Category: চট্টগ্রাম

  • বেসরকারি পোস্টগ্রাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

    বেসরকারি পোস্টগ্রাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

    বেসরকারি পোস্টগ্রাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

    ভাতা বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে বেসরকারি পোস্টগ্রাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকরা। দাবিগুলো হলো, মাসিক ভাতা ৫০ হাজার টাকা করা, নিয়মিত প্রদান এবং সকল ট্রেইনি চিকিৎসকদের বকেয়া দ্রুততম সময়ে পরিশোধ করা।
    শনিবার থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পোস্টগ্রাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনও কর্মবিরতি শুরু করেন। দীর্ঘদিন ধরে ভাতা বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন বেসরকারি পোস্টগ্রাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকরা। তাদের দাবী, বেসরকারি পোস্ট গ্রাজুয়েশন ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ভাতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত ন্যায্য দাবির বিষয়ে বারবার কর্তৃপক্ষ সমর্থন দিয়ে এলেও তাদের আশ্বাস বরাবরের মতোই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রাইভেট ট্রেইনিদের ব্যাপারে যে মন্তব্য করেছেন সেটা থেকে প্রতীয়মান হয়, মন্ত্রী ট্রেইনি চিকিৎসকদের কাজের পরিধি এবং মানবেতর জীবন সম্পর্কে মোটেও অবগত নন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে ২০ হাজার টাকায় একজন চিকিৎসক কীভাবে তার সংসার চালাবে? পোস্ট গ্রাজুয়েশন ট্রেইনি চিকিৎসক রাকিব আদনান চৌধুরী বলেন, গত অর্থবছরে বাজেটের ৬ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা ফেরত দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অথচ ভাতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে না এবং নিয়মিতও প্রদান করা হচ্ছে না। এটি স্বাস্থ্যখাতের জন্য লজ্জার বিষয়। চমেক হাসপাতাল পোস্টগ্রাজুয়েট ট্রেইনি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা.সাইফুল ইসলাম বাদল প্রতিবেদককে বলেন, চমেক হাসপাতালে প্রায় তিনশ জন বেসরকারি পোস্ট গ্রাজুয়েশন ট্রেইনি চিকিৎসক রয়েছে। তারা শনিবার সকাল থেকে ওয়ার্ডে আসেননি, কর্মবিরতি পালন করছেন।

  • বিজিবি’র ধাওয়া খেয়ে ১ কেজি আইস ফেলে পালিয়েছে মাদককারবারীরা

    বিজিবি’র ধাওয়া খেয়ে ১ কেজি আইস ফেলে পালিয়েছে মাদককারবারীরা

    বিজিবি’র ধাওয়া খেয়ে ১ কেজি আইস ফেলে পালিয়েছে মাদককারবারীরা

    কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ধামনখালী এলাকায় বিজিবিকে দেখে আইসভর্তি ব্যাগ ফেলে জঙ্গলে পালিয়ে গেছেন পাচারকারীরা। পরে ওই ব্যাগ থেকে এক কেজি ৬৬ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ (আইস) উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৩৪ বিজিবি।
    শুক্রবার ভোরে এ অভিযান চালানো হয়। কক্সবাজার-৩৪ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহ মো. আজিজুস শহীদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পালংখালীর ধামনখালী এলাকার সরওয়ারের চিংড়ির ঘের দিয়ে মিয়ানমার থেকে আইসের বড় একটি চালান বাংলাদেশে ঢুকবে এমন খবর পেয়ে বিজিবি সেখানে অবস্থান নেয়। এসময় সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনকে হেঁটে বাংলাদেশে আসতে দেখে বিজিবি তাদের দাঁড়াতে বলে। এসময় তারা একটি ব্যাগ ফেলে জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরে ওই ব্যাগ খুলে ভেতরে এক কেজি ৬৬ গ্রাম বার্মিজ ক্রিস্টাল মেথ (আইস) পাওয়া যায়।

  • বার্মিজ মার্কেটের শতাধিক দোকান পুড়ে ভষ্মিভূত

    বার্মিজ মার্কেটের শতাধিক দোকান পুড়ে ভষ্মিভূত

    বার্মিজ মার্কেটের শতাধিক দোকান পুড়ে ভষ্মিভূত

    কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার বার্মিজ মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক দোকান ও মালামাল পুড়ে ভষ্মিভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উপরের বাজার এলাকার বার্মিজ মার্কেটে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। প্রায় তিনঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। বার্মিজ মার্কেট ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি আব্বাস উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বামিজ মার্কেটের কেন্দ্রীয় বিষ্ণু মন্দির সংলগ্ন একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিজিবির একটি দল ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাদের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজন প্রায় তিন ঘণ্টা ব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি আরও জানান, এই মার্কেটে কাপড়, জুতা-স্যান্ডেল, কসমেটিক্স, কম্বল, আচার ও মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য সামগ্রীর দোকান-পাট ছিল। মার্কেটে ১৫০টি দোকানের মধ্যে ১০৪টির মত দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে করে ব্যবসায়ীদের লাখ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বার্মিজ মার্কেট ব্যবসায়ী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। কয়েক বছর আগেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল এ মার্কেটে। আগুন নিভাতে গিয়ে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে তিনি ক্ষয়ক্ষতির ধারণা করেন ১১ কোটি টাকার মতো। টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দলপতি মুকুল কুমার নাথ বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করে। প্রায় তিনঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়। অগ্নিকাণ্ডে এ মার্কেটের ১০৪টি দোকান পুড়ে গেছে, তবে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক নিধারণ করা সম্ভব হয়নি।

  • র‌্যাবের অভিযানে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১

    র‌্যাবের অভিযানে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১

    র‌্যাবের অভিযানে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১

    টেকনাফের হ্নীলা নাইক্ষ্যংখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ লক্ষ ৮০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ ফারুক (২৮) নামে এক মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা। আটককৃত ব্যক্তি হচ্ছে, টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মৌলভীবাজার নাইক্ষ্যংখালী এলাকার মোঃ সেলিম উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ ফারুক (২৮)। কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ অতিঃ পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’এন্ড মিডিয়া) মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, মঙ্গলবার (২০ জুন) রাতে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর সিপিএসসি এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ থানাধীন হৃীলা ইউনিয়নের নাইক্ষ্যংখালী এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর সিপিএসসি এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে আভিযানিক দলের নিকট মোহাম্মদ ফারুক নামে একজন মাদক কারবারী ধৃত হয়। উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক আটককৃত ব্যক্তির বাড়ী ও বসত ঘর তল্লাশী করে বসত ঘরের শয়ন কক্ষের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায় সিলিং এর উপরে বিশেষ কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় সর্বমোট ১ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পূর্বেই একজন মাদক ব্যবসায়ী দ্রুত পালিয়ে যায় মর্মে ধৃত ব্যক্তির নিকট থেকে জানা যায়। আটককৃত মাদক কারবারী জানায়, সে এবং পলাতক ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজসে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ করে নিজেদের হেফাজতে রেখে টেকনাফ ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করে থাকে। উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ আটক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • কুমিল্লায় রানা খান হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

    কুমিল্লায় রানা খান হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

    কুমিল্লায় রানা খান হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

    মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ার জেরে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার স্যানেটারি মিস্ত্রি রানা খান হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি রায়ে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। রায়ে বিচারক সাজাপ্রাপ্ত সবাইকে ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডেরও আদেশ দিয়েছেন। রোববার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম। আইনজীবী জানান, এই হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত মোট ১৬ জন আসামির মধ্যে চারজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। রায় প্রদানের সময় মোট নয় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. শিপন, রিপন মিয়া, আলাউদ্দিন, মো. জুয়েল, শুভ, কাজল ও হাবিব। এদের মধ্যে শিপন, রিপন ও আলাউদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ প্রাপ্তরা হলেন- বাদল মিয়া, জহিরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন ও মো. সোহেল। এদের মধ্যে বাদল ও ইকবাল পলাতক। দণ্ডপ্রাপ্তরা কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা বলে জানান রফিকুল ইসলাম। তারা সবাই মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিল বলেও জানান তিনি। মামলার নথির বরাতে রফিকুল বলেন, মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়া নিয়ে বিরোধে ২০০৬ সালের ১ মে রাতে যৌনাঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা করা হয় চম্পকনগর এলাকার স্যানিটারি মিস্ত্রি রানাকে। ঘটনার পরদিন রানার বাবা জাহাঙ্গীর খান ছয়জনকে আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্তে আরও ১০ জনকে আসামি করে মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। ১৭ বছর পর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য আমলে নিয়ে রোববার দুপুরে এ রায় দেন ঘোষণা করেছেন আদালত। এ মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। তিনি আরও জানান, রায়ে বিচারক সাজাপ্রাপ্ত সবাইকে ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডেরও আদেশ দিয়েছেন। ছেলে হত্যার বিচারের রায় পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন নিহত রানার বাবা জাহাঙ্গীর খান। তিনি দ্রুত রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান। কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান জানান, রায় ঘোষণার পর আসামিদের কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • নগ্ন ভিডিও ধারণ করে টাকা আদায়—গ্রেফতার ২

    নগ্ন ভিডিও ধারণ করে টাকা আদায়—গ্রেফতার ২

    নগ্ন ভিডিও ধারণ করে টাকা আদায়—গ্রেফতার ২

    এক যুবককে ডেকে নিয়ে তরুণীর সাথে জোরপূর্বক অশ্লীল ভিডিও ধারণ ও চাঁদা আদায় চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় ভিডিও ধারণের কাজে ব্যবহৃত দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোন ও নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের গাজী মেম্বার বাড়ির মৃত আমির হোসেনের ছেলে মো. ইমন (২১) ও একই গ্রামের চাঁন মিয়া মুহুরী বাড়ির তাজুল ইসলাম সজিব (২০)। সোমবার (১২ জুন) দুপুরের দিকে আসামিদের নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, গতকাল রোববার রাতে জেলার প্রধান বাণিজ্যিককেন্দ্র চৌমুহনী বাজারের মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
    নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, মো. আব্দুল আজিজ নামে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ করেন ইমন ও সজিব তাকে মারধর করে নাজনিন সুলতানা প্রীতি নামে এক তরুণীর বাড়িতে ঢুকিয়ে জোরপূর্বক অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে। এরপর ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে নগদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা আদায় করে। পরবর্তীতে আরও চাঁদা দাবি করে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অভিযোগের অনুসন্ধানে প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে অভিযুক্ত ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। একই সাথে ভিডিও ধারণের কাজে ব্যবহৃত দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোনসহ নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এসপি আরও বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক-৫ ॥ দেশী অস্ত্র উদ্ধার

    ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক-৫ ॥ দেশী অস্ত্র উদ্ধার

    ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক-৫ ॥ দেশী অস্ত্র উদ্ধার

    ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন নতুন রেলওয়ে স্টেশনের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকেরা হচ্ছে, মো. ইসমাইল (২৮), মো. মাইনুদ্দীন (২৫), মো. সাকিব (২৬), মো. ইয়াছিন আরাফাত (২২) ও মো. রাসেল (১৯)। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি ছোরা উদ্ধার করা হয়। কোতোয়ালি থানার ওসি জাহিদুল কবির জানান, গত রাতে পাঁচটি স্টিলের তৈরি ছোরাসহ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অস্ত্র নিয়ে রেলওয়ে স্টেশন, বিআরটিসি, স্টেশন রোড, রিয়াজুদ্দিন বাজারকেন্দ্রিক যাতায়াতকারী গাড়ি ও পথচারীদের টার্গেট করে ডাকাতির উদ্দেশে একত্রিত হয়েছিলেন। পাঁচ জনকে আটক করা গেলেও অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন পালিয়ে যায়। আটকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

  • নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটি গঠন

    নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটি গঠন

    নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটি গঠন

    কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার লেখক-সাহিত্যিকদের প্রিয় সংগঠন নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে তিন মাসের জন্য ৯ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। ২৯ এপ্রিল শনিবার নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কবি আজিম উল্যাহ হানিফের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি ছিলেন নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানবাধিকার নেতা মো: তাজুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন সাবেক সভাপতি কবিও শিক্ষক মো: তাজুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক কেফায়েত উল্লাহ মিয়াজী, ভার্চুয়ালে বক্তব্য রাখেন মুকুল মজুমদার। সর্বস্মতিক্রমে এতে আহবায়ক করা হয় ময়ূরা হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক কবি মো: তাজুল ইসলামকে, সদস্য সচিব করা হয় কবি আফজাল হোসাইন মিয়াজীকে। যুগ্ম আহবায়ক হলেন, মাস্টার শাহ আলম কালাম, কবি এইচ এম আজিজুল হক, কবি আজিম উল্যাহ হানিফ। সদস্য করা হয়েছে- আবদুর রহিম বাবলু, একেএম মারুফ হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন রাহাত, বাপ্পি মজুমদার ইউনুস। উপদেষ্টা হয়েছেন কবি ফারুক শাহরিয়া, কলামিষ্ট অধ্যক্ষ ইয়াছিন মজুমদার, কবি এস এম আবুল বাশার, লেখক শফিকুর রহমান রেজা, কবি মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন প্রমুখ। উল্লেখ্য-সংগঠনটি ২০০৯ সালের ২০ নভেম্বর নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল সরকারি ডিগ্রি কলেজ মসজিদ থেকে শুরু হয়। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ১৩ জন ( ফারুক শাহরিয়া, ইয়াছিন মজুমদার, এস এম আবুল বাশার, সফিকুর রহমান রেজা, মাইন উদ্দিন মানিক, রাশেদুল ইসলাম রাসেল, আশিক উল্লাহ সুমন, এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, অশ্রু শাহ আলম, ইসমাইল হোসেন রতন, ফারুক আল শারাহ, মুকুল মজুমদার, আজিম উল্যাহ হানিফ)। আসন্ন ঈদুল আযহার তৃতীয় দিন নাঙ্গলকোটের একটি মিলনায়তনে সংগঠনটির ২০২৩-২৫ মেয়াদে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • নোবিপ্রবিতে ৮ দফা দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ

    নোবিপ্রবিতে ৮ দফা দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ

    নোবিপ্রবিতে ৮ দফা দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ

    নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারকে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অব্যাহতি দেয়াসহ আট দফা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গণস্বাক্ষর দেন। একইভাবে মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছিলেন তারা। দাবিগুলো হলো, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত বর্তমান রেজিস্ট্রারের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া, নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থায়ী পদে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া, সহকারী রেজিস্টার সপ্তম গ্রেড থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেড এবং ডিপুটি রেজিস্টার পঞ্চম গ্রেড থেকে চতুর্থ গ্রেড অফিস আদেশ বাস্তবায়ন করা, আগামী সাত দিনের মধ্যে মাস্টাররোল ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক মাসের মধ্যে চাকরি স্থায়ীকরণ এবং সদ্য স্থায়ীকৃত কর্মচারীদের আপগ্রেডেশন নিশ্চিতকরণ ও কমচারী কর্মচারীদের সমিতি/ইউনিয়ন অনুমোদন দেওয়া। অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন পলাশ জানান, তারা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী কর্মবিরতি পালন করে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তাদের দাবিগুলো লিখিতভাবে দেওয়া হয়েছে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দাবিসমূহ না মানলে পরবর্তীতে ব্যাপকভাবে আন্দোলনের কর্মসূচির হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা। এছাড়া ক্লাস ও পরীক্ষার সহায়তাকারী, জরুরি সেবা এবং গ্রন্থাগারে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ কর্মবিরতির আওতামুক্ত ছিল ও থাকবে বলে জানান অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. দিদার-উল-আলম বলেন, ন্যায় সঙ্গত দাবিগুলোর বিষয়ে আমি সবসময় ইতিবাচক।

  • ৮ হাজার ৬০০ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    ৮ হাজার ৬০০ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    ৮ হাজার ৬০০ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    সীমান্তে ইয়াবাসহ এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে বিজিবি। আটক সুব্রত কুমার নাথ (৫২) চট্টগ্রাম জেলার চকবাজার থানার ষোল শহর স্টেশন এলাকার নারায়ণ চন্দ্র নাথের ছেলে। ফেনীর ৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল একেএম আরিফুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে সীমান্তের জোরারগঞ্জ থানার নয়াটিলা মাজার এলাকা থেকে ওই মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়। কর্নেল আরিফুল বলেন, গোপন খবরে বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় খাগড়াছড়ির রামগড় এলাকা থেকে ফেনীর দিকে প্রবেশ করার সময় সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল আরোহী সুব্রতকে আটক করা হয়। পরে তার মোটরসাইকেলে তল্লাশি করে সিটের নিচ থেকে ৮ হাজার ৬০০ ভারতীয় ইয়াবা জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার বাজারমূল্য আনুমানিক প্রায় ২৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আটক ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার রাতে জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান লেফট্যানেন্ট কর্নেল একেএম আরিফুল ইসলাম।