Category: জয়পুরহাট

  • আক্কেলপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক

    আক্কেলপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক

    আক্কেলপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক

    উপজেলা প্রেসক্লাব আক্কেলপুর জয়পুরহাটের সভাপতি মীর মো:-আতিকুজ্জামান মুনের পিতা আলহাজ্ব (অ:) স্টেশন মাস্টার মীর মো:-কমরুজ্জামান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না … রাজেউন)। আক্কেলপুর উপজেলার রোয়ার গ্রামে নিজ বাসভবনে সোমবার দিবাগত রাত ২:২৫ ঘটিকায় ১০৮ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিরেন দাস ও যুগ্ম-সাঃ সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হানসহ সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগণ গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। এছাড়াও জেলা, উপজেলা প্রেসক্লাবসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ আলহাজ্ব (অ:) স্টেশন মাস্টার মীর মো:-কমরুজ্জামান মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

  • জয়পুরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় গৃহবধূ নিহত ॥ পুলিশ সদস্যসহ আহত-৪

    জয়পুরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় গৃহবধূ নিহত ॥ পুলিশ সদস্যসহ আহত-৪

    জয়পুরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় গৃহবধূ নিহত ॥ পুলিশ সদস্যসহ আহত-৪

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে রত্না আক্তার ছবি (৪৫) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যসহ আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত গৃহবধূ রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম তরুনের দ্বিতীয় স্ত্রী। রোববার সন্ধ্যা রাত সাড়ে ৭ টার দিকে জয়পুরহাট-আক্কেলপুর সড়কের জোয়ানা সেতু এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার হালির মোড় থেকে মা-মেয়ে ব্যাটারিচালিত অটো ভ্যানে করে নিচা বাজারের ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল এসে ধাক্কা দিলে অটোরিকশাটি উল্টে সড়কের পাশে গাছের সাথে আছড়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। রত্না আক্তার রাত ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আহতরা হলেন, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার দ্বারিশন গ্রামের বাসিন্দা ঢাকা জেলা পুলিশে কর্মরত কনস্টেবল রবিউল ইসলাম রাসেল (৩২) ও একই উপজেলার গর্ন্ধবপুর গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম (৩৫), ব্যাটারিচালিত অটোরিকশারচালক ফারুক (৪২) ও নিহত গৃহবধূ রত্না আক্তারের মেয়ে তামান্না (২০)। এদের মধ্যে পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম রাসেলকে থানা পুলিশের ৯৯৯ পিকআপ ভ্যানে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ও সহযাত্রী শফিকুল ইসলামকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রুকিন্দীপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম তরুন বলেন, স্ত্রী ও মেয়ে দুপুর ভান্ডারীপাড়া গ্রামে আমার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। সেখান থেকে ব্যাটারিচালিত ভ্যানযোগে ভাড়া বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুূর্ঘটনায় আমার স্ত্রী মারা গেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সুমন আলী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহতবস্থায় তিন জনকে আনা হয়। এদের মধ্যে গৃহবধূ রত্না আক্তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আহত একজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আক্কেলপুর থানার ওসি (তদন্ত) মমিনুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় এক গৃহবধূ মারা গেছেন ও একজন পুলিশ সদস্যসহ চারজন আহত হয়েছেন। পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম রাসেল ঢাকা পুলিশ লাইনে কর্মরত।

  • জয়পুরহাটে ভুয়া সেনা সদস্য পরিচয়ে প্রতারণা ॥ বিয়ের আসরে ঘটকসহ আটক

    জয়পুরহাটে ভুয়া সেনা সদস্য পরিচয়ে প্রতারণা ॥ বিয়ের আসরে ঘটকসহ আটক

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে সেনাবাহিনীর ভুয়া সদস্য পরিচয়ে প্রতারণা চালানোর অভিযোগে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগী ঘটককে স্থানীয় জনতা হাতেনাতে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্র জানায়, গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার হরিনাথপুর বিশপুকুর গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে ছদরুল ইসলাম (৪১) জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার হোপ গ্রামে বিয়ের পাঁয়তারা করতে আসে। তবে কনের পরিবারের সন্দেহ হলে বিষয়টি দ্রুত জনতার নজরে আসে।

    একই গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে ঘটক আব্দুর রহিম (৫৫)-কেও এ সময় আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ছদরুল ইসলাম প্রতারণা করে একাধিক বিয়ে করেছে এবং বিভিন্ন পরিবারকে প্রতারণার শিকার বানিয়েছে। জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ছাতিলালি গ্রাম এবং কালাই উপজেলার শাইলগুন গ্রামেও তার প্রতারণার শিকার হয়েছে একাধিক পরিবার। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কনের পরিবার প্রতারকের পরিচয় নিশ্চিত হলে জনতা তাকে আটকে ফেলে। খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতারক ও ঘটককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। অনেকেই বলছেন, প্রতারণার জালে বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সেনা সদস্য পরিচয়ে প্রতারণা,

    অর্থ আত্মসাৎ এবং সরকারি কর্মকর্তার ছদ্মবেশ ধারণের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ক্ষেতলাল থানার ওসি (তদন্ত) এস.এম কামাল হোসেন বলেন, প্রতারক দীর্ঘদিন ধরে সেনা সদস্য পরিচয়ে বিয়ে ও অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে প্রতারণা চালিয়ে আসছে। তদন্তে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। এঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • ফিরে দেখা ১১ জুলাই/২০০৬ ॥ এখনো নির্মিত হয়নি কোন স্মৃতিফলক

    ফিরে দেখা ১১ জুলাই/২০০৬ ॥ এখনো নির্মিত হয়নি কোন স্মৃতিফলক

    ফিরে দেখা ১১ জুলাই/২০০৬ ॥ এখনো নির্মিত হয়নি কোন স্মৃতিফলক

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় ২০০৬ সালের ১১ জুলাই ট্রেনের ধাক্কায় বাসের ৩৫ জন যাত্রী নিহত হন। এতে আহত হয়েছিলেন আরও ৩০ জন। সেদিন ছিলো সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আক্কেলপুর উপজেলার আমুট্ট রেলক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে। অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হচ্ছিল যাত্রীবাহী বাসটি। রেললাইনের ওপরই হঠাৎ বাসের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্যেই খুলনা গামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেন এগিয়ে আসে। চোখের নিমিষে লন্ডভন্ড হয়ে যায় খেয়া পরিবহনের বাসটি। দূর্ঘটনাস্থলে মারা যায় ২৫ জন। আক্কেলপুর কলেজ মাঠে একসঙ্গে ১১ জনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আক্কেলপুর পৌরসভা সাত দিনের শোক ঘোষণা করে। কিন্তু, দীর্ঘদিন পার হলেও এখনো এই স্থানে কোনো স্মৃতিফলক নির্মিত হয়নি। এমন স্মরনীয় ঘটনার সৃতি ধরে রাখতে স্মৃতিফলক নির্মান প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল।

  • কালাইয়ে শ্যালকের ছুরিকাঘাতে ভগ্নিপতি নিহত

    কালাইয়ে শ্যালকের ছুরিকাঘাতে ভগ্নিপতি নিহত

    জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট পাঁচপাইকা সরকারপাড়া এলাকায় শ্যালকের ছুরিকাঘাতে ভগ্নিপতি সাইফুল (৪৫) নিহত হয়েছে। সোমবার (৩০ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আপশন গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্র জানায়, কালাই উপজেলার পাইকপাড়া সরকারপাড়া গ্রামে সকালে শ্যালক জুয়েল হোসেনের সাথে পারিবারিক বিষয়ে ভগ্নিপতি সাইফুল ইসলামের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শ্যালক জুয়েল তার ভগ্নিপতিকে ছুরিকাঘাত করেন। এসময় রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই সাইফুলের মৃত্যু হয়। কালাই থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিক শ্রী বিরেন চন্দ্র দাস এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিক শ্রী বিরেন চন্দ্র দাস এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    প্রয়াত প্রবীণ সাংবাদিক শ্রী বিরেন চন্দ্র দাস এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    প্রয়াত সিনিয়র প্রবীণ বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্রী বিরেন চন্দ্র দাস এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী রবিবার। গত ২০২২-ইং সালে (২৯ শে জুন) বুধবার বিকেল ৪ টা ৪০ মিনিটে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল এন্ড কলেজ (শ.মে.ক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি সনাতন ধর্মের হলেও দারিদ্র্যতার কারণে আক্কেলপুর সিনিয়র মাদ্রাসায় লেখাপড়া শুরু করেন পাশাপাশি সেই ছাত্র জীবন থেকেই লেখালেখির নেশায় জড়িয়ে পড়েন। তৎকালীন সময়ে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের হাতে গোনা কয়েকটি পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন। তিনি সেই সময় থেকে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় দীর্ঘ ৫২ বছর সাংবাদিকতা করে মৃত্যু বরণ করেন। উল্লেখ্য, অবশেষে তিনি দারিদ্র্যতাকে হার মানিয়ে মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাশ করে ঢাকায় অবস্থান করেন এবং দেশের আইন সংবিধান লেখক ড. কামাল এর সহকারী হিসেবে তিনি ঢাকায় অবস্থান করেন। উচ্চ ডিগ্রি লাভের আশায় শুরু করেন আবারো লেখাপড়া আর সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হয়ে সাংবাদিক নির্যাচনের মূল নেতৃত্বেও তিনি ব্যাপক ভূমিকা রাখেন, এমনকি রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সময় জাতীয় প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন, হয়ে উঠেন প্রতিবাদী কলম সৈনিক। এরপর ১৯৮৪-ইং সালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করে রাজশাহীতে অবস্থান করেন এবং সেই সময় উত্তরাঞ্চলের একমাত্র আলোচিত পত্রিকা দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেন এবং পরে উপজেলা প্রতিনিধির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর জয়পুরহাট জেলা গঠিত হওয়ার আগেই তিনি নিজ জন্মভূমি জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে এসে প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উপজেলা প্রেসক্লাব স্থাপিত করেন। উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সোনার দেশ এবং জাতীয় দৈনিক সূর্যোদয় পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধির দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে ২০২২-ইং সালে তিনি হঠাৎ মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর ইতিহাস যাচাই করে জানা যায়, তিনি ঢাকায় পড়ালেখার পাশাপাশি দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার নিজস্ব সংবাদদাতা, ‘সাপ্তাহিক নতুন বাংলা পত্রিকার নিজস্ব সংবাদদাতা’ সাপ্তাহিক জয়পুরহাট বার্তা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক,

    দৈনিক দুর্জয় বাংলার পত্রিকার ব্যুরো প্রধান ও সাপ্তাহিক বালিঘাটা পত্রিকার পদে থেকে মৃত্যুকালীন সময় পর্যন্ত তিনি সাংবাদিকতা পেশায় কর্মরত ছিলেন।তাহার আরও অসংখ্য ইতিহাস রয়েছে যা আজও অজানা রয়েছে। যে ইতিহাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় তিনি সৃজনশীল ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। কর্মজীবনে তিনি ছিলেন নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার এক অগ্রদূত। এছাড়াও সামাজিক বৈষম্য, নিপীড়িত মানুষের পক্ষে তার কলম ছিলো সোচ্চার। সাংবাদিকতায় নিজের সৃজনশীলতা ও রুচিবোধের চর্চা বরাবরই অনুজদের আকর্ষণ করেছে। শুধু সাংবাদিকতায় নয় তিনি ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি অধ্যাপক মুজাফ্ফর আহমেদ এর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন প্রয়াত সাংবাদিক শ্রী বিরেন চন্দ্র দাস। প্রয়াত সাংবাদিক শ্রী বিরেন চন্দ্র দাস জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার পৌর সদরের ০৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্বর্গীয় শুকুলাল চন্দ্র দাস এর দ্বিতীয় ছেলে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও চার ছেলে সন্তানের জনক ছিলেন এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জীবদ্দশায় প্রবীণ এই সাংবাদিকের হাত ধরে অনেকেই আজ সাংবাদিকতা পেশায় এসেছেন এবং তাদেরকে তিনি নিজে প্রশিক্ষিত করেছেন। বর্তমানে তারা দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সুনামের সহিত কর্মরত আছেন। উল্লেখ্য, সাংবাদিক শ্রী বিরেন চন্দ্র দাস দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিক্স, উচ্চ রক্তচাপ কিডনিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল এন্ড কলেজ (শ.মে.ক.) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতীয় প্রেসক্লাব, জাতীয় রিপোর্টার ক্লাব, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, প্রেসক্লাব বাংলাদেশ, সাংবাদিক উন্নয়ন সোসাইটি অব বাংলাদেশ-(ইউএসবি), বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটিসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম সংগঠনের পাশাপাশি দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার পক্ষ থেকে শোকহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন। সব চেয়ে বড় বিষয় এই আজ ২৯ শে জুন তার তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী বড় পরিসরে উৎযাপন করা সম্ভব হয়নি। শুধু মাত্র ধর্মীয় রীতি অনুসারে স্বল্প পরিসরে পারিবারিক ভাবে করা হচ্ছে বলে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকগণ ও পরিবার বিষয়টি জানিয়েছেন।

  • আক্কেলপুর থানার ওসি মাসুদ রানা ‘ওসি থেকে এস.আই’

    আক্কেলপুর থানার ওসি মাসুদ রানা ‘ওসি থেকে এস.আই’

    আক্কেলপুর থানার ওসি মাসুদ রানা ‘ওসি থেকে এস.আই’

    ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলায় দণ্ডিত হয়ে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানাকে পদাবনতি দিয়ে উপ-পরিদর্শক (এস.আই) করা হয়েছে। পুলিশ বিভাগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ২০১৮ সালে রংপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) শাখায় ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত থাকাকালীন, পীরগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলার তদন্তে ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশ সদর দপ্তর মাসুদ রানাকে তিন বছরের জন্য এস.আই পদে অবনমিত করে। জয়পুরহাট জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে তিনি এস.আই পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • জয়পুরহাটে বিএনপি-জামায়াতকর্মীদের সংঘর্ষে আহত-৭

    জয়পুরহাটে বিএনপি-জামায়াতকর্মীদের সংঘর্ষে আহত-৭

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ভিজিএফের কার্ড বিতরণ নিয়ে দ্বন্দ্বে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্র-শিবিরের উপজেলা সভাপতিসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। রোববার উপজেলার আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার (২৬ মে) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ক্ষেতলাল থানার ওসি মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন। সংঘর্ষে ক্ষেতলাল উপজেলা শিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী (২৫) ও আলমপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জুয়েল ফকির (৪৫) আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন রাজু (২৫), মাসুদ (৩৭), ছাব্বির হোসেন (১৮), শিহাব (১৮) ও আবু কাশেম (৪৭)। তবে তাদের দলীয় পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের এক হাজার ৫’শ ১২টি বিশেষ ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে বিতরণের জন্য বিএনপি, জামায়াত ও ছাত্রনেতাদের কিছু কার্ড দেওয়া হয়। বাকি কার্ড বিতরণের জন্য ইউপি সদস্যদের দেওয়া হয়। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল মতিন মারা যাওয়ায় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আম্মাদ হোসেনকে ওই ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৫০ জন সুবিধাভোগীর তালিকা করে ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেন। ভিজিএফের সুবিধাভোগীদের ওই তালিকা সঠিকভাবে করা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে তারা রোববার সকালে ইউপি কার্যালয় এসে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোছা. হোসনে আরার সঙ্গে কথা বলেন। এ নিয়ে ইউপি কার্যালয়ের বাইরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উপজেলা শিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোছা. হোসনে আরা বলেন, ঈদুল আজহার জন্য এক হাজার ৫১২টি বিশেষ ভিজিএফের কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়। তারা স্থানীয় প্রশাসনের পরার্মশে কিছু কার্ড বিএনপি, জামায়াত ও ছাত্রনেতাদের নিয়ে সমন্বয় করেছেন। রোববার জামায়াতের লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এসে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সঠিকভাবে কার্ড বিতরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেন। তারা বিতরণের জন্য কার্ড দাবি করেন। এরপর ইউপি কার্যালয়ের বাইরে বিএনপি ও জামায়াতের লোকজনের মধ্য মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ওসি মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন বলেন, আলমপুর ইউনিয়নে ভিজিএফের কার্ড বিতরণ নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।

  • জয়পুরহাটে আ’লীগের সাবেক হুইপ-এমপিসহ ১৮ জনের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    জয়পুরহাটে আ’লীগের সাবেক হুইপ-এমপিসহ ১৮ জনের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যা ও হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি আওয়ামীলীগের সাবেক হুইপ, এমপিসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দেশ ত্যাগের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। শনিবার (২৪ মে) বিকেলে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা আদালতের সরকারি কৌসুলি (পিপি) শাহনূর রহমান শাহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থানে জয়পুরহাটে শিক্ষার্থী বিশাল ও মেহেদী হত্যাসহ হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের একাধিক মামলার আসামিদের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন জয়পুরহাট অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারুক হোসাইন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই জাহাঙ্গীর ও ফারুক হোসেনের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের বিচারক এই আদেশ দিয়েছেন।
    আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ নিষেধাজ্ঞা পাওয়া নেতারা হলেন-অ্যাডভোকেট শামসুল আলম দুদু (সাবেক সংসদ সদস্য জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (সাবেক হুইপ ও সংসদ সদস্য জয়পুরহাট সদর-২), মো. জাকির হোসেন মণ্ডল (সাধারণ সম্পাদক জয়পুরহাট জেলা আওয়ামীলীগ), জাকারিয়া হোসেন রাজা (সভাপতি জয়পুরহাট জেলা ছাত্রলীগ), মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (জয়পুরহট পৌরসভার সাবেক মেয়র ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগ), হাবিবুর রহমান হাবিব (সাবেক মেয়র, পাঁচবিবি থানা, জয়পুরহাট), মো. মিন্নুর হোসেন (সাবেক পাঁচবিবি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি), মো. মোজাফ্ফর হোসেন (ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি), সাঈদ আল মাহমুদ চন্দন (সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ জয়পুরহাট)মো. গোলাম মাহফুজুর চৌধুরী অবসর (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জেলা আওয়ামীলীগ), মিনফুজুর রহমান মিলন (সভাপতি কলাই উপজেলা আওয়ামী লীগ জয়পুরহাট ও সাবেক কালাই উপজেলা চেয়ারম্যান), আনোয়ারুজ্জামান তালুকদার (সাবেক আলমপুর ইউপি চেয়ারম্যান), এস এম রবিউল আলম চৌধুরী (সাবেক মোহাম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান পাঁচবিবি, জয়পুরহাট), রাসেল দেওয়ান মিলন (সভাপতি জেলা যুবলীগ, জয়পুরহাট), আনম শওকত হাবিব তালুকদার লজিক (সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা আওয়ামীলীগ জয়পুরহাট ও সাবেক চেয়ারম্যান মাত্রাই ইউনিয়ন কালাই, জয়পুরহাট) মুস্তাকিম মণ্ডল (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ক্ষেতলাল আওয়ামীলীগ, জয়পুরহাট ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ক্ষেতলাল, জয়পুরহাট), মো. আবু বক্কর সিদ্দীক রেজা (সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রলীগ, জয়পুরহাট) মো. খোরশেদ আলম সৈকত (সদর জেলা আওয়ামী লীগ, জয়পুরহাট ও চেয়ারম্যান পুরানাপৈল ইউপি) জয়পুরহাট গনদের বিদেশ গমনের নিষেধাজ্ঞা প্রদানের আবেদন করেছেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে জয়পুরহাটে বিশাল ও মেহেদী হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়পুরহাট গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, দুটি হত্যা, হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আওয়ামী, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ নেতার বিরুদ্ধে মামলার তদন্তের স্বার্থে জয়পুরহাট অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট আদালতে তাদের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে গত ২২ মে ডিবি পুলিশের এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন ও ফারুক হোসেন আবেদন করে। আবদনের প্রেক্ষিতে আদালতের আদেশ ২৪ মে সন্ধ্যা পর্যন্ত এখনও হাতে পাইনি। আদেশের কপি হাতে পেলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • জয়পুরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    জয়পুরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৩ নং আয়মারসুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মামুনুর রশিদ মিল্টনের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। বরিবার (১৮ মে) বেলা ১১ টায় পরিষদ চত্বরে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে এ মানববন্ধন। আয়মারসুপুর ইউনিয়নবাসী আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুনুর রশিদ রাজু মাস্টার। বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য নুরুল হুদা, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক রাহিদ হোসেন ও আয়মারসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ লিটন। এসময় বক্তারা বলেন, মামুনুর রশিদ মিল্টন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও পলাতক ফ্যাসিস্ট, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের খুনি, গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার দোসর এবং জয়পুরহাট- ২ আসনের অবৈধ সাবেক সংসদ সদস্য আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের একান্ত আস্থাভাজন হিসাবে পরিচিত। বক্তারা আরো বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান মিল্টন একজন দূর্ণীতিবাজ ও ভোট চোর চেয়ারম্যান। তিনি গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর হতে ইউনিয়ন পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় পরিষদের সব কার্যক্রম স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে। দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সেবা গ্রহিতাদের। একারনে দ্রুত তাকে অপসারণ করে প্রশাসক বা প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়োগের দাবি জানান তারা। সভার পূর্বে বিশাল একটি বিক্ষোভ মিছিল ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।