Category: চট্টগ্রাম

  • আন্দোলনের মুখে পটিয়া থানার ওসি নাজমুন নূরকে প্রত্যাহার

    আন্দোলনের মুখে পটিয়া থানার ওসি নাজমুন নূরকে প্রত্যাহার

    আন্দোলনের মুখে পটিয়া থানার ওসি নাজমুন নূরকে প্রত্যাহার

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বিসিএ) ও জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আন্দোলনের মুখে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূরকে (জায়েদ নূর) প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাতে তাকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রামের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত মঙ্গলবার ছাত্রলীগের এক নেতাকে আগের দিন রাতে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের লাঠিচার্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বিসিএ) কর্মীরা আহত হলে বুধবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে শুরু হয় আন্দোলন। ওসির অপসারণের দাবিতে সকালে পটিয়া থানা ঘেরাও করা হয় এবং পরে বাইপাস এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধরা। আন্দোলনকারীরা পরে ওসির পাশাপাশি সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও জেলা এসপির অপসারণ দাবি করে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত সময় বেধে দেন। এরপরই রাতে পটিয়া থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হল। এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পটিয়া শহীদ মিনার এলাকা থেকে রাঙামাটির একজন ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। থানায় গিয়ে ওই নেতাকে গ্রেপ্তার দেখাতে বলেন তারা। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মীরা থানা চত্বরে ওই নেতাকে ‘মারধরের চেষ্টা করলে’ পুলিশ বাধা দেয়। এসময় উত্তেজনার মধ্যে পুলিশের লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন আহত হয়। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে বিষয়টি আইন অনুযায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল। বিক্ষুব্ধরা পুলিশের ওপর চওড়া হয় এবং থানার জানালার আয়না ভাঙচুর করে। এর প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে থানা ঘেরাওয়ের কথা বলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মীরা। পরে সকালে পটিয়া থানা ঘেরাও করা হয়। বিক্ষোভকারীরা বাইপাস এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করেন। বিকেলে নগরীর খুলশী ৪ নম্বর সড়কে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিসিএ’র কর্মীরা। ডিআইজি তার কার্যালয় থেকে না আসায় তারা বিকাল ৪টার দিকে জাকির হোসেন সড়কে অবস্থান নিয়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ সড়কে এসে আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলার পর সড়ক ছাড়েন তারা। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় সরকার সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার রাতের ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্তে যারা দায়ী হবেন, তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • তানাক্কাপাড়া সীমান্তে আবারও ১৩ জনকে পুশ-ইন করেছে বিএসএফ

    তানাক্কাপাড়া সীমান্তে আবারও ১৩ জনকে পুশ-ইন করেছে বিএসএফ

    তানাক্কাপাড়া সীমান্তে আবারও ১৩ জনকে পুশ-ইন করেছে বিএসএফ

    খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার তানাক্কাপাড়া সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৩ জনকে পুশ-ইন করেছে বিএসএফ। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ভোরে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া ফাঁক করে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয় বিএসএফ। পুশ-ইন হওয়া ব্যক্তিরা এখন স্থানীয় একটি স্কুলে অবস্থান করছেন এবং তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তাদের ১২ জন নড়াইল এবং একজন যশোর জেলার বাসিন্দা। মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ওসমান আলী বলেন, পুশ-ইন হওয়া ব্যক্তিরা ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে ইটভাটা ও নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তাদের মধ্যে কেউ ২০ বছর আগে, কেউ ৯ বছর আগে কাজের সন্ধানে অবৈধপথে ভারতে গিয়েছিলেন। জানা গেছে, এ নিয়ে খাগড়াছড়ি সীমান্ত দিয়ে এখন পর্যন্ত ১৪৫ জন বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করেছে বিএসএফ। নতুন ১৩ জন ছাড়া বাকি সবাইকে ইতোমধ্যে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৭ মে মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ি উপজেলার তিনটি পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশিদের পুশ-ইন করা শুরু করে ভারত।

  • ফেনী সীমান্ত দিয়ে আরও ১১ জনকে বিএসএফ’র পুশ-ইন

    ফেনী সীমান্ত দিয়ে আরও ১১ জনকে বিএসএফ’র পুশ-ইন

    ফেনী সীমান্ত দিয়ে আরও ১১ জনকে বিএসএফ’র পুশ-ইন

    ফেনীর ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে নারী ও শিশুসহ আরও ১১ জনকে পুশ-ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ৪ বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করেছে। তারা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি। বিজিবি জানায়, বুধবার মধ্যরাতে ছাগলনাইয়া উপজেলার যশপুর সীমান্ত পিলার-২১৯১ এলাকা দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে ঠেলে পাঠায় বিএসএফ। খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার যশপুর বিওপির নিয়মিত টহলদল মটুয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে। এদের মধ্যে একজন পুরুষ, ৭ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছে। তারা যশোর, নড়াইল ও সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা। আটককৃতরা জানিয়েছে, তারা কাজের জন্য অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন। সম্প্রতি ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে। মঙ্গলবার মুম্বাই থেকে ৩৫০ জনকে বিমানযোগে আগরতলা আনা হয়। পরে তাদের পুশ-ইনের জন্য বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় পাঠানো হয়েছে। বিজিবির ফেনী (৪ বিজিবি) ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন জানান, ৪ বিজিবির আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় মোট ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, বিভিন্ন সময় কাজ করার জন্য তারা ভারতে গিয়েছিলো। তাদের ছাগলনাইয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডারকে মৌখিক প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদলিপি প্রেরণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আগে গত ৩০ মে ছাগলনাইয়ার একই সীমান্ত এলাকা দিয়ে ১৩ জন এবং ২২ মে জেলার ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া সীমান্ত দিয়ে ৩৯ জনকে পুশইন করে বিএসএফ। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর থানা পুলিশ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েঠে।

  • ছাত্রদল কর্মী হত্যা ॥ দীপু মনিসহ ৪৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    ছাত্রদল কর্মী হত্যা ॥ দীপু মনিসহ ৪৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    ছাত্রদল কর্মী হত্যা ॥ দীপু মনিসহ ৪৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    চাঁদপুর শহরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিলে গুলিতে এক ছাত্রদল কর্মী নিহতের ঘটনায় এক যুগ পর আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার দুপুরে চাঁদপুর সদর আমলি আদালতে হত্যার শিকার ছাত্রদল কর্মী তাজুল ইসলামের বড় ভাই মো. ফারুকুল ইসলাম মামলাটি করেন বলে বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাদের জিলানী মিল্টন জানান। মামলায় আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনিসহ ৪৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আইনজীবী বলেন, বিচারক জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. ইয়াসিন আরাফাত মামলাটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় নথিভুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। ২০১৮ সালে ওই মিছিলে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা এবং গুলি চালায়। ওই সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ছাত্রদল কর্মী তাজুল ইসলাম (২০) মারা যান। তাজুল সদর উপজেলার ১২ নম্বর চান্দ্রা ইউনিয়নের বাখরপুর গ্রামের আনোয়ার উল্লাহ পাটওয়ারীর ছেলে। মামলায় বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে ১৮ দলীয় জোটের মিছিলে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা ও গুলি চালায়। এতে তাজুলের বুকের বামপাশে গুলিবিদ্ধ হয় এবং ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ সময় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ৩০০ জন আহত হন। আইনজীবী বলেন, মামলায় ১৪০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩০০ থেকে ৩৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিদের মধ্যে আছেন-সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির বড় ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু, চাঁদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল। মামলার বাদী মো. ফারুকল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় পরিবেশ অনুকুলে না থাকা ও বিবাদী পক্ষের নানা হুমকি-ধমকির কারণে মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি। বিলম্ব হলেও মামলা করেছি। আশা করি আদালতে ন্যায়বিচার পাব।

  • ৬ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ॥ মাদ্রাসা শিক্ষকের আমৃত্যু কারাদণ্ড

    ৬ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ॥ মাদ্রাসা শিক্ষকের আমৃত্যু কারাদণ্ড

    ৬ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ॥ মাদ্রাসা শিক্ষকের আমৃত্যু কারাদণ্ড

    ছয় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চট্টগ্রামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক ফেরদৌস আরা এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নাজিম উদ্দিনের (৪১) এর বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির পূর্ব ধুরং বাবুগঞ্জে। সে গোলামুর রহমানের ছেলে। আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। নাজিম উদ্দিন ওই ঘটনার সময় নগরীর পাঁচলাইশে মক্কা হোটেলের পাশের গলির রহমানিয়া তাহফিজুল কোরআন একাডেমির পরিচালক ও শিক্ষক পদে কর্মরত ছিলেন। মামলা ও আদালত সুত্র জানায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১) ধারায় ছয় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আসামি নাজিম উদ্দিনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং ৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি নাজিম উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আসামি তদন্তকালীন সময়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিল। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নাজিম উদ্দিন রহমানিয়া তাহফিজুল কোরআন একাডেমি মাদ্রাসার দায়িত্ব পালনের সময় ২০১৯ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময় মাদ্রাসার ছয় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন। ২০২১ সালের ৪ মার্চ ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীর যৌন নিপীড়ন শিকার হয়েছে এমন অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে তদন্ত করে। তদন্তে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার কয়েকজন শিশুকে নিপীড়নের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে ওইদিনই ওই মাদ্রাসার ১১ বছর বয়সী এক ছাত্রের বড় ভাই বাদী হয়ে ছয় ছাত্রের পক্ষে মামলাটি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, “২০১৯ সালের ১৫ আগস্টের রাতে ভুক্তভোগী ১১ বছর বয়সী শিশুটিকে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন নাজিম উদ্দিন। পরে ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর মাদ্রাসার ১৬ বছর বয়সী আরেক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে নাজিম। তার আগে ২০১৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ১২ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে এবং ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ১৩ বছর বয়সী আরেক ছাত্রকে ধর্ষণ করেন তিনি। এছাড়া ২০২০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে এবং ওই বছরের ১৮ মে আরো দুই ছাত্র তিনি যৌন নিপীড়ন করেন। মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীরা যাতে তাদের বাবা-মায়ের কাছে ধর্ষণের বিষয়ে মুখ না খোলে, এজন্য তাদেরকে ভয়ভীতি এবং মারধর করত নাজিম উদ্দিন। এ মামলায় পুলিশ অভিযোগপত্র দেওয়ার পর ২০২১ সালের ৪ নভেম্বর নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করে বিচার কাজ শুরু করা হয়।

  • কুমিল্লায় সময় টিভির সাংবাদিক বাহার রায়হানের ওপর হামলা

    কুমিল্লায় সময় টিভির সাংবাদিক বাহার রায়হানের ওপর হামলা

    কুমিল্লায় সময় টেলিভিশনের সাংবাদিক বাহার রায়হানের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর পূবালী চত্বরে এ হামলা হওয়ার কথা বলছেন কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, রাতে ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা কান্দিরপাড়ে বিক্ষোভ মিছিল করছিলেন। মিছিলের অদূরে সাংবাদিক রায়হানের ওপর হামলা হয়। সাংবাদিক বাহার রায়হান বলেন, এদিন সন্ধ্যায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি গঠন করা হয়। এতে পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বিক্ষোভ মিছিলের ফুটেজ সংগ্রহের সময় একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় একজন পুলিশ কর্মকর্তা এগিয়ে এলে তারা নিবৃত্ত হয়। পরে আমি বুঝতে পারি কেউ আমার ডান উরুতে ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করেছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে একটি অটোরিকশায় কুমিল্লা সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিই।
    হামলাকারীদের পরিচয় জানতে চাইলে রায়হান বলেন, তিনি কাউকে চেনেন না, সবাই অপরিচিত। কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক শিহান আল নোমানী বলেন, বাহারের ডান পায়ে তিনটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তার পায়ে অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে। কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হক ফারুক বলেন, দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে আহ্বান জানাচ্ছি। কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠু বলেন, সাংবাদিক বাহার রায়হানের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যারাই এ ঘটনায় জড়িত হোক, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।

  • কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

    কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মো. সাকিব (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। রোববার (৫ মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের মাদলা সীমান্তে এই গুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সুজন বর্মণ (৩৫) নামে এক ভারতীয় নাগরিকও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। নিহত সাকিব উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের মাদলা গুচ্ছগ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে। কসবা থানার ওসি আব্দুল কাদের জানান, রোববার মধ্যরাতের দিকে জেলার কসবার মাদলা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে সাকিব নামে বাংলাদেশি এক তরুণ ও ভারতীয় এক নাগরিক গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত সাকিবকে কুমিল্লা ও ভারতীয় নাগরিককে ঢাকায় প্রেরণ করে স্থানীয়রা। এরমধ্যে সাকিব চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে মারা যান। বিজিবি-৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ নিয়ে বিএসএফ’র সাথে পতাকা বৈঠক হয়েছে।

  • ৪ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা ও দেশীয় মদসহ আটক-২

    ৪ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা ও দেশীয় মদসহ আটক-২

    ৪ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা ও দেশীয় মদসহ আটক-২

    কক্সবাজারের টেকনাফ থানার হাবিরছড়া উত্তর লম্বরী এলাকায় একটি যৌথ অভিযানে ৪ কোটি টাকা মূল্যের ১ লক্ষ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ও ৫০ লিটার দেশীয় মদসহ ২ জন আটক হয়েছে। সোমবার (৫ মে) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এইচ এম এম হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ ও র‌্যাব-১৫ সিপিসি-১ এর সমন্বয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ থানার হাবিরছড়া উত্তর লম্বরী এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় একজন সন্দেহজনক মোটর সাইকেল আরোহীকে তল্লাশী করে বস্তার মধ্যে লুকায়িত অবস্থায় ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের ১ লক্ষ ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ সাইফুল ইসলাম (২০) কে আটক করা হয়। অপরদিকে, একইসময় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট বাহারছড়া কর্তৃক টেকনাফ থানাধীন মেরিন ড্রাইভ এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সন্দেহভাজন একটি ইজিবাইক তল্লাশী করে সিটের নিচে অভিনব কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৫০ লিটার দেশীয় মদ ও ইজিবাইকসহ মাদক কারবারী ওমর ফারুক (২৭) কে আটক করা হয়। মাদক পাচারকারী পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পা কেটে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করত উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় তাদের। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য, মোটর সাইকেল, ইজিবাইক ও সকল আলামতসহ আটককৃত মাদক কারবারীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • আরও পাঁচ হাজার রোহিঙ্গার কক্সবাজারে অনুপ্রবেশ

    আরও পাঁচ হাজার রোহিঙ্গার কক্সবাজারে অনুপ্রবেশ

    কক্সবাজারে আরও ৫ হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। এ নিয়ে নতুন রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ১ মে পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে ঢুকেছে। এদের ‘নতুন রোহিঙ্গা’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে থেকে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে বসবাস করছে আরও ১২ লাখ রোহিঙ্গা। সরকারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শনিবার রাতে মিজানুর রহমান জানান, নতুনভাবে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ১ লাখ ১৮ হাজারে দাঁড়িয়েছে। তারা কক্সবাজারে বিভিন্ন ক্যাম্পে আছে। কেউ আবার বিদ্যালয়সহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থাপনায় আশ্রয় নিয়েছে।
    নতুন রোহিঙ্গাদের আবাসস্থলের ব্যবস্থা করতে সম্প্রতি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশন (ইউএনএইচসিআর) বাংলাদেশকে চিঠি দিয়েছে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ চিঠির জবাব দেয়নি। তিনি বলেন, নতুন আসা রোহিঙ্গাদের আবাসস্থলের ব্যবস্থার অনুরোধ জানিয়ে ইউএনএইচসিআরের চিঠির জবাব আমরা এখনও দিইনি। তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে নতুনভাবে ঘর তৈরি করে দেওয়ার মতো অবস্থায় আমরা নেই। আমরা প্রত্যাবাসনে জোর দিচ্ছি। এদিকে, সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মিয়ানমারের রাখাইনের মংডু বুড়া শিকদাপাড়া এলাকায় রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে। দেশটির রাখাইন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মির সদস্যরা এ নিপীড়ন চালাচ্ছে। এতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্বদিকে অবস্থিত শিকদারপাড়া থেকে অনেক রোহিঙ্গা কক্সবাজারে বিভিন্ন ক্যাম্পে বসবাসরত তাদের স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কেউ কেউ পালিয়ে আসছেন।

  • প্রস্তাবিত ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

    প্রস্তাবিত ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

    চট্টগ্রামের পটিয়ায় ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের চিন্তা করছে অন্তর্বর্তী সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয়বারের মতো পটিয়ার জিরিতে হাসপাতাল নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগম। শনিবার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার ৭নং জিরি ইউনিয়নের সাঁইদাইর এলাকায় সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান, মীর গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, ১৬ মার্চ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের হরিণখাইন আইডিয়াল হাই স্কুলের পাশে হাসপাতালটি নির্মাণ করার সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। অপরদিকে, শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে তিনি হাটহাজারী পৌরসভার দুটি এলাকা ঘুরে দেখেন। এলাকা দুটি হলো পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফটিকা বিল এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়াননগর এলাকার মিঠাছড়া। পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা হাসপাতাল নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করেন। এসময় তিনি আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে অন্তর্র্বতী সরকারের পরিকল্পনা ও অগ্রগতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
    স্বাস্থ্য উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন, তার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, একান্ত সচিব ডা. মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. অংসুই প্রু মারমা, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম মশিউজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কান্তি মজুমদার, হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ, হাটহাজারী মডেল থানার ওসি আবু কাওসার মাহমুদ হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিয়াজ মোর্শেদসহ ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এ সময় তিনি হাসপাতাল নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনা মূল্যায়ন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগম আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের পরিকল্পনা ও অগ্রগতির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।