের ৪ সদস্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। রোববার দিবাগত রাত ১১টায় নও মুসলিম ওই ৪জন ইসলাম ধর্মের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজ ইচ্ছায় শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট বাগদূর্গাপুর মাঠে অনুষ্ঠিত তাফসির মাহফিলে মুফতি আমির হামজার কাছে কালিমা পাঠ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী ওই ৪জন মোবারকপুর ইউনিয়নের নিরালা গুচ্ছগ্রামের আগের নাম শ্রী অসিৎ শীল, তাঁর বড় ছেলে শ্রী জয় শীল, ছোট ছেলে শ্রী বিজয় শীল ও মেয়ে শ্রীমতি বৃষ্টি শীল।

    ইসলাম গ্রহণ করার পর শ্রী অসিৎ শীলের বর্তমান নাম মো. আব্দুর রহমান (৩৮), বড় ছেলে শ্রী জয় শীলের বর্তমান নাম মো. হুজাইফা (১৯), ছোট ছেলে শ্রী বিজয় শীলের বর্তমান নাম মো. খালিদুর রহমান (১৬) ও মেয়ে শ্রীমতি বৃষ্টি শীলের বর্তমান নাম মোসা. আয়েশা সিদ্দিকা (১১)। মো. আব্দুর রহমান জানান, আমি হিন্দু ধর্মাবলম্বী পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও অনেকদিন থেকে ইসলাম ধর্ম আমাকে ভালো লেগেছে। আমি ইসলাম ধর্মগ্রহণ করবো বিষয়টি পরিবারের সাথে আলোচনা করেছি কয়েক বার। আমার পরিবারের ৬জন সদস্যের মধ্যে আমি, মা, স্ত্রী, ২ ছেলে ও এক মেয়ে। তাদের সাথে আলোচনা করেছি। আমার মা ও স্ত্রী ছাড়া আমি ও আমার ২ ছেলে ও এক মেয়ে আমার সাথে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। আমি আমার সন্তানদের জোরপূর্বক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বলিনি। সন্তানদের ইচ্ছায় তারা আমার সাথে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। তিনি আরো বলেন, আমি আমার স্ত্রী ও মা কে অনেক বুঝিয়েছি। তাঁরা আমার সাথে আসেনি। আশা করছি আল্লাহর রহমতে তারাও ইসলামের পথে আসবে। তিনি বলেন, ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম। এই ধর্ম একমাত্র মুক্তি দিতে পারে। তাই আমি ও আমার ৩ সন্তান ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। আপনাদের সকলের দোয়া ও আন্তরিক সহযোগিতা চাইছি।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন পুজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন রাজশাহীস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার শ্রী মনোজ কুমার। শনিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে আসেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার ও সার্বজনীন পুজা কমিটির সহযোগিতায় তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ মন্দিরে ২২ পুতুল পুজা মন্ডপ পরিদর্শণ করেন।

    পরে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার শিবতলায় চরজোত প্রতাপ দূর্গামাতা ঠাকুরানী মন্দিরে পুজা মন্ডপ, জোতপ্রতাপ সবুজ সংঘ মোড়স্থ পূজা মন্ডপ এবং জেলা শহরের ওয়ালটন মোড়স্থ সুরেন্দ্রনাথ সিংহের ছোট টাকুরবাড়ি মন্দির পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শণকালে তিনি পুজা অর্চণা করেন ও তিনি দেবী দূর্গা’র প্রতি ভক্তি নিবেদন করেন। ফুল, চন্দন ও ধান-দূর্বা দিয়ে সহকারী হাই কমিশনার শ্রী মনোজ কুমারকে বরণ করেন মন্দিরের পুরোহিত শ্রী সুবোধ পান্ডে। এসময় সনাতন ধর্মবলম্বীদের খোঁজ-খবর নেন এবং কুশল বিনিময় করেন।

    এসময় তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মন্দির কমিটি ও পূজা উদযাপন পরিষদ। বিভিন্ন পুজা মন্ডপ পরিদর্শন করে রাজশাহীস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার শ্রী মনোজ কুমার সন্তোষ প্রকাশ করেন। সহকারী হাই কমিশনার শ্রী মনোজ কুমার বলেন, ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে। তিনি সকলের সুখ-শান্তি কামনা করেন।

    এসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ, চেম্বারের সাবেক পরিচালক মোঃ আব্দুল আওয়াল, বাহরাম আলীসহ পরিচালকগণ, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চাটার্জি, যুগ্ম সম্পাদক পলাশ, চরজোতপ্রতাপ দুর্গা মাতা ঠাকুরানী মন্দির কমিটির সভাপতি বাসুদেব নন্দী,

    বিভিন্ন পুজা মন্ডপের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার শ্রী মনোজ কুমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার ভবনে এক মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নেন এবং চেম্বার সদস্যদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এসময় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ ব্র্হ্মাণ সংসদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নেতৃবৃন্দ, আইশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সম্প্রতির জাগ্রত চেতনাকে বিভাজন করা যাবে না-রিজভী

    সম্প্রতির জাগ্রত চেতনাকে বিভাজন করা যাবে না-রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সব ধর্মের যে মিলন-এটি যেনো কেউ বিনষ্ট করতে না পারে সেই বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। সম্প্রতির জাগ্রত চেতনাকে বিভাজন করা যাবে না। শনিবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে পূর্জা পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, শুধু মাত্র কতৃর্ত্ববাদী শাসন দীর্ঘায়িত করতে বিভাজনের রাজনীতি করেছে বিগত আওয়ামীলীগ সরকার। সম্প্রীতির আনন্দের মধ্যে যারা বিবেদ তৈরি করছে, তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এমনটা করছে।

  • টাঙ্গাইলে একই আঙিনায় ৫২ বছর ধরে চলছে নামাজ-পূজা

    টাঙ্গাইলে একই আঙিনায় ৫২ বছর ধরে চলছে নামাজ-পূজা

    টাঙ্গাইলে একই আঙিনায় ৫২ বছর ধরে চলছে নামাজ-পূজা

    টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় ৫২ বছর ধরে একই আঙিনায় রয়েছে মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ ও মন্দির। পাশাপাশি চলছে নামাজ ও পূজা। হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এটি। উপজেলার চৌধুরী বাড়ির আঙিনায় এভাবেই দেখা মেলে অসাম্প্রদায়িক বন্ধনের। জানা যায়, চৌধুরী বাড়িতে ৯২ বছর আগে বাংলা ১৩৩৯ সালে ওঝা ঠাকুর ও হরনাথ স্মৃতি কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দির প্রতিষ্ঠা করে শ্রী পরেশ চন্দ্র ও শৈলেশ চন্দ্র দাসয়ো। মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রায় ৪০ বছর পর একই আঙিনায় নির্মাণ করা হয় নাগরপুর চৌধুরী বাড়ি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। সরেজমিনে দেখা যায়, মন্দিরে চলছে পূজা-অর্চনা, উলুধ্বনি ও ঢাকের বাজনা। পূজারি ও দর্শনার্থীরা প্রতিমা দেখতে এবং পূজায় অংশ নিতে আসছেন। নির্ধারিত সময়ে আজান শুরু হওয়ার আগেই ঢাকঢোল, মাইক ও বক্সের বাজনা বন্ধ করে দেয়া হয়। মসজিদ থেকে ভেসে আসে আজানের সুর। এরপর মুসুল্লিরা আসতে শুরু করেন মসজিদে। নামাজ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর আবার বেজে ওঠে মন্দিরের ঢাকঢোলের বাজনা। স্থানীয় অনিল বলেন, আমরা ৫২ বছর ধেরে এখানে পূজা করছি। পাশাপাশি মসজিদ ও মন্দির। এতে আমাদের কোনো সমস্যা হয় না। মুসলিম ধর্মের মানুষ আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে। আমরাও নামাজ ও আজানের সময় পূজা বন্ধ রাখি। স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান সোহেল বলেন, আমি মসজিদ ও মন্দির জন্মের পর থেকেই দেখছি। সনাতন ধর্মের লোকজন এখানে পূজা করেন। এখানে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা তাদের সহযোগিতা করি। আমরা সবসময় লক্ষ্য রাখি যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। মন্দির কমিটির সভাপতি লিটন কুমার সাহা পোদ্দার বলেন, এই মন্দির বহু বছরের পুরোনো। পাশেই মসজিদ। হিন্দু-মুসলমান আমরা যার যার ধর্ম পালন করি। মুসলিম ভাইয়েরা আমাদের সহযোগিতা করেন। আজ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশা করি কখনো ঘটবেও না। এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) দীপ ভৌমিক জানান, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এর একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চৌধুরী বাড়ি। একই আঙিনায় মসজিদ ও মন্দির। তারা নামাজের সময় নামাজ আদায় করছে, পূজার সময় পূজা উদযাপন করছে।

  • শিবগঞ্জে সাংসদ শাহজাহান মিঞা’র পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

    শিবগঞ্জে সাংসদ শাহজাহান মিঞা’র পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

    শিবগঞ্জে সাংসদ শাহজাহান মিঞা’র পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দূর্গোৎসবের অষ্টমী চলাকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌরসভার ৯টি মন্দমন্দির পরির্শন করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাঃ শাহজাহান মিঞা। শুক্রবার বিকেলে পুজা মন্ডপ পরিদর্শণকালে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষদের সাথে শারদীয় দূর্গোৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    পরে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাঃ শাহজাহান মিঞা তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে পৌরসভার ৯ টি পুজামন্ডপে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিবগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাবেক পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক তসিকুল ইসলাম, সাবেক থানা যুবদলের সভাপতি আলি আহমদ বাবু, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাসার, সাবেক জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবানক হাফিজুর রহমান সুমন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম, পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী কমল কুমার সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা।

  • রহনপুরে বিএনপি নেতার পুজো মন্ডপ পরিদর্শন

    রহনপুরে বিএনপি নেতার পুজো মন্ডপ পরিদর্শন

    রহনপুরে বিএনপি নেতার পুজো মন্ডপ পরিদর্শন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে বিভিন্ন পুজোমন্ডপ পরিদর্শন করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আসাদুল্লাহ আহমদ। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত তিনি রহনপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন পুজামন্ডপে যান এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শারদীয় উৎসব এর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পরিদর্শন বহিতে স্বাক্ষর করেন। তিনি উপস্থিত সকলকে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান। পুজো উদযাপনে তিনি সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় তার সাথে বিএনপি ও অংগ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।