Category: আইন আদালত

  • সাব-জেলে বন্দিরা কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে- গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তা কারাগারে

    সাব-জেলে বন্দিরা কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে- গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তা কারাগারে

    সাব-জেলে বন্দিরা কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে

    গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তা কারাগারে

    গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রেক্ষিতে বুধবার (২২ অক্টোবর) আদালতে হাজির হলে ওই কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠান ট্রাইব্যুনাল। বুধবার সকালে পতিত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে গুম-খুন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ঢাকা সেনানিবাসের ‘সাব-জেল’ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়। পরে আদালত ওই কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এছাড়া মামলায় শেখ হাসিনাসহ অন্য পলাতক আসামিদের বিষয়ে সাতদিনের মধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হয়েছে।

    এ তিন মামলায় ২৫ জন সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জন আসামি। তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানা যায়। আওয়ামীলীগের শাসনামলে গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় গ্রেফতার হয়ে ১৫ সেনা কর্মকর্তা যে সাব-জেলে (অস্থায়ী কারাগার) আছেন সেটি কারা কর্তৃপক্ষেরই তত্ত্বাবধানে থাকবে। কারাবিধি অনুযায়ী তাদের দেখাশোনার দায়িত্ব কারা অধিদপ্তরের এবং তাদের খাওয়া-দাওয়াও এই নিয়মে কারাগার থেকে দেওয়া হবে। বুধবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে আদেশের পর তাদের ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোডে সাব-জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। আইজি প্রিজন জানান, ওই বন্দিদের নিরাপত্তায় কারাগার থেকে কারারক্ষী ও কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়েছেন। কারা বিধি অনুযায়ী বন্দিদের দেখাশোনার দায়িত্ব কারা অধিদফতর থেকেই এবং তাদের খাওয়া-দাওয়াও একই নিয়মে কারাগার থেকেই দেওয়া হবে। তাদের কোনো স্বজন দেখা করতে চাইলেও অনুমতি সাপেক্ষে কারাবিধি অনুযায়ী দেখা করার ব্যবস্থা করা হবে। বাইরে থেকেও কোনো খাবার দেওয়া হলেও এই বিধি অনুযায়ী পরীক্ষার মাধ্যমে সেগুলো দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর/২৫ ঢাকা সেনানিবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে সেনা হেফাজতে আছেন। চার্জশিটে প্রায় ২৫ সেনা কর্মকর্তার নাম এসেছে। এর মধ্যে অবসরে আছেন নয়জন, এলপিআরে একজন এবং কর্মরত আছেন ১৫ জন। যারা অবসরে গেছেন, তাদের ক্ষেত্রে আমাদের সেনা আইন প্রযোজ্য নয়। আদালতের আদেশে সাব-জেলে বন্দি ১৫ সেনা কর্মকর্তা হলেন- র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, র‌্যাবের সাবেক পরিচালক (ইন্টেলিজেন্স উইং) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল, র‌্যাবের সাবেক পরিচালক (ইন্টেলিজেন্স উইং) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (এখন অবসরকালীন ছুটিতে), র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) কর্নেল কে এম আজাদ ও র‌্যাবের সাবেক পরিচালক (ইন্টেলিজেন্স উইং) কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম। এছাড়া, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক (সিটিআইবি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক (সিটিআইবি) মেজর জেনারেল শেখ মো. সারওয়ার হোসেন, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক (সিটিআইবি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজাহার সিদ্দিক, বিজিবির সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম ও বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর রাফাত বিন আলম মুন।

  • আগাম জামিন পেলেন নাহিদ সুলতানা যুথিসহ ৪ আইনজীবী

    আগাম জামিন পেলেন নাহিদ সুলতানা যুথিসহ ৪ আইনজীবী

    আগাম জামিন পেলেন নাহিদ সুলতানা যুথিসহ ৪ আইনজীবী

    সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার অ্যাসোসিয়েশন) ভোট গণনা ও ফলাফল নিয়ে মারামারির ঘটনায় হওয়া মামলায় স্বতন্ত্র সম্পাদক প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথিসহ ৪ আইনজীবীকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে যুথিসহ আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এম কে রহমান, অ্যাডভোকেট শেখ আওসাফুর রহমান বুলু। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি। এর আগে আগাম জামিন নিতে হাইকোর্টে আসেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের স্বতন্ত্র সম্পাদক প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের স্বতন্ত্র সম্পাদক প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথির জামিন আবেদন শুনতে নতুন বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি। বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টে বেঞ্চে তার জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য পাঠানো হয়।
    গত ১৮ মার্চ বিচারপতি মো. সেলিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চের এক বিচারক নাহিদ সুলতানা যুথির জামিন আবেদন শুনতে বিব্রতবোধ করেছিলেন। গত ১৪ মার্চ হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের স্বতন্ত্র সম্পাদক প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। তিনি যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের স্ত্রী। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ সালের নির্বাচনে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা মামলায় অ্যাডভোকেট যুথি এক নম্বর আসামি। তিনি ছাড়াও মামলার আসামি অ্যাডভোকেট শাকিলা রৌশন, ব্যারিস্টার চৌধুরী মৌসুমী ফাতেমা (কবিতা) জামিন আবেদন করেছেন। উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ রাতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ সালের নির্বাচনে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় স্বতন্ত্র সম্পাদক প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি, বিএনপির প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ ২০ জনকে আসামি করা হয়। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুর রহমান চৌধুরী সাইফ তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর রাতেই ব্যারিস্টার ওসমান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন ওরফে মাসুদ (৫৫), অ্যাডভোকেট শাকিলা রৌশন, অ্যাডভোকেট কাজী বশির আহম্মেদ, ব্যারিস্টার উসমান, অ্যাডভোকেট আরিফ, অ্যাডভোকেট সুমন, অ্যাডভোকেট তুষার, রবিউল, ব্যারিস্টার চৌধুরী মৌসুমী ফাতেমা (কবিতা), সাইদুর রহমান জুয়েল (৪০), অলিউর, যুবলীগ নেতা জয়দেব নন্দী, মাইন উদ্দিন রানা, মশিউর রহমান সুমন, কামাল হোসেন, আসলাম রাইয়ান, অ্যাডভোকেট তরিকুল ও অ্যাডভোকেট সোহাগ। এ ছাড়া মামলায় ৩০/৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের বিএনপির প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ ৬ আইনজীবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • পবিত্র রমজানে আদালতের নতুন সময়-সূচি

    পবিত্র রমজানে আদালতের নতুন সময়-সূচি

    পবিত্র রমজানে আদালতের নতুন সময়-সূচি

    পবিত্র রমজান উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ এবং অধস্তন আদালতের কার্যক্রমের জন্য সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ বিষয়ে ৩টি পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। আপিল বিভাগের সূচিতে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতির অনুমোদনক্রমে ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সপ্তাহের প্রতি রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার (সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত) আপিল বিভাগের কোর্টের সময়সূচি সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সোয়া ১টা পর্যন্ত। আর অফিসের কার্যক্রম চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। তবে দুপুর ১টা ১৫মিনিট থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে। এদিকে, হাইকোর্ট বিভাগের সূচিতে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে আদালতের কার্যক্রম রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলবে। তবে দুপুর একটা ১৫ মিনিট থেকে দুইটা পর্যন্ত জোহর নামাজের বিরতি থাকবে। অপরদিকে, অফিসের সময়সূচিতে বলা হয়েছে, সকাল ৯টা ১৫ মিনিট থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে। তবে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহর নামাজের বিরতি থাকবে। অধস্তন আদালতের সূচিতে বলা হয়েছে, রমজানে আদালতের কার্যক্রম রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে। তবে দুপুর একটা ১৫ মিনিট থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহর নামাজের বিরতি থাকবে। অপরদিকে, অফিসের সময়সূচিতে বলা হয়েছে, সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে। তবে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহর নামাজের বিরতি থাকবে।

  • বাগেরহাটের ৭ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড

    বাগেরহাটের ৭ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড

    একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাগেরহাটে হত্যা, ধর্ষণের মত যুদ্ধাপরাধের দায়ে ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি মো. শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার এ মামলার রায় ঘোষণা করে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম। রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে ছিলেন প্রধান প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী ও প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা।
    দণ্ডিত সাত আসামির মধ্যে কারাবন্দি খান আকরাম হোসেন, শেখ মো. উকিল উদ্দিন ও মো. মকবুল মোল্লাকে রায়ের সময় আদালতে হাজির করা হয়। আর খান আরশাদ আলী, রুস্তম আলী মোল্লা, শেখ ইদ্রিস আলী ও শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল পলাতক। ২০১৭ সালের ৩১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। পরে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে তাদের বিচার শুরু হয়। যুদ্ধাপরাধের সাতটি ঘটনায় তাদের বিচার চলে। ১ নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ২৬ মে ১৫/২০ জন রাজাকার ও ২৫/৩০ জন পাকিস্তান দখলদার সেনাবাহিনীর সদস্যসহ বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানাধীন চাপড়ী ও তেলিগাতীতে নিরীহ নিরস্ত্র মুক্তিকামী মানুষদের ওপর হামলা চালিয়ে ৪০/৫০টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠন করে, বাড়িঘর অগ্নিসংযোগে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে, দুইজন নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম করে এবং ১০ জন নিরীহ নিরস্ত্র স্বাধীনতার পক্ষের মানুষকে গুলি করে হত্যা করে।
    ২ নম্বর অভিযোগ: ৭ জুলাই আসামিরা বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার হাজরাখালী ও বৈখালী রামনগরে হামলা চালিয়ে অবৈধভাবে নিরীহ নিরস্ত্র স্বাধীনতার পক্ষের চারজন লোককে আটক ও অপহরণ করে আবাদের খালের ব্রিজে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেয়। ৩ নম্বর অভিযোগ: ১৩ নভেম্বর বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ উপজেলার ঢুলিগাতী গ্রামে হামলা চালিয়ে দুইজন নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাকে আটক ও নির্যাতন শেষে গুলি করে হত্যা করে। ৪ নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৭ নভেম্বর জেলার কচুয়া উপজেলার বিলকুল ও বিছট গ্রামে হামলা চালিয়ে চারজন নিরীহ নিরস্ত্র স্বাধীনতার পক্ষের লোককে আটক ও অপহরণ করে কাঁঠালতলা ব্রিজে এনে নির্যাতন করে; পরে গুলি করে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেয়।
    ৫ নম্বর অভিযোগ: ৩০ নভেম্বর কচুয়ার বিলকুল গ্রাম থেকে নিরস্ত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আলী নকীবকে আটক ও অপহরণ করে মোড়লগঞ্জ থানার দৈবজ্ঞহাটির গরুর হাঁটির ব্রিজের ওপরে নিয়ে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যা করে। ৬ নম্বর অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৬ অক্টোবর কচুয়ার উদানখালী গ্রামে হামলা চালিয়ে স্বাধীনতার পক্ষের নিরীহ নিরস্ত্র উকিল উদ্দিন মাঝিকে হত্যা করে এবং তার মেয়েকে আটক ও অপহরণ করে কচুয়া রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে যায়। কচুয়া রাজাকার ক্যাম্প ও আশেপাশের রাজাকার ক্যাম্পে দীর্ঘদিন ওই মেয়েসহ চারজনকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। ১৬ ডিসেম্বর বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ দখলদার মুক্ত হলে মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার ক্যাম্প তল্লাশি করে ভিকটিম তাসলিমাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে পৌঁছে দেন। ৭ নম্বর অভিযোগ: কচুয়ার গজালিয়া বাজারে হামলা চালিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরীহ নিরস্ত্র শ্রীধাম কর্মকার ও তার স্ত্রীকে আটক ও নির্যাতন শুরু করে। পরে শ্রীধাম কর্মকারকে হত্যা করে স্ত্রীকে অপহরণ করে কচুয়া রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে আটকে রেখে উল্লিখিত আসামিসহ কচুয়া রাজাকার ক্যাম্প ও আশেপাশের রাজাকার ক্যাম্পে ওই নারীসহ চারজনকে ধর্ষণ করে। প্রায় এক মাস শারীরিক নির্যাতনের পর শ্রীধামের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় দু’জনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় দু’জনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় দু’জনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের মামলায় মো.বাদশা(৫৬) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ বছর কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। অপরদিকে পৃথক মাদক মামলায় এবাদুল হক (২৯) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাস কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।
    সোমবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের ষ্পেশাল ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক মোহা: আদীব আলী আসামীর উপস্থিতিতে ফেনসিডিল মামলার আদেশ প্রদান করেন। মামলায় দন্ডিত বাদশা বারঘরিয়া লক্ষীপুর গ্রামের মৃত এন্তাজ আলীর ছেলে। অপরদিকে বিকেলে অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মো:রবিউল ইসলাম হেরোইন মামলায় দন্ডিত এবাদুলের অনুপস্থিতিতে মামলার আদেশ প্রদান করেন। হেরোইন মামলায় দন্ডিত এবাদুল রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দিয়ারা মানিকচর গ্রামের মৃত ওয়াজ উদ্দিনের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী(পিপি) নাজমুল আজম জানান, ২০১৮ সালের ২৫ অক্টোবর ঝিলিম ইউনিয়নের দক্ষিনচর গ্রামে বাদশার বাথানবাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে ২ হাজার ১৪৭ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক হন বাদশা। এ ব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ র‌্যাব ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক অনুপ দাস। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও র‌্যাব ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক রাব্বী মোরছালিন ২০১৯ সালের ১৩ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অপরদিকে, হেরোইন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মো: রবিউল ইসলাম জানান, গত ২০১৬ সালের ৫ মে নাচোলের নেজামপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে অভিযান চালায় নাচোল থানা পুলিশ। অভিযানে ১৫০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক হয় এবাদুল। এ ঘটনায় ওইদিন নাচোল থানায় মামলা করেন থানার উপ-পরিদর্শক নজরুল ইসলাম। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক শহীদুল ইসলাম ২০১৬ সালের ২৫ অক্টোবর ওই দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট জমা দেন।

  • চাঁপাইনবাবঞ্জে একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবঞ্জে একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবঞ্জে একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক আইনে দায়ের মামলায় সুজন আলী (৩০) নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড গেন সাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিযেছে আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সিনিয়র দায়রা জজ মোহা: আদীব আলী দন্ডিতের উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন। দন্ডিত সুজন আলী রহনপুর খোয়াড়মোড় গম্বুজপাড়া গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীনাজমুল আজম জানান, গত ২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাজশাহী মোল্লাপাড়া র‌্যাব ক্যাম্পের অভিযানে নাচোলের ধানসুরা বাজারের সড়ক থেকে ৪০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হন সুজন। এ ব্যাপাওে ওইদিন মামলা করেন র‌্যাবের পুলিশ পরিদর্শক মামুন হাওলাদার। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নাচোল থানার এস.আই গোলাম রসুল গত ২০২০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন।

  • আদালতে ফিরলো কালো কোট-গাউন

    আদালতে ফিরলো কালো কোট-গাউন

    তাপমাত্রা কমে আসার প্রেক্ষাপটে অধস্তন আদালতে শুনানির সময় ২২ অক্টোবর/২৩ রোববার থেকে আইনজীবীদের নিয়মিত পোশাক কালো কোট ও গাউন পরিধানের বাধ্যবাধকতা কার্যকর হয়েছে। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের কারণে গত ১৩ মে/২৩ এ দুটি পোশাক পরিধানের ওপর বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনের নতুন করে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত ও ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা এবং আইনজীবীদের মামলা শুনানিকালে পরিধেয় পোশাক সংক্রান্ত গত ১৩ মে’র দেয়া বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা স্থগিত করা হলো। ২২ অক্টোবর/২৩ থেকে এ বিজ্ঞপ্তি কার্যকর হয়। গত ১৩ মে তাপপ্রবাহের কারণে দেশের অধস্তন আদালতে শুনানির সময় আইনজীবী-বিচারকদের কালো কোট ও গাউন পরিধানের যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা তুলে দেয়া হয়েছিল। ওইদিন সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তখন প্রধান বিচারপতির নেয়া ওই সিদ্ধান্ত বিজ্ঞপ্তি আকারে জারি করেছিল সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনা ক্রমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্ত অনুসারে দেশের সব অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত ও ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা এবং আইনজীবীরা ক্ষেত্রমত সাদা ফুলশার্ট বা সাদা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন। এক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার আবশ্যকতা নেই। এ নির্দেশনা পরবর্তী নির্দেশ প্রদান না করা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের প্রধান বিচার পতির আদেশক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার জেনারেল মোঃ গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত
    গত ১৮ অক্টোবর/২৩ দেয়া নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বিগত ১৩ মে’র বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা স্থগিত করা হলে, সে অনুযায়ী দেশের অধস্তন আদালতে শুনানির সময় বিচারক ও আইনজীবীদের পরিধানে ছিল কালো কোট ও গাউন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় কবির হোসেন ওরফে বম কবির (৪০) ও যুবায়ের আলম (৩০) নামে ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহা. আদীব আলী আসামীর উপস্থিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত কবির হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা পশ্চিমপাড়ার তফজুল হোসেনের ছেলে। যুবায়ের আলম রাজশাহীর গোদাগাড়ী পাহারপুর অভায়া এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে।
    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাজমুল আজম জানান, ২০২০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আমনুরা রেলবাজার মোড় এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন পালিয়ে গেলেও যুবায়ের আলমকে ৭৫০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক করে। ওই দিন র‌্যাবের নায়েব সুবেদার আবু তালেব বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার এস.আই আবু হাসান তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৩১ মার্চ কবির হোসেনকে পলাতক ও যুবায়ের আলমকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার দীর্ঘ শুনানী ও সাক্ষগ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন।

  • পাঁচবিবিতে হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    পাঁচবিবিতে হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    জয়পুরহাটে মিজানুর রহমান হত্যা মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়। বুধবার দুপুরে সিনিয়র দায়রা জজ নূর ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে, পাঁচবিবি উপজেলার টিএন্ডটি পাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে ফজলে রাব্বী ও নাকুরগাছীর মোবারকের ছেলে ওসমান গণি রুবেল। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সোহেল রানা নামে একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মামলার বিবরণে জানা গেছে, পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামের হেলাল উদ্দীনের ছেলে মিজানুর রহমান ২০০৭ সালের ১৯ অক্টোবর অজ্ঞাত ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আসামীরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে গলা কেটে হত্যার পর লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে ২২ অক্টোবর সকালে দমদমা শ্মশান ঘাটের ছোট যমুনা নদীর পাশের একটি আখক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা একই দিন পাঁচবিবি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে বুধবার বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

  • জয়পুুরহাটে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন ও একজনের ১০ বছর কারাদণ্ড

    জয়পুুরহাটে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন ও একজনের ১০ বছর কারাদণ্ড

    জয়পুরহাট মাদকের পৃথক দুটি মামলায় একজনের যাবজ্জীবন ও একজনের ১০ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের পৃথকভাবে ৫০ হাজার ও ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে জয়পুরহাটের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৫ আদালতের বিচারক অতিরিক্ত জেলা জজ আব্বাস উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলার রতনপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম মন্টুর ছেলে আপেল প্রামানিক ওরফে আপন। এছাড়া ১০ বছর দণ্ডপ্রাপ্ত একই উপজেলার পশ্চিম কড়িয়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে মাহফুজুর রহমান। তারা দুজনেই পলাতক রয়েছেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর রাতে গোপন সংবাদ পেয়ে জয়পুরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের সৈয়দ আলীর মোড় এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এসময় বস্তার মধ্যে রাখা ১৩৯ বোতল ফেনসিডিলসহ আপেল প্রামানিককে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের পর আদালত আজ তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন। অন্যদিকে, ২০২২ সালের ৬ মার্চ গোপন সংবাদ পেয়ে পাঁচবিবি উপজেলার কড়িয়া গ্রামে মাহফুজুর রহমানকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একটি খড়ের গাদা থেকে ৬৭ বোতল ফেনসিডিল ও ১১ বোতল ফারডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হলে আজ আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন।