Category: চট্টগ্রাম

  • টিসিবি’র ১০২০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ ॥ ব্যবসায়ী আটক

    টিসিবি’র ১০২০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ ॥ ব্যবসায়ী আটক

    প্রশাসনের অভিযানে বিক্রয় নিষিদ্ধ টিসিবির ১ হাজার ২০ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে এ সময় এক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নানুপুর বাজারের কাঁচা বাজার সংলগ্ন মেসার্স কামাল স্টোরে অভিযান চালিয়ে তেল জব্দ করা হয় এবং দোকান মালিক মোহাম্মদ ইকবালকে আটক করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, আটক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফটিকছড়ি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযানে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ, আনসার সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।

  • তাঁতীলীগ নেতা ধরে পুলিশে দিলো স্থানীয় জনতা

    তাঁতীলীগ নেতা ধরে পুলিশে দিলো স্থানীয় জনতা

    চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলার আসামি ও কাঞ্চনা ইউনিয়ন তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনগণ। রাঙ্গামাটি এলাকায় তাকে দেখতে পেয়ে জনগণ আটক করে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে তাকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে হস্তান্তর করা হয়। আটক আবু তাহের (৩৬) সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের হাজির পাড়ার মৃত আবু বকরের ছেলে। জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আবু তাহের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে ছিলেন। তিনি কেরানীহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলার ৬০ নম্বর আসামি। এছাড়া ছনখোলায় ডাবল মার্ডার মামলার আসামি হিসেবেও তার নাম রয়েছে। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম জানান, রবিবার বিকেলে রাঙ্গামাটি এলাকায় জনগণ তাকে আটক করে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করে। তিনি ডিবি মামলার আসামি হওয়ায় গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেরানীহাট হামলার মামলায়ও তাকে আটক দেখানো হয়েছে।

  • সাজেক যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় দুই বন্ধুর মৃত্যু

    সাজেক যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় দুই বন্ধুর মৃত্যু

    চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়ায় বন্ধুদের সঙ্গে সাজেক ভ্যালি ভ্রমণে যাওয়ার পথে ডাম্পার ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার কানিয়াছড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে জিহাদ এবং জালালাবাদ ইউনিয়নের পালাকাটা গ্রামের আবদু শুক্কুরের ছেলে রাকিব ইসলাম। দোহাজারী হাইওয়ে থানার এস.আই রুহুল আমিন জানান, চট্টগ্রামমুখী একটি মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে একটি ডাম্পার ট্রাক ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের সাথে থাকা বন্ধুরা জানান, তারা তিনটি মোটরসাইকেলে মোট ছয়জন কক্সবাজার থেকে রাঙ্গামাটির সাজেকের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে ডাম্পার ট্রাকটি জিহাদ ও রাকিবের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে দুজনই ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে লোহাগাড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শহীদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর ঘাতক ড্রাইভার ও হেলপারসহ ডাম্পার ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বান্দরবানের লামা আজিজনগর ক্যাম্পের পুলিশ ট্রাকটি আটক করে। এঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • আত্মরক্ষার্থে গুলি করার নির্দেশ সিএমপি কমিশনারের

    আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কোপে আহত এস.আই রানা

    আত্মরক্ষার্থে গুলি করার নির্দেশ সিএমপি কমিশনারের

    চট্টগ্রামে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার পর আত্মরক্ষার্থে গুলি করার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ। মঙ্গলবার রাতে একটি ওয়্যারলেস বার্তায় তিনি সিএমপির সব পুলিশ সদস্যকে এই নির্দেশ দেন। বুধবার (১৩ আগস্ট) রাতে একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত সোমবার (৭ আগস্ট) রাতে নগরীর ঈশান মিস্ত্রি হাট এলাকায় আওয়ামীলীগের মিছিলে ধাওয়া দিতে গিয়ে হামলার শিকার হন বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ রানা। তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ কমিশনার এমন কঠোর নির্দেশনা দিলেন। সিএমপি কমিশনার তার বার্তায় বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে যে অস্ত্রের প্রাধিকার ছিল ওই অস্ত্রের গোলাবারুদের প্রাধিকার অনুযায়ী থানার মোবাইল পার্টি, পেট্রোল পার্টি ও ডিবির টিমগুলো সব র্যাকের পুলিশ অস্ত্র বহন করবে। আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া কোনো মোবাইল, পেট্রোল, ডিবি ও চেকপোস্ট দল ডিউটিতে বের হবে না। তিনি আরও বলেন, শুধু রাবার বুলেট দিয়ে কাজ হচ্ছে না। বন্দরে আমার এসআই গুরুতর আহত হয়েছেন। আরেক ইঞ্চি এদিক-সেদিক হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতো। বন্দর থানার এসআই যে পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন ওই পরিস্থিতিতে কেউ পড়লে কোনো অবস্থাতেই প্রজেক্টাইল লাশ ছাড়া কেউ ফিরে আসবে না। সিএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় আরও বলা হয়, সোজা কথা পুলিশের কোনো টহল পার্টির সামনে কেউ অস্ত্র বের করা মাত্র গুলি করা হবে। সেটা আগ্নেয়াস্ত্র হতে পারে, ধারালো অস্ত্রও হতে পারে। অস্ত্র বের করা মাত্র গুলি হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি দণ্ডবিধির ৯৬ থেকে ১০৬ ধারা উল্লেখ করে বলেন, সব পুলিশ অফিসারের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। আক্রমণ হওয়ার আগেই অস্ত্র বের করার মুহূর্তে গুলি করতে হবে। হয় মাথায়, নয়তো বুকে, নয়তো পিঠে করবে। সরকারি গুলির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আক্রমণের শিকার হলেও বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য আইনি জটিলতার ভয়ে অস্ত্র ব্যবহার করতে চান না। কমিশনারের এই নির্দেশনার ফলে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে কাজ করতে পারবেন।

  • অসহায় দুই শিশু ও আহত জুলাই যোদ্ধার পাশে তারেক রহমান

    অসহায় দুই শিশু ও আহত জুলাই যোদ্ধার পাশে তারেক রহমান

    চট্টগ্রাম জেলার উত্তর সাতকানিয়ায় অসহায় দুই শিশুকে চিকিৎসা সহায়তা এবং একটি দুস্থ পরিবারকে অটোরিকশা প্রদান করেছে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আহত জুলাই যোদ্ধা আজিজ নূরকেও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে উত্তর সাতকানিয়ার কালিয়াইশ গ্রামে আয়োজিত মানবিক সহায়তা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, আবুল কাশেম, সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির লায়ন হেলাল উদ্দিন, মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, রাজীব জাফর চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, নূরুল আনোয়ার মিঠু, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফখরুল ইসলাম শাহীন, উত্তর সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির আবুল হোসেন, আমির হুসেইন মিষ্টি, জসিম ইলিয়াস বাবুল, হাফেজ বেলাল, নুরুল কবির নাসির, যুবদল নেতা আজম আলমগীর সবুর, সায়েম সোলাইমান বাবুল, শ্রমিকদল নেতা টায়ুব নবীন, ছাত্রদল নেতা আদনান ওমর ফারুক, আনিস রাকিব, আরিয়ান ইসলামসহ অনেকে। সহায়তা কর্মসূচির আওতায় চন্দনাইশ হাশিমপুরের যুবদল নেতা মরহুম মোহাম্মদ ইউসুফের পরিবারকে একটি অটোরিকশা প্রদান করা হয়। এছাড়া তিন বছর বয়সী শিশু মোহাম্মদ রাহান (হার্টে ছিদ্র) এবং এগারো বছর বয়সী শিশু মোহাম্মদ আরাফাতকে (থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত) চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আহত জুলাই যোদ্ধা আজিজ নূরকেও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়।

  • অসহায় দুই শিশু ও আহত জুলাই যোদ্ধার পাশে তারেক রহমান

    অসহায় দুই শিশু ও আহত জুলাই যোদ্ধার পাশে তারেক রহমান

    চট্টগ্রাম জেলার উত্তর সাতকানিয়ায় অসহায় দুই শিশুকে চিকিৎসা সহায়তা এবং একটি দুস্থ পরিবারকে অটোরিকশা প্রদান করেছে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আহত জুলাই যোদ্ধা আজিজ নূরকেও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে উত্তর সাতকানিয়ার কালিয়াইশ গ্রামে আয়োজিত মানবিক সহায়তা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, আবুল কাশেম, সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির লায়ন হেলাল উদ্দিন, মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, রাজীব জাফর চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, নূরুল আনোয়ার মিঠু, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফখরুল ইসলাম শাহীন, উত্তর সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির আবুল হোসেন, আমির হুসেইন মিষ্টি, জসিম ইলিয়াস বাবুল, হাফেজ বেলাল, নুরুল কবির নাসির, যুবদল নেতা আজম আলমগীর সবুর, সায়েম সোলাইমান বাবুল, শ্রমিকদল নেতা টায়ুব নবীন, ছাত্রদল নেতা আদনান ওমর ফারুক, আনিস রাকিব, আরিয়ান ইসলামসহ অনেকে। সহায়তা কর্মসূচির আওতায় চন্দনাইশ হাশিমপুরের যুবদল নেতা মরহুম মোহাম্মদ ইউসুফের পরিবারকে একটি অটোরিকশা প্রদান করা হয়। এছাড়া তিন বছর বয়সী শিশু মোহাম্মদ রাহান (হার্টে ছিদ্র) এবং এগারো বছর বয়সী শিশু মোহাম্মদ আরাফাতকে (থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত) চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আহত জুলাই যোদ্ধা আজিজ নূরকেও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়।

  • চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় তিন সহোদরসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় তিন সহোদরসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় তিন সহোদরসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    চট্টগ্রামে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে তিন সহোদরসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৪ আগস্ট) চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোজিনা খান এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে, আনোয়ারার পশ্চিম সিংহরা এলাকার আহামদ মিয়া, মো. ইলিয়াছ, নুরুল আবছার, রফিক ও মো. সোলায়মান। আসামিদের মধ্যে আহামদ মিয়া, ইলিয়াছ ও নুরুল আবছার আপন তিন ভাই। মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৯ আগস্ট আনোয়ারা উপজেলার চাতরি ইউনিয়নের বাসিন্দা আবদুল শুক্কুরকে পূর্বশত্রুতার জেরে তার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন ২১ আগস্ট চাতরি এলাকায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্কুরের ছেলে মো. মিজান বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী খালে জাল ফেলা নিয়ে আসামিদের সঙ্গে আবদুল শুক্কুরের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আসামিরা তাকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এই রায় দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী হাফেজ আহম্মদ জানান, রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির মধ্যে চারজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলায় অভিযুক্ত আরও তিনজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, আবদুল কুদ্দুছ, মো. আনোয়ার ও মো. এনাম।

  • নোয়াখালীতে আ.লীগের ২০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

    নোয়াখালীতে আ.লীগের ২০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

    নোয়াখালীতে আ.লীগের ২০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

    গত ৪৮ ঘণ্টায় নোয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ২০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই দলগুলোকে সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহীম রোববার (৩ আগস্ট) সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার ও শনিবার জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জানা যায়, সারাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি প্রতিরোধে নোয়াখালীর ৯ উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। তার ধারাবাহিকতায় গত ৪৮ ঘণ্টায় পুলিশ মোট ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। তারা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পদধারী নেতা অথবা সক্রিয় কর্মী। এদের বিরুদ্ধে এক বা একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কোম্পানীগঞ্জ থানার শাহাদাত হোসেন পাভেল (৩০), সুধারাম মডেল থানার মো. আরমান (১৯), চরজব্বর থানার মো. রিপনুর রহমান (২৬), মো. মেহরাজ উদ্দিন মিলন চৌধুরী (২৫), বেগমগঞ্জ মডেল থানার তানজিল হাসান (২৮), আলা উদ্দিন (৪০), সিরাজ মিয়া (৫২), জাহিদুল হাসান মৃদুল (১৯), শ্রাবণ (১৯), আব্দুল আহাদ (১৮), নুর নবী রাজু (৩১), সাইফুল ইসলাম শাওন (৩৩), চাটখিল থানার ওয়াসিম রাব্বানী শিপন, মো. আলাউদ্দিন (২৮), সোনাইমুড়ী থানার জুলফিকার আলী ভুট্টো (৩৮), পার্থ সাহা (৩২) ও সেনবাগ থানার মো. আলী হোসেন (৩৬) ও মো. গিয়াস উদ্দিন বুলেট (৩৩)। নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, অপরাধ দমনে ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযানে নোয়াখালীতে গত ৪৮ ঘণ্টায় ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযান ও অপারেশন ডেভিল হান্ট এর কার্যক্রম চলমান আছে।

  • চট্টগ্রামে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া ছাত্রদল ও শিবির

    চট্টগ্রামে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া ছাত্রদল ও শিবির

    বছরখানেক আগেও চট্টগ্রামের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে সংঘাতে জড়াতেন। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাতারাতি বদলে যায় হাওয়া। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এখন উধাও। এ পরিস্থিতিতে বন্দরনগরীর বিভিন্ন ক্যাম্পাস দখলে নিতে মরিয়া ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম কলেজ, হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি কলেজ, কমার্স কলেজ, ইসলামিয়া কলেজসহ আরও কয়েকটি ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া ছাত্র সংগঠন দুটি। প্রকাশ্যে সহাবস্থানের রাজনীতির কথা বলা হলেও বাস্তবে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংগঠন দুটি একে অপরের শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির এরই মধ্যে সংঘর্ষেও জড়িয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার ‘শিক্ষাকেন্দ্র’ হিসেবে পরিচিত। এ এলাকায় রাস্তার এক পাশে সরকারি চট্টগ্রাম কলেজ, অন্য পাশে হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ। শুধু এ দুটি কলেজে কমবেশি ৩০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া চকবাজারের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী রয়েছেন লাখের কাছাকাছি। ফলে ছাত্র রাজনীতিতে সব সময় সরগরম এলাকাটি। এর মধ্যে সব ছাত্র সংগঠনের চোখ থাকে চট্টগ্রাম কলেজ ও হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের দিকে। চকবাজার এলাকায় রয়েছে অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। ফলে এই দুটি কলেজে যে সংগঠনের আধিপত্য থাকে, তারাই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চাঁদাবাজি করে। জানা যায়, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। গত ২১ নভেম্বর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। ২০০৯ সাল থেকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রাবাস বন্ধ ছিল। ১৬ বছর পর হলের আসন বরাদ্দের তালিকা প্রকাশ করে পলিটেকনিক কর্তৃপক্ষ। এর পর হলে প্রবেশ নিয়ে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এভাবে আরও কয়েকটি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে মুখোমুখি অবস্থানে চলে গেছে সংগঠন দুটি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ছাত্রশিবির। বিশেষ করে ছাত্রদের ৯টি আবাসিক হলে ইতোমধ্যে কমিটিও গঠন করেছে সংগঠনটি। ছাত্রদলের পাঁচজনের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও নিজেদের মধ্যে অন্তর্কোন্দলের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আধিপত্য তৈরি করতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে ছাত্রদলকে।

  • মাটিরাঙ্গা সীমান্তে ইউপিডিএফ-বিজিবি গোলাগুলি ॥ অস্ত্র উদ্ধার

    মাটিরাঙ্গা সীমান্তে ইউপিডিএফ-বিজিবি গোলাগুলি ॥ অস্ত্র উদ্ধার

    মাটিরাঙ্গা সীমান্তে ইউপিডিএফ-বিজিবি গোলাগুলি ॥ অস্ত্র উদ্ধার

    খাগড়াছাড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা সীমান্তে ইউপিডিএফের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আটক হয়নি। রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সীমান্তবর্তী তাইন্দং ইউনিয়নের তং পাড়ায় এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে দুটি রাইফেল, একটি পিস্তল, একটি শটগান ও ১৬টি গুলিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি করেছেন বিজিবির যামিনী পাড়া জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খালিদ ইবনে হোসেন। সোমবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী তং পাড়া এলাকার যামিনী পাড়া জোনের আওতাধীন বিজিবির একটি টহল দলের সঙ্গে ইউপিডিএফ মূল সংগঠনের (প্রসীত) সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলের আশপাশে অভিযান চালিয়ে রাইফেল, পিস্তল, শটগান, গুলিসহ ইউপিডিএফের ফেলে যাওয়া বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে। তবে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ি জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা। আমাদের সংগঠনের কর্মীদের সঙ্গে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমাদের সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন, তাই আমাদের ওপর মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে।