Category: ঢাকা

  • জুলাই অভ্যুত্থানের বীরদের সুরক্ষায় সংসদে ‘দায়মুক্তি ও সন্ত্রাসবিরোধী’ বিল পাস

    জুলাই অভ্যুত্থানের বীরদের সুরক্ষায় সংসদে ‘দায়মুক্তি ও সন্ত্রাসবিরোধী’ বিল পাস

    জুলাই অভ্যুত্থানের বীরদের সুরক্ষায় সংসদে ‘দায়মুক্তি ও সন্ত্রাসবিরোধী’ বিল পাস

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে হওয়া সকল মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে ‘দায়মুক্তি বিল’ পাস হয়েছে। বুধবার (০৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ ২০২৬’ বিলটি উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়। এই ঐতিহাসিক বিলটি পাসের ফলে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকা যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কার্যধারা বাতিল হয়ে গেল। এর মাধ্যমে জুলাই যোদ্ধারা এখন থেকে সব ধরনের আইনি হয়রানি ও বিচার বিভাগীয় জটিলতা থেকে পূর্ণ মুক্তি পেলেন। নতুন আইন অনুযায়ী, অভ্যুত্থান কেন্দ্রিক আগের সকল অভিযোগ ও মামলা সরকারি আদেশের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে। এছাড়া এই আইনের একটি বিশেষ ধারা অনুযায়ী,

    অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না। সংসদে বক্তব্য প্রদানকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ বলেন, “জুলাইয়ের রাজপথ কাঁপানো সেই বীরদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা এই সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। যাঁরা জীবন বাজি রেখে স্বৈরাচার হটিয়েছেন, তাঁদের যেন কোনোভাবেই আইনি মারপ্যাঁচে ফেলে হেনস্তা করা না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই ‘রক্ষাকবচ’ তৈরি করা হয়েছে।” একই দিনে জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল ২০২৬’ পাস হয়েছে। এই বিলটি পাসের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি স্থায়ী আইনি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হলো। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা সত্তার পাশাপাশি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও সন্ত্রাসে জড়িত থাকার দায়ে নিষিদ্ধ করার পূর্ণ আইনি ক্ষমতা পাবে সরকার। এর ফলে ফ্যাসিবাদের মদদদাতা সংগঠনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ আনুষ্ঠানিকভাবে রুদ্ধ হওয়ার পথ চূড়ান্ত হলো।

  • স্পিকারশিরীন শারমিন চৌধুরীকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার ॥ কারাগারে প্রেরণ

    স্পিকারশিরীন শারমিন চৌধুরীকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার ॥ কারাগারে প্রেরণ

    স্পিকারশিরীন শারমিন চৌধুরীকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার ॥ কারাগারে প্রেরণ

    রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে।মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডে তার চাচাতো ভাই আরিফ মাসুদ চৌধুরীর বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে তোলা হয় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে। আদালত জামিন না মুঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিএমপির লালবাগ থানায় দায়ের করা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে, যেগুলোর তদন্ত চলমান।ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, শিরীন শারমিন চৌধুরীর কে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সাবেক এই স্পিকারের বিরুদ্ধে রংপুরে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন হত্যা মামলা ছাড়াও রাজধানীর উত্তরা ও বনানী থানায় পৃথক আরও ৬টি মামলা রয়েছে। স্বৈরাচার সরকার পতনের দিন ছাত্র-জনতা সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় তিনি ভবনটির একটি গোপন কক্ষ বা বাংকারে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে গুঞ্জন ওঠে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এরপর থেকে তিনি দেশে আছেন নাকি বিদেশে পালিয়ে গেছেন, তা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ধানমন্ডির নিজ বাসভবন থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।উল্লেখ্য, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান এবং সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের কেউ কেউ গ্রেপ্তার হন। শিরীন শারমিন চৌধুরী দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে না এলেও এবার তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরপর তিন মেয়াদে এ দায়িত্ব পালন করেন।

  • গণমাধ্যমের ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ-তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যমের ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ-তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যমের ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ-তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের মনোজগৎ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান বিশ্বে এই মাধ্যমগুলোর প্রভাব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এগুলোর ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই)-এর ছয়টি স্বল্পমেয়াদি কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ স্বভাবতই অন্যের কথা শুনতে, বুঝতে এবং বিশ্বাস করতে চায়। এই বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে সমাজে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মানুষের চিন্তাকে প্রভাবিত করতে পারেন, যা একদিকে যেমন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যদিকে অপব্যবহারের ঝুঁকিও রয়েছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যম, চলচ্চিত্র ও সৃষ্টিশীল খাতে যারা কাজ করেন, তাদের ওপর বর্তমানে বড় দায়িত্ব রয়েছে। নৈতিকতা ও পেশাগত মানদণ্ড অনুসরণ না করলে এই শক্তিশালী মাধ্যম সমাজের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘সরকার ভবিষ্যতে সৃষ্টিশীল ও প্রশিক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো আধুনিক, বিস্তৃত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করছে।’ চলচ্চিত্রের প্রভাব সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘চলচ্চিত্র এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা মানুষকে হাসাতে, কাঁদাতে এবং গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।’ এই শক্তিকে মানবতা ও সভ্যতার কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি কোর্সে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিক মানদণ্ড ও দায়িত্ববোধকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার উপদেশ দেন। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়টি স্বল্পমেয়াদি কোর্সের উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ, বিসিটিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান।

  • ক্লাস অনলাইন না অফলাইন ॥ সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহেই-শিক্ষামন্ত্রী

    ক্লাস অনলাইন না অফলাইন ॥ সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহেই-শিক্ষামন্ত্রী

    ক্লাস অনলাইন না অফলাইন ॥ সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহেই-শিক্ষামন্ত্রী

    দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সশরীরে চলবে নাকি অনলাইনে ক্লাস হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চলতি সপ্তাহের মধ্যেই জানানো হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান। আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আগামী দুই-একদিনের মধ্যে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। সেখানে সবার মতামত গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনার পর প্রাপ্ত মতামতগুলো পর্যালোচনা করা হবে। এরপর আগামী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আজকের কর্মসূচি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা আজ ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিএনসিসির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসেছি। তাদের সুবিধা-অসুবিধা ও পরামর্শগুলো শুনেছি। বিশ্বব্যাপী চলমান জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ টেনে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নানা ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। জাতীয় স্বার্থে আমাদেরও কিছু সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।

  • গোপালগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব ॥ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২০ রোগী ভর্তি

    গোপালগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব ॥ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২০ রোগী ভর্তি

    গোপালগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব ॥ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২০ রোগী ভর্তি

    গোপালগঞ্জে হঠাৎ করেই হাম উপসর্গের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও কিশোররা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, রোগীর সংখ্যা বাড়ার কারণে হাসপাতালগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ২০ রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ সদরে ৫ জন, কোটালীপাড়ায় ৯ জন, কাশিয়ানীতে ২ জন, টুঙ্গিপাড়ায় ১ জন ও মুকসুদপুর উপজেলায় ৩ জন রয়েছেন। সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মো. ফারুক জানান, চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ এপ্রিল সকাল ৯টা পর্যন্ত ১১৩ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। ঢাকা থেকে পাওয়া প্রতিবেদনে মুকসুদপুর উপজেলার ৬ মাস ও ৭ মাস বয়সী দুই শিশুর শরীরে হাম সনাক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, তিনি দুই শিশুর বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। তারা সুস্থ আছে। এছাড়া হামের উপসর্গে আক্রান্ত ৬৫ জন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। ফারুক বলেন, “নতুন রোগীর সংখ্যা বেড়েছে; তবে এটি আশঙ্কাজনক নয়। অন্য জেলাগুলোর তুলনায় গোপালগঞ্জে হাম সংক্রমণের হার কম। আমাদের ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি এখনও শুরু হয়নি, তবে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া আছে। মুকসুদপুরের আক্রান্ত এলাকায় দ্রুত ভ্যাক্সিনেশন শুরু করা হবে। আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত ওষুধের ব্যবস্থা রয়েছে। সিভিল সার্জন সবাইকে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যেতে এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

  • ‘হামের প্রকোপ’ স্কুল বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    ‘হামের প্রকোপ’ স্কুল বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    ‘হামের প্রকোপ’ স্কুল বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    দেশে চলছে হামের প্রকোপ। তাই হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে সম্প্রতি হামে আক্রান্ত হয়ে ৪৭ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার পুর্নিমা জাহান হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দায়ের করেন। রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতাকে কেন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে। রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সময়মতো শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, টিকার পর্যাপ্ত মজুদ বজায় রাখতে না পারা এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় ঘাটতি সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।আবেদনকারী আইনজীবী জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে এই রিটের শুনানি হতে পারে। রিটে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে, দেশব্যাপী জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা, সিরিঞ্জসহ প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি হাসপাতালে বিশেষায়িত ইউনিট ও আইসিইউসহ কার্যকর জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এবং বিপুল সংখ্যক শিশুর প্রাণহানির ঘটনায় জনমনে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই শিশুদের সুরক্ষায় আইনি পদক্ষেপ হিসেবে এই রিটটি দায়ের করা হয়েছে।

  • দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত

    দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত

    দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত

    আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করতে এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। এখন থেকে সারাদেশে সব ধরনের দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এর আগে বুধবার অনুষ্ঠিত স্ট্যান্ডিং কমিটির এক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়।বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ জানান, বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে সরকারকে সহযোগিতা করার লক্ষ্যেই ব্যবসায়ীরা এই স্বতঃস্ফূর্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে জনস্বার্থ বিবেচনা করে হোটেল, ফার্মেসি, জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং কাঁচাবাজারকে এই নিয়মের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু বলেন, করোনা মহামারির সময়ও আমরা রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার নিয়মে অভ্যস্ত ছিলাম। তাই নতুন করে এই সময়সীমা নির্ধারণে ব্যবসায়ীদের খুব একটা সমস্যা হবে না। এটি আমাদের নিজস্ব উদ্যোগ, সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা আসেনি। ব্যবসায়ী নেতারা মনে করেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে, যা জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হবে। সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ব্যবসায়ী ইউনিটগুলোকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার অনুরোধ জানানো হয়েছে সমিতির পক্ষ থেকে।

  • ‘ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান’ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    ‘ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান’ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তায়নে আরও একধাপ

    ‘ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান’ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    ‘ক্রীড়া হলে পেশা-পরিবার পাবে ভরসা’ এই প্রতিপাদ্যে “ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান” কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে তিনি এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন প্রেস করার সঙ্গে সঙ্গেই সোনালী ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রত্যেক ক্রীড়াবিদের মোবাইলে এক লক্ষ টাকা পৌঁছে যায়। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন। একইসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদদের সম্মাননা প্রদান করেন। পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে একে একে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা হয়। পরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুউল আলম। এরপর ক্রীড়া বিষয়ক ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রচার করা হয়। এতে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোর অবদান তুলে ধরা হয়। এমনকি খেলোয়াড়দের জীবন মান উন্নয়ন, নতুন খেলার মাঠ তৈরি, তৃণমূল থেকে মেধাবী খেলোয়াড় তুলে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন পরিকল্পনার চিত্রও তুলে ধরা হয়। এ সময় ব্যাক-গ্রাউন্ডে বেজে ওঠে গান-‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ..জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ’, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ।’ সাফ ফুটসালজয়ী নারী দল, কাবাডি, ভলিবলসহ বিভিন্ন খেলার খেলোয়াড়রা ২০ ডিসিপ্লিনের ১২৯ জন ক্রীড়াবিদ এই কর্মসূচির আওতায় সম্মাননা পেয়েছেন। এ কর্মসূচির ফলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন যুগের সূচনা হলো। ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই স্লোগান বাস্তবে রূপ নিলো। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ক্রীড়াবিদরা এখন থেকে বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন। তবে ক্রিকেট বোর্ড স্বনির্ভর হওয়ায় ক্রিকেটাররা এই তালিকার বাইরে থাকবেন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, যেসব ক্রীড়াবিদ বেতনের আওতায় আসবেন, প্রতি চার মাস পরপর তাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে। পারফরম্যান্স বজায় রাখতে পারলে তারা এই সুবিধা অব্যাহত রাখতে পারবেন। আর পারফরম্যান্সে ঘাটতি দেখা দিলে তালিকা থেকে বাদ পড়বেন। তিনি আরও জানান, এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আরও উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপনসহ অন্যরা। এসময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৯৪ ॥ আহত ১২৮৮

    ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৯৪ ॥ আহত ১২৮৮

    ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৯৪ ॥ আহত ১২৮৮

    এবারের ঈদযাত্রায় সড়ক, নৌপথ ও রেলপথে দুর্ঘটনায় ৩৯৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২৮৮ জন। সোমবার সকালে রাজধানীতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, ঈদযাত্রায় ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ও ১০৪৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া, নৌ পথে ৮টি দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত, ১৯ জন আহত ও ৩ জন নিখোঁজ আছেন। আর রেলপথে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত ও ২২৩ জন আহত হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২৭.১৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৭.৭৩ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ১৬.২২ শতাংশ বাস, ১৫.২৮ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা, ৮.৪৯ শতাংশ কার-মাইক্রোবাস, ৭.৭৩ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৭.৩৫ শতাংশ সিএনজিআালিত অটোরিকশা এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, বাংলাদেশের সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি। তথ্যগুলো গণমাধ্যম থেকে সংগ্রহ করা। বাস্তবে সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

  • সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন

    সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন

    সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন

    সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৯ মার্চ) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে তিনি সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে সময়মতো উপস্থিতি এবং দাপ্তরিক কাজের খোঁজখবর নেন।সচিবালয়ে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এরপর তিনি ৬ নম্বর ভবনের বিভিন্ন তলায় গিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সমাজকল্যাণ, পানিসম্পদ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করে কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হন। বিশেষ করে, সরকারি কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন কি না, সে বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেন।পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে সকাল ১০টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি ‘কৃষক কার্ড’-এর একটি ডেমো প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে এবং সাড়া পড়েছে।