Category: ধর্ম

  • গোমস্তাপুরের বিভিন্ন পূজামন্ডপ নিরাপত্তার দায়িত্বে ১৬ বিজিবির বিভীষণ বিওপি সদস্যরা

    গোমস্তাপুরের বিভিন্ন পূজামন্ডপ নিরাপত্তার দায়িত্বে ১৬ বিজিবির বিভীষণ বিওপি সদস্যরা

    গোমস্তাপুরের বিভিন্ন পূজামন্ডপ নিরাপত্তার দায়িত্বে ১৬ বিজিবির বিভীষণ বিওপি সদস্যরা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরের বিভিন্ন পূজামন্ডপের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন ১৬ বিজিবি বিভীষণ বিওপি সদস্যরা। সুবেদার আজাদ রহমানের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা বিভিন্ন পূজামন্ডপ পাহারা দিচ্ছেন। এতে কোন মন্ডপে কোন প্রকার অপৃতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে। সুবেদার আজাদ রহমান জানান, তারা শারদীয় দূর্গাপূজা শুরু থেকেই বিভিন্ন মন্ডপ পাহারা দিচ্ছেন। ফলে এপর্যন্ত কোথাও কোন অপৃতিকর ঘটনা ঘটেনি। এব্যাপারে সর্বদা সতর্ক রয়েছেন বিজিবি সদস্যরা বলেও জানান। সনাতন ধর্মালম্বীদের পূজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা এ দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।

  • বাংগাবাড়ী সীমান্তের পাশাপাশি পূজা মন্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্বে ১৬ বিজিবি

    বাংগাবাড়ী সীমান্তের পাশাপাশি পূজা মন্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্বে ১৬ বিজিবি

    বাংগাবাড়ী সীমান্তের পাশাপাশি পূজা মন্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্বে ১৬ বিজিবি

    নওগাঁস্থ ১৬ বিজিবি সদস্যরা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাংগাবাড়ী সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি পূজা মন্ডপেও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মন্দিরগুলোতে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের পাশাপাশী নিরাপত্তা জোরদার ও টহল প্রদান করেছে বাংগাবাড়ী ১৬ বিজিবি বাহিনীর সদস্যরা। পুজার সময় দুষ্কৃতিকারীদের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শুরু থেকেই কাজ করছেন তারা। বিজিবি মহাপরিচালকের নির্দেশক্রমে সীমান্তের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ১৬ বিজিবির জোরদার শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে নওগাঁ ব্যাটালিয়নঃ১৬ বিজিবি এর বাংগাবাড়ী ইউনিয়নের আলিনগর এবং সন্তোষপুর মন্দির ধর্মীয় উপাসনালয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সর্বসাধারণের জান-মাল রক্ষায় তৎপর রয়েছে নওগাঁ ব্যাটেলিয়ান ১৬ বিজিবি। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি উপকূলীয় এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা প্রদান, ধর্মীয় উপাসনালয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সর্বসাধারণের জান-মাল রক্ষায় গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে ১৬ বিজিবি। নওগাঁ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বাংগাবাড়ী ক্যাম কমান্ডার জেসিও নাঃ সুবেঃ টিপু সুলতানের নেতৃত্বে একটি টহলরত দল নিয়োজিত আছে এবং প্রতিমা বিসর্জনের সময় অতিউৎসাহী জনগণকে আইনি সার্বিক সহযোগিতা ও জননিরাপত্তামূলক কার্যক্রম টহল অব্যাহত থাকবে।

  • নিয়ামতপুরে দূর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শনে সাবেক এমপি ডা: ছালেক চৌধুরী

    নিয়ামতপুরে দূর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শনে সাবেক এমপি ডা: ছালেক চৌধুরী

    নিয়ামতপুরে দূর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শনে সাবেক এমপি ডা: ছালেক চৌধুরী

    নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার) আসনের সাবেক সাংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: ছালেক চৌধুরী। শনিবার (১২ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার শ্রীমন্তপুর ও বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামন্ডপে আসা সকলের সাথে দূর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। মন্ডপ পরিদর্শনকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: ছালেক চৌধুরী বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা পালনের সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দূর্গাপূজাকে ঘিরে কোন অশুভ শক্তি যাতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্যই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিক নিদের্শনা বাস্তবায়নে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরা মন্দিরে মন্দিরে পাহারায় রয়েছে। একই সাথে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রতিটি পূজামন্ডপে দলের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী দল রাখতেও নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার পাইম চৌধুরী, নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শামীম রেজা চৌধুরী বাদশা, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি রবিউল আলম ও যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম, যুগ্ন আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সালাউদ্দিন গাজি, যুগ্ম আহবায়ক শহিদুজ্জামান জিহান সহ বিএনপি ও যুবদলের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • জেলায় ১৫৬টি পূজামন্ডপে প্রতিমা- চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

    জেলায় ১৫৬টি পূজামন্ডপে প্রতিমা- চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

    জেলায় ১৫৬টি পূজামন্ডপে প্রতিমা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

    আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা সুষ্ঠভাবে উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বুধবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা, ৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল গোলাম কিবরিয়া, সেনাবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর রাব্বি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইকতেখারুল ইসলাম, জেলা তথ্য অফিসার আবদুল আহাদ, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ তাছমিনা খাতুন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক শ্রী পলাশ দাস, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়, বাংলাদেশ ব্রাক্ষ্রন সংসদের জেলা সভাপতি শ্রী বিধান ভট্টাচার্য, নাচোল পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশিষ কুমার চক্রবর্তী, শিবগঞ্জ পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত দাস, গোমস্তাপুর পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সোচিন বর্মণ, ভোলাহাট পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি আশুতোষ ঘোষ, বাইশ পুতুল মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক মৃনাল কান্তি পাল ও গার্ল গাইড এসোসিয়েশনের জেলা শাখার কমিশনার গৌরী চন্দ সিতু। সভায় জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ বলেন, এবার প্রতিটি দূর্গাপূজা মন্ডপ এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সুষ্ঠ এবং আনন্দঘন পরিবেশে পূজার আয়োজন করা হবে। তিন স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রতিটি পূজামন্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। আর প্রতিটি মন্ডপে সু-সজ্জি¦ত স্বেচ্ছাসেবক দল এবং আনসার সদস্যরা সার্বক্ষনিক নিরাপত্তায় থাকবে। এজন্য আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতে মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা চান। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলার বিভিন্ন দূর্গাপূজা মন্ডপের নেতৃবৃন্দ, পুরহিত ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, জেলার ৫টি উপজেলার ১৫৬ টি পূজামন্ডপে এবার প্রতিমা শোভা পাবে।
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্মীয় ভাব গাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে ঈদুল আযহা উদযাপন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্মীয় ভাব গাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে ঈদুল আযহা উদযাপন

    ভাব গাম্ভির্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। সকলে নিজ নিজ এলাকায় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে কোরবানী করেছেন।

    কুশল বিনিময় ও কোলাকুলি করেছেন আপনজনদের সাথে। জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চকআলমপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে (এবছর নতুন উদ্বোধন)।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১ (শিবগঞ্জ) আসনের সাংসদ ডাঃ সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন পাশর্^বর্তী ঈদগাহে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুহা. জিয়াউর রহমান ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে।

    জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খাঁন সোমবার সকাল ৭টায় ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে। জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণও জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে ঈদুল আযহা’র নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতীর কল্যানে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। জেলা প্রশাসক সকলের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করেন।

    এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আব্দুস সামাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেয় ঈদের জামাতে।

    এদিকে, সোমবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭ টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে পুলিশ সদস্যদের সাথে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা এর নামাজ আদায় করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ ছাইদুল হাসান বিপিএম-পিপিএম সেবা। নামাজ শেষে দেশ ও জাতীর কল্যানে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে পুলিশ সুপার সকলের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করেন।

    পরবর্তীতে পুলিশ লাইন্স মেসে সকল পুলিশ অফিসার ফোর্স ও তাদের পরিবারবর্গসহ প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন পুলিশ সুপার। এসময় মোঃ আবুল কালাম সাহিদ (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ) সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ জেলা পুলিশের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যরা একই সাথে ঈদ-উল-আযহা’র নামাজ আদায় করেন এবং প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন।

    জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব রুহুল আমিন ঈদ-উল-আযহা’র নামাজ আদায় করেছেন স্থানীয় স্বরুপনগর ঈদগাহে (সিসিডিবি মোড়)। বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব রুহুল আমিন স্বরুপনগর ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি। স্বরুপ নগর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো সাইফুল ইসলাম এর ইমামতিতে জানাজায় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অংশ নেন। নামাজ শেষে গ্রামের কবরবাসীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে দোয়া কামনা করে দোয়া কামনা করেন।

    এছাড়া জেলার বিশিষ্টজনেরা নিজ নিজ এলাকার ঈদগাহ এবং মসজিদে ঈদুল আযহা’র নামাজ আদায় করেছেন। এদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ সদর উপজেলার মহারাজপুর ঈদগাহে সোমবার (১৭ জুন) সকাল ৮টায় ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন সাপ্তাহিক সোনামসজিদ এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মোহাঃ জোনাব আলী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর সম্পাদক ও চ্যানেল আই’র জেলা প্রতিনিধি আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু। এছাড়া শহরের নিজ নিজ এলাকার ঈদগাহে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক চাঁপাই চিত্র’র সম্পাদক মোঃ কামাল উদ্দিন, ‘দৈনিক গৌড় বাংলা’র সম্পাদক মোহাঃ হাসিব হোসেন, ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’র সম্পাদক এমরান ফারুক মাসুম, সাপ্তাহিক ‘সীমান্তের কাগজ’র সম্পাদক মোঃ জাফরুল আলম। এছাড়াও নিজ নিজ এলাকার ঈদগাহে বা মসজিদে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা। উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৫৪৮টি ঈদগাহে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে। শহরের ফকিরপাড়া, খালঘাট ও উপজেলা মডেল মসজিদেও জেলায় ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জেলার কোথাও কোন অপ্রীতিকর কোন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শান্তিপূর্ণ ও সৌহাদ্র পরিবেশে ঈদুল আযহা উদযাপন হয়েছে জেলায়। ঈদের নামাজ শেষে সকলে আপনজনদের সাথে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলি করেছেন এবং কোরবানীও করেছেন। শান্তিপূর্ণভাবে ঈদুল আযহা’র নামাজ আদায় এবং কোরবানী সম্পন্ন করায় জেলাবাসীকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খাঁন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৪৮ ঈদগাহে ঈদের জামাত ॥ জাতীয় সম্পদ চামড়া সংরক্ষনের আহবান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৪৮ ঈদগাহে ঈদের জামাত ॥ জাতীয় সম্পদ চামড়া সংরক্ষনের আহবান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৫৪৮ শতাধিক ঈদগাহে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জেলার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে। শহরের ফকিরপাড়া, খালঘাট ও উপজেলা মডেল মসজিদেও জেলায় ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
    পুরাতন স্টেডিয়ামে ও খালঘাট ঈদগাহে সকাল ৭ টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা মডেল মসজিদে ঈদের জামাত সকাল সোয়া ৭টায় এবং ফকিরপাড়া ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭ টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সম্পদ পশুর চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষনের আহবান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইসলামিক ফাউন্ডেশনর সুত্র জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ১৮৩টি শিবগঞ্জ উপজেলায় ১৫৯টি, নাচোল উপজেলায় ৬১টি, গোমস্তাপুরে ১১৬টি, ভোলাহাট উপজেলায় ২৯টি ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া কিছু অস্থায়ী ঈদগাহে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
    ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সদর উপজেলার ফিল্ড সুপার ভাইজার মোঃ শরিফুল ইসলাম শনিবার দুপুরে জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৫৩৮টি তালিকা ভুক্ত ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া কিছু অস্থায়ী ঈদগাহে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জেলা তথ্য অফিস এ ব্যাপারে প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছে। চামড়া সংরক্ষনে লিফলেট বিতরণ ও জেলার ৫টি মডেল মসজিদসহ অন্যান্য মসজিদে জুম্মার খুতবায় আলোচনা করা হয়েছে।
    তিনি আরও জানান, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রধান ঈদের নামাজ জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে এবং খালঘাট ঈদগাহে সকাল ৭ টায় অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, উপজেলা মডেল মসজিদে ঈদের জামাত সকাল সোয়া ৭টায় এবং জেলা শহরের কেন্দ্রীয় ফকির পাড়া ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া জনিত কারণে কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে, একই সময়ে কোর্ট জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রধান ঈদের নামাজ জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে সকাল ৭ টায় অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, জেলা শহরের কেন্দ্রীয় ফকির পাড়া ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের জামাত হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল মসজিদে ঈদের নামাজ সোয়া ৭টায়। আবহাওয়া জনিত কারণে কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে, একই সময়ে কোর্ট জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, কোরবানীর পশুর চামড়া জাতীয় সম্পদ। জেলার সকল কোরবানী দাতাকে এ সম্পদ সংরক্ষন করতে হবে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় মনিটরিং করা হবে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে এবং ব্যবসায়ীকভাবে চামড়া সংরক্ষন করতে হবে। কোনভাবেই যেন চামড়া নষ্ট না হয়। গরু-মহিষ, ছাগল-ভেড়ার কাচা চামড়ায় প্রয়োজনীয় লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ এবং সুষ্ঠুভাবে ঈদের নামাজ ও কোরবানী সম্পন্ন করার জন্য জেলাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান।

  • পবিত্র ঈদুল আযহা’কে সামনে রেখে জয়পুরহাটের কামার পল্লী টুংটাং শব্দে সরগরম

    পবিত্র ঈদুল আযহা’কে সামনে রেখে জয়পুরহাটের কামার পল্লী টুংটাং শব্দে সরগরম

    জয়পুরহাটের সদর উপজেলাসহ পাঁচটি উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী জেলার বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কামারের দোকানগুলোর টুংটাং শব্দে সরগরম হয়ে উঠেছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এমন ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কামাররা। নাওয়া-খাওয়া ভূলে গিয়ে অবিরাম কাজ করছেন তারা। আগুনের শিখায় লোহা পুড়িয়ে তৈরি করা হয় এসব ছুরি, দা, বঁটি, চাপাতি-যা পশু কোরবানির পাশাপাশি মাংস কাঁটার জন্য। এসব কিনতে কামারের দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ক্রেতাদের অভিযোগ, এবছর এসব সরঞ্জামের দাম অনেক বেশি রাখা হচ্ছে। দামের বিষয়টি নিয়ে কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ শিল্পের প্রধান উপকরণ লোহা, ইস্পাত ও কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় কামাররা এখন বিড়ম্বনায় পড়েছেন। সরেজমিনে ঘুরে দেখতে পায়, দূর থেকে পাওয়া যাচ্ছে হাঁপরের হাঁসফাঁস আর হাতুড়ি পেটার টুংটাং শব্দ। লোহার হাতুড়ি পেটায় ছড়াচ্ছে সফুলিঙ্গ। সেখানে যেন দিন-রাত, অবিরাম চলছে কাজ আর কাজ। কামাররা জানান, বছরের এগারো মাসে তাদের ব্যবসা হয় এক রকম আর কোনবানির ঈদের আগের এক মাসে ব্যবসা হয় আরেক রকম। উপজেলার কয়েকজন কামারের সাথে আলাপ করে জানা যায়, স্প্রিং লোহা {পাকা লোহা) ও কাঁচা লোহা সাধারণত এ দুই ধরনের লোহা ব্যবহার করে এসব উপকরণ তৈরি করা হয়। স্প্রিং লোহা দিয়ে তৈরি উপকরণের মান ভালো, দাম ও বেশি। আর কাঁচা লোহার তৈরি উপকরণগুলোর দাম তুলনামুলক ভাবে কম এ্যাঙ্গেল, রড, স্টিয়ারিং, রেললাইনের লোহা, গাড়ির পাত ইত্যাদি অনেকে লোহা কামাদের কাছে এনে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে। এর মজুরিও লোহা ভেদে নির্দ্ধারন করা হয়। বেশির ভাগ কামারদের কাছ থেকেই লোহা কিনে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে বা রেডিমেট বানানো জিনিস নিয়ে যায়, কামাররা জানান, লোহার মানভেদে একটি দা ৪ শত থেকে ৭ শত টাকা (পাকা লোহা) আর কাঁচা লোহার দা ৫ শত থেকে ৩ হাজার, কুড়াল ৬ শত থেকে ১১’শ, বটি ৩ শত থেকে ৮ শত, চাপাতি ৫ শত থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হয়। তবে দেশিয় এসব দা-বটির পাশাপাশি চায়না থেকে আমদানি করা বিভিন্ন মান ও আঁকারের ছুরি-চাপাতিও বাজারে অল্প দামে বিক্রি হচ্ছে বলে কামারদের ব্যবসা আগের মতো আর নেই। সদর উপজেলার কুটিবাড়ী গ্রামের সুবাস মহন্ত জানান, লোহা পিটিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করা আমার পেশা।বাপ দাদার পৈত্রিক সূত্রে আমি এই পেশায় জড়িত। একটি মাঝাড়ি ধরণের দা ও কাটারি তৈরি করে ওজন অনুযায়ী ৩’শ থেকে ৪’শ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হয়।সারা দিন হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে যে কয়টি জিনিস তৈরি করি তা বিক্রয় করে খুব বেশি লাভ না হলেও পরিবার-পরিজন নিয়ে ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকার স্বার্থে এই পেশা আমি ধরে রেখেছি। তবে সাড়া বছর কাজ-কর্মের ব্যস্ততা তেমন না থাকলেও কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে আমার কাজের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। সাড়া বছর এই রকম কাজ থাকলে ভালোই হতো।তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ পেশায় যারা জড়িত তাদের ঘুড়ে দাঁড়ানো সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান। সোমবার (১৩ মে) গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে লেখক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হজযাত্রীদের ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়ানোর বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। বিভিন্ন জটিলতায় সৌদি আরব থেকে এখনো ভিসা পাননি ১০ হাজারের বেশি হজযাত্রী। এর জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেছেন, যেসব হজযাত্রী এখনো হজ পালনের জন্য ভিসা পাননি, তাদের ভিসা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নে তার দেশের বিনিয়োগকারী ও কোম্পানির আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সেসব প্রকল্পের একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।
    জবাবে শেখ হাসিনা বলেছেন, যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। আর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো বিষয়টি খতিয়ে দেখবে এমন আশ্বাসও দেন। বৈঠকে ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য সহায়তার আরেকটি চালান প্রস্তুত করছে। এরইমধ্যে তাদেরকে দুইবার সহায়তা পাঠানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং তার কয়েকটি মিত্র ছাড়া পুরো বিশ্ব ফিলিস্তিনের পেছনে রয়েছে। সৌদি রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, তার দেশে প্রায় ৩২ লাখ বাংলাদেশি রয়েছেন, যারা বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

  • ৪১৩ হজযাত্রী নিয়ে ঢাকা ছেড়েছে প্রথম ফ্লাইট

    ৪১৩ হজযাত্রী নিয়ে ঢাকা ছেড়েছে প্রথম ফ্লাইট

    পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে হজযাত্রীদের সৌদি আবর নিয়ে যেতে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন ৪১৩ হজযাত্রী। বিমানের প্রথম হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক। বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকাল ৭ টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে প্রথম হজ ফ্লাইট। এ বছর ৮৫ হাজার ২৫৭ জন বাংলাদেশি হজ পালনের উদ্দেশে সৌরি আরব যাচ্ছেন। এরমধ্যে বিমান ৪২ হাজার ৬২৯ জন হজযাত্রীর পরিবহন করবে। হজের আগে ৯ মে থেকে ১০ জুন চালু থাকবে ফ্লাইট। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার প্রথম দিনে সাতটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তিনটি ছাড়াও সৌদি এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাসের দুটি করে ফ্লাইট রয়েছে। প্রথম দিনের শিডিউল অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার প্রথম দিনে সাতটি ফ্লাইটে সৌদি আরব যাওয়ার কথা রয়েছে মোট দুই হাজার ৭৮৫ জন হজযাত্রীর। তবে রাত দুইটা পর্যন্ত টিকিট বুক করেননি আট শতাংশ হজযাত্রী। ভিসাসহ নানা জটিলতায় প্রথম দিনে সৌদিতে যাচ্ছেন না তারা।
    চলতি বছর হজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিবন্ধন করেছেন ৮৩ হাজার ৩১১ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৪১৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধন করেছেন ৭৮ হাজার ৮৯৫ জন।

  • বুধবার হজের প্রথম ফ্লাইট শুরু ॥ অনিশ্চয়তায় ৭০ হাজার হজযাত্রী!

    বুধবার হজের প্রথম ফ্লাইট শুরু ॥ অনিশ্চয়তায় ৭০ হাজার হজযাত্রী!

    বুধবার (৮ মে) শুরু হচ্ছে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রম। মঙ্গলবার হজ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে, ভিসা সমস্যায় এখনও সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া করতে পারেনি বেশিরভাগ হজ এজেন্সি। সর্বশেষ তথ্য মোতাবেক, ভিসা আবেদনের বাড়ানো সময়ও শেষ মঙ্গলবার। এখন পর্যন্ত আবেদন করতে পারেনি প্রায় ৮০ শতাংশ হজ এজেন্সি। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ বিভাগের একাধিক সুত্র জানায়, চলতি বছর হজ ভিসার জন্য আবেদনের শেষ সময় ছিল ২৯ এপ্রিল। ধর্মমন্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ভিসা আবেদনের সময় ৭ মে পর্যন্ত করা হয়। ৮ দিন বাড়ানো হলেও এখনও ৭৫ শতাংশের বেশি হজযাত্রীর ভিসার আবেদন করেনি এজেন্সিগুলো। বাকি একদিনের মধ্যে ৭০ হাজারের বেশি হজযাত্রীর ভিসার আবেদন করা কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সোমবার (৬ মে) সন্ধ্যায় এই সংকটে করণীয় ঠিক করতে হজ এজেন্সিদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসে ধর্ম মন্ত্রণালয়। সেখানেও এ সমস্যার সমাধান হয়নি। ভিসা আবেদনের সময় আরও বাড়ানোর জন্য সৌদি সরকারকে চিঠি দিতে এজেন্সিগুলো মন্ত্রণালয়কে চাপ দেয়। শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়।
    চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ৮৩ হাজার ২০৯ জন নারী-পুরুষ পবিত্র হজ পালন করতে সৌদি আরবে যাবেন। এরমধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭৮ হাজার ৮৯৫ জন। বাকি ৪ হাজার ৩১৪ জন যাবেন সরকারি ব্যবস্থাপনায়। সাত শতাধিক হজ এজেন্সি হজযাত্রীদের নিবন্ধন করেছে। ২৫৯টি লিড এজেন্সি হজযাত্রীদের মূল ব্যবস্থাপনায় থাকবে। এরমধ্যে সোমবার পর্যন্ত মাত্র ৫৫টি এজেন্সির আংশিক ভিসা আবেদন হয়েছে। বাকি ২০৪টি এজেন্সি ভিসা প্রক্রিয়া শুরুই করতে পারেনি। এই এজেন্সিগুলোর অধীনে মোট ৭০ হাজারের বেশি হজযাত্রী রয়েছে।
    সংশ্লিষ্টরা জানায়, একদিনে বিশাল সংখ্যক হজযাত্রীর ভিসার আবেদন করা সম্ভব নয়। ফলে ফের ভিসা আবেদনের সময় বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছে এজেন্সিগুলো। কিন্তু ধর্ম মন্ত্রণালয় সেটাতে রাজি হয়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, মূল সংকট বাড়ি ভাড়ায়। প্রতিবছরের মতো এবারও হজ এজেন্সিগুলো বাড়ি ভাড়া করতে গাফিলতি করেছে। কম রেটে বাড়ি ভাড়া করার জন্য প্রতিবার শেষ সময়ে এসে বাড়ি ভাড়া করেন তারা। এবারও তাই করেছেন। এবার এটা করতে গিয়ে নতুন আইনের ফাঁকে পড়ে যায় হজ এজেন্সিগুলো। বাড়ি ভাড়ার জন্য নির্ধারিত এজেন্সি প্রতিনিধি মোনাজ্জেমদের ভিসা আটকে দেয় সৌদি সরকার। ফলে হজযাত্রীদের বাড়ি ভাড়া করতে সৌদি আরবে যেতে পারেননি তারা। এ জায়গায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চেয়েও পায়নি বলে অভিযোগ করছে এজেন্সিগুলো। এপ্রিলের শেষের দিকে বিকল্প পদ্ধতিতে মোনাজ্জেমদের ভিসা করার জন্য জিও (সরকারি পত্র) দেয় ধর্ম মন্ত্রণালয়। এজেন্সির প্রতিনিধিরা এখন সৌদি আরবে গিয়ে বাড়ি ভাড়া করতে হিমশিম খাচ্ছে। হেরেম শরিফের কাছে বাড়ি না পেয়ে অনেক দূরে বাড়ি খুঁজছেন তারা। সেখানেও ভাড়া বেড়ে গেছে। ফলে বাড়ি ভাড়া নিয়ে রীতিমতো সংকট তৈরি হয়েছে।
    বেসরকারি হজ এজেন্সি এম জি ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী গিয়াস উদ্দিন বলেন, মোনাজ্জেমরা সঠিক সময়ে ভিসা না পাওয়ায় সৌদিতে বাড়ি ভাড়া করা যায়নি। ফলে হজযাত্রীদের এখন সদুত্তর দিতে পারছি না। ভিসা না পাওয়ায় বিমানের টিকিটও বুকিং দিতে পারছি না। আরও বেশ কিছু কাজ আটকে আছে ভিসা জটিলতায়। জানতে চাইলে পল্টনের একটি হজ এজেন্সির মালিক বলেন, ভিসা জটিলতা কোথায় গিয়ে ঠেকে তা বলা মুশকিল। মোনাজ্জেমদের ভিসা জটিলতার ফলে অনেক সময় চলে গেছে। এজন্য বাড়ি ভাড়া করা যায়নি। আর বাড়ি ভাড়া না হলে ভিসার আবেদন করা যায় না। যদি ভিসা আবেদনের সময় বাড়ানো না হয় তবে বড় ধরনের সংকটে পড়তে হবে। অনেক হজযাত্রী চলতি বছর হজে যেতে পারবেন না। তবে এ সংকট থাকবে না বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।
    চলতি বছর ৮৩ হাজার হজযাত্রীকে বহন করার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স (সৌদিয়া) ও সৌদির বেসরকারি এয়ারলাইন্স ফ্লাইনাস মোট ২২৮ হজ ফ্লাইট পরিচালনা করবে। সে অনুযায়ী শিডিউল ঘোষণা করেছে এয়ারলাইন্সগুলো।
    চুক্তি অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর অর্ধেক বহন করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং বাকি অর্ধেক বহন করে সৌদিয়া ও ফ্লাইনাস এয়ার। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মোট ১১৮টি ফ্লাইটে ৪৮ হাজার ৮৩৫ জন হজযাত্রী বহন করবে। সৌদি এয়ারলাইন্স ৭৫টি ফ্লাইটে ৩০ হাজার ৭৯১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ার ৩৫টি ফ্লাইটে ১৩ হাজার ৭৬৫ জন হজযাত্রীকে বহন করবে। শিডিউল অনুযায়ী, ৯ মে প্রথম দিন তিনটি এয়ারলাইন্সের ৭টি ফ্লাইটে দুই হাজার ৭৮৫ জন হজযাত্রীর সৌদি আরব যাওয়ার কথা রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওইদিনের জন্য এখনও বুকিং বাকি ৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম দিনেই যাত্রী সংকটে পড়তে যাচ্ছে এয়ারলাইন্সগুলো। হজযাত্রীদের দ্রুত সময়ে ভিসা না করাতে পারলে প্রতিদিন বাড়বে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা।