Category: জয়পুরহাট

  • আক্কেলপুরে এক ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ ॥ আটক ৩

    আক্কেলপুরে এক ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ ॥ আটক ৩

    আক্কেলপুরে এক ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ ॥ আটক ৩

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ১৭ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আটককৃত তিন জনের মধ্যে দুইজন পার্শ্ববর্তী ক্ষেতলাল উপজেলার গোড়াইল ইউনিয়নের গোতাহাট শহর গ্রামের হবিবুর রহমানের ছেলে মাহবুব রহমান (২০), ওই গ্রামের হযরত আলীর ছেলে অনিছুর রহমান (২০) ও অপরজন আক্কেলপুর উপজেলার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের আলী মামুদপুর গ্রামের লাতু মিয়ার ছেলে ভ্যানচালক সালেক (২৫)। থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ছিল। বিদায় অনুষ্ঠান থেকে মেয়েটি নিখোঁজ হয়। পরে উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের পালশা গ্রামের একটি পাটক্ষেতে মেয়েটিকে ধর্ষণকালে স্থানীয়রা আটক করে ইউপি সদস্যকে খবর দিলে ইউনিয়ন পরিষদে এনে তাদের থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়। জানা যায়, ভ্যানচালক সালেক তাকে ভ্যানে করে প্রথমে পার্শ্ববর্তী ক্ষেতলাল উপজেলার আছরাঙ্গা দিঘীতে বেড়াতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ভ্যানচালক আরও দুই সহযোগী মাহবুব রহমান ও আনিছুর রহমানকে ডেকে নিয়ে আক্কেলপুর উপজেলার পালশা গ্রামের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এসময় মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা তাদের হাতে নাতে আটক করেন। মেয়েটির বাবা জানান, ‘আমার মেয়ের মানসিক সমস্যা রয়েছে। আমি মেয়েকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসার বিদায় অনুষ্ঠানে দিয়ে আসি। সেখান থেকে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। পরে খবর পেয়ে থানায় এসে মেয়ের মুখে সব ঘটনা জেনেছি। আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো.সাইদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। মেয়েটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জেলা আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

    মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

    মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

    ভারতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ওলামা পরিষদ। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে জয়পুরহাট ওলামা পরিষদের আয়োজনে জেলা শহরের বিভিন্ন মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জয়পুরহাট ওলামা পরিষদের সভাপতি হাফেজ মাওলানা মো.আল-আমিন, সহসভাপতি আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক মো.রুহুল আমিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি বায়েজীদ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন জয়পুরহাট জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল ওযাদুদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রুহুল কুদ্দুস রুহী, ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা নাজমুল হাসান মাহমুদ, ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা নাজমুল হাসান মাহমুদসহ আরও অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

  • জয়পুুরহাট র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুইজন আটক

    জয়পুুরহাট র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুইজন আটক

    জয়পুুরহাট র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ দুইজন আটক

    র‌্যাব-৫ জয়পুুরহাট সিপিসি-৩ র‌্যাব ক্যাম্পের একটি অভিযানিক নওগাঁয় অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৩৬ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে নওগাঁ শহরের আলু পট্টি মোড় হতে ১০০ গজ দক্ষিণ স্বপ্ননীড় নামক বাসার সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। জয়পুুরহাট র‌্যাব-৫ ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আটককৃত দুই মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছে, কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মনপাড়া উপজেলার তেতাভুমি এলাকার আব্দুল ওহাবের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪৪) ও একই উপজেলার বড় দশিয়া গ্রামের ময়লন হোসেনের ছেলে ইসমাইল (৪০)। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জয়পুরহাট র‌্যাব-৫ ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক মেজর সানরিয়া চৌধুরী এবং সহকারী পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যাবের সদস্যরা বৃহস্পতিবার রাত ১ টার দিকে নওগাঁ শহরের আলু পট্টি মোড় হতে ১০০ গজ দক্ষিণ স্বপ্ননীড় নামক বাসার সামনে অভিযান চালায়। এসময় সাড়ে ৩৬ কেজি গাঁজাসহ ওই দুই মাদক ব্যবসায়ীদের হাতেনাতে আটক করে র‌্যাবের সদস্যরা। এসময় তাদের কাছে থাকা একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দ্রুত দুই মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবৎ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য গাঁজা অবৈধভাবে সংগ্রহ নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারীদের নিকট সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। তাদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুসারে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • পিআইও অফিসের উমেগার ও সরকারি স্কুল শিক্ষিকার বাড়িতে ত্রাণের ঢেউটিন

    পিআইও অফিসের উমেগার ও সরকারি স্কুল শিক্ষিকার বাড়িতে ত্রাণের ঢেউটিন

    পিআইও অফিসের উমেগার ও সরকারি স্কুল শিক্ষিকার বাড়িতে ত্রাণের ঢেউটিন

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে পিআইও অফিসের উমেগার ও আয়মাপুর সরকারি প্রাথমিক স্কুল শিক্ষিকা দম্পতির বাড়িতে ত্রাণের টিন থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার মিনিগাড়ী গ্রামের মোকসেদ আলী ও তার স্ত্রী ফরিদা খাতুনের বাড়িতে প্রায় ৪ ব্যান্ডিল ত্রাণের ঢেউটিন দিয়ে ঘরের ছাউনি ও সিমানা প্রাচির দেয়া হয়েছে। ক্ষেতলাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলছেন, মোকসেদ আলীর নামে চলতি অর্থ বছরে কোন ঢেউটিন দেয়া হয়নি। মোকসেদ পিআইও অফিসের বিল ভাউচারের কাজে নিয়োজিত আছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের মিনিগাড়ী গ্রামের মোকসেদ আলী প্রায় ২৬ বছর থেকে ক্ষেতলাল পিআইও অফিসে কর্মরত আছে। তার স্ত্রী ফরিদা খাতুন একই উপজেলার আয়মাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। পিআইও অফিসে কর্মরত থাকাবস্থায় সম্প্রতি মোকসেদ আলী ত্রাণের সরকারি (বিক্রির জন্য নয়) নতুন ঢেউটিন দিয়ে তার ঘরের ছাউনি ও বাড়ির সিমানা প্রাচির নির্মান করেছেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসির অভিযোগ, অনেক হত দরিদ্র মানুষ যারা এসব ত্রাণ পাওয়ার যোগ্য তারা পায়নি, অথচ পিআইও অফিসে কাজ করার সুবাদে কর্তাদের যোগসাজস ও স্বজনপ্রিতিতে টিন পেয়েছে মোকসেদ। অথচ তার বৌ করে সরকারি স্কুলে চাকুরী। আর আমরা যারা ক্ষতিগ্রস্থ দুঃস্থ ও হতদরিদ্র মানুষেরা দ্বারে দ্বারে ধরনা দিয়েও এসব পাইনা। কিছু ত্রাণের টিন বাড়ির কাজে লাগানোর কথা স্বীকার করে মোকসেদ বলেন, আমি পিআইও অফিসে ওমেগার হিসেবে মাষ্টাররোল বিল ভাউচারের কাজ সমন্বয় করি। মোকসেদের স্ত্রী ফরিদা খাতুন বলেন, আমি প্রাইমারি স্কুলে চাকুরী করি। ঝড়ে আমার ঘড়ের টিন উড়ে গেলে আমাকে টিন অনুদান দেয়া হয়। অপরদিকে, মোকসেদের ছেলে পিয়াদ নাসের বলেন, আমার আব্বু পিআইও অফিসে চাকুরী করে টিনগুলো সহায়তা পেয়েছে। ক্ষেতলাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রুহুল আমিন পাপন বলেন, মোকসেদের নামে ২০২০-২১ ইং অর্থ বছরে কোন টিন বরাদ্দ হয়নি। সে যদি কোন অপরাধ করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরও জানান, মোকসেদ পিআইও অফিসের কোন কর্মচারি নয়। সে আমার অফিসের বিল ভাউচারর কাজ করে। এ ব্যাপারে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক শরীফুল ইসলাম বলেন, ২০২০ সালে আম্পানের সময় এই ঢেউটিন গুলো দেয়া হয়েছে কিনা সেটা তদন্তের জন্য ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

  • জয়পুুরহাট র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ একজন আটক

    জয়পুুরহাট র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ একজন আটক

    জয়পুুরহাট র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ একজন আটক

    নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউনিয়নের চকতাহের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি ৬ শত গ্রাম গাঁজাসহ শ্রী সঞ্জয় সরকার (৩৮) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৫ এর জয়পুুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী শ্রী সঞ্জয় সরকার বদলগাছী উপজেলার জগোপাড়া গ্রামের মৃত. বিমল সরকারের ছেলে। র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা এবং কোম্পানী উপ-অধিনায়ক সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে, সোমবার বিকেলে নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউনিয়নের চকতাহের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি ৬ শত গ্রাম গাঁজাসহ শ্রী সঞ্জয় সরকারকে হাতেনাতে আটক করে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব আরও জানায়, আটকের পর র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক ব্যবসায়ী সঞ্জয় সরকার স্বীকার করেছে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য গাঁজা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকসেবী এবং মাদক কারবারীদের নিকট সরবরাহ করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বদলগাছী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুসারে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • জয়পুুরহাটে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    জয়পুুরহাটে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    জয়পুুরহাটে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ভীমপুর গ্রামে নিখোঁজের একদিন পর পুকুর থেকে হাসানুল ইসলাম হাসু (২৬) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত যুবক-হাসানুল ইসলাম হাসু পাঁচবিবি উপজেলার ভীমপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করে পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব নিহত হাসানুল ইসলাম হাসুর পরিবারের বরাৎ দিয়ে বলেন শনিবার সকালে সে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর বাড়িতে ফেরেননি। রবিবার সকালে হাসুর মরদেহটি একটি পুকুরে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ওসি আরো বলেন, কি কারণে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

  • রাজাকার পুত্রকে কর্মসূচী থেকে সরানোয় ক্ষেতলাল উপজেলা সভাপতির উপর হামলা

    রাজাকার পুত্রকে কর্মসূচী থেকে সরানোয় ক্ষেতলাল উপজেলা সভাপতির উপর হামলা

    রাজাকার পুত্রকে কর্মসূচী থেকে সরানোয় ক্ষেতলাল উপজেলা সভাপতির উপর হামলা

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ক্ষেতলাল প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আনোয়ারুজ্জামান তালুকদার নাদিমকে রাজাকার পুত্রের সমর্থকদের দ্বারা অতর্কিত হামলা ও লাঞ্চিত করার ঘটনা ঘটেছে। প্রাণ বাঁচাতে তিনি ইটাখোলা বাজারে পার্শবর্তী একটি ব্যবসায়ীক গদিঘরে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে রক্ষা পান। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৪ জুন শনিবার সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কটুক্তি ও হত্যার হুমকির প্রতিবাদে ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতির সময় ব্যানারে সামনে থাকা না থাকা নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য তাইফুল ইসলাম তালুকদার ক্ষেতলাল পৌরসভার কাউন্সিলর রাজাকার পুত্র জুলফিকার আলী চৌধুরী কে মিছিলের ব্যানারের সামনে থেকে সড়ে যেতে বলেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাক বিতন্ডা ও ধাক্কাধাক্কির সৃষ্টি হয়।

    পরে শান্তিপূর্ণ ভাবে বিক্ষোভ মিছিল শেষে জুলফিকার আলী চৌধুরীর সমর্থকরা ইটাখোলা বাজারে লাঠি সোটা নিয়ে অবস্থান করছিলেন। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুজ্জামান তালুকদার নাদিম তার কর্মী সমর্থকদের সাথে নিজ বাড়িতে যাওয়ার সময় ইটাখোলা বাজারে পথ রোধ করে সভাপতিকে মারপিটও ৫ টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। এমন অবস্থাতে প্রাণে রক্ষা পেতে নাদিম তালুকদার ইটাখোলা বাজারে একটি ব্যবসায়িক গদিঘরে আশ্রয় নেন রক্ষা পান। পরে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নাদিম তালুকদারকে উদ্ধার করে তার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেন। এ নিয়ে ক্ষেতলাল উপজেলাসহ জেলা জুড়ে সর্বত্র চলছে আলোচনা সমালোচনা। এবিষয়ে অভিযুক্ত রাজাকার পুত্র জুলফিকার আলী চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও বা তার কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। পরে সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সদস্য তাইফুল ইসলাম তালুকদার বলেন, তালিকা ভূক্ত রাজাকার পুত্র হওয়ায় তাকে ব্যানারের কাছ থেকে সড়ে যেতে বলেছি মাত্র। ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, মিছিলের প্রস্তুতির সময় আমি ও সভাপতি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম না। কিছু যদি হয়ে থাকে তা হলে আমাদের যাওয়ার আগে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুজ্জামান তালুকদার নাদিম বলেন, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বানিয়েছেন। আমি সভাপতি হওয়ার পূর্বে যে সব তালিকা ভূক্ত রাজাকার পরিবারের সন্তানরা দলীয় সুযোগ সুবিধা ভোগকরে আসছিল নতুন কমিটি আসার পর সে সব তালিকা ভূক্ত রাজাকার পরিবার বা তার সন্তানরা দলীয় সুযোগ সুবিধা নিতে পারবে না। তারই অংশ হিসেবে ক্ষেতলালে কুক্ষাত রাজাকার ময়েন উদ্দিনের পুত্র জুলফিকার আলী চৌধুরীকে ব্যানারের কাছ থেকে দুরে যেতে বলা হয়েছে।পরে আমি ও আমার দলীয় লোকজনসহ বাড়ী ফেরার পাথে কুক্ষাত রাজাকার পরিবারের সন্তানরা আমার উপর অর্তকিত হামলা চালিয়ে আমার লোকজনের ৫ টি মোটরসাইকেল ভাংচুর ও বেশ কয়েক জনকে আহত করেছে। ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ রওশন ইয়াজদানী বলেন, ইটাখোলা বাজারে সভাপতিকে নিয়ে একটি অনাকাংঙ্খিত পরিস্থিতির উপক্রম হলে থানা পুলিশ গিয়ে তা প্রতিহত করে।

  • জয়পুুরহাটে নাতির লাঠির আঘাতে দাদার মৃত্যু ॥ আটক-১

    জয়পুুরহাটে নাতির লাঠির আঘাতে দাদার মৃত্যু ॥ আটক-১

    জয়পুুরহাটে নাতির লাঠির আঘাতে দাদার মৃত্যু ॥ আটক-১

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে দুই সহোদরের ঝগড়া মিটাতে গিয়ে লাঠির আঘাতে দাদা (রিয়াজ উদ্দিন) এর মৃত্যু হয়েছে। নিহত রিয়াজ উদ্দিন (৫৮) ক্ষেতলাল পৌর এলাকার পাইকপাড়া গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে। বৃহস্পতিবার রাত ৩ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়া শহীদ মেডিকেল এ্যান্ড কলেজ (শজিম) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মে ক্ষেতলাল পৌর এলাকার পাইকপাড়া গ্রামের নেজাম উদ্দিনের ছেলে সাজু (৪০) ও বাবু (৩৮) দুই ভাইয়ের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে ঝগড়ার সৃষ্টি হলে চাচা রিয়াজ উদ্দিন মিটানোর জন্য এগিয়ে যায়। এমন সময় (রিয়াজ উদ্দিনের ভাতিজা) বাবুর ছেলে দেলোয়ারা হোসেন দিপু(১৯) ক্ষিপ্ত হয়ে দাদা রিয়াজ উদ্দিনের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে সে গুরুত্বর আহত হয়। পরে প্রতিবেশিরা আহত রিয়াজ উদ্দিনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার (২ জুন) রাতে তার মৃত্যু হয়। এবিষয়ে নিহতের স্ত্রী রাশেদা বেগম (৫৪) চার জনকে আসামী করে ক্ষেতলাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। আসামীরা হলেন, একই গ্রামের নেজাম উদ্দিনের ছেলে বাবু ও তার স্ত্রী দেলোয়ারা এবং বাবুর দুই ছেলে দেলোয়ার হোসেন দিপু ও তপু। এবিষয়ে ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রওশন ইয়াজদানী বলেন, এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামীদের মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। পলাতক তিন আসামীকে আটকের জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

  • জয়পুরহাটে চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে শিশু ধর্ষণ ॥ ধর্ষক আটক

    জয়পুরহাটে চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে শিশু ধর্ষণ ॥ ধর্ষক আটক

    জয়পুরহাটে চেতনানাশক ঔষধ খাইয়ে শিশু ধর্ষণ ॥ ধর্ষক আটক

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে কোল্ড ডিংসের সাথে চেতনানাশক ঔষধ মিশিয়ে বাবা-মেয়েকে খাইয়ে ১৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে হায়দার আলী (৫০) নামে এক লম্পট। বুধবার রাতে উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের গোড়না গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পরে গ্রামবাসী কৌশলে ধর্ষক হায়দার আলীকে আটক করে পুলিশে দেয়। সে উপজেলার বিনশিরা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের পুত্র। স্থানীরা জানায়, বুধবার ঐ শিশুটির মা ও দাদী উপজেলার ছাতিনালী গ্রামে বিয়ের দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ীতে বাবা ও মেয়ে একাই থাকে। সুযোগ বুঝে রাতে লম্পট হায়দার আলী তাদের বাড়ীতে গিয়ে প্রাণ আপের বোতলে চেতনানাশক ঔষধ মিশিয়ে কৌশলে তাকে ও তার বাবাকে খাওয়াই। এর কিছুক্ষণ পড়েই বাবা মেয়ে দুজনেই অচেতন হয়ে পড়ে। আর তখন লম্পট হায়দার আলী মেয়েটির উপর যৌন নির্যাতন চালায়। বৃহস্পতিবার সকাণে বাড়ীর কারোও কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশিরা গিয়ে দেখেন একটি আলাদা কক্ষে মেয়েটি বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে আছে ও তার বাবা আরেক ঘরে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রামবাসী কৌশলে লম্পট হায়দার আলীকে ডেকে আটকিয়ে রেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষককে থানায় নিয়ে আছে। এদিকে, পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়ে দেয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এবিষয়ে পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব জানান, এঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।

  • জয়পুরহাটে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

    জয়পুরহাটে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

    জয়পুরহাটে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় বালু বোঝাই ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সেতু সাহা (২২) নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার জয়পুরহাট-বগুড়া সড়কের বটতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রওশন ইয়াজদানী। নিহত সেতু সাহা বগুড়ার আজিজুল হক কলেজের রসায়ন বিভগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বগুড়ার ধুনট উপজেলার অফিসার পাড়া গ্রামের স্বপন সাহার ছেলে বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, সকাল সকাল সাড়ে দশটার দিকে দু’টি মোটরসাইকেলযোগে চারজন জয়পুরহাটে আসার পথে বটতলী নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালু বোঝাই ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ঘটনাস্থলেই সেতুর মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন ইয়াজদানী জানান, এ ঘটনায় একজন শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ট্রাকসহ চালক রাজু আলীকে (২২) আটক করা হয়েছে।