Category: চট্টগ্রাম

  • চট্টগ্রামে সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ

    চট্টগ্রামে সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ

    চট্টগ্রামে সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ আসনে (কোতোয়ালী-চকবাজার-বাকলিয়া-আংশিক ডবলমুড়িং) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক, প্রাক্তন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল ও ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ ও ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ করেছেন। উপস্থিত ছিলেন ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ হারুন, যুগ্ম আহবায়ক মিজানুল হক চৌধুরী ফয়সাল, সালাউদ্দিন লিটন, রাশেদুল হক জুয়েল, ব্যারিস্টার নাজমুল হক, হাবিবুর রহমান হাবিব, কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য মোহাম্মদ আলী হাসান, সিরাজুল ইসলাম, ওমর ফারুক ভূঁইয়া, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, ইব্রাহীম খলিল সুমন, ইকবাল হোসেন, শেখ হারুনুর রশিদ হারুন, আমিনুল ইসলাম বাবু, নুরুল আবছার টিটু, জাহিদুল আলম নিপু, শহিদুল ইসলাম পারভেজ, জসিম উদ্দিন, বাহার আহমেদ, মীর পারভেজ, মোহাম্মদ এসকান্দর, আব্দুল রাসেল, আজফার শাফি, রুবেল উদ্দিন, মোহাম্মদ মাহাবুব, মোহাম্মদ মিন্টু, মোহাম্মদ সুমন, মোহাম্মদ সানজিদ, আরিফ হোসেন, এনামুল হক টুটুল তাজুল ইসলাম তাজু , মোঃ মোজাফফর আহমদ, মোহাম্মদ রকি, ফয়েজ উল্লাহ, মোঃ শাহজাহান, শহিদুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, মোঃ রাশেদ খান, নাসির উদ্দিন, আবুল হোসেন, আবুল কাশেম, আব্দুল জলিল, ওমর আলী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

  • চট্টগ্রামে শ্রমিকদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

    চট্টগ্রামে শ্রমিকদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

    চট্টগ্রামে শ্রমিকদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটায় দূর্বৃত্তের গুলিতে আব্দুল মান্নান (৪২) নামে শ্রমিকদলের এক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাত ১০ টার দিকে সরফভাটা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের জিলানী মাদ্রাসা সংলগ্ন দুলাইন্নে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল মান্নান সরফভাটা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মুহিদুল্লাহ বাপের বাড়ির এলাকার নাজের আহমদের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে জড়িত এবং ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে। তার স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মান্নানের বাড়ি সরফভাটা ইউনিয়ন হলেও সে থাকতেন চন্দ্রঘোনা ভাড়া বাসায়। সে সৌদি প্রবাসী। গত ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর মান্নান দেশে আসেন। দেশে এসে বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হন। গত রাতে নিজ বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সরফভাটার ক্ষেত্রফল বাজারে অবস্থান করছিলেন মান্নান। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা দুজন অজ্ঞাত সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রাঙ্গুনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম সাব্বির বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার শরীরে চারটি গুলির আঘাত পাওয়া গেছে। তাকে কারা কি জন্য হত্যা করেছে তা জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তদন্ত চলছে, জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর একই ইউনিয়নের শিকদার পাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রহমতউল্লাহ নামে এক ব্যক্তি খুন হন।

  • আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্য গ্রেপ্তার

    আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্য গ্রেপ্তার

    আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্য গ্রেপ্তার

    কক্সবাজারের চকরিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের ব্যবহৃত দুটি হাইয়েস মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়। শনিবার (৮ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পেছনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনিসহ থানার এসআই আবুল খায়ের, এএসআই দেবু মজুমদার, এএসআই খলিল ও এএসআই আল-আমিনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ডাকাত দলের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় চারজনকে আটক করা সম্ভব হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, সাহারবিল ইউনিয়নের চোয়ারফাঁড়ি এলাকার মৃত কালু মিয়ার পুত্র সেলিম (৩৫), পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের মৃত আলী আহম্মদের পুত্র নাছির উদ্দিন (৪৫), একই ইউনিয়নের আকতার আহম্মদের পুত্র তৌহিদুল ইসলাম (২৪), সাহারবিল কোরালখালী এলাকার নুরুল আমিনের পুত্র আব্দুল্লাহ আল নোমান (ওরফে শাহীন ওরফে সাজ্জাদ) (২১)। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে চকরিয়া ও চন্দনাইশ থানায় হত্যা ও ডাকাতিসহ তিনটি মামলা রয়েছে। এছাড়া আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় গরু চুরির দুইটি মামলা রয়েছে। ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, “গ্রেপ্তার আসামিরা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তারা বিভিন্ন জেলায় সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতি করে আসছিল। গ্রেপ্তার পরবর্তী তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • চট্টগ্রাম ইপিজেডের আগুন দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

    চট্টগ্রাম ইপিজেডের আগুন দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

    চট্টগ্রাম ইপিজেডের দুইটি কারখানার আগুন দীর্ঘ প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী এবং বিজিবির সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করে। ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা জানান, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কাজ করেছে। তবে, একটি বিষয় হলো আগুন আশেপাশের কোনো স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়েনি সেসবে ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সবাই একসাথে কাজ করার করার জন্যই এমনটা হয়েছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো বা কারণসমূহ খুঁজে বের করতে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস। এই কমিটি ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে ইপিজেডের ৫ নম্বরের এই কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে এই আগুন জিন হং মেডিকেল নামের কারখানায়ও ছড়িয়ে পড়ে। ফলে এই অগ্নিকাণ্ডে দুইটি কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হলো। আগুনের তীব্রতা এমন ছিল যে ভবনটির ছাদ খসে পড়ে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ থেকে ৩০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

  • ফিশিংবোট থেকে ২৫০০ কেজি মা ইলিশ জব্দ

    ফিশিংবোট থেকে ২৫০০ কেজি মা ইলিশ জব্দ

    ফিশিংবোট থেকে ২৫০০ কেজি মা ইলিশ জব্দ

    চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী মৎস্যজীবী ঘাটে সাগর থেকে আসা চারটি ফিশিংবোট থেকে প্রায় আড়াই হাজার কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় চার বোটের ৪ জনকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রবিবার (১২ অক্টোবর) সকালে নৌ-পুলিশ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, কোস্টগার্ড ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এই অভিযান পরিচালনা করে। সদরঘাট নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে নিষিদ্ধ সময়ে সাগর থেকে ইলিশ ধরার তথ্য পেয়ে আকমল আলী ঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় সাগর থেকে ফেরত আসা চারটি ফিশিং বোটে থাকা আড়াই হাজার কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়। চার জনকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এদিকে, জব্দ করা মাছগুলো স্থানীয় এতিমখানা, মাদরাসা ও সমাজসেবামূলক সংগঠনে বিতরণের জন্য জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়। উল্লেখ্য, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ২২ দিনের ইলিশ ধরা, বিক্রি, পরিবহন ও মজুতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

  • সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে জেলে নিহত

    সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে জেলে নিহত

    সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে জেলে নিহত

    সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে নিহত জেলে সুব্রত মন্ডল (৩২) নিহত হয়েছে। নিহত সুব্রত মন্ডল এর লাশ প্রায় ৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহত সুব্রতর লাশ উদ্ধার হয়। এর আগে বিকেল ৩টার দিকে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল খালে কুমিরের আক্রমণের ঘটনা ঘটে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সুন্দরবনের করমজল খালের গজালমারী এলাকায় পানির নিচ থেকে গ্রামবাসীরা তার লাশ উদ্ধার করে। নিহত সুব্রত খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার ঢাংমারী এলাকার কুমুদ মণ্ডলের ছেলে। পেশায় তিনি জেলে ছিলেন। বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশন থেকে সরকারি রাজস্ব দিয়ে পাশ সংগ্রহ করে সুব্রতসহ কয়েকজন জেলে কাঁকড়া ধরতে বনে প্রবেশ করেন। আমুরবুনিয়া গ্রাম থেকে পায়ে হেঁটে জোংড়া এলাকায় যান তারা। পথে নদীখাল সাঁতরে পার হন তারা। কাঁকড়া সংগ্রহ করে সুন্দরবন থেকে ফেরার পথে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে করমজল খাল সাঁতরে পার হওয়ার সময় একটি কুমির সুব্রতকে কামড়ে ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। করমজল পর্যটন ও বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, রাতেই স্বজনরা নিহত জেলে সুব্রত’র মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছে। যেহেতু তিনি অনুমতি নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করেছেন। তিনি নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাবেন।

  • নির্যাতনে পুলিশের হেফাজতে যুবকের মৃত্যু-গ্রেফতার ফাঁড়ির ইনচার্জ

    নির্যাতনে পুলিশের হেফাজতে যুবকের মৃত্যু-গ্রেফতার ফাঁড়ির ইনচার্জ

    নির্যাতনে পুলিশের হেফাজতে যুবকের মৃত্যু-গ্রেফতার ফাঁড়ির ইনচার্জ

    নবীনগরে পুলিশ হেফাজতে আব্দুল্লাহ (২৭) নামে এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চোর সন্দেহে আব্দুল্লাহকে প্রথমে গ্রামবাসী নির্মমভাবে নির্যাতন করে এবং পরে সলিমগঞ্জ অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আরও নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা ফাঁড়ি ঘেরাও করলে প্রশাসন তা বন্ধ ঘোষণা করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েন করে। নিহত আব্দুল্লাহ বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের আবুল মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামে নগদ অর্থ চুরির অভিযোগ ওঠে। এর জের ধরে ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে সলিমগঞ্জ বাজার সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে মাস্ক পরিহিত অবস্থায় আব্দুল্লাহকে আটক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, স্থানীয় কয়েকজন তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং সেখানে ভয়াবহ নির্যাতন চালায়। পরিবারের দাবি, তার হাতের নখ প্লাস দিয়ে উপড়ে ফেলা হয় এবং কপালের চামড়া ছিলে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল্লাহকে সলিমগঞ্জ অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করা হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ফাঁড়িতে নেওয়ার পরও তার উপর নির্যাতন অব্যাহত থাকে। সূত্র জানায়, নবীনগর থানার ওসি এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে না জানিয়েই আব্দুল্লাহকে চারদিন ফাঁড়িতে আটকে রাখা হয়। এ সময় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাবু (রাব্বি) ও মাসুদ রানা নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে জেলা হাজতে পাঠানো হলেও আব্দুল্লাহকে গোপনে ফাঁড়িতে রাখা হয়। আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে সলিমগঞ্জ অলিউর রহমান জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনদিন চিকিৎসার পর তার অবস্থা আরও খারাপ হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই সাকিল মিয়া বাদী হয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর নবীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সলিমগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মহিউদ্দিন, তবি মিয়া, আলামিন, আয়নাল হকসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। এজাহারে বলা হয়, আসামিরা সম্মিলিতভাবে আব্দুল্লাহকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে পরিকল্পিতভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেন।
    আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে সলিমগঞ্জ ফাঁড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় প্রশাসন ফাঁড়িটি বন্ধ করে দেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েন করে। ঘটনার পর পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সলিমগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মহিউদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় এবং পরে ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩টায় তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। তবে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। স্থানীয়রা এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

  • সাতকানিয়ায় ক্রসফিলিং গুদামে বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫

    সাতকানিয়ায় ক্রসফিলিং গুদামে বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫

    সাতকানিয়ায় ক্রসফিলিং গুদামে বিস্ফোরণে মৃত্যু বেড়ে ৫

    চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার চরতী এলাকায় গ্যাস ক্রসফিলিং গুদামে ভয়াবহ সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়া আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যুর হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের নাম মো. হারেছ প্রকাশ হারুন (৩০)। তিনি চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নের ছৈয়দাবাদ পর্দার ডেবা এলাকায় নুরুল ইসলামের ছেলে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চন্দনাইশ-সাতকানিয়ার সীমান্তবর্তী দ্বীপ চরতী সর্বিরচর এলাকায় অবৈধ গ্যাস ক্রসফিলিং গুদামে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় গুদামে অবস্থানকারী ১০ জন দগ্ধ হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে প্রথমে ৪ জনকে ঢাকার বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে দগ্ধ অপর ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকেও ঢাকার বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত গুদাম মালিকসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • কাভার্ড ভ্যানে প্রাইভেট কারের ধাক্কা ॥ বাবা-মেয়ের মৃত্যু

    কাভার্ড ভ্যানে প্রাইভেট কারের ধাক্কা ॥ বাবা-মেয়ের মৃত্যু

    কাভার্ড ভ্যানে প্রাইভেট কারের ধাক্কা ॥ বাবা-মেয়ের মৃত্যু

    চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ঠাকুর দীঘি বাজারে একটি মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ড ভ্যানের পেছনে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় বাবা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে মহাসড়কে এ দুর্ঘটনায় পরিবারের আরো দুই সদস্যসহ চারজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, ঢাকার উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা গোলাম সরোয়ার মিন্টু (৪২) ও তার তিন বছর বয়সী মেয়ে মুসকান। হাইওয়ে পুলিশ জোরারগঞ্জ ফাঁড়ির পরিদর্শক বোরহান উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে কক্সবাজার বেড়াতে যাচ্ছিলেন গোলাম সরোয়ার। তাদের বহনকারী প্রাইভেট কারটি ঠাকুর দীঘি বাজারে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কাভার্ড ভ্যানের পেছনে গিয়ে ধাক্কা দেয়। এসময় গাড়িতে থাকা বাবা-মেয়ের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছে মা ও ছেলে। এছাড়াও আরও এক ব্যক্তি ও গাড়ির চালকসহ চারজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আহতদের মধ্যে দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত

    মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত

    মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত

    কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাছে মীর আকতার কোম্পানি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মহেশখালী থানার ওসি মো. মঞ্জুরুল হক জানান, রাতে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় সশস্ত্র সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অবস্থানের খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহলদল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছোড়ে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে কঠোর অবস্থান নিলে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সেলিম উদ্দিন, কনস্টেবল মো. সোহেলসহ তিনজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিকভাবে চকরিয়ার বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানান্তর করা হয়। আঘাতের তীব্রতার কারণে চিকিৎসকরা তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ওসি মঞ্জুরুল হক বলেন, ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে এবং গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। আমরা এই হামলার পেছনের কারণ এবং দোষীদের শনাক্ত করতে তৎপর রয়েছি। এ ঘটনা মহেশখালীতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয়রা জানান, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় সম্প্রতি সন্দেহজনক কার্যকলাপ বেড়েছে, যা এই হামলার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। পুলিশ ঘটনার তদন্তে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।