Category: সিলেট

  • পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের ১৮৮ বন্দি

    পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের ১৮৮ বন্দি

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে চিকিৎসাধীন ও আটক থাকা ১৮৮ জন বন্দি পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবুল হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী কারাগারে থাকা আইনগতভাবে ভোটাধিকারপ্রাপ্ত বন্দিদের ভোট প্রদানের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন জানান, যেসব বন্দির ভোটাধিকার আইন অনুযায়ী বহাল রয়েছে, কেবল তারাই নির্ধারিত নিয়ম মেনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। কমিশনের বিধি-বিধান অনুসরণ করেই অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে এই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। কারাগারে থাকা বন্দিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। তারা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ‘সবার জন্য সমান ভোটাধিকার’—এই সাংবিধানিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

  • নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

    নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার মুক্তাহার গ্রামে ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’র উদ্যোগে ১০ টিমের মিনি নাইট ফুটবল টুর্ণামেন্ট এর উদ্বোধন হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ট্রাস্টের সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা রত্নদীপ দাস (রাজু)। অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্রিটিশ শাসনামলের নবীগঞ্জ থানার ৩৯নং সার্কেলের সরপঞ্চ ও স্বদেশী আন্দোলনের স্থানীয় সংগঠক শ্রীমান সনাতন দাস ও সরপঞ্চ শ্রীমান দীননাথ দাস-এর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন-সংগঠনের সভাপতি দেবাশীষ দাশ রতন, সাধারণ সম্পাদক জনি, ট্রেজারার নিউটন দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক জয় দাশ, দপ্তর সম্পাদক রাসেল মিয়া, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন কমিটির আহবায়ক বিপ্লব দাশ, সদস্য সচিব সত্যব্রত দাশ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-দীপ্ত দাশ, রিপন দাশ, গৌরা দাশ, সজীব দাশ, তীর্থ দাশ, উৎস দাশ পরাগ, রাহিম মিয়া, জয়ন্ত দাশ, উৎস দাশ, পার্থ সারথী দাশ, পার্থ দাশ, অমিত দাশ, নিত্য দাশ, নিজু দাশ, শাওন দাশ, রিমন দাশ, প্রান্ত দাশ, প্রশান্ত দাশ, শংকর দাশ, রিপন দাশ (২), কানাই দাশ, প্রীতম দাশ প্রমুখ। উদ্বোধনী বক্তব্যে রত্নদীপ দাস (রাজু) বলেন-খেলাধুলা, শরীর চর্চা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে যেমনি অত্যাবশ্যকীয় ভূমিকা রাখে। তেমনি নিয়মিত অনুশীলনের কারণে অনেক বাজে অভ্যেস থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই ছাত্র-যুবকদের লেখাপড়া ও পেশাগত জীবনের পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা করা উচিত। খেলাধুলার মাধ্যমে সকল সামাজিক অবক্ষয়কে দূর করতে হবে। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়-দূরন্ত স্পোর্টিং ক্লাব, শাপলা স্পোর্টিং ক্লাব, সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদ, সুপারস্টার, এফসি ব্রাদার্স, মুক্তাহার ব্রাদার্স, রাইজিং স্টার, আমরা করবো জয়, বিএফএফ নামক ১০ টিমের খেলোয়াড়বৃন্দ টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণ করেন।

  • শাবিপ্রবি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী সুনামগঞ্জের মোস্তাক

    শাবিপ্রবি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী সুনামগঞ্জের মোস্তাক

    দীর্ঘ ২৮ বছর পর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আগামী ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন।

    এই ঐতিহাসিক নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেল থেকে বিজয় ২৪ হল সংসদে জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সুনামগঞ্জের সন্তান মোঃ মোস্তাক আহমদ। মোস্তাক আহমদ বর্তমানে শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং সুনামগঞ্জ জেলা স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, সাস্ট-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতির মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। জিএস পদপ্রার্থী মোস্তাক আহমদের বাড়ি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার শহরতলী গ্রাম মাইজবাড়িতে। তিনি সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। এ বিষয়ে মোস্তাক আহমদের বাবা মোঃ আহবাব হুসেন বলেন, “আমি চাই, সে সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কল্যাণে রাজনীতি করুক এবং এ দেশের মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখুক। আমার বিশ্বাস, সে নির্বাচিত হলে অবশ্যই সকল শিক্ষার্থীর স্বার্থে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।”

  • নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাসের ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাসের ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ও ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের ৫ নম্বর সেক্টরের ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ-২ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা, খ্যাতিমান শিক্ষক ও নবীগঞ্জের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রবীন্দ্র চন্দ্র দাসের সমাধিতে পারিবারিক পরিসরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পতাকা উত্তোলন করা হয়। এসময় উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন-বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাসের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা রত্না দাশ, অনুজ কবিন্দ্র চন্দ্র দাস, পুত্র রত্নদীপ দাস রাজু ও রত্নেশ্বর দাস রামু, গ্রন্থাগারের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ফোরামের সহ-সভাপতি জনি দাস, ভাতিজি সৃষ্টি রাণী দাস, ভাতিজা জিৎ দাস, নাতি দীপ শেখর দাস, নাতনি মমীসহ পরিবার পরিজন। বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাস ১৯৫৪ সালের ৩১ জানুয়ারি নবীগঞ্জ উপজেলার মুক্তাহার গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পিতা সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দীগেন্দ্র চন্দ্র দাস। পিতামহ দীননাথ দাস ছিলেন স্বদেশী আন্দোলনের স্থানীয় সংগঠক ও ব্রিটিশ শাসনামলের নবীগঞ্জ থানার ৩৯নং সার্কেলের সরপঞ্চ। পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বাল্যকাল থেকেই তিনি ছিলেন সংস্কৃতমনা। ছাত্রজীবনে তিনি যাত্রাদলে অভিনয় ও গানের ভীষণ অনুরাগী ছিলেন। কোন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কোর্স ছাড়াই ছাত্রজীবনে বাউলসংগীত ও লোকসংগীতে পারদর্শিতার পাশাপাশি অভিনয়েও সমান পারঙ্গমনতা অর্জন করেন। তাছাড়া ফুটবল, হাডুডু, দৌড়, সাঁতার, বক্তৃতাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ মহকুমাসহ বৃহত্তর সিলেটের মধ্যেও বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় কৃতিত্ব অর্জন করেন। তিনি ছাত্র হিসেবে যেমন ছিলেন মেধাবী, তেমনি বৃন্দাবন কলেজের ছাত্র সংসদ রাজনীতিতেও ছিলেন সক্রিয়। অংশগ্রহন করেন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কর্মসূচীতে। এই সময়টা অর্থ্যাৎ ১৯৬৯ থেকে ১৯৭১ সালটা ছিল উত্তাল। এই সময়ে মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনৈতিক কর্মকান্ডে হবিগঞ্জ আসলে, তাঁদের সান্নিধ্যে যাওয়ার সুযোগও হয় তাঁর। মাওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধুর (হবিগঞ্জের) রক্তে আগুনলাগা জ্বালাময়ী ভাষণে উদ্ভুদ্ধ হয়ে দেশমাতৃকা মুক্ত করার সংগ্রামে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন তিনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর সারাদেশ জুড়ে যখন স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি শুরু হয়, তখন যুবক রবীন্দ্রও স্বাধীনতার অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে যুদ্ধে যোগদানের প্রত্যয় নিয়ে বাড়ী ফিরেন। নবীগঞ্জে এসে মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি পুরুষ জননেতা শ্যামাপ্রসন্ন দাশগুপ্ত (বিধুবাবু) এর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ শুরু করেন।
    এরই মধ্যে তিনি পরিবার-পরিজন সহ ভারতে গমন করে মৈলাম শরনার্থী ক্যাম্পে পরিবার-পরিজনদের রেখে মুক্তিযোদ্ধা রিক্রুটিং ক্যাম্পে উপস্থিত হন। ৫নম্বর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মীর শওকত আলী (পরবর্তীতে লে.জেনারেল) তাঁকে রিক্রুট করেন। মুক্তিযুদ্ধের এক পর্যায়ে ৫ নং সেক্টরের ৩০ জনের চৌখোস ও শিক্ষিত একটি যুবকদের নিয়ে স্পেশাল ব্যাচ-২ গঠন করলে, এই দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন রবীন্দ্র চন্দ্র দাস। ইকোওয়ান-এ ইন্টেলিজেন্ট ব্রাঞ্চের কার্যক্রমের উপর ২১ দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহনের পর ডিংরাই ইয়ুথ ক্যাম্প প্রশাসক ফ্লাইট ল্যাফটেন্যান্ট (অব:) নরেন্দ্র চন্দ্র বসাকের (এন সি বসাক) নির্দেশে তিনি ৫নম্বর সেক্টরের টেকারঘাট সাব-সেক্টরের কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন মোসলেম উদ্দিন ওরফে দীন মোহাম্মদ এর অধীনে মুক্তিযুদ্ধের স্বশস্ত্র পর্বে অংশগ্রহন করেন। তিনি-ভাতেরটেক, পলাশ, আমবাড়ি, বৈষেরভের, চিনাকান্দি, গৌরারং, টেংরাটিলা, ডলুয়া প্রভৃতি স্থানে সাহসীকতার সাথে যুদ্ধ করেন। ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের দিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৭১-এ বিজয় অর্জনকারী এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। উল্লেখ্য যে, তাঁর নিজ গ্রামে তাঁর নামানুসারে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ প্রতিষ্ঠিত করা হয়। তাঁর ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ১৮ ডিসেম্বর বিদেহী আত্মার শান্তি ও সদগতি কামনায় তাঁর নিজ বাড়িতে পরলৌকিক ক্রিয়াদি তথা একোদ্দিষ্ঠ শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠিত হবে।

  • সিলেটের সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

    সিলেটের সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

    সিলেটের কানাইঘাটে লোভাছড়া সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে জামাল উদ্দিন (৪৫) নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে সীমান্তের বাংলাদেশ অংশের অভ্যন্তরে এই ঘটনা ঘটে। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত জামাল উদ্দিন কানাইঘাট উপজেলার কান্দলা বাংলাটিলা গ্রামের মৃত মকরম আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি জামাল উদ্দিন। পরে বিজিবির একটি টহল দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। কানাইঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দুর্গা কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লোভাছড়া সীমান্তে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। লাশটি উদ্ধার করে আজ রোববার ভোর ৪টার দিকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে সুরতহাল শেষে সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বর

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বর

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বর

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বর হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন। তবে নির্বাচনের তারিখ প্রত্যাখান করে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। শুক্রবার রাত সোয়া ৯টার দিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা দেন উপাচার্য অধ্যাপক সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী। এ সময় তিনি বলেন, “দীর্ঘ ২৭ বছর পর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শাকসু নির্বাচন হচ্ছে। এতে আমাদের সব শিক্ষার্থী খুশি হওয়ার কথা। ১৭ ডিসেম্বর হচ্ছে নির্বাচনের জন্য একটা চমৎকার তারিখ। এর থেকে ভাল তারিখ আমরা পাচ্ছি না। তাই এ দিনেই আমরা শাকসুর আয়োজন করতে যাচ্ছি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইসমাঈল হোসেন, শাকসু প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেস, কমিশনের মুখপাত্র অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ও প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। শাকসু নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেস বলেন, ভোটার তালিকা প্রণয়ন কাজ চলতেছে। উপাচার্য তারিখ ঘোষণা করেছেন, এটা ওনাদের দায়িত্ব ছিল। এখন যাবতীয় রোডম্যাপ সম্পন্ন করে আমরা নির্বাচন কমিশন আগামী ২১ দিনের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করব। এদিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচনের ঘোষণা শুনতে পেয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। তারা ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ প্রত্যাখান করে প্রশাসনিক ভবনের তালা দেওয়ার ঘোষণা দেন।

  • একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন

    একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন

    একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন

    হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ১নং পশ্চিম বড় ভাকৈড় ইউনিয়নের চৌকি গ্রামের মহেন্দ্র দাস এর ছেলে মৃত্যুঞ্জয় দাস (৩৭)। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কর্ম জীবন থেকে নিষ্ক্রিয় জীবন যাপন এবং আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। স্ত্রী, দুই সন্তান, বৃদ্ধ ও অসুর বাবা-মা বাধ্য হয়ে বিবেকবান ব্যক্তিদের নিকট সাহায্যের জন্য আবেদন করছেন। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। মৃত্যু পথ যাত্রী মৃত্যুঞ্জয় দাসের পরিবার দেশবাসীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। রকেট পারসোনাল: +৮৮০১৬১১১৬৭১৪৩৫, বিকাশ পারসোনাল: +৮৮০১৩৩০১৬৬৬৭৬, বিকাশ পারসোনাল: +৮৮০১৭৬৬০০২৩৭৩, রোগীর ব্যাংক একাউন্টের নাম ও নাম্বার: অগ্রণী ব্যাংক, নবীগঞ্জ শাখা, হবিগঞ্জ, একাউন্ট নম্বর: ০২০০০১৭২৪৩৬৪১।

  • সরকারি নিবন্ধন পেল ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’

    সরকারি নিবন্ধন পেল ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’

    সরকারি নিবন্ধন পেল ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’

    হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’ দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের মুক্তাহার গ্রাম সহ আশেপাশের এলাকায় কাজ করে আসছে। সংস্থাটি ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্র ও যুব সমাজকে নিয়ে বাল্য বিবাহ রোধ, মাদক বিরোধী সচেতনতা, ইভটিজিং, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সহ সমাজের নানান অসঙ্গতিপূর্ণ বিষয় ও যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। ইতিমধ্যে গ্রামের ৩০ জন যুবক-যুবতীদের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে সংস্থাটি। সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের গতিশীল ও সন্তোষজনক কার্যক্রমে বিগত ২৯ অক্টোবর তারিখে নিবন্ধন সনদ ইস্যু করে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার মুক্তাহার গ্রামের দুই কীর্তি পুরুষ, ব্রিটিশ শাসনামলের নবীগঞ্জ থানার ৩৯ নং সার্কেল পঞ্চায়েতের সহোদর সরপঞ্চ, ব্রিটিশ বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের স্থানীয় সংগঠক এবং সামজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদ্বয় শ্রীমান সনাতন দাস ও শ্রীমান দীননাথ দাস এঁর নামানুসারে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নিবন্ধন প্রদানের বিষয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞা বলেন- ‘এই সংগঠনটি শিক্ষিত, দক্ষ ও উদ্দীপ্ত কিছু তরুন-তরুনীদের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে। যারা এই এলাকার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা এই সংগঠনের রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেছি। আমরা তাদের আগ্রহ ও কর্মকান্ডে খুশী। আশাকরি এই সংগঠন দ্বারা এলাকাবাসী ভালো কিছু পাবে। আমি এই সংগঠনের সমৃদ্ধি কামনা করি।’ নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন- ‘নবীগঞ্জ উপজেলার প্রাচীন দু’জন খ্যাতিমান ব্যক্তির নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনকে নিবন্ধন প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সবচেয়ে বড়ো কথা সংগঠনের অধিকাংশ সদস্যরা শিক্ষিত ও সুশীল। আশাকরি সংগঠনের সদস্যরা ঐতিহ্য আর আধুনিকতার সম্মিলনে ভালো কিছু করে দেখাবে।’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা রত্নদীপ দাস (রাজু) বলেন- ‘আমরা বৈষম্যহীন, সুখী-সমৃদ্ধ সমাজ তথা দেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। দেশ গঠনের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে যুব সমাজ। দেশের যুব সমাজকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে উন্নত বাংলাদেশ গড়া অসম্ভব নয়। আমরা যুবকদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞা, নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব জহিরুল ইসলাম ও সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব নজরুল ইসলামকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সংগঠনকে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করার জন্য। সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।’ সংগঠনের সভাপতি দেবাশীষ দাশ রতন বলেন-‘আমাদের সংগঠন কে নিবন্ধনে সহযোগিতা করায় নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা রত্নদীপ দাস (রাজু) প্রান্তিক পর্যায়ে আমাদেরকে নিয়ে যে জাগরণের সৃষ্টি করেছেন, তা একদিন জাতীয় পর্যায়ে মডেল হিসেবে পরিগনিত হবে আমরা আশা রাখি।’ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জনি দাশ বলেন- ‘সংগঠন কে শক্তিশালী করতে এলাকাবাসী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সকলের সহযোগিতা চাই। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা রত্নদীপ দাস (রাজু) আমাদেরকে নিয়ে অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি এই সংগঠনের মাধ্যমে তাঁর সহযাত্রী হতে পেরে আনন্দিত। আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’

  • যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর উপ-পরিচালকের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন

    যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর উপ-পরিচালকের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন

    যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর উপ-পরিচালকের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন

    হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞা। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে গ্রন্থাগার পরিদর্শনে আসলে তাঁকে গ্রন্থাগারে স্বাগত জানান গ্রন্থাগারের পাঠক ফোরামের সভাপতি দেবাশীষ দাশ রতন ও সাধারণ সম্পাদক কনিক দাশ শুভ। এসময় উপ-পরিচালক একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞার সাথে ছিলেন-নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। এসময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক গ্রন্থাগারের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন ও সার্বিক কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

  • নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’র মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

    নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’র মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

    যুব সম্প্রদায় একটা দেশের সম্পদ ও চালিকা শক্তি। যে দেশের যুব সম্প্রদায় যতটা বেশি প্রশিক্ষিত ও কর্মঠ, সে দেশের অর্থনীতি ততটাই শক্তিশালী। হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার সামাজিক সংগঠন ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’ আয়োজিত যুব সমাজ ও সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সংবর্ধিত ব্যক্তিত্বের বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন, জাতীয় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হবিগঞ্জ জেলার উপ-পরিচালক একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞা। বৃহস্পতিবার সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি দেবাশীষ দাশ রতনের সভাপতিত্বে ও সদস্য কনিক দাশ শুভর সঞ্চালনায় সভার শুরুতে প্রধান অতিথি ও সংবর্ধিত ব্যক্তিত্ব একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞাকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরন করে নেন সংগঠনের সদস্যবৃন্দ এবং পরে মানপত্র পাঠ করে শুনানো হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ও অবসরপ্রাপ্ত পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা রত্না দাশ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সহ-সভাপতি সাগর দাশ, ট্রেজারার নিউটন দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক জয় দাশ, দপ্তর সম্পাদক রাসেল মিয়া, নারী বিষয়ক সম্পাদক সীমা রাণী দাশ, সদস্য সজীব দাশ, গৌরাঙ্গ দাশ গৌরা, ঝুমা রাণী দাশ, পল্লবী রাণী দাশ, সাবিনা বেগম, সৃষ্টি রাণী দাশ, ওলী রাণী দাশ, সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদের সভাপতি তীর্থ দাশ, দপ্তর সম্পাদক গোপাল দাশ জিৎ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক দীপ শেখর দাশ, নিধু দাশ প্রমুখ। সব শেষে সংবর্ধিত অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, সংস্থাটি ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের মুক্তাহার গ্রামে ছাত্র ও যুব সমাজকে নিয়ে বাল্য বিবাহ রোধ, ইভটিজিং ও মাদক বিরোধী সচেতনতা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সহ সমাজের অসঙ্গতিপূর্ণ বিষয় ও সমাজকল্যাণ মূলক কাজ করে যাচ্ছে।