Category: চট্টগ্রাম

  • নোয়াখালীতে মাদক সেবনের দায়ে একনারীসহ ৩ ব্যক্তির কারাদন্ড

    নোয়াখালীতে মাদক সেবনের দায়ে একনারীসহ ৩ ব্যক্তির কারাদন্ড

    নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ই্য়াবা সেবনের দায়ে এক নারীকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে একশত টাকা জরিমানা করা হয়। দন্ডপ্রাপ্ত ফারহানা খানম টুপুর (৩০) নোয়াখালী পৌরসভার পশ্চিম মাইজদী এলাকার বাসিন্দা।
    সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.বায়েজীদ-বিন-আখন্দ এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালী পৌরসভার পশ্চিম মাইজদী এলাকায় অভিযান চালায় মাদক বিরোধী টাস্কফোর্স। সেখানে ইয়াবা সেবন করার সময় টুপুর নামে এক নারীকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. বায়োজিদ বিন আখন্দ শুনানি শেষে ওই নারীকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একশত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। অর্থদণ্ড অনাদায় আরো দুই দিন বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। যাহার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলা নম্বর ৩৮/২০২৩। অপরদিকে, গাঁজা সেবনের দায়ে জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলা তিন ব্যক্তিকে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    বুধবার উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.শাহিন মিয়া এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৩০ গ্রাম ও ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের রশিদ মিয়ার নতুর বাড়ির মৃত কবির উদ্দিনের ছেলে বাবুল মিয়াকে (৪৮) ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদান্ড ও ২শত টাকা অর্থদন্ড প্রদান করে। একই ইউনিয়নের মিলন মিয়ার ছেলে রমযান আলী রুবেলকে (৩২) দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ২০০ দুইশত টাকা অর্থদন্ড করা হয়। উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের নজর গ্রামের কোব্বাত মিয়ার ছেলে মো.মানিককে (৪০) ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও দুইশত টাকা জরিমানা প্রদান করে।

  • ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ওয়ার্ল্ড মানবাধিকার সংহতি পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ

    ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ওয়ার্ল্ড মানবাধিকার সংহতি পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ

    ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ওয়ার্ল্ড মানবাধিকার সংহতি পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ

    অব্যাহতভাবে ফিলিস্তিনে নারী শিশুসহ গণহত্যা বন্ধের দাবিতে নগরীর বহদ্দার হাট চত্বরে ওয়ার্ল্ড মানবাধিকার সংহতি পরিষদের এক বিক্ষোভ সমাবেশ সংগঠনের চেয়ারম্যান লেখক ও গবেষক মাহমুদুল হক আনসারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের মহাসচিব মোঃ সেলিম উদ্দিন চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল করিম, সংগঠনের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ইমরানুল হক চৌধুরী বেলাল, মুহাম্মদ বখতেয়ার, জুনায়েদ শিকদার হিরু, সাংবাদিক সরওয়ার হোসেন চৌধুরী মানিক, মুহাম্মদ নুরুল কবির, সমাজ সেবক শেখ আহমদ, নুরুল ইসলাম, আবুল কাশেম সোহাগ প্রমুখ। ১০ অক্টোবর মঙ্গলবার সভায় বক্তাগণ বলেন, ফিলিস্তিনে যে পরিমাণে গণহত্যা শুরু হয়েছে তাতে করে সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ উদ্বিগ্ন। বিশ্বের জনগণ যেভাবে শান্তির আশা করে বাংলাদেশের জনগণও যুদ্ধ মুক্ত বিশ্ব চায়। পরাশক্তি অস্ত্র বিক্রি করার জন্য বিশ্বের শান্তি প্রিয় দেশে সর্বদা যুদ্ধ লাগিয়ে রাখছে। বিশ্বের মানুষ যুদ্ধ চায় না। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে রাশিয়া ইউক্রেনের অব্যাহত যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

  • ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে চাঁদাবাজির দায়ে দুই কথিত সাংবাদিক গ্রেফতার

    ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে চাঁদাবাজির দায়ে দুই কথিত সাংবাদিক গ্রেফতার

    ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে চাঁদাবাজির দায়ে দুই কথিত সাংবাদিক গ্রেফতার

    নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ম্যাজিস্ট্রেট ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই কথিত সাংবাদিককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করেছে ব্যবসায়ীরা। এ সময় পুলিশ একটি ভুয়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার পরিচয়পত্র সহ চারটি পরিচয়পত্র উদ্ধার করে। গ্রেফতাররা হচ্ছে, নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাগাজী ফরদার বাড়ির মফিজ উল্যার ছেলে গোলাম মোস্তফা বুলবুল (৪৪) ও বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার হাজীপুর এলাকার সুলতানের বাড়ির মো. শাহজাহানের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম সোহাগ (৩৮)। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করা হবে। এর আগে, সোমবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নবগ্রাম বাজার থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শহীদ ডিলার ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রেফতার আসামি বুলবুল নিজেকে দৈনিক জাতীয় অর্থনীতির নোয়াখালী প্রতিনিধি ও সোহাগ নিজেকে দৈনিক বিজয় বাংলাদেশের নোয়াখালী প্রতিনিধি পরিচয় দেয়। সোমবার সন্ধ্যার দিকে বুলবুল ও রিয়াজুল কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নবগ্রাম বাজারে যায়। একপর্যায়ে ওই বাজারের সারের ডিলার শহীদের দোকানে গিয়ে তারা নিজেদের ম্যাজিস্ট্রেট ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সারের দাম জানতে চায়। এরপর দোকাদারের ছেলে তার বাবাকে ডেকে নিয়ে এসে বলে বাবা এদের একজন ম্যাজিস্ট্রেট আরেকজন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা। তাৎক্ষণিক দুই কথিত সাংবাদিক দোকানদারকে জানায় আমরা এসেছি সার মনিটরিং করার জন্য। আপনি সার কত টাকা দামে বিক্রি করেন। আপনার এখানে ভুল আছে আপনি ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে। এ সময় তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক হলে স্থানীয়রা তাদের আটক করে এবং কর্মকর্তার পরিচয়পত্র দেখতে চায়। তারা পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে লোকজন তাদের গণপিটুনি দিয়ে থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ আসলে তারা নিজেদের সাংবাদিক বলে পরিচয় দিয়ে কয়েকটি পরিচয়পত্র বের করেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করে আরো বলেন, এই চক্র গত কয়েক মাসে উপজেলার ১৫-২০জন ব্যবসায়ীর কাছে নিজেদের সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজি করেছে।
    নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের মঞ্জু প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি জেনেছি। প্রেসক্লাবের কোনো সদস্য বা এর বাহিরেও কোনো সাংবাদিক যদি সাধারণ জনগণকে হয়রানি ও প্রতরণার সাথে জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদের মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

  • ক্যাম্প ছেড়ে পালাচ্ছে রোহিঙ্গা! আটক ৩৪৭

    ক্যাম্প ছেড়ে পালাচ্ছে রোহিঙ্গা! আটক ৩৪৭

    ক্যাম্প ছেড়ে পালাচ্ছে রোহিঙ্গা! আটক ৩৪৭

    ক্যাম্পগুলো ছেড়ে পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা। পালানোর সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে ৩৪৭ রোহিঙ্গা। কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে কাঁটাতারের বেড়া অতিক্রম করে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালানো রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এতে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। চলতি সপ্তাহেই আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পৃথক অভিযানে কাজের সন্ধানসহ নানা অজুহাতে পালানোর চেষ্টা করা ৩৪৭ রোহিঙ্গা আটক করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার সদরস্থ লিংকরোড সড়কে টেকনাফ-কক্সবাজার মুখি প্রতিটি গাড়ি তল্লাশী চালিয়ে অবৈধভাবে ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ৫৮জন রোহিঙ্গাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
    এর আগে মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উখিয়া-টেকনাফ মহাসড়ক ও ক্যাম্পের প্রবেশ এবং বহিঃগমণ পথে চেকপোস্ট বসিয়ে সারাদিন যৌথ অভিযান চালায় উখিয়া থানা পুলিশ ও ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন (এপিবিএন)। অন্তত ১০টি চেকপোস্টে চলা এই অভিযানে বিভিন্ন ক্যাম্পে বাস করা ২৬০ জন নানা বয়সী রোহিঙ্গা ধরা পড়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ক্যাম্পের বিপুল সংখ্যক জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তারপরেও ক্যাম্প ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করা রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে তৎপরতা অব্যাহত আছে। আটকের পর সতর্ক করে বেরিয়ে পড়া রোহিঙ্গাদের স্ব-স্ব ক্যাম্প ইনচার্জ কার্যালয়ে ফেরৎ পাঠানো হচ্ছে।
    ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক আমির জাফর (ডিআইজি) এ প্রসঙ্গে বলেন, ক্যাম্প এলাকার আভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি রোহিঙ্গারা যেন পালিয়ে অনত্র যেতে না পারে সে দিকেও কঠিন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকতা মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন আহম্মেদ জানায়, আটককৃত রোহিঙ্গারা বিভিন্ন কাজের সন্ধানে বের হয়েছিল। কাঁটাতারের বেড়া ও ক্যাম্পের অভ্যন্তরে এবং সড়কের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ১০টি চেকপোস্ট ফাঁকি দিয়ে কিভাবে রোহিঙ্গারা দেশে ছড়িয়ে যাচ্ছে, এ বিষয়ে কঠোর নজরদারী করা হচ্ছে। পুলিশ জানায়, শরনার্থী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা বেষ্টনী ফাঁকি দিয়ে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে কৌশলে পালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। এভাবে পালাতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিন কোথাও না কোথাও ধরা পড়ছে তারা। কাজের সন্ধানে তারা ক্যাম্প থেকে বের হয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। পাশাপাশি প্রায় অশান্ত হয়ে উঠেছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো। ক্যাম্পে মাদক বিক্রি এবং মাদকের টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়েও ঘটেছে অনেক মারামারি-খুনাখুনি। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর একইভাবে অভিযানে উখিয়ায় আটক হয় আরো ২৯ রোহিঙ্গা।

  • লাকসাম লেখক সংঘের ২ বছর মেয়াদে কমিটি গঠন

    লাকসাম লেখক সংঘের ২ বছর মেয়াদে কমিটি গঠন

    লাকসাম লেখক সংঘের ২ বছর মেয়াদে কমিটি গঠন

    বৃহত্তর লাকসামের লেখকদের সংগঠন ‘লাকসাম লেখক সংঘ’র ২০২৩-২৫ সেশনের সোমবার নাঙ্গলকোট পৌর বাজার নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশন অফিসে ২৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। নতুন সেশনের কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন সাংবাদিক ও কলামিস্ট এম এস দোহা, সেক্রেটারি নির্বাচিত হন সময়ের দর্পণ সম্পাদক এএফএম শোয়ায়েব,

    সাংগঠনিক সম্পাদক সাপ্তাহিক লাকসাম ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নুর উদ্দিন জালাল আজাদ,সিনিয়র সহ-সভাপতি হন কবিও কলামিস্ট এস এম আবুল বাশার, সহ-সভাপতি হন কবি ও শিক্ষক মো: তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন অধ্যক্ষ কলামিস্ট ইয়াছিন মজুমদার, সহ সাধারণ সম্পাদক কবি ও শিক্ষক মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আজিম উল্যাহ হানিফ, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক কবি ও শিক্ষক আফজাল হোসেন মিয়াজী, সাহিত্য সম্পাদক লেখক মহসীন ভুইয়া, কোষাধ্যক্ষ কবি ও শিক্ষক ফারুক শাহরিয়ার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক বারী উদ্দিন আহমেদ বাবর, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক আবদুল আউয়াল সরকার, ক্রীড়াও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আজাদ সরকার লিটন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক তাসলিমা শাহনুর, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রোকসানা সুখী, আইটি ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রোমানা আফরোজ রুবি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম আজিজুল হক, সদস্য হয়েছেন ফারুক আল শারাহ, আবদুর রহমান, সাইফুল আনোয়ার স্বপন, মোরশেদ আলম হৃদয়, মুকুল মজুমদার, আবদুল বাকী মিলন, একে এম মারুফ হোসেন, গাজীউল হক গাজী। উপদেষ্টা করা হয়েছে- সাংবাদিক আবদুল কুদ্দুস, এডভোকেট রফিকুল ইসলাম হীরা, আবদুল মতিন মজুমদার, হাজী কাজী নজরুল ইসলাম ইসলাম, সফিকুর রহমান সফিক, নঈম নিজাম, শরীফ আবদুল গোফরান, অধ্যক্ষ নুরুন্নবী রহমানী, দ্বীন মোহাম্মদ, ফয়জুন্নেছা সুমী। উল্লেখ্য যে- ১৯৫৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি লাকসাম অতুল হাইস্কুল মিলনায়তনে লাকসাম লেখক সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন ‘সাপ্তাহিক লাকসাম’ সম্পাদক ও ভাষাসৈনিক আবদুল জলিল (১৯৩৬-২০১৯)।

  • নোয়াখালীতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সাংবাদিক হেনস্তা শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

    নোয়াখালীতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সাংবাদিক হেনস্তা শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

    নোয়াখালীতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সাংবাদিক হেনস্তা শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

    নোয়াখালী সদরে প্যানকেয়ার আইসিইউ হাসপাতাল অ্যান্ড নরমাল ডেলিভারি সেন্টারে অভিযান চলাকালীন সময়ে দেশ টিভির নোয়াখালী প্রতিনিধি সাংবাদিক খায়রুল আনম রিফাতকে হেনস্থাকারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাংবাদিকরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের সামনে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে ভোরের কাগজ নোয়াখালী প্রতিনিধি মোহাম্মদ সোহেলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বখতিয়ার শিকদার, সাবেক সহসভাপতি শাহ ওসমান সুজন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার আবু নাছের মঞ্জু, দৈনিক সফল বার্তা সম্পাদক লিয়াকত আলী খান, ইউএনবি নোয়াখালী প্রতিনিধি মেজবাউল হক মিঠু, একাত্তর টেলিভিশনের নোয়াখালী প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নোয়াখালী প্রতিনিধি আকবর হোসেন সোহাগ। এতে জেলায় কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকেরা অংশ নেয়। উল্লেখ্য, বুধবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের প্যানকেয়ার আইসিইউ হাসপাতাল অ্যান্ড নরমাল ডেলিভারি সেন্টারে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় অসঙ্গতি পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির আইসিইউ ও রেডিওলোজি বিভাগ বন্ধ করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। অভিযান চলাকালীন সময়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সাংবাদিক খায়রুল আনম রিফাতকে হেনস্থা করে হাসপাতালের লোকজন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সাংবাদিক হেনস্থাকারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আলটিমেটাম দেন সাংবাদিকরা। কয়েক দিন আগে বিল না পেয়ে এক রোগীকে আটক ও হত্যার অভিযোগ ওঠে ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে। অভিযানে ওই ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নাঈমা নুসরাত জেবিনও উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানে আইসিইউ ও রেডিওলোজি বিভাগে চিকিৎসক, নার্সসহ পর্যাপ্ত জনবল না পেয়ে তা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া ভোক্তা অধিকারসহ বিভিন্ন আইনে হাসপাতালের মালিক আবদুল মালেক মানিককে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহসান হাফিজ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়েছে। ভবিষ্যতে অসঙ্গতিপূর্ণ কিছু পেলে আবারও অভিযান চালানো হবে। তবে সাংবাদিক হেনস্তার বিষয়ে তাৎক্ষণিক তিনি কোন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি। সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নাঈমা নুসরাত জেবিন বলেন, এ হাসপাতালে নিয়মবহির্ভূতভাবে একজন বিষপান করা রোগীকে ভর্তি করেছে। আবার টাকার জন্য সেই রোগীকে আটক করার অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ বারঘরিয়ার সাবেক মেম্বার জিয়ারসহ গ্রেফতার-২

    কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ বারঘরিয়ার সাবেক মেম্বার জিয়ারসহ গ্রেফতার-২

    কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ বারঘরিয়ার সাবেক মেম্বার জিয়ারসহ গ্রেফতার-২

    কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড লক্ষিপুরের সাবেক মেম্বার জিয়ারসহ ২ জন গ্রেফতার হয়েছে। সম্প্রতি কুমিল্লা জেলার ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত সাবেক মেম্বার মোঃ জিয়াউর রহমান (৩৯) ও শহবুল হোসেন (৫৫) একই এলাকার বাসিন্দা। গোয়েন্দা পুলিশ সুত্র জানায়, গত ৪ আগষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)’র এস.আই তুষ্টলাল বিশস, এ.এস.আই মোঃ ফরহাদ আলম ও আব্দুল্লাহসহ ডিবি পুলিশের একটি দল কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানার রেইসকোর্স কাঠেরপুল রোডের তারেক স্টোরের সামনে রাস্তার উপর অভিযান চালায়। এসময় তল্লাশী চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড লক্ষিপুরের সাবেক মেম্বার মাদক ব্যবসায়ী মোঃ জিয়াউর রহমান ও শহবুল হোসেন কে গ্রেফতার করা হয়। এঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হয়েছে।

  • নাঙ্গলকোটে লেখকদের সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    নাঙ্গলকোটে লেখকদের সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    নাঙ্গলকোটে লেখকদের সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের লেখক-সাহিত্যিক-সাংবাদিকদের সংগঠন “নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশন”র নিয়মিত আয়োজন ‘সাপ্তাহিক সাহিত্য আড্ডা’ শনিবার বিকাল ৪টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় নাঙ্গলকোট পৌরবাজার এনসিসি ব্যাংকের নীচতলায় অনুষ্ঠিত হয়। সাহিত্য আড্ডায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন-কবিও শিক্ষক মো: তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন- ‘গত ১৪ বছর ধরে নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশন নামক সংগঠনটি সাপ্তাহিক সাহিত্য আড্ডা আয়োজন করে আসছে। এই আড্ডায় এসেছে নতুন নতুন মুখ। সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন লেখক। এর মধ্যে অনেকে চলে গেছেন চিরদিনের জন্য। তাদের মধ্যে ভাষাসৈনিক আবদুল জলিল, ভিপি সাদেক হোসেন চেয়ারম্যান, ভিপি হুমায়ুন কবির, শামছুল করিম দুলাল, কবি অহিদুর রহমান, মাওলানা আবদুস সাত্তার, অধ্যক্ষ সায়েম মাহবুব, কাউছার আলম মিয়াজী, মাস্টার ইকবাল হোসেনসহ আরো অনেকে।’
    হুমায়ুন আহমেদের ‘কোথাও কেউ নেই’ লেখাটির সারাংশ তুলে ধরে আলোচনা করেন সাফায়েত হোসেন, কবি এস এম আবুল বাশারের ‘কবিতায় বিশ^ দেখি’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন ডা. সাংবাদিক একে এম মারুফ হোসেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি পাঠ করেন এডভোকেট ওমর ফারুক আল নিজামী,ভাষাসৈনিক আবদুল জলিলের লেখা ‘লাকসাম জনপদ কথামালা’ গ্রš’ থেকে চুম্বক অংশ পাঠ করেন আবু জাফর ছালেহ, ‘ভাষাসংগ্রাম ও তার পরবর্তী সামরিক শাসনে এস এম আবুল বাশারের লেখালেখি’ শীর্ষক নিবন্ধ পাঠ করেন কবিও কলামিস্ট আজিম উল্যাহ হানিফ। সাহিত্য আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক মো: শাহাদাত হোসেন। উল্লেখ্য, প্রতি শনিবার বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এক ঘন্টা করে সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হচ্ছে নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে নাঙ্গলকোট পৌর বাজার এনসিসি ব্যাংকের নীচতলায়। সাহিত্য আড্ডা শুরু থেকে সবার জন্য উম্মুক্ত।

  • চলে গেলেন লেখক-গবেষক-শিশু সংগঠক-সাংসদ-শহীদজায়া পান্না কায়সার

    চলে গেলেন লেখক-গবেষক-শিশু সংগঠক-সাংসদ-শহীদজায়া পান্না কায়সার

    চলে গেলেন লেখক-গবেষক-শিশু সংগঠক-সাংসদ-শহীদজায়া পান্না কায়সার

    ইহোলোকের সকল মায়া ত্যাগ করে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন লেখক, গবেষক, শিশু সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য, শহীদজায়া পান্না কায়সার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ছিলেন তিনি। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পান্না কায়সার ছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সারের স্ত্রী। তিনি অভিনেত্রী শমী কায়সারের মা। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ছিলেন তিনি। শিশু কিশোরদের সংগঠন খেলাঘরের সঙ্গে আজীবন সক্রিয় ছিলেন পান্না কায়সার। ১৯৭৩ সাল থেকে ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য। আর ১৯৯০ সালে এ সংগঠনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আসেন। খেলাঘরের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা বলেন, সকালে উনি বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জানান, শুক্রবার সকালে খেলাঘরের কেন্দ্রীয় কমিটির সভা ছিল, পান্না কায়সার নিজেই সভা ডেকেছিলেন। এখানে সারা দেশ থেকে খেলাঘরের নেতৃবৃন্দ এসেছেন। সবাইকে ডেকে উনিই চলে গেলেন অনন্তলোকে। ১৯৫০ সালের ২৫ মে পান্না কায়সারের জন্ম। তার পারিবারিক নাম সাইফুন্নাহার চৌধুরী। কলেজে পড়ার সময় ঢাকায় এক উচ্চবিত্ত পরিবারে তাকে বিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির অমানবিক পরিবেশ তার জীবন দুর্বিষহ করে তোলে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে ফের পড়ালেখায় মন দেন পান্না। এইচএসসি পাস করে কুমিল্লা মহিলা কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি নেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন বাংলায় মাস্টার্স করতে। সে সময়ই পরিচয় হয় তরুণ বুদ্ধিজীবী, লেখক শহীদুল্লা কায়সারের সঙ্গে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল এক দিনে কারফিউয়ের মধ্যে তাদের বিয়ে হয়। কিন্তু আড়াই বছরের মাথায় মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে স্বামীকে হারান পান্না কায়সার। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আলবদর বাহিনীর কিছু সদস্য শহীদুল্লা কায়সারকে তার বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। তার আর ফেরা হয়নি। এরপর থেকে পান্না কায়সার একাই মানুষ করেছেন তার দুই সন্তান শমী কায়সার এবং অমিতাভ কায়সারকে। শিক্ষকতা করেছেন বেগম বদরুন্নেসা কলেজে, সেই সঙ্গে করে গেছেন লেখালেখি। তার প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ: আগে ও পরে; মুক্তি; নীলিমায় নীল; হৃদয়ে বাংলাদেশ; মানুষ; অন্য কোনখানে; তুমি কি কেবলি ছবি; রাসেলের যুদ্ধযাত্রা; দাঁড়িয়ে আছ গানের ওপারে; আমি; না পান্না না চুনি; অন্য রকম ভালোবাসা ও সুখ। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় অবদানের জন্য ২০২১ সালে পান্না কায়সারকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ জানান, জুমার নামাজের পর গুলশানের আজাদ মসজিদে পান্না কায়সারের জানাজা হয়েছে। আসরের পর ইস্কাটনে তার বাড়ির কাছে আরেক দফা জানাজা হবে। এরপর মরদেহ বারডেম হাসপাতালে রাখা হবে। রোববার বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার কফিন রাখা হবে সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আরেক দফা জানাজা হবে। পরে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শায়িত হবেন শহীদজায়া পান্না কায়সার।

  • কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় চালক-হেলপার দুই ভাই নিহত

    কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় চালক-হেলপার দুই ভাই নিহত

    কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় চালক-হেলপার দুই ভাই নিহত

    কুমিল্লায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় আরেকটি কাভার্ড ভ্যানের চালক বড় ভাই ও হেলপার ছোট ভাই এর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা কুটুম্বপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    নিহতরা হলেন- কাভার্ড ভ্যানচালক আজিজুল হক (৩৪) ও হেলপার রবিউল হক (২৩)। তারা চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার বহরপুর গ্রামের জুনাব আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, সকালে চট্টগ্রামগামী একটি কাভার্ড ভ্যানকে অপর একটি কাভার্ড ভ্যান পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ধাক্কা দেওয়া কাভার্ড ভ্যানের চালক ও হেলপার (দুই ভাই) আটকে যান। খবর পেয়ে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাভার্ড ভ্যানে আটকে থাকা চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
    হাইওয়ে পুলিশ ইলেটগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) ওবায়েদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধাক্কা খাওয়া কাভার্ড ভ্যানটি পালিয়ে গেছে। নিহত দুই ভাইয়ের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।