Category: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

  • অ্যাপে বাঁধা তেল সিন্ডিকেট ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিজিটাল নজরদারিতে ভাঙছে কৃত্রিম সংকটের কারসাজি

    অ্যাপে বাঁধা তেল সিন্ডিকেট ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিজিটাল নজরদারিতে ভাঙছে কৃত্রিম সংকটের কারসাজি

    অ্যাপে বাঁধা তেল সিন্ডিকেট ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিজিটাল নজরদারিতে ভাঙছে কৃত্রিম সংকটের কারসাজি

    জ্বালানি তেল নিয়ে দীর্ঘদিনের কৃত্রিম সংকট, অতিরিক্ত ভিড় আর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে নাকাল চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষ। তবে এবার সেই চক্রে লাগাম টানতে জেলা প্রশাসনের সাহসী ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ-অ্যাপভিত্তিক তেল বিক্রয় ব্যবস্থা-নিয়ে এসেছে নতুন আশা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও নাচোল উপজেলায় এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। তিনি জানান, “তেলের প্রকৃত কোনো ঘাটতি নেই, সমস্যা তৈরি হয়েছিল কৃত্রিমভাবে-অতিরিক্ত মজুত, পুনঃবিক্রি ও অসাধু চক্রের অপতৎপরতার কারণে।”স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা ঈদুল হাসান জনি-এর উদ্ভাবিত এই ডিজিটাল সিস্টেমে প্রতিটি মোটরসাইকেল নির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় আনা হয়েছে।

    একটি মোটরসাইকেল ৫ দিনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার তেল নিতে পারবে। একবার তেল নেওয়ার পর পরবর্তী ৫ দিন একই রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে জেলার অন্য কোনো পাম্প থেকে তেল নেওয়া যাবে না। প্রতিটি লেনদেন অ্যাপে রেকর্ড হওয়ায় ডুপ্লিকেট বা জালিয়াতির সুযোগ কমে যাচ্ছে।সিন্ডিকেটে আঘাত, বাজারে স্বস্তি জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এতদিন অনেকেই একাধিকবার তেল নিয়ে তা বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন। এতে সাধারণ গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছিলেন এবং বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছিল। নতুন এই ব্যবস্থায় সেই পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।ইতোমধ্যে শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলায় সফলভাবে পাইলটিং শেষ হয়েছে। সেখানে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় এখন জেলার ৩২টি ফিলিং স্টেশনে পর্যায়ক্রমে এই অ্যাপ চালু করা হচ্ছে। প্রশাসন আশা করছে, খুব দ্রুতই পুরো জেলায় এই ব্যবস্থা চালু হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন,“এটি শুধু একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নয়, বরং বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফেরানোর একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।

    এতে সাধারণ মানুষ ন্যায্য অধিকার পাবে, আর অসাধু ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হবে।”আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ছেএকই সঙ্গে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তেল মজুত, অবৈধ পরিবহন বা পুনঃবিক্রির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা হবে সংশ্লিষ্টদের।বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের অ্যাপভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শুধু তেল খাতেই নয়, ভবিষ্যতে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা যেতে পারে। এতে বাজারে স্বচ্ছতা বাড়বে, ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত হবে এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ কমবে।সব মিলিয়ে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে অ্যাপভিত্তিক তেল বিক্রির এই উদ্যোগ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—এটি সফল হলে দেশের অন্যান্য জেলাতেও হতে পারে এক নতুন দৃষ্টান্ত।

  • সবুজ স্বপ্নে ঝুলছে সোনা ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে নতুন আশার বার্তা

    সবুজ স্বপ্নে ঝুলছে সোনা ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে নতুন আশার বার্তা

    সবুজ স্বপ্নে ঝুলছে সোনা ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে নতুন আশার বার্তা

     

    গাছভরা কাঁচা আমে ছেয়ে গেছে উত্তর-পশ্চিমের জনপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। ডালে ডালে ঝুলছে সবুজ সোনা-যার ওপর নির্ভর করে লাখো মানুষের জীবিকা। নতুন মৌসুমকে ঘিরে উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির বিস্তার ও রপ্তানির সম্ভাবনা যেমন আশাবাদ জাগাচ্ছে, তেমনি জলবায়ু পরিবর্তন ও বাজার সংকট রয়ে গেছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে।
    ঐতিহ্যের মাটিতে আমের রাজত্বদেশের “আমের রাজধানী” হিসেবে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দীর্ঘদিন ধরেই আম উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এখানকার অনুকূল মাটি ও আবহাওয়া আমচাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় জেলায় গড়ে উঠেছে বিস্তীর্ণ আমবাগান।
    ফজলি, ল্যাংড়া, ক্ষীরসাপাত, গোপালভোগ ও আম্রপালি-এই সব জাতের আম দেশের বাজারে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন। এর মধ্যে ক্ষীরসাপাত আম ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) স্বীকৃতি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়েও জেলার সুনাম বেড়েছে।
    উৎপাদন ও অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রপ্রতিবছর কয়েক লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হয় এই জেলায়, যা রাজশাহী অঞ্চলের মোট উৎপাদনের বড় অংশ। আমকে ঘিরে কৃষক, শ্রমিক, পরিবহনকর্মী, আড়তদারসহ প্রায় ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
    মৌসুম এলেই জেলার অর্থনীতিতে কয়েক হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তোলে। আম এখানে শুধু কৃষিপণ্য নয়-এটি পুরো জেলার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি।
    মাঠে সবুজের সমারোহ, তবু উদ্বেগএ মৌসুমে বাগানজুড়ে কাঁচা আমের সমারোহ কৃষকদের আশাবাদী করে তুলেছে। তবে একই সঙ্গে কিছু উদ্বেগও রয়েছে।
    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে- বাগানের জমি কিছুটা কমছেউৎপাদন খরচ বেড়েছেবাজারমূল্যে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে
    বিশেষ করে মাছচাষের জন্য পুকুর খনন ও জমির ব্যবহার পরিবর্তনের কারণে আমবাগানের পরিমাণ হ্রাস পাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

    প্রযুক্তির ছোঁয়ায় উৎপাদনে গতিআমচাষে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। বিশেষ করে Ultra High Density (UHD) পদ্ধতি কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
    এই পদ্ধতিতে-কম জায়গায় বেশি গাছ লাগানো যায়গাছ ছোট হওয়ায় পরিচর্যা সহজফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়ফলে উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে লাভ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।জলবায়ু ও রোগবালাই: বড় চ্যালেঞ্জজলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আমচাষে ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। অনিয়মিত বৃষ্টি, ঝড় ও তাপমাত্রার ওঠানামায় মুকুল ঝরে পড়া ও ফলন কমার আশঙ্কা দেখা দেয়।এছাড়া রোগবালাই ও কীটপতঙ্গের আক্রমণ, সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি কৃষকদের জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।
    রপ্তানির সম্ভাবনা, প্রস্তুতির ঘাটতিবাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ আম উৎপাদন হলেও রপ্তানির পরিমাণ এখনো সীমিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে, যা আশার সঞ্চার করেছে।
    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন-আন্তর্জাতিক মানের গ্রেডিংউন্নত প্যাকেজিংকোল্ড স্টোরেজ ও কোল্ড চেইননিশ্চিত করা গেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বিশ্ববাজারে বড় অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
    কৃষকের প্রত্যাশাগোমস্তাপুরের এক আমচাষি জানান, “এবার গাছে মুকুল ভালো এসেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ফলন ভালো হবে। তবে আমরা ন্যায্য দাম চাই-এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”এই প্রত্যাশাই এখন জেলার হাজারো চাষির কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
    সামনে করণীয়বিশেষজ্ঞদের মতে, আম খাতকে টেকসই ও লাভজনক করতে-সংরক্ষণ ও কোল্ড স্টোরেজ বাড়ানো
    কৃষকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করাসরাসরি বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলাআমভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলাঅত্যন্ত জরুরি।সবুজে ভরা বাগান আর ঝুলন্ত আমের প্রাচুর্য জানান দিচ্ছে সম্ভাবনার কথা। সঠিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তির ব্যবহার ও বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নত করা গেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শুধু দেশের “আমের রাজধানী” হিসেবেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।আমের এই মৌসুম তাই শুধু ফলনের গল্প নয়-এটি একটি অঞ্চলের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মঙ্গলবার বিকেলে আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে আমসহ বিভিন্ন খেতের ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষকরা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী জানান, সদর উপজেলায় বিকেল ৩টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে কিছুক্ষণ পর শিবগঞ্জ উপজেলায় তীব্র শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ১৫ মিনিট স্থায়ী এই শিলাবৃষ্টিতে আকাশ থেকে ৫০ থেকে ১০০ গ্রাম ওজনের বড় বড় শিলা পড়েছে।শিলাবৃষ্টির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমের বাগান। গাছে থাকা কাঁচা আম ঝরে পড়েছে এবং অনেক আম আঘাতে নষ্ট হয়েছে। পাশাপাশি শাকসবজি ও অন্যান্য খেতের ফসলও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।ড. ইয়াছিন আলী আরও জানান, শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের জন্য মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।স্থানীয় কৃষকেরা মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে হতাশা ও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তারা সরকারের সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের আশায় দিন গুনছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইটবোঝাই ট্রলি উল্টে বড় ভাই নিহত ॥ আহত ছোট ভাই

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইটবোঝাই ট্রলি উল্টে বড় ভাই নিহত ॥ আহত ছোট ভাই

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইটবোঝাই ট্রলি উল্টে বড় ভাই নিহত ॥ আহত ছোট ভাই

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইটবোঝাই একটি ট্রলি উল্টে আব্দুস সামাদ নামে এক ট্রলি চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের ছোটভাই।শিবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক ডিকে তনয় কুমার জানান, বুধবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের হরিনগর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে আব্দুস সামাদ ইটবোঝাই ট্রলি নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শিবগঞ্জ আসছিলেন। হরিনগর এলাকায় পৌঁছালে ট্রলির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান আব্দুস সামাদ।

    দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার ছোট ভাই সারোয়ার হোসেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। নিহত আব্দুস সামাদের মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ভোলাহাটে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় ‘ইসকাপ’ সিরাপসহ যুবক আটক

    ভোলাহাটে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় ‘ইসকাপ’ সিরাপসহ যুবক আটক

    ভোলাহাটে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় ‘ইসকাপ’ সিরাপসহ যুবক আটক

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে মাদকবিরোধীবিশেষ অভিযানে ৯৮ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ ‘ইসকাপ’ সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।
    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলাহাট থানা পুলিশের একটি চৌকস দল উপজেলার মুশরীভিজা এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে এক যুবককে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে ৯৮ বোতল ভারতীয় ইসকাপ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই তাকে আটক করা হয়।
    আটক ব্যক্তি হলেন—মুশরীভিজা গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে গোলাম রাব্বানী (২৭)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় ভারত থেকে অবৈধভাবে এসব মাদক সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন।
    ভোলাহাট থানা পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত ইসকাপ সিরাপগুলো মূলত মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, যা তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই ধরনের অবৈধ সিরাপের বিরুদ্ধে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।
    এ ঘটনায় ভোলাহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মামলা নম্বর-০৩। আটক আসামিকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে বলেও নিশ্চিত করেছে পুলিশ।পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, মাদক নির্মূলে এমন ধারাবাহিক অভিযানই পারে সমাজকে নিরাপদ রাখতে। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি’র অভিযানে হেরোইনসহ নারী ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি’র অভিযানে হেরোইনসহ নারী ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি’র অভিযানে হেরোইনসহ নারী ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ১৫০ গ্রাম হেরোইনসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সাবিনা বেগম (৩৪) সদর উপজেলার উপর রাজারামপুর গ্রামের বাসিন্দা। মোছাঃ সাবিনা বেগম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার উপর রাজারামপুর মহল্লার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী এবং একই এলাকার মৃত সোহরাব আলীর মেয়ে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নির্দেশনায় ডিবির অফিসার ইনচার্জ মো. ওবাইদুল হকের তত্ত্বাবধানে এবং এস.আই (নিরস্ত্র) মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল মঙ্গলবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার দুর্গাপুর বাগানপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় বাইতুন নূর জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশের একটি কাঁচা রাস্তা থেকে সাবিনা বেগমকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ১৫০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস পালন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস পালন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস পালন

    শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, কুইজ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নতুন দিনের অঙ্গিকার, স্কাউটিং হোক সবার। বুধবার (০৮) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী এতে নেতৃত্ব দেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও সদর উপজেলার স্কাউটস যৌথভাবে এ আয়োজন করে। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা স্কাউট ভবনের স্কাউটার গোলাম রশিদ কনফারেন্স হলে স্কাউট সদস্যদের অংশ গ্রহনে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা স্কাউটস এর কমিশনার নাকিব হাসান তরফদার।

  • নাচোলে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন

    নাচোলে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন

    নাচোলে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা এবং ১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে দু’দিন ব্যাপি এ মেলার শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সুলতানা রাজিয়া। উদ্বোধনকালে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সাদেকুল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা সলেহ্ আকরাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা সোহেল রানা, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ইমরুল কায়েশ, নাচোল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান, কসবা ইউপি চেয়ারম্যান জাকারিয়া আল মেহরাব, নাচোল ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম, নেজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক ও জামায়াতের পৌর আমীর মনিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • গোমস্তাপুরে বিজ্ঞানচর্চায় উৎসাহ দিতে বিজ্ঞান মেলার প্রস্তুতি সভা

    গোমস্তাপুরে বিজ্ঞানচর্চায় উৎসাহ দিতে বিজ্ঞান মেলার প্রস্তুতি সভা

    গোমস্তাপুরে বিজ্ঞানচর্চায় উৎসাহ দিতে বিজ্ঞান মেলার প্রস্তুতি সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, ১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও কুইজ প্রতিযোগিতা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সী।সভায় বক্তব্য দেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা রুমা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসাহাক আলী, রহনপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, রহনপুর রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাউসার আলি এবং আলিনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেজাউল ইসলাম। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় জানানো হয়, আগামী ১৫ ও ১৬ এপ্রিল দুইদিনব্যাপী উপজেলা চত্বরে বিজ্ঞান মেলা, অলিম্পিয়াড ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে। সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও জাকির মুন্সী বলেন, নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান মনস্ক করে গড়ে তোলা এবং তাদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও জানান, প্রতিযোগিতায় বিজয়ী তিনজন শিক্ষার্থী জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে সফলভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্নে আন্তরিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদককারবারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদককারবারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদককারবারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর বাজারে আওয়ামীলীগ ঘরানার চিহ্নিত ‘সন্ত্রাসী’ ও মাদককারবারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার (০৮ এপ্রিল) সকালে ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে গ্রামের কয়েক’শ সচেতন নারী-পুরুষ অংশ নেন।মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুর্লভপুর এলাকার চিহ্নিত আওয়ামীলীগ কর্মী মাসুদ, জুলমত ও সাদ্দাম দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এলাকায় মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। তাদের এই অপকর্মে এলাকার কিশোর ও যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে। এই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তারা প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে গেলেও আগে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়নি। অবিলম্বে এদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন দুর্লভপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আলী, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট বজলুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা তোফিকুল ইসলাম ও মিনু বেগমসহ আরও অনেকে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসন যদি অতিদ্রুত এসব মাদককারবারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তবে এলাকাবাসী বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে। জনস্বার্থে গ্রামকে মাদকমুক্ত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।