Blog

  • কানসাটে ভাতা ভোগীদের কার্ড তুলে দেন চেয়ারম্যান বেনাউল

    কানসাটে ভাতা ভোগীদের কার্ড তুলে দেন চেয়ারম্যান বেনাউল

    কানসাটে ভাতা ভোগীদের কার্ড তুলে দেন চেয়ারম্যান বেনাউল

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট ইউনিয়নে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড উপকার ভোগিদের মাঝে তুলে দেন কানসাট ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম। বুধবার প্রায় ৭০০টি কার্ড বিতরণ করা হয়। কানসাট ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নে একটি মানুষও না খেয়ে থাকবে না, একটি মানুষও চিকিৎসার অভাবে মারা যাবে না।” তিনি আরো জনান, কানসাট ইউনিয়ন পরিষদ আজ মডেল ইউনিয়নে পরিণত হয়েছে, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ সকল উন্নয়ন জনসাধারণকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমার জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যতদিন আমকে জীবিত রেখেছেন, ততদিন আপনাদের সেবা করতে পারি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কানসাট ইউপি আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • নাচোলে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন্স’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

    নাচোলে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন্স’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

    নাচোলে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন্স’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

    ♦ নাচোল প্রতিনিধি 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাচোল থানা পুলিশের আয়োজনে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন্স নেটওয়ার্কের উদ্যোগে নাচোল মহিলা কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আলোচনা সভা হয়। বুধবার কলেজের মিলনায়তনে নাচোল থানা পুলিশের আয়োজনে এমতবিনিময় সভা হয়। নাচোল মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ জনাব আশীষ কুমার চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনভনাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নারী শিশু ও বয়স্ক হেল্পডেক্স এর এএসআই লতিফা, নাচোল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল ওয়াহাবসহ অত্র কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ। বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক এর উদ্যোগে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বাল্য বিবাহ, নিরাপদ ইন্টারনেট প্রযুক্তির ব্যবহার, অপহরণ, প্রগতি নারী নির্যাতন, মাদক সেবন প্রতিরোধের বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা মুলক সভা এবং বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও সভা

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও সভা

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও সভা

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও আলোচনা সভা হয়েছে। ‘সবাই মিলে খেলা করি-মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি’ স্লোগানে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা হয়।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে বের র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। শেষে সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনসহ অন্যরা। র‌্যালী ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, আরডিসি মো. আনিসুর রহমান, ক্রীড়া সংগঠক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর শেখ ফরিদ সায়েম, জেলা ক্রীড়া অফিসের মো. জনিসহ বিভিন্ন বয়সী খেলোয়াড়রা অংশ নেয়।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়ার সলিল সমাধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়ার সলিল সমাধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়ার সলিল সমাধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া নামে ১ কিশোরীর সলিল সমাধি হয়েছে। নিহত কিশোরী সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি গ্রামের মোসা. রুনা খাতুন ও জালালউদ্দিনের ছেলে মোসা. রিয়া খাতুন (১৩)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাফফর হোসেন এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানায়, ৫ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর ২ টার দিকে এলাকার ৩ জন কিশোরী পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে। গোয়ালডুবি ঘাট এলাকায় গত বছর ব্যাপক ভাঙনের কবলে পড়ে নদীর তলদেশে গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়। ব্লক ও বস্তায় বালি ভরে ভাঙন ঠেকানো হয়। কিন্তু সে সব ব্লকও নদীতে তলিয়ে গেলে ছোটবড় গর্তের সৃষ্টি হয়। সেসব গভীর গর্তেই হটাৎ তলিয়ে যায় রিয়া। তবে ২ বান্ধবী কোনমতে উপরে উঠতে সক্ষম হয়। এ বিষয়ে ঘটনাস্থল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার এস.আই আশীষ সরকার জানান, রিয়া পদ্মায় গোসল করতে গিয়ে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হয় দুপুর ২ টার দিকে। স্থানীয়রা কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে রিয়াকে খোঁজার চেষ্টা করে। পরে রিয়াকে খুঁজে না পেলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে রিয়ার লাশ উদ্ধার করে। এসআই আশীষ সরকার আরও জানান, পরিবারের অভিযোগ না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। রাত সাড়ে ৯ টার দিকে রিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

  • পোরশার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া উত্তাল পূনর্ভবা এখন বালুচর

    পোরশার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া উত্তাল পূনর্ভবা এখন বালুচর

    পোরশার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া উত্তাল পূনর্ভবা এখন বালুচর

    নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর সীমান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া এক সময়ের উত্তাল পূনর্ভবা নাব্যতা হারিয়ে এখন বালুচরে পরিণত হয়েছে। ফলে খরা মৌসুমে এর তলদেশ যেমন খেলার মাঠ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তেমনি গরু ছাগলের চারন ভূমিতে পরিনত হয়েছে। নদীটিতে এক সময় ঢেউয়ের তালে চলাচল করতো অসংখ্য নৌকা, লঞ্চ, ষ্টিমার। মাঝিরা নৌকা নিয়ে ছুটে চলতো গোমস্তাপুর, রহনপুর, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসা কেন্দ্রগুলোতে। ওইসব উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠা বড়বড় হাট বাজার ও ব্যবসা কেন্দ্রগুলিতে ধান, পাট, আলু, বেগুন, সরিষা, কালাই, গমসহ বিভিন্ন পন্য নিয়ে ব্যবসায়ীরা তাদের ছোট বড় নৌকায় পাল তুলে ছুটে চলতেন। শুধু পন্যই নয় হাটবাজার গুলিতে বিক্রির জন্য তারা নিয়ে যেতেন গরু, মহিষ, ছাগল ইত্যাদি। সে সময় পূনর্ভবা ছিল পূর্ন যৌবনা। তখনকার দিনে উপজেলার ব্যবসায়ীরা একমাত্র নদিপথ হিসাবে ব্যবহার করে তারা ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে জীবন জীবিকার শক্ত ভীত গড়ে তুলেছিল। শুধু হাটবাজার নয়, নদীটিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল অনেক জনপদ। এর পানি দিয়ে কৃষকরা দুই পাড়ের হাজার হাজার হেক্টর জমিতে সবুজ ফসল ফলাতো। ফলে ফসলে ভরে উঠতো মাঠের পর মাঠ। আবার ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতীর মাছের অফুরন্ত উৎস ছিল এই পূনর্ভবা। মাছ পাওয়া যেত সারা বছর ধরে। ফলে জীবিকার সন্ধানে নদী সংলগ্ন ও পাশের গ্রাম গুলিতে অসংখ্য জেলে পরিবারের বসতি গড়ে উঠেছিল। জীবিকার নির্বাহের জন্য জেলেরা রাতদিন ডিঙি নৌকায় জাল নিয়ে চষে বেড়াতেন মাছ ধরার জন্য। মাছ বিক্রি করে অসংখ্য জেলে পরিবারের সংসার চলতো। সময় গড়িয়ে চলার সথে সাথে সেই ভরা যৌবনা পূনর্ভবা এখন বালুচরে পরিণত হয়েছে। জেলে পরিবার গুলো হয়ে গেছে প্রায় বিলীন। পাড় গুলো হয়েছে কৃষি জমি। নদী গর্ভে জেগে উঠা চরে এলাকার শিশুরা খেলছে ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলা। এক সময়ের ব্যবসা বণিজ্যের উৎসগুলো হয়ে গেছে চিরতরে বন্ধ। থমকে গেছে নদী, নিভে গেছে বিপুল সম্ভবনা। নদী কেন্দ্রীক সম্ভবনাগুলো নিভে গেলেও কেউ কখনও এসব নিয়ে ভাবেনি। খরা মৌসুমে সরকারিভাবে নদীটি খননের পদক্ষেপ নেয়া হলে অন্তত বালুচরে পরিণত হতো না। তাছাড়া নদীটি কখনও খনন বা রক্ষণাবেক্ষনের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে নদীটি ফসলের জমিতে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর খরা মৌসুমে নদিটিতে পানি না থাকায় স্থানীয় ভাবে শ্যালো মেশিনের মাধ্যমে পানি উত্তেলন করে অনেকেই ধান চাষ করছেন। পুরাতন এই নদিটি খনন না করে এভাবে চলতে থাকলে এক সময়ের উত্তাল পূনর্ভবা মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে বলে বিশিষ্টজনরা মনে করছেন।

  • রহনপুরে সাংবাদিকদের কটুক্তি ॥ ক্ষমা শর্তে মুক্তি!

    রহনপুরে সাংবাদিকদের কটুক্তি ॥ ক্ষমা শর্তে মুক্তি!

    রহনপুরে সাংবাদিকদের কটুক্তি ॥ ক্ষমা শর্তে মুক্তি!

    ♦ গোমস্তাপুর প্রতিনিধি 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরে পূর্ণাঙ্গ রেলবন্দর বাস্তবায়ন দাবিতে গত শনিবার রহনপুর রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত তিন উপজেলার সাংবাদিকদের প্রতীকী অনশন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে কটুক্তির ঘটনায় অবশেষে ক্ষমা চেয়ে পার পেয়েছেন রহনপুর রেলস্টেশন এলাকায় রেলওয়ের জমির অন্যতম অবৈধ দখলদার সানোয়ার হোসেন। এর আগে মঙ্গলবার গোমস্তাপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের তিনটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গোমস্তাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের নিকট ক্ষমা চাওয়ার শর্তে তাঁকে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে মঙ্গলবার দুপুরে সে উপজেলার সিনিয়র সাংবাদিক উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজমের বাসায় গিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে আটক ৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে আটক ৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে আটক ৩

    পৃথক অভিযানে র‌্যাবের হাতে ২ জন আটক হয়েছে। র‌্যাব পৃথক প্রেসনোটে রাতে জানায়, র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকালে সদর থানার মেলার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মহারাজপুর ইউনিয়নের ভাগ্যবানপুর গ্রামের ফুরকান আলীর ছেলে মোশারফ হোসেন (২৪)কে ১৯২৪ পিস বিভিন্ন ধরনের সরকারী ওষুধসহ হাতে নাতে আটক করে। গ্রেফতারকৃত মোশাররফ একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারী বিপুল পরিমাণ ওষুধ মজুদ রেখে সাধারণ মানুষের কাছে চড়া দামে বিক্রি করতো। এছাড়াও র‌্যাব-৫ এর সদস্যরা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার দুপুরে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার রুহ-ফি-তাহমিন তৌকির। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, জেলার শিবগঞ্জ থানার বিরামপুর এলাকা হতে শিবগঞ্জ থানার ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মাম্যলার আসামী শিবগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর গ্রামের মৃত শান্ত মন্ডলের ছেলে মোঃ একবর আলী (৪৮)কে দুপুর ১টার দিকে আটক করে। সরকারী ঔষধসহ আটকের ঘটনায় সদর মডেল থানায় মামলা এবং বিষ্ফোরক মামলার আসামীকে শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যদিকে, গোমস্তাপুর থানার রহনপুর রেলষ্টেশন নুনগোলা কেডিসিপাড়া এলাকা থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল ও ২টি ওয়ান শুটারগানসহ অস্ত্র ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ৫ এর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা।

  • নাচোল থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৮

    নাচোল থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৮

    নাচোল থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৮

    নাচোল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরোয়ানা এবং নিয়মিত মামলার ৮ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পযর্ন্ত নাচোল উপজেলার থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, নাচোল উপজেলার মেঘডহর গ্রামের রফিজুল ইসলামের ছেলে জেনারুল ইসলাম (৪৯), ঐ গ্রামের জেনারুল ইসলামের স্ত্রী মেজেনুর বেগম, মৃত মোখলেছুর রহমানের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৪৮), মনিরুল ইসলামের স্ত্রী ফেন্সি বেগম (৪৫), মৃত আঃ করিমের ছেলে ফাইজুদ্দিন (৫৮), মৃত আলতাফ এর ছেলে জামিরুল ইসলাম (৪৫), লিটনের স্ত্রী রেখা (৩২)। এছাড়াও খিকটা গ্রামের পরমেশ্বর এর ছেলে শ্রী গোলাপ হাঁসদাসহ সকলকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত এসব আসামীর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি ছিল এবং বিভিন্ন অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার আসামী তারা। নাচোল থানার বিশেষ অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

  • র‌্যাবের হাতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাবের হাতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাবের হাতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক

    অস্ত্র পাচারের গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে গোমস্তাপুর থানার রহনপুর রেলষ্টেশন নুনগোলা কেডিসিপাড়া এলাকা থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল ও ২টি ওয়ান শুটারগানসহ এক অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ৫ এর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা। আটক অস্ত্র ব্যবসায়ী হচ্ছে, গোমস্তাপুর থানার রহনপুর রেলষ্টেশন নুনগোলা এলাকার মো. জুয়েলের ছেলে মোঃ সেলিম (৫০)। প্রেসনোটে র‌্যাব জানায়, ৫ এপ্রিল রাত্রী সাড়ে ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর রেলষ্টেশন সংলগ্ন নুনগোলা কেডিসি নামাজপাড়াস্থ এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করে র‌্যাবের মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল। এসময় একটি বিদেশী পিস্তল, দুইটি ওয়ান শুটারগান, দুইটি ম্যাগজিন, ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধারসহ অস্ত্র ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম কে গ্রেফতার করা হয়। আসামীর বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানায় মামলা করা হয়েছে।

  • কালের স্বাক্ষী নাচোলের ঐতিহাসিক আলী শাহপুর মসজিদ

    কালের স্বাক্ষী নাচোলের ঐতিহাসিক আলী শাহপুর মসজিদ

    কালের স্বাক্ষী নাচোলের ঐতিহাসিক আলী শাহপুর মসজিদ

    এক গম্বুজ বিশিষ্ট আলী শাহপুর মসজিদটি কালের সাক্ষী হিসাবে আজও দাঁড়িয়ে আছে। প্রায় ৫শত বছরের পুরনো এ প্রাচীন মসজিদটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউয়িনের ২নং ওয়ার্ডের আলী শাহপুর গ্রামে অবস্থিত। এ ঐতিহাসিক মসজিদটির কথা অধিকাংশ মানুষই জানে না। সরকারী বা বেসরকারীভাবে এ মসজিদটির ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির তথ্য উৎঘাটন বা সংরক্ষনের কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। মসজিদটি নাচোল উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০কিলোমিটার পশ্চিমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। মসজিদের দেওয়ালের প্রস্থ ৩ফুট। দেওয়াল অক্ষুন্ন রাখার বেস্টনীসহ এর প্রশস্থতা ৪২ইঞ্চি। মসজিদের চার কোনায় রয়েছে ৪টি বুরুজ। গম্বুজের চুড়ায় একটি মিনার আছে। উত্তর দক্ষিনে ২টি খিলান জানালা রয়েছে। দেওয়ালের চার কোনায় চারটি নাম রয়েছে। পশ্চিম দেওয়ালের ভিতরাংশের মধ্য স্থানে রয়েছে একটি ছোট খিলান মেহরাব। পূর্ব দেওয়ালের মধ্যে রয়েছে একটি খিলান দরজা। এ দরজার দু’পাশে রয়েছে ইস্টক অলংকরনে সজ্জিত দুটি দরজা। কাছ থেকে দেখে মনে হবে দরজা দুটি কাঠের এবং নানা নকশা অলংকরনে সজ্জিত যা সম্প্রতি বন্ধ করা হয়েছে বলে মনে হবে; কিন্ত প্রকৃত পক্ষে দরজার যাবতীয় অলংকরন ইটের এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ। মসজিদটি গৌড়িয়া ইট দ্বারা নির্মিত। মসজিদের ভিত্তি, দেওয়াল ও গম্বুজটি খিলানের উপরে স্থাপিত। ভিতর ও গম্বুজে বিচিত্র নকশা রয়েছে। মসজিদের বহিরাংশের দেওয়াল গাত্রে বিচিত্র মেরলন নকশা বিদ্যমান। এর চার কর্নারে চারটি বুরুজের উপর রয়েছে অপেক্ষাকৃত ছোট ছোট চারটি মিনার। কোন শিলালিপির চিহ্ন নেই। মসজিদের উত্তর পশ্চিম কর্নারে রয়েছে একটি পুকুর। এটি মুসল্লীরা ওজু ও গোসলের কাজে ব্যবহার করতো; কিন্ত নতুনভাবে সম্প্রসারন করায় মসজিদটির প্রকৃত অবয়ব পুরা অংশ ঢাকা পড়েছে। এ মসজিদের সঠিক ইতিহাস পাওয়া না গেলেও মসজিদের পুরাকীর্তির নিদর্শন দেখে সবাই মনে করেন এ মসজিদটি প্রায় ৫ শত বছর আগে নির্মিত। আবার কেউ কেউ মনে করেন ৬/৭ শত বছর আগে এ এলাকায় আলীশাহ নামক ধর্মপরায়ন এক ব্যক্তি ধর্ম প্রচারের জন্য এসে এই গ্রামে এ মসজিদটি নির্মান করেন। আর এ কারনেই তার নামানুসারেই গ্রামের নাম রাখা হয়। মসজিদটির দু’দাগে ৩৬ শতক জমি হযরত আলী শাহর নামে আর.এস রেকর্ডে রয়েছে বলে জানা গেছে। এ তথ্য হতে অনুমান করা যায় যে, হযরত আলীশাহ নামক কোন এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি এটি নির্মান করেন এবং তার নামানুসারে মসজিদ ও গ্রামটির নামকরন করা হয়। এলাকাবাসীরা আরো জানান, স্বাধীনতার আগে মসজিদটির আসে-পাশে বনজঙ্গলে ভরা ছিল। তখন এটিকে কেউ মসজিদ হিসাবে ব্যবহার করতো না। স্বাধীনতার পর নিকটবর্তী ফুরশেদ গ্রামের রসুল মিয়া (৭৫) নামক এক ব্যক্তি মসজিদটির সংস্কার করে তার ছেলেদের নিয়ে সর্বপ্রথম জুম্মার নামাজ আদায় করেন। পরে মসজিদটি স্থায়ীভাবে আরো সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়। বর্তমানে ওই গ্রামের জামে মসজিদ হিসাবে সেটি ব্যবহৃত হচ্ছে। মসজিদটির আধা কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে পীরপুকুর নামে একটি উঁচু ঢিবি ও পুকুরের অস্তিত্ব বিদ্যমান। ছোট এ ঢিবিটির উপর ও আশে-পাশে প্রচুর টুকরো টুকরো পাথর ও ইটের ভগ্নাংশ দেখতে পাওয়া যায়। স্থানটি প্রায় দেখতে জঙ্গালাকীর্ন। কালের বিবর্তনে অনেক ইতিহাস হারিয়ে গেছে। বহু প্রাসাদতুল্য ইমারত ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে; কিন্ত পবিত্র স্থানগুলি আজো কালের সাক্ষী হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। যা হোক, ব্যাপক গবেষনা, পর্যবেক্ষন, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করলে এর ইতিহাস একদিকে যেমন বেরিয়ে আসবে। অন্যদিকে, এ মসজিদটি নাচোল উপজেলার একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন ও পুরনো দিনের মুসলিম সভ্যতার পরিচায়ক হিসাবে খ্যাতি অর্জন করবে। তাই মসজিদটি সংস্কার ও সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরী বলে প্রত্নতাত্বিক বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার অভিজ্ঞ মহল।