Category: পাবনা

  • ঈশ্বরদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে ড্রেজারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ

    ঈশ্বরদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে ড্রেজারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ

    পাবনার ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। এসময় একটি ড্রেজার মেশিনসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। রোববার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের চররূপপুর গেনা মার্কেট এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন পাবনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম মো. মামুনুর রশিদ। অভিযানে সহায়তা করেন লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ ফাঁড়ি ও রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। অভিযান শেষে কে এম মো. মামুনুর রশিদ সাংবাদিকদের জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, কিছু অসাধু ব্যক্তি পদ্মার শাখা নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে একটি বাংলা ড্রেজার, একটি শ্যালো ইঞ্জিন, ৪০টি স্টিলের ড্রাম, ১২টি লোহার পাইপ ও ১৫টি প্লাস্টিক পাইপসহ বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তিনি আরও বলেন, অভিযানের সময় অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত কেউ ধরা না পড়লেও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। জব্দ করা মালামালগুলো পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই পদ্মার বিভিন্ন অংশে প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। এতে নদীর তীর ভাঙনসহ কৃষিজমি ও বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে।

  • ট্রাক চাপায় পাবনায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ নিহত ৩

    ট্রাক চাপায় পাবনায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ নিহত ৩

    ট্রাক চাপায় পাবনায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ২ জন। রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-পাবনা ক্যাডেট কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসমিয়া আক্তার, পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আবু তোহা ও ভ্যানের চালক আকরাম হোসেন। পাবনা সদর থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, রবিবার সকালে একটি অটোরিকশা ভ্যানে করে কয়েকজন শিক্ষার্থী পাবনা ক্যাডেট কলেজের দিকে যাচ্ছিল। পথে বাঁশবোঝাই একটি ট্রাক পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ভ্যানটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহত হন। পুলিশ ট্রাকটি আটক করলেও চালক পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বিক্ষুদ্ধ লোকজন পাবনা-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

  • পাবনায় ভাড়া বাসা থেকে রূপপুর প্রকল্পের দোভাষীর মরদেহ উদ্ধার

    পাবনায় ভাড়া বাসা থেকে রূপপুর প্রকল্পের দোভাষীর মরদেহ উদ্ধার

    পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত এক দোভাষীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের লাদেনের মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসার মেঝে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আনোয়ার আহমেদ (৫২) চট্টগ্রাম সিটির পাঁচলাইশ পূর্ব নাছিরাবাদ এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ করা রাশিয়ান নিকিমথ কোম্পানিতে দীর্ঘ আট বছর ধরে দোভাষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
    স্থানীয়দের বরাতে ঈশ্বরদী থানার ওসি আসম আব্দুন নুর জানান,
    আনোয়ার আহমেদ স্থানীয় হাবিবুর রহমান হাবুর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সম্প্রতি স্ত্রী রিপা খাতুনসহ দশ দিনের ছুটিতে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন আনোয়ার। স্ত্রীকে চট্টগ্রামে রেখে শনিবার বিকালে ৩টার দিকে একাই ঈশ্বরদীতে ফেরেন তিনি। কিন্তু রাত পর্যন্ত যোগাযোগ না হওয়ায় তার স্ত্রী প্রতিবেশী গৃহবধূকে ফোন করেন। পরে সেই নারী আনোয়ারকে ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহটি ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায় এবং পরে রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে স্থানান্তরিত করা হয়। ওসি বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।

  • পাবনায় ট্রেনযাত্রীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষ

    পাবনায় ট্রেনযাত্রীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষ

    পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর স্টেশনে একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন স্থানীয় দুই যুবক এবং ট্রেনের বেশকিছু যাত্রী। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, রবিবার পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গুড়া স্টেশনে পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মেরামত কাজ চলায় সোমবার রাতে শরৎনগর স্টেশনে একতা এক্সপ্রেস থামানো হয়। কিন্তু ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় যাত্রীরা হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। প্রথমে তারা স্টেশন মাস্টারকে মারধরের চেষ্টা চালান। এরপর আরও যাত্রী নেমে তাণ্ডব চালালে স্থানীয়রা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত যাত্রীরা স্থানীয়দের ওপর হামলা চালান। নজরুল ইসলাম নামে এক স্থানীয় মসজিদে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলা চালান যাত্রীরা। পরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে গ্রামবাসী। তারা জড়ো হয়ে যাত্রীদের প্রতিরোধ করেন। শেষে পিছু হটে যাত্রীরা। খবর পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ট্রেনটিকে স্টেশন থেকে এক কিলোমিটার দূরে সরিয়ে নেয়। ভাঙ্গুড়া থানা ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

  • পাবনায় মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩

    পাবনায় মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩

    পাবনায় মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩

    কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের ফুড ভিলেজ হোটেলের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পাবনা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পাবনা পৌর এলাকার দোহারপাড়ার মৃত জহুরুল ইসলাম রইসের ছেলে রাশেদ রানা, পাবনার সুজানগর উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব ও সুজানগর পৌর এলাকার ভবানিপুর এলাকার মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ মন্ডল এবং পাবনা পৌর এলাকার রাধানগরের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে যুবদল কর্মী আমিনুল ইসলাম রনি। পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, তারা নিয়মিত কক্সবাজার থেকে ইয়াবা আনা নেওয়া করতো, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনা-কক্সবাজারগামী সেন্টমার্টিন সৌহার্দ্য পরিবহনে তল্লাশি চালায় র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। তল্লাশির এক পর্যায়ে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের সিরাজগঞ্জ সলঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবিব বলেন, আটককৃতদের নামে মাদকের মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পাবনা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক হিমেল রানা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে সংগঠনের কেউ দেশবিরোধী ও দলবিরোধী কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাহলে সেই বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হলে সংগঠন এটা নিয়ে আলোচনা করে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাবনা জেলা কৃষক দলের সভাপতি আবুল হাসেম বলেন, আমি ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারলাম। এখন আমরা মিটিংয়ে বসব। যদি তথ্য সঠিক হয় তাহলে আমরা তাকে বহিষ্কার করব। দল এ ব্যাপারে কোনো সমঝোতা করবে না।

  • ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ায় পাবনায় মাহফিজুর রহমান সাগরকে সংবর্ধনা

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ায় পাবনায় মাহফিজুর রহমান সাগরকে সংবর্ধনা

    ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী পাবনার কৃতি সন্তান সাতারু মাহফিজুর রহমান সাগর কে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় দ্বীপচর জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পক্ষ থেকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উপদেষ্টা আব্দুল কাদের মিঠুর পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মহরম হোসেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান, রোটারিয়ান আলতাফ হোসেন, সাতারু সাগরের সহধর্মিনী ক্রীড়াবিদ নাইমা রহমান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জিন্নাহ মালিথা, নাসিম হায়দার, আব্দুস সাত্তার মৃধা প্রমূখ। এসময় সাঁথিয়া জোড়গাছা কলেজের প্রভাষক শফি কামাল, সাংবাদিক আর কে আকাশসহ জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া প্রসঙ্গে মাহফিজুর রহমান সাগর বলেন, একেবারে ছোটবেলা থেকে ব্রজেন দাসের ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার গল্প পড়েছি ও শুনেছি। যখন সাঁতারু হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করি তখন আরেক কিংবদন্তী সাঁতারু মোশাররফ হোসেন খানের ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার বিষয়টি জেনেছি। আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করব। সেটা অবশেষে করতে পেরেছি। একজন মানুষ যখন দীর্ঘদিন থেকে একটি স্বপ্ন লালন করে, সেটা বাস্তবায়ন হলে অনুভূতির ভাষা থাকে না। আমারও অনেকটা তাই। সংবর্ধনা দেয়ায় তিনি জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, ব্রজেন দাস, আবদুল মালেক, মোশাররফ হোসেনের পর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন বাংলাদেশের আরও দুই সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর ও নাজমুল হক হিমেল। ৬ জনের রিলে ১২ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময়ে ইংল্যান্ড থেকে ফ্রান্স প্রান্ত স্পর্শ করেছেন তারা। এশিয়ার প্রথম সাঁতারু হিসেবে ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সালের মধ্যে ছয়বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন বাংলাদেশের ব্রজেন দাস। এরপর ১৯৬৫ সালে আবদুল মালেক ও ১৯৮৭ সালে মোশাররফ হোসেন সফলভাবে পাড়ি দিয়েছিলেন এই চ্যানেল। সর্বশেষ বাংলাদেশের দুই সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর ও নাজমুল হক হিমেল চ্যানেলটি পাড়ি দিয়েছেন।

  • পাবনায় স্বেচ্ছশ্রমে সরকারি সড়ক সংস্কার করছেন এলাকাবাসী

    পাবনায় স্বেচ্ছশ্রমে সরকারি সড়ক সংস্কার করছেন এলাকাবাসী

    পাবনায় স্বেচ্ছশ্রমে সরকারি সড়ক সংস্কার করছেন এলাকাবাসী

    এলাকাবাসীর উদ্যোগে পাবনা জেলা শহরের আতাইকুলা সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কেউ ইট, কেউবা বালু দিয়েছেন। কেউ দিয়েছেন নগদ টাকা, কেউবা শ্রম। স্বতস্ফুর্তভাবে স্থানীয় লোকজন এ কাজে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে জেলা শহরে প্রবেশ আতাইকুলা সড়কটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। সড়কটিকে অনেকে জেলা শহরের প্রবেশদ্বার বলে থাকেন। প্রতিদিন হাজার হাজার ছোট বড় যানবাহন সড়কটি দিয়ে চলাচল করে। এই সড়কটির দুই পাশে রয়েছে শহরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, একটি বৃহত কলেজ, শহর পুলিশ ফাঁড়ি, দুইটি বড় স্কুল, কয়েকটি মসজিদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। কিন্তু র্দীঘদিন মেরামত না করায় পুরো সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলেই সড়কটিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। যানবাহন চলতে গেলে ঘটছে দুর্ঘটনা। শিত দুর্ভোগের পরেও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সড়কটি মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয় নি। পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে বার বার জানানো হলেও কোনো কর্ণপাত করেনি। ফলে শেষ পর্যন্ত এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে সড়কটি মেরামতের কাজ শুরু করেছে। মেরামতের কাজটিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সড়কের পাশের বাসিন্দা পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক সাংবাদিক নেতা আঁখিনুর ইসলাম রেমন। তিনি বলেন, ভাঙা সড়কটিতে চলতে গিয়ে মানুষ নাজেহাল হচ্ছিল। চোখের সামনে মানুষের কষ্ট দেখে আমরা নিজেরাই সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। মাত্র ৪ হাজার টাকা ও কিছু ইট বালু নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এরপর যে যা পারে তা দিয়ে সড়ক সংস্কারের কাজে এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে আমরা দুই লক্ষাধিক টাকা খরচ করেছি। কাজ এখনও চলছে। অনেকে রাতের আধারে ট্রাকে করে ইট ফেলে যাচ্ছেন। বুধবার (২৩ জুলাই) সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কটির আধা কিলোমিটার পুরোপুরি চলাচলের অযোগ্য। এলাকাবাসীর উদ্যোগে সড়ক সংস্কার কাজ চলছে-এমন লেখা সাইনবোর্ড দিয়ে চলছে সংস্কার কাজ। সড়কের দুই পাশের বাসিন্দাদের অনেকেই বাড়ি ছেড়ে সড়কে এসেছেন। কেউ কাজ তদারাকি করছেন, কেউবা নিজেই কাজে লেগেছেন। স্থানীয়রা বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য বহু তদবির করা হয়েছে। সংস্কারের দাবি এলাকাবাসী মানববন্ধন পর্যন্ত করেছেন। কিন্তু কিছুতেই পৌরসভার কর্তৃপক্ষ সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি। তাই তারা নিজেরাই সংস্কার কাজ শুরু করেছেন। পাবনা পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. ওবায়দুল হক বলেন, পৌরসভা এলাকার মোট সড়কের প্রায় অর্ধেকই দীর্ঘদিন মেরামত করা হচ্ছে না। মূলত পৌরসভার অর্থাভাবেই আমরা কিছু করতে পারছি না। অর্থ বরাদ্দের জন্য চেষ্টা চলছে। অর্থ পেলেই সড়কটি প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।

  • পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর দাবিতে পাবনাবাসীর মানববন্ধন

    পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর দাবিতে পাবনাবাসীর মানববন্ধন

    পাবনা-ঢাকা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর দাবিতে পাবনাবাসীর মানববন্ধন

    পাবনা থেকে ঢাকায় সরাসরি ট্রেন সার্ভিস চালু, ঈশ্বরদী বিমানবন্দর চালু, শহরে চার লেন সড়ক নির্মাণ, আরিচা-কাজিরহাট ফেরিঘাট খয়েরচরে স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের ব্যানারে পাবনাবাসী। যে কোন মূল্যে ট্রেন সার্ভিস চালু করতে হরে এই সরকারকে। এসব চার দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে চরম মূল্য দিতে হবে সংশ্লিষ্টদের বলে হুঁশিয়ারী দেওয়া হয়।
    রোববার (১৩ জুলাই) সকাল ১১ টা থেকে ঘন্টাব্যাপী আব্দুল হামিদ সড়কের শহীদ চত্ত্বর থেকে পুরো শহরজুড়ে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পাবনার রাজনৈতিক সংগঠনের চরম ব্যর্থতায় আমরা ট্রেনের দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছি। এটাতো রাজনৈতিক দলের কাজ। পাবনা থেকে মাঝ পাড়া পর্যন্ত অকার্যকর একটি রেল লাইন চালু করা হয়েছে। সেটি কার্যকর করে দ্রুত পাবনা-ঢাকা ট্রেন সার্ভিস চালু করে ঢাকায় যাতায়াত সহজীকরণ করতে হবে। কাজিরহাটের ফেরিঘাট খয়েরচরে স্থানান্তর করা হলে দু’ঘন্টার পথ ১৫ মিনিটে পারাপার হওয়া যাবে। ঈশ্বরদী ইপিজেড, রপপুর প্রকল্পের জন্য বিমানবন্দর চালু করা হোক। যানজট নিরসনে পাবনা শহরে চার লেন সড়ক নির্মাণ করতে হবে। পাবনা আটঘরিয়া হয়ে মাঝপাড়া দিয়ে ৩০ কিলোমিটার ঘুড়ে ট্রেন ঢাকায় যাওয়ার কথা শুনতেছি। এটা আমরা কোনভাবেই মেনে নেবোনা। যেকোন মূল্যে পাবনা ঢাকা ট্রেন চালু করতেই হরে। তাছাড়া এটার জন্য সংশ্লিষ্টদের চরম মূল্য দিতে হবে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের আন্দোলন শেষে সরকার পতনের আন্দোলনে পরিনত হয়েছিল। আমাদের এই দাবি যেন অন্য দাবিতে পরিনত না হয়। আমরা সবদিক থেকেই বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার। বক্তারা আরও বলেন, পাবনাবাসীর প্রাণের দাবি ছিল নগরবাড়ি আরিচায় নতুন যমুনা সেতু নির্মাণ করা। দ্বিতীয় যমুনা সেতু এখান দিয়ে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে এ অঞ্চলের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন তরান্বিত হবে। ইছামতী নদী উদ্ধারে অনেক জটিলতা ছিল। এখন নদী খনন হচ্ছে। যারা মামলা করেছেন দ্রুত মামলা তুলে নিয়ে নদী খননের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে সহযোগীতা করুন। এটা হলে পাবনাবাসীর জন্য স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে। এছাড়াও পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আধুনিকায়ন করা, মানসিক হাসপাতাল সংস্কার করতে হবে। এটা জুলাইয়ের মাস। এই চত্বরেই দুজন শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছিল। এখনো ওসব খুনি গ্রেফতার হয়নি। দ্রুত গ্রেপ্তার করতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান। শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের সভাপতি খান হাবিব মোস্তফার সভাপতিত্বে ও আতাইকুলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক রাজু ইসলাম ওলির সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, পাবনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মো: ইকবাল হোসাইন, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, জামায়াতের পৌর আমীর আব্দুল লতিফ, দেশ বরেণ্য শিল্পী ওবায়দুল্লাহ তারেক, সাইদুল ইসলাম, কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান, আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল আলিম, এডভোকেট রানা, রোটারিয়ান বিনয় জ্যোতি কুন্ডু, সমন্বয়ক শাওন হোসাইন, আইডিয়াল গ্রুপের পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সহ পাবনার সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন। মানবন্ধনে পাবনা শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও নার্সিং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ নেয়।

  • তারেক রহমানের নির্দেশে পাবনায় বহিষ্কৃত ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

    তারেক রহমানের নির্দেশে পাবনায় বহিষ্কৃত ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

    তারেক রহমানের নির্দেশে পাবনায় বহিষ্কৃত ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে পাবনার সুজানগরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ বহিষ্কৃত ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিএনপি। শুক্রবার রাতে সুজানগর থানায় রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলিম বাদী হয়ে মামলা করেন। এর আগে ঘটনার ২৪ ঘন্টা পর ওই ১০ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত এক প্রেস নোটের মাধ্যমে বহিষ্কার করা হয়। বহিস্কৃতরা হলেন-সুজানগর উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব রউফ শেখ (৫২), ছাত্রদল নেতা শেখ কাউছার (২৮), যুবদল নেতা মনজেদ শেখ (৪৫), সুজানগর পৌর বিএনপি’র ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজিবর খা (৬০), সুজানগর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য কামাল শেখ (৪৬), পৌর যুবদল সদস্য মানিক খা (৩৮), সুজানগর এনএ কলেজ শাখার সভাপতি শাকিল খা (২৫), সুজানগর পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি রুহুল খা (৪০), বিএনপি কর্মী লেবু খা (৬০) যুবদল কর্মী হালিম শেখ (৪০)। এদিকে, ১০ নেতার বহিষ্কার করার পর কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলিম এর নেতৃত্বে ৩ সদস্য’র একটি টিম শুক্রবার সুজানগরে তদন্তে আসেন। কেন্দ্রীয় নেতারা রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তারেক রহমানের নির্দেশে শুক্রবার রাতে সুজানগর থানায় ওই বহিষ্কৃত নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এসময় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলিম এক ব্রিফিং এ বলেন, সুজানগরে বিএনপির নামধারি ওই নেতারা আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে রক্তাক্ত ঘটনা ঘটিয়েছেন-দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। জনগনের মধ্যে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই বিএনপির মুল উদ্দেশ্য। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সন্ত্রাসকে জিরো টলারেন্স করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন ও কেন্দ্রীয় তথ্যা সেলের মাহবুবুর রহমান। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সুজানগর উপজেলা বিএনপির বিবদমান দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ সহ ২০ জন আহত হন।

  • পাবনায় বিএনপির সদস্য সচিবসহ ১০ নেতা বহিষ্কার

    পাবনায় বিএনপির সদস্য সচিবসহ ১০ নেতা বহিষ্কার

    পাবনায় বিএনপির সদস্য সচিবসহ ১০ নেতা বহিষ্কার

    পাবনার সুজানগরে মোবাইলে কথা বলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে ১৫ জন আহতের ঘটনায় গুরুতর আহত উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ সহ ১০ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত এক প্রেসনোটের মাধ্যমে বহিষ্কার করা হয়। শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুরে সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক তৌফিক হাসান আলহাজ্ব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বহিস্কৃতরা হলেন-সুজানগর উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব রউফ শেখ (৫২), ছাত্রদল নেতা শেখ কাউছার (২৮), যুবদল নেতা মনজেদ শেখ (৪৫), সুজানগর পৌর বিএনপি’র ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজিবর খা (৬০), সুজানগর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য কামাল শেখ (৪৬), পৌর যুবদল সদস্য মানিক খা (৩৮), সুজানগর এনএ কলেজ শাখার সভাপতি শাকিল খা (২৫), সুজানগর পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি রুহুল খা (৪০), বিএনপি কর্মী লেবু খা (৬০) যুবদল কর্মী হালিম শেখ (৪০)। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পাবনা জেলাধীন সুজানগরে রক্তাক্ত সংঘাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এ সকল নেতাকর্মীকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এছাড়া সুজানগরের রক্তাক্ত সংঘাতের ঘটনায় মোলায়েম খা ও সুরুজসহ আরও যারা জড়িত ছিল তারা বিএনপি কিংবা এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেউ নয়। তাদের সাথে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোন সম্পর্ক নেই। এসব দুস্কৃতকারি সন্ত্রাসীদের সাথে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেউ যোগাযোগ বা সম্পর্ক রাখলে দল তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক তৌফিক হাসান আলহাজ্ব বলেন, বহিষ্কারের বিষয়টি কেন্দ্র করেছে। সুজানগর থানা পুলিশের ওসি মজিবর রহমান বলেন, এখনো মামলা হয়নি। কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। গ্রেপ্তারও নেই। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। উল্লেখ্য, ফোনে কথা বলাকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মজিবর খাঁয়ের অনুসারী আশিকের ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রউফ শেখের ভাতিজা ছাত্রদল নেতা কাউছার ও তার অনুসারীরা। এরপর এ ঘটনা মীমাংসা হলেও বুধবার দুপুরে আশিককে সিনেমা হলের সামনে আবার ডাকে কাউছাররা। এ সময় কাউছারদের সঙ্গে দেখা করতে আশিক তার চাচাতো ভাই ছাত্রদল নেতা সবুজকে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে কাইছার ও আশিকের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় সবুজ বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর ও ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে আশিক ও সবুজ তাদের অভিভাবক ও বিএনপি নেতাদের জানায়। এরপর মজিবর খা, লেবু খা, মানিক, সুরুজ সহ দলবদ্ধভাবে এসে কাউছারদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আব্দুর রউফ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে থামাতে গেলে তাকেও কুপিয়ে ও মারধর করে আহত করা হয়। এ সময় গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। আহত উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবকে মুমূর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।