Category: সিলেট

  • হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪০ লক্ষ টাকার জিরা জব্দ

    হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪০ লক্ষ টাকার জিরা জব্দ

    হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪০ লক্ষ টাকার জিরা জব্দ

    হবিগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় ট্রাক ভর্তি বালুর নিচে লুকানো ৪০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের বিপুল পরিমান ভারতীয় জিরা জব্দ করেছে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা এবং চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি। গভীর রাতে পৃথক দুটি বিশেষ অভিযানে অভিনব কায়দায় পাচার কালে প্রায় ৪০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা আটক করা হয়েছে।বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস আভিযানিক দল সীমান্ত থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাধবপুর উপজেলাধীন ঢাকা সিলেট মহা সড়কের মুক্তিযোদ্ধা চত্বর এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক ১টায় সন্দেহজনক একটি ট্রাক আসতে দেখে সংকেত দিলে ট্রাক চালক বিজিবি টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাকটি রাস্তার পাশে ফেলে গ্রেফতারের আতংকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিত্যাক্ত ট্রাকটি তল্লাশি করে দেখা যায়, ট্রাকটিতে থাকা বালুর নিচে বস্তার ভেতরে ভারতীয় বিপুল পরিমাণ জিরা লুকানো রয়েছে। যাহা ভারত থেকে অবৈধ্য ভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা জিরাগুলো জব্দ করা হয়। এছাড়াও পৃথক আরেকটি বিশেষ অভিযানে একই এলাকায় আজ ভোররাত ৪টার দিকে অন্য আরেকটি ট্রাক আসতে দেখে ট্রাকটি সংকেত দিয়ে থামানো হয়। উক্ত ট্রাকটি তল্লাশী করে একই কায়দায় বালুর নিচে লুকানো অবস্থায় পরিবহনকালে ভারতীয় বিপুল পরিমান জিরা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ভারতীয় জিরার মূল্য আনুমানিক ৪০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। আটক কৃত অবৈধ ভারতীয় জিরাগুলো সংশ্লিষ্ট কাস্টমস অফিসে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান দমনে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশের অর্থনীতিকে সুসংহত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সক্রিয় সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন বিজিবি।

  • হবিগঞ্জে সাবেক চেয়ারম্যান-মেম্বারের সমর্থকদের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত

    হবিগঞ্জে সাবেক চেয়ারম্যান-মেম্বারের সমর্থকদের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত

    হবিগঞ্জে সাবেক চেয়ারম্যান-মেম্বারের সমর্থকদের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত

    হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জেরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার বিরাট ইউনিয়নের উজান পাড়া গ্রামে এই সংঘর্ষ হয়। আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি মো. আকবার হোসেন জানান, বিরাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ঈসমাইল হোসেন সরসের সঙ্গে একই ইউপির সদস্য মুজিবুর রহমানের মধ্যে জলমহাল ইজারা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে তাদের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসমাইল হোসেন সরস মিয়ার পক্ষের মোতাহির মিয়ার ছেলে নীলয়ের সঙ্গে মুজিবুর রহমানের পক্ষের মোতালিব মিয়ার ছেলে বজলু মিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে রাতে দুই পক্ষের লোকজন রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় ঘণ্টা খানেক ধরে চলা সংঘর্ষে উজান পাড়া গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। আহতদের মধ্যে দিলকুশ মিয়া (৪০), মহিবুর মিয়া (৪৫), বারাম মিয়া (৪৮), জয়নাল আবেদীন (৫৫), সেকুল মিয়া (৪৮), রুমন মিয়া (২২), উজ্জ্বল মিয়া (২০), পাবেল মিয়া (২৪), হুসাইন মিয়া (২১), কাবিল হোসেন (৩৫), নিজাম উদ্দিন (৫৫), মহিবুল রহমান (৪৫)কে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওসি মো. আকবার হোসেন আরও বলেন, পূর্ব বিরোধ নিয়ে দু’পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে এর জেরে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

  • সিসিক প্রশাসকের নির্দেশ ॥ অফিসে ঠিক সময়ে না এলে ব্যবস্থা

    সিসিক প্রশাসকের নির্দেশ ॥ অফিসে ঠিক সময়ে না এলে ব্যবস্থা

    সিসিক প্রশাসকের নির্দেশ ॥ অফিসে ঠিক সময়ে না এলে ব্যবস্থা

    সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনেই নগর ভবন পরিদর্শনে গিয়ে রাজস্ব ও প্রকৌশল শাখাসহ বিভিন্ন বিভাগে ঘুরে দেখেন এবং অনুপস্থিতদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেন।নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় নগরভবনে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় অফিস শুরুর নির্ধারিত সময়ে গিয়ে তিনি ‘বেশিরভাগ’ কর্মকর্তা ও কর্মীদের কর্মস্থলে পাননি। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারসহ অন্যরা এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন। সরেজমিনে দেখা যায়, নবনিযুক্ত এই প্রশাসক প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে তাদের কার্যালয়ে পাননি। রাজস্ব শাখার ৬৯ জন কর্মচারীর মধ্যে মাত্র চার থেকে পাঁচ জন ‘ঠিক সময়ে’ অফিসে উপস্থিত হয়েছেন বলে তথ্য পান তিনি। অফিসে অনুপস্থিতির বিষয়ে দায়িত্বরত অন্যদের কাছে কৈফিয়ত চান তিনি এবং সময়মতো অফিসের কার্যক্রম শুরু করতে নির্দেশ দেন।বুধবার দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। নগর ভবনের বিভিন্ন শাখা ঘুরে দেখার পর নবনিযুক্ত প্রশাসক কাইয়ুম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, “সরকারের নির্দেশ রয়েছে সকাল নয়টা থেকে অফিস করার জন্য। সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে অফিসে কাজ করতে হবে। ঠিক সময়ে উপস্থিত না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারিদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • রোজায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে-বাণিজ্যমন্ত্রী

    রোজায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে-বাণিজ্যমন্ত্রী

    রোজায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে-বাণিজ্যমন্ত্রী

    রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।তিনি বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম স্থিতিশীল রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এ দায়িত্বের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন রোজা সামনে রেখে বিশেষ কিছু করার সুযোগ ছিল না। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে- আমাদের হাতে যে পরিমাণ খাদ্য মজুত রয়েছে, তা বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য পর্যাপ্ত। শুক্রবার সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সিলেট নিয়ে পরিকল্পনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা আমি দীর্ঘ নির্বাচনি প্রচারণা ও ইশতেহারে উল্লেখ করেছি। যেসব বিষয় সিলেটবাসীর জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি সংশ্লিষ্ট পেশার প্রসার এবং একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সিলেটে প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা প্রয়োজন জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হবে। আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে বড় বড় ডিজিটাল স্কিম গ্রহণ করেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এআই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা যদি পিছিয়ে থাকি, তাহলে বর্তমান বিশ্বে অন্যরা আমাদের প্রতি করুণার দৃষ্টিতে তাকাবে। আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো.মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

  • নবীগঞ্জে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত

    নবীগঞ্জে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত

    নবীগঞ্জে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত

    জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’-এ র‌্যালী, বইপাঠ, আলোচনা সভা, পাঠপ্রতিক্রিয়া ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় বিজয়ী পাঠকদের সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়। এবারের গ্রন্থাগার দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল-‘জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি।’ হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’-এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের শুরুতে মেইন রোড থেকে গ্রন্থাগার পর্যন্ত এক বর্ণঢ্য র‌্যালী বের করা হয়।

    র‌্যালী শেষে বিভিন্ন লেখকের লেখা গ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। তারপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারের পাঠক ফোরামের সভাপতি দেবাশীষ দাশ রতনের সভাপতিত্বে ও ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রিপন দাশ প্লাবনের সঞ্চালনায় সভার শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাস, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তাহার গ্রামের ১১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদ ও মুক্তাহার গ্রামের দুই ভাষা সৈনিক বাণীকান্ত দাশ ও প্রিয়তোষ দাশ এর স্মরণে ১ মিনিট দাড়িয়ে নীরবতা পালন করা।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-করগাঁও ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক লিপটন দাশ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-তরুণ সমাজকর্মী নারায়ণ দাশ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয় দাশ, সদস্য সৃষ্টি রাণী দাশ, মেঘলা দাশ, সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদের সভাপতি তীর্থ দাশ, রকি দাশ, গ্রন্থাগার কর্মী প্রান্ত দাশ প্রমুখ। বক্তাগণ জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন-গ্রন্থাগার হলো একটি জাতির আলোকবর্তিকা। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে এবং অপসংস্কৃতি রোধে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। এবারের প্রতিপাদ্য ‘জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী। কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়,

    বরং গ্রন্থাগারের বিচিত্র জ্ঞানের ভাণ্ডারই একজন মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। সুস্থ চিন্তার বিকাশ ও মানবিক সমাজ গঠনে গ্রন্থাগারই আমাদের সবচেয়ে বড় ভরসাস্থল। বক্তাগণ তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা স্মার্টফোনের স্ক্রিন ছেড়ে বইয়ের পাতায় ফিরে আসুন। সভা শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংবর্ধনা স্মারক প্রদান করেন। এবছর পাঠপ্রতিক্রিয়ায়- সজীব দাশ, জয় দাশ, সৃষ্টি রাণী দাশ, তীর্থ দাশ, সুষ্মিতা দাশ মেঘনা, রকি দাশ এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় প্রিয়া রাণী দাশ, রাজশ্রী দাশ, অর্পিতা দাশ প্রমি, পূজা দাশ, অনুপমা দাশ, পল্লবী দাশ মৌমি কে সংবর্ধনা স্মারক প্রদান করা হয়।

  • সুলতানার স্বপ্ন-‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ অংশগ্রহন

    সুলতানার স্বপ্ন-‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ অংশগ্রহন

    সুলতানার স্বপ্ন-‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ অংশগ্রহন

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও ইউনেস্কো আয়োজিত সুলতানার স্বপ্ন-শিক্ষার্থীসম্পৃক্ত সৃজনশীল পাঠ কর্মসূচি ২য় পর্যায়ের কেন্দ্রীয় উৎসবে সিলেট বিভাগের একমাত্র গণগ্রন্থাগার হিসেবে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ অংশগ্রহন করে। আগারগাঁও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- গবেষক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহান। বক্তব্য রাখেন- ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুজান ভাইস। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-বাংলাদেশ বেসরকারি গ্রন্থাগার সংহতির আহ্বায়ক শাহনেওয়াজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিনিধি রিফাত জাহান, পর্বতারোহী নিশাত মজুমদার,বাংলাদেশ বেসরকারি গ্রন্থাগার সংহতির সদস্য সচিব জহির উদ্দিন আহমেদ, উৎসব আয়োজন সম্পর্কে বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ব্যবস্থাপক (শিক্ষা ও কর্মসূচি) সত্যজিৎ রায় মজুমদার। ট্রাস্টি ও সদস্য সচিব মফিদুল হকের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ত্রপা মজুমদার। এই সারাদেশের ৪০ টি বেসরকারি গণগ্রন্থাগারের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ এর প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহন করেন গ্রন্থাগারের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি রত্নদীপ দাস রাজু।

  • নবীগঞ্জে তুলার গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড ॥ ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

    নবীগঞ্জে তুলার গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড ॥ ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা বাজারে তোলার একটি গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পানিউমদা বাজারের সোনা মিয়া মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের জানান, সকালে হঠাৎ তিন তলা বিশিষ্ট সোনা মিয়া মার্কেটের নিচতলায় অবস্থিত তোলার গোডাউন ও একটি লেপ-তোশকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো নিচতলায়। মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কৃষি ব্যাংকের একটি শাখা থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

    খবর পেয়ে বাহুবল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও নবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে ততক্ষণে গোডাউনে রাখা তোলা ও দোকানের বিভিন্ন মালামাল পুড়ে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। বাহুবল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার এনামুল হোসেন চৌধুরী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’র পুরষ্কার বিতরণ

    নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’র পুরষ্কার বিতরণ

    নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’র পুরষ্কার বিতরণ

    যুব সমাজকে উদ্বোদ্ধকরণে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা চমৎকার একটা উদ্যোগ। সামাজিক কার্যক্রমের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এরকম কিছু কর্মসূচি পালন করা উচিত। খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। খেলাধুলা আমাদের শৃঙ্খলা, টিমওয়ার্ক, নেতৃত্ব এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্থির থাকার মানসিকতা শেখায়। কর্মব্যস্ততা ও পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা সুস্থ, প্রতিযোগিতা ও সহনশীলতার মনোভাব গড়ে তোলে, যা ভবিষ্যৎ জীবনের সহায়ক। ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘মিনি নাইট ফুটবল টুর্ণামেন্ট এর পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা রত্নদীপ দাস (রাজু)। হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার মুক্তাহার গ্রামে রবিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে সংস্থার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন কমিটির আহবায়ক বিপ্লব দাশের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সত্যব্রত দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্রিটিশ শাসনামলের নবীগঞ্জ থানার ৩৯নং সার্কেল পঞ্চায়েতের সরপঞ্চ ও স্বদেশী আন্দোলনের স্থানীয় সংগঠক শ্রীমান সনাতন দাস ও সরপঞ্চ শ্রীমান দীননাথ দাস-এর স্মৃতির স্মরণে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জনি দাশ ও ট্রেজারার নিউটন দাশ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদের সভাপতি তীর্থ দাশ, পার্থ সারথী দাশ, উৎস দাশ, নয়ন দাশ, জয়ন্ত দাশ, কানাই দাশ, সৌমিত্র দাশ, নিত্য দাশ প্রমুখ। উল্লেখ্য, মিনি নাইট ফুটবল টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ান হয় ‘মুক্তাহার ক্লাব’ এবং রানার-আপ হয় ‘এফসি ব্রাদার্স’। প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহনকারী অন্যান্য টিম হচ্ছে-দূরন্ত স্পোর্টিং ক্লাব, শাপলা স্পোর্টিং ক্লাব, সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদ, সুপারস্টার, মুক্তাহার ব্রাদার্স, রাইজিং স্টার, আমরা করবো জয়, বিএফএফ নামক ১০ টিমের খেলোয়াড়বৃন্দ টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণ করে। সবশেষে চ্যাম্পিয়ান ‘মুক্তাহার ক্লাব’ এবং রানার-আপ ‘এফসি ব্রাদার্স’ এর খেলোয়াড়দের হাতে টপি তুলে দেওয়া হয় এবং সংস্থার পক্ষ থেকে খেলার জন্য ‘ট্রায়েন্ডা ফুটবল-২০২৬’ প্রদান করা হয়।

  • সিলেটের ওসমানীনগরে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-২ ॥ আহত-১০

    সিলেটের ওসমানীনগরে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-২ ॥ আহত-১০

    সিলেটের ওসমানীনগরে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানী নগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, সকাল ৭টার দিকে সিলেট থেকে ঢাকাগামী এনা পরিবহন ও ইউনিক পরিবহনের সাথে গাইবান্ধা থেকে সিলেটগামী শ্যামলী পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই জনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও অন্তত ১০ জন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা হতাহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। তবে নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। ওসমানী নগর থানার ওসি মো. মনায়েম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

  • বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচিতি সভা ॥ সাংবাদিকদের মিলনমেলা

    বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচিতি সভা ॥ সাংবাদিকদের মিলনমেলা

    সাংগঠনিক ঐক্য, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও সাংবাদিক সমাজের পারস্পরিক সৌহার্দ্য জোরদারের লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচিতি সভা, শোভাযাত্রা, সমাবেশ ও সাংবাদিকদের মিলনমেলা সিলেটে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিলেট নগরীর ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সাংবাদিক ও অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। উদ্বোধনী পর্বে কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, আদর্শ, গঠনতন্ত্র ও আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ ও পেশাদার নেতৃত্ব গড়ে তোলাই এ কমিটির প্রধান অগ্রাধিকার। পরিচিতি সভা শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় সংগঠনের ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এতে সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী ছাড়াও সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। দুপুরে অনুষ্ঠিত হয় সমাবেশ, যেখানে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা সমসাময়িক সামাজিক, সাংগঠনিক ও পেশাগত নানা বিষয়ে আলোকপাত করেন। তারা বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও সুসংগঠিত নেতৃত্ব একটি সুস্থ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ সময় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সামাজিক উদ্যোগের ঘোষণাও দেওয়া হয়।
    দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় সাংবাদিকদের মিলনমেলা। এ মিলনমেলায় দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। প্রাণবন্ত আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আড্ডার মধ্য দিয়ে মিলনমেলাটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। আয়োজকরা বলেন, এই মিলনমেলা সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। দুই দিনের কর্মসূচির সমাপনী বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ সিলেটবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের গঠনমূলক আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সফল আয়োজনের মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচিতি সভা, শোভাযাত্রা, সমাবেশ ও সাংবাদিকদের মিলনমেলা একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে বলে মনে করেন অংশগ্রহণকারীরা। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সফিউল্লাহ আনসারী তার বক্তব্যে বিএমএসএফের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফরকে ‘সাংবাদিক বন্ধু’ উপাধতে ভূষিত করেন।