Category: আইন আদালত

  • অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

    অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

    অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

    একটি অস্ত্র মামলায় আদালতের দেয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ হয় আব্দুর রহিমের। দীর্ঘদিন ধরেই পরিচয় গোপন করে লুকিয়ে ছিলেন অন্য এলাকায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সাজাপ্রাপ্ত আসামী মো. আব্দুর রহমান (৩৮) শিবগঞ্জ উপজেলার ছালামপুর গ্রামের মো. গাজলুর রহমানের ছেলে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রুহ-ফি-তাহমিন তৌকির ও কোম্পানী উপ-অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম।
    রবিবার র‌্যাবের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিক্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল কানসাট পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামী আব্দুর রহিমকে গ্রেপ্তার করে। ২০২০ সালের ২৯ এপ্রিল শিবগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে র‌্যাব। পরে আদালত ২০২৩ সালের ৩ মে তার বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় প্রদান করেন। র‌্যাব আরও জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সাজাপ্রাপ্ত আসামী আব্দুর রহিম পরিচয় গোপন করে নিজ এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় বসবাস করে আসছিল। গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি

    জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি

    জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি

    জয়পুরহাটে হত্যা মামলার ২৩ বছর পর হুমায়ুন নামে এক ব্যক্তির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। এছাড়া তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। রবিবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দিন এ রায় প্রদান করেন। ফাঁশির রায় প্রাপ্ত, হুমায়ুন জেলার পাঁচবিবি উপজেলার নাওডোবা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। অন্যদিকে, এ মামলায় ৬ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাড.নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    মামলার বিবরণে জানা গেছে, পাঁচবিবি উপজেলার নাওডোবা রাইগ্রাম গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের সাথে একই গ্রামের নছির উদ্দিনের মেয়ে নাছিমার সঙ্গে সেই সময় প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তাদের সম্পর্কের বিষয়টি মেয়েটির পরিবার মেনে নিতে পারেননি।
    এরই জের ধরে ২০০০ সালের ১৪ জুন রাতে শালিশের নামে রাজ্জাককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় আসামিরা। সেখানে রাতে তাকে মারপিটের পর বিষাক্ত ওষুধ মিশিয়ে পানি পান করানো হয়। এসময় সে ছটফট করতে থাকলে থাকে তার নিজ বাড়িতে দিয়ে যায় আসামিরা। এরপর পরিবারের লোকজন তাকে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে পরের দিন সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজ্জাক মারা যান। এ ঘটনায় ওই বছরের ২৮ জুন পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের মা। দীর্ঘ শুনানী শেষে বিচারক রবিবার এই রায় প্রদান করেন।

  • মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায় কচিবুর রহমান (৪০) নামে এক ব্যাক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই রায়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৫ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়। এছাড়া একই মামলার অপর একটি ধারায় কচিবুরকে আরও ৩ বছর সশ্রম কারাদন্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিনমাস সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত। রায়ে উভয় সাজা একত্রে চলবে বলেও উল্লেখ করেন আদালত। কচিবুর শিবগঞ্জের শাহাবজপুর ইউনিয়নের আজমতপুর মন্ডলটোলা গ্রামের মৃত এনামুল হকের ছেলে। বুধবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতণ দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) এবং ষ্পেশাল দায়রা জজ নরেশ চন্দ্র সরকার আসামীর উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।
    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনামুল হক বলেন, ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জের শ্যামপুর ইউনিযনের আজগবি গ্রামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের অভিযানে ৪০০ গ্রাম হেরোইন ও ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয় কচিবুর। এঘটনায় ওইদিন কচিবুরকে আসামী করে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের তৎকালীন পরিদর্শক রায়হান আহমেদ খান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক আসাদুর রহমান ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর কচিবুরকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

  • জয়পুরহাটে নকল ঔষধ ও বিক্রয়ের অনিয়মে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

    জয়পুরহাটে নকল ঔষধ ও বিক্রয়ের অনিয়মে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

    জয়পুরহাটে নকল ঔষধ ও বিক্রয়ের অনিয়মে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে আর্ন্তজাতিক পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন বিক্রি ও মজুদ রাখার দায়ে এবং প্রেসক্রিপশন ব্যতীত এন্টিবায়োটিক ঔষধ বিক্রি ও নকল ঔষধ রাখার দায়ে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালত ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। সোমবার সন্ধ্যার পরে নবাগত নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা সুলতানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফ আফজাল রাজন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমওডিসি ডাঃ হুসনেআরার সমন্বয়ে গঠিত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এ জরিমানা আদায় করেন। জরিমানা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গুলো হলো, আনিছুর মসল্লা ষ্টোর কে ১ হাজার টাকা, মেসার্স নিউ খাদিজা ফামের্সীকে ২ হাজার, আফরোজা ফামের্সীকে ১০হাজার এবং জয়ন্তী ফামের্সীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় ফামের্সী গুলোতে বিভিন্ন কোম্পানীর নকল ঔষধ থাকায় সেগুলো জব্দ করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম, ও পাঁচবিবি থানার থানার এএসআই মাহাবুব রহমান নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সরা।

  • হাতকড়াসহ মাদকের আসামি পলাতক—৬ পুলিশ ক্লোজড

    হাতকড়াসহ মাদকের আসামি পলাতক—৬ পুলিশ ক্লোজড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে হ্যান্ডকাফসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ৬ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। শনিবার (২৭ মে) রাতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে অভিযানে অংশ নেওয়া ৬ পুলিশ সদস্যকে সদর মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। এছাড়া এই ঘটনা তদন্তে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম সাহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) রোকনুজ্জামান সরকারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
    প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের এস.আই মাহবুব, এস.আই জালাল উদ্দীন, এস.আই নাসির উদ্দীন, এ.এস.আই নয়ন কৃষ্ণ হোড়, এ.এস.আই আব্দুল কাদের ও কনস্টেবল আনসার আলী।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৪ মে রাতে একটি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত মাসুদ রানা নামে ওই আসামিকে বিজিবির সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়। থানায় আনার পর গ্রেপ্তারকৃত আসামির মোবাইলে হেরোইনের ছবি দেখা যায়। পরে তকে সঙ্গে নিয়ে দুর্গম চরাঞ্চল সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নের কোদালকাটি এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশের একটি বিশেষ দল। অভিযানে গিয়ে গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতো কোটি টাকা মূল্যের ১ কেজি ৮২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
    অভিযানের সময় মাসুদের দুই হাতে একটি হ্যান্ডকাফ লাগানো ছিল। ফেরার পথে পুলিশ সদস্যদের ধাক্কা দিয়ে মাসুদ হ্যান্ডকাফ নিয়েই দৌড়ে অন্ধকারের মধ্যে হারিয়ে যায়। এরপর পুলিশ পিছু নিলেও তাকে ধরতে পারেনি। এ ঘটনার পর পুলিশ গত ৪ দিন ধরে অভিযান পরিচালনা করলেও পলাতক মাসুদ রানাকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশের ধারনা মাসুদ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়েছে, একই কথা এলাকাবাসীরও।
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম সাহিদ বলেন, প্রাথমিকভাবে দায়িত্বে অবহেলার কারণে সদর মডেল থানার মোট ছয় পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাদক মামলার আসামি মাসুদ

    হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাদক মামলার আসামি মাসুদ

    গ্রেফতারের চেস্টা অব্যাহত

    হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাদক মামলার আসামি মাসুদ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের কাছ থেকে হ্যান্ডকাফ লাগানো অবস্থায় পালিয়েছে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার মাসুদ রানা। বুধবার রাতে সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নের কোদালকাটি চর এলাকা থেকে মাসুদ হ্যান্ডকাফ নিয়ে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা তার সন্ধানে অভিযানে নামে। কিন্তু গত চার দিনেও তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ওই আসামি এখন পর্যন্ত নিরুদ্দেশ। পুলিশের ধারনা—সে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়েছে। পালিয়ে যাওয়া আসামি মাসুদ রানা (২৮), সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নের কোদালকাটি জেলা পাড়ার নাজিবুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে একটি মাদক মামলার ওয়ারেন্টমূলে মাসুদ রানা নামে ওই আসামিকে বিজিবির সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়। থানায় আনার পর গ্রেপ্তারকৃত আসামির মোবাইলে হেরোইনের ছবি দেখা যায়। পরে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে দূর্গম চরাঞ্চল সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নের কোদালকাটি এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশের একটি বিশেষ টিম। অভিযানে গিয়ে গ্রেপ্তার আসামির দেখানো মতে কোটি টাকা মূল্যের এক কেজি ৮২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। সে সময় মাসুদের দুই হাতে একটি হ্যান্ডকাফ লাগানো ছিল। ফেরার পথে পুলিশ সদস্যদের ফাঁকি দিয়ে মাসুদ হ্যান্ডকাফ নিয়েই দৌড়ে অন্ধকারের হারিয়ে যায়। এরপর পুলিশ পিছু নিলেও তাঁকে ধরতে পারেনি। পুলিশ জানিয়েছে, আসামি মাসুুদ রানার বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় তাঁর নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। তাঁর বাবা নাজিবুল ইসলামও মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি এখন ভারতে আত্বগোপনে রয়েছেন। তাঁর ভাই ও খালাতো ভাই সবাই মাদক কারবারে জড়িত। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধীক মামলা রয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত মাসুদ রানা সীমান্ত এলাকাতেই অবস্থান করছিল। এসময় তাঁর হাতে হ্যান্ডকাফ ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হ্যান্ডকাফ কেটে স্থান পরিবর্তন করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তারের পর মাদকের একটি বড় চালানের সন্ধান জানতে পারে পুলিশ। এরপর রাতে তাঁকে নিয়ে মাদক উদ্ধারে যায় পুলিশের একটি দল। অভিযানে গিয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেখানো মতে এক কেজি ৮২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় চরাঞ্চলের ওই গ্রামে প্রচুর বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছিল। এমন সময় মাসুদ পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। আমরা এলাকার তিনজন জনপ্রতিনিধিসহ সাধারন মানুষের সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তারে বিজিবি ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় অভিযান করছি। আশা করি শিগগিরই মাসুদ ধরা পড়বে। এ ঘটনায় মাসুদ রানার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধভাবে ১ কেজি ৪’শ গ্রাম হেরোইন বহনের দায়ে মিজানুর রহমান নামে এ মাদক ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েনে আদালত। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. রবিউল ইসলাম আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান(২৭) জেলার ভোলাহাট উপজেলার বজরাটেক গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাড. রবিউল ইসলাম রবু মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানান, ২০২১ সালে ১২ জুলাই রাত প্রায় সাড়ে ৯টার দিকে র‌্যাব-৫ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ধানসূড়া এলাকার একটি প্রেট্রোল পাম্পের সামনে থেকে মিজানুরকে ১ কেজি ৪’শ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেফতার করে। পরে এ ঘটনায় র‌্যাব-৫ এর এসআই শ্রী নিবাস মিস্ত্রির বাদীত্বে পরের দিন ১৩ জুলাই-২০২১’ নাচোল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাচোল থানার এস.আই লালন কুমার ২০২১ সালের ১৮ আগষ্ট আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলার দীর্ঘ শুনানী ও স্বাক্ষগ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক মিজানুরকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ডাদেশ দেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় জোহিরুল ইসলাম (৩৩) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই রায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছর কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদীব আলী আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন। জোহিরুল শিবগঞ্জের নামোচকপাড়া গ্রামের মৃত সাহেব জানের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাজমুল আজম জানান, ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর শিবগঞ্জের পারদিলালপুর গ্রামে র‌্যাবের হাতে ৫১৫ গ্রাম হেরোইন,১টি রিভলবার ও ২ রাউন্ড গুলিসহ আটক হয় জোহির। এ ঘটনায় পরদিন র‌্যাবের নায়েব সুবেদার এন্তাজুল হক শিবগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে জোহিরুলকে আসামী করে একটি মামলা করেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শিবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মজিবুর রহমান ২০২০ সালের ৩০ অক্টোবর জোহিরুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। অপরদিকে, জোহিরুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে দায়ের মামলা (থানার মামলা নং একই কিন্তু আইন ভিন্ন হওয়ায় চার্জশীট ও রায় পৃথক হবে) বিশেষ ট্রাইবুনালে সম্পন্ন হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে দায়েরকৃত মামলায় শাহাব উদ্দিন (২৭) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে তাকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছর কারাদন্ডেরও আদেশ দেয়া হয়েছে। বুধবার (১০মে) দুপুর পৌনে ২টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদীব আলী আসামীর উপস্থিতিতে এই আদেশ প্রদান করেন। শাহাব চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজারামপুর মালোপাড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাজমুল আজম জানান, ২০২১ সালের চাঁপাইনবাবগঞ্জের শাহীবাগে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫০(পঞ্চাশ) গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হয় শাহাব। এ ব্যাপারে পরের দিন সদর থানায় শাহাবকে আসামী করে মামলা করে গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অনুপ কুমার। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রিপন কুমার মন্ডল ২০২১ সালের ৮ আগষ্ট শাহাবকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক বুধবার এই রায় ঘোষণা করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্ত্রী রেখসনাকে হত্যার দায়ে স্বামী টুনুকে (৪৫) যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়া তাকে আরও কুড়ি হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছর কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৯মে) বিকেল ৫টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদীব আলী দন্ডিতের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। টুনু গোমস্তাপুরের দাঁড়িপাতা গ্রামের নূর মোহম্মদের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাজমুল আজম জানান, ২০১৮ সালের ১৯ জুন নিজ শয়নকক্ষে খুন হন রেখসনা। ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে খুন করা হয়। এ ব্যাপারে ওইদিন টুনুকে আসামী করে গোমস্তাপুর থানায় মামলা করেন তার পিতা মোস্তফা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোমস্তাপুর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক আসলাম খান একই বছরের ৩১ জুলাই টুনুকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।