Category: কৃষি

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের শপথ গ্রহন ও সংবর্ধণা অনুষ্ঠান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের শপথ গ্রহন ও সংবর্ধণা অনুষ্ঠান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের শপথ গ্রহন ও সংবর্ধণা অনুষ্ঠান

    বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ইউনিটের ২০২৪-২০২৬ মেয়াদের নবগঠিত পূর্নাঙ্গ কার্য-নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় শপথ গ্রহন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়েছে। শনিবার বিকেলে শহরের আলাউদ্দীন রেষ্টুরেন্টে নির্বাচিত সভাপতিসহ সকল সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ্যাড. মোঃ গোলাম মোস্তফা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য এ্যাড. মোঃ আবু হাসিব ও এ্যাড. মাহমুদুল ইসলাম কনক। ২০২৪- ২০২৬ মেয়াদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না হওয়ায় পুণঃ টানা ৩ বাবের মতো সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট সার ব্যবসায়ী ও নবাব অটো রাইস এন্ড ফিড মিলস্ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আকবর হোসেন।

    শপথ গ্রহন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ইউনিটের আলহাজ্ব মোঃ আকবর হোসেন।

    সংগঠনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহঃ সভাপতি কাজী মোঃ সেতাউর রহমান। শপথ গ্রহন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহঃ সভাপতি মোঃ দানিউল হক, সহঃ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাকিম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আশরাফুল হক বিশ্বাস, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নজরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম,

    প্রচার সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য মোঃ আব্দুস শুকুর, মোঃ মজিবর রহমান, মোঃ মোয়াজুল ইসলাম, মোঃ নৈমুদ্দিন বিশ্বাস, মোঃ ইয়াহিয়া কাবির, মোঃ আল-আমিন, মোঃ হুমায়ন কবির, মোঃ রাফিজুল হক। শপথ গ্রহন শেষে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনে প্রয়াত সদস্যদের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী মোঃ সেতাউর রহমান।

  • অতিরিক্ত আম নেওয়া বন্ধের দাবিতে কৃষি মন্ত্রীর কাছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষীদের আবেদন

    অতিরিক্ত আম নেওয়া বন্ধের দাবিতে কৃষি মন্ত্রীর কাছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষীদের আবেদন

    অতিরিক্ত আম নেওয়া বন্ধের দাবিতে কৃষি মন্ত্রীর কাছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষীদের আবেদন

    সারা দেশে সব আম বাজার ও আড়তে অতিরিক্ত আম (৪০-৪৫ স্থলে ৪৬-৫৪ কেজি) নেওয়া বন্ধের দাবিতে কৃষি মন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষীরা। আম চাষীদের আবেদন নিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন কৃষি মন্ত্রী। আবেদন সুত্রে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় আম বাজার ও আড়তে অতিরিক্ত আমের ওজন নেয়া দিন দিন বেড়েই চলেছে। কয়েক বছর থেকে এক মন আমে ৪৬- ৫৪ কেজিতে এক মন হিসেবে বাধ্য হচ্ছেন আমচাষীরা। তবে এতে সুবিধা পাননা ভোক্তারা। আমচাষীদের জিম্মি করে এর সুফল ভোগ করেন আম আড়তদার, ব্যাপারী সিন্ডিকেট। এতে কয়েক বছর থেকে জিম্মি হয়ে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ রাজশাহীর দশ হাজার আমচাষী ও উৎপাদনকারী। প্রেক্ষিতে গত বছর ১০ আগস্ট তৎকালীন কৃষি মন্ত্রীকে অতিরিক্ত আম নেওয়া বন্ধে লিখিত আবেদন দিয়েও ফল পাইনি আমচাষীরা।
    ১৭ মে (শুক্রবার) রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার কুমুরপুর এলাকায় ‘এক্সচেঞ্জ অফ ফার্মার ভিউ’ প্রোগ্রাম শেষে কৃষিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ আব্দুস শহীদ এর কাছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষি ও উদ্যোক্তা আহসান হাবিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অতিরিক্ত আম নেওয়া বন্ধে লিখিত আবেদনপত্র প্রদান করেন। লিখিত আবেদনর প্রেক্ষীতে কৃষিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ আব্দুস শহীদ জানান, আম চাষীদের আবেদনটি দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আম চাষি ও আম উদ্যোক্তা আতিকুর রহমান মিলন, এনামুল হক স্বপন, শামসুজ্জামান, এম এ মান্নান, আবু নূহসহ অন্যরা। ম্যাংগো ফাউন্ডেশন এর সদস্য সচিব আহসান হাবিব জানান, আমরা কয়েক বছর থেকে আম আড়তদার ও বেপারী সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছি। তিনটি জেলার প্রায় ৮০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত আম দিতে বাধ্য হন আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। এই অবস্থা থেকে পরিত্রানের জন্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। যেন এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পায় জেলার আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। লাভবান হবে জেলা আম চাষীরা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম উৎপাদন-প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে কর্মশালা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম উৎপাদন-প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে কর্মশালা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আম উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ পণ্য এবং তাজা আম ও এর পণ্য রপ্তানীর সুযোগ বৃদ্ধি বিষয়ে কর্মশালা হয়েছে। সোমবার (২৯ এপ্রিল) নাচোল পৌরসভা সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা হয়। বাংলাদেশ ম্যাংগো প্রডিউসার মার্চেন্টস এ্যাসোসিয়েশন এর উদ্যোগে এবং বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এর সার্বিক সহযোগিতায় দিনব্যাপী “এঅচ ও ঐঅঈঈচ এর মাধ্যমে আম উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ পণ্য এবং তাজা আম ও এর পণ্য রপ্তানীর সুযোগ বৃদ্ধি সম্পর্কে কর্মশালা বিএমপিএমএ এর সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মোঃ শুকুরুদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন নাচোল পৌরসভার মেয়র মোঃ আব্দুর রশিদ ঝালু। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ম্যাংগো প্রডিউসার মার্চেন্ট এ্যাসোসিয়েশন এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কোরাইশী মিলু। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ম্যাংগো প্রডিউসার মার্চেন্ট এ্যাসোসিয়েশন এর দপ্তর সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম এবং ইউরোপের দেশ (সুইডেন) আম রপ্তানী কারক মোঃ বদিউজ্জামান। প্রশিক্ষণ কর্মশালার আলোচক হিসাবে ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার বঙ্গবন্ধু লাইভ ম্যাংগো মিউজিয়ামের পরিচালক ড. মোঃ জহুরুল ইসলাম। কর্মশালায় মানব দেহের জন্য নিরাপদ কেমিক্যাল মুক্ত আম উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করণ, আমের রোগ-পোকা দমন ও পরিচর্যার মাধ্যমে ফলন বৃদ্ধি এবং আম ও আমজাত পণ্য রপ্তানীর সুযোগ বৃদ্ধির করণের অঙ্গিকার ব্যাক্ত করেন উপস্থিত ৭০ জন আম চাষী ও ব্যবসায়ীবৃন্দ। উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সর্বস্তরের আম চাষী ও ব্যবসায়ী বৃন্দ ছাড়াও উপজেলার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নওগাঁয় তীব্র তাপপ্রবাহে বোরো আবাদে হিটশকের শঙ্কা

    নওগাঁয় তীব্র তাপপ্রবাহে বোরো আবাদে হিটশকের শঙ্কা

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে মাঠে মাঠে এখন বোরো ধানের শীষ সোনালি রং ধারণ করতে শুরু করেছে। সপ্তাখানেক পর থেকে কৃষকেরা তাদের রোপিত বোরো আবাদ ঘরে তুলতে শুরু করবে। ঠিক এমনি সময় বৈশাখের তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে মাঠের ফসল। চলতি মৌসুমে উপজেলায় বোরো আবাদের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ। কিন্তু হঠাৎ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়ায় হিটশকে মাঠের বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষক। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, অধিকাংশ এলাকায় ধান পেকে ওঠায় তাপমাত্রা বাড়লেও ধানের তেমন কোনো ক্ষতির শঙ্কা নেই। ক্ষতি থেকে ধান রক্ষার জন্য বোরো ধানের জমিতে পর্যাপ্ত পানি ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ। ধানের শীষে দানা শক্ত না হওয়া পর্যন্ত জমিতে অবশ্যই দু-তিন ইঞ্চি দাঁড়ানো পানি রাখতে হবে বলে কৃষি বিভাগের থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২২ হাজার ৫৮৫ হেক্টর। যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে মোট বোরো আবাদ চাষাবাদ হয়েছে ২৩ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে। উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষক আরিফুল ইসলাম বলেন, এবছর শুরুতেই বোরো আবাদের জন্য আবহাওয়া অনেকটা অনুকূলে ছিল। যে কারণে কোনো ঝুটঝামেলা না থাকলে বোরো আবাদের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শেষ সময়ে এ তাপমাত্রা আমাদের চিন্তায় ফেলেছে। হিটশকে বোরো ধানের ক্ষতি হলে আমাদের আর কোনো উপায় থাকবে না।
    আরেক কৃষক রানা বাবু বলেন, আমার ধান ক্ষেতের সবেমাত্র শীষ বের হয়েছে। এ বিরাজমান আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে তিনি খুবই শঙ্কিত। কিছু ধানের শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে খরার কারণে। এত তাপমাত্রা থাকলে বোরো ধানে হিটশকের শঙ্কা থেকেই যায়। এ অবস্থায় জমিতে সব সময় পানি রাখতে হবে এবং কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কামরুল হাসান বলেন, বিরাজমান তাপমাত্রা ধানসহ অন্যান্য ফসলের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে নিয়ামতপুরে বিস্তীর্ণ মাঠে যে বোরো আবাদ রয়েছে, তা অধিকাংশ পেকে উঠতে শুরু করেছে। ফলে এসব ধানের হিটশকে ক্ষতি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেসব এলাকায় বোরো ধান এখনও পেকে ওঠেনি, সেসব এলাকার কৃষকদের ক্ষেতে বেশি বেশি সেচ দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন

    ‘প্রাণী সম্পদে ভরবো দেশ-গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’ স্লোগানে প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলা প্রণীসম্পদ দপ্তর ক্যাম্পাস চত্বরে উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে এবং প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে (ভার্চুয়ালী) প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ২০২৪ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ তাছমিনা খাতুন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তসিকুল ইসলাম তসি, জেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ গোলাম মোস্তফা, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিন্টু রহমান, কৃতিম প্রজোজন উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ এমরান আলী।

    এসময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব রুহুল আমিন, নামোশংকরবাটী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল জলিল, বাবু পল্ট্রি ফিড এর স্বত্বাধিকারী রাকিবুল ইসলাম বাবুসহ জেলার বিশিস্ট জনেরাসহ প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী মেলায় ৪২ টি স্টল রয়েছে।

    প্রদর্শনীতে দেশের বিভিন্ন উন্নত জাতের গরু, মহিষ, ছাগল-ভেড়া, দুম্বা, ঘোড়া, কবুতর, খরগোশ, কুকুর, বিড়াল, হাঁস-মুরগিসহ গৃহপালিত নানা ধরনের প্রাণির দেখতে ভীড় জমায় পশু প্রেমীরা। প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ এবং প্রদর্শনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে, প্রাণিসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি করা, দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার সৃষ্টি করা, ক্ষুদ্র খামারী ও উদ্যোক্তাদের প্রতিকুল পরিবেশ মোকাবেলায় সক্ষমতা সৃষ্টি, * বিজ্ঞান ভিত্তিক লালন-পালন কৌশল অবহিত করা, উন্নত জাতের পশু পাখি পালনে আধুনিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা এবং জনসাধারণের জন্য নিরাপদ প্রাণীজ আমিষ সরবরাহ নিশ্চিত করা।

  • নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উদ্বোধন

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উদ্বোধন

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উদ্বোধন

    ‘প্রাণিসম্পদে ভরবো দেশ-গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে নওগাঁর নিয়ামতপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের বাস্তবায়নে প্রাণিসম্পদ প্রর্দশনী উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল মাঠ প্রাঙ্গনে প্রদর্শনী উদ্বোধন করা হয়।

    নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ মোরশেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাচুর্য়ালী যুক্ত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল লতিফ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপম দাস, থানার অফিসার ইনর্চাজ মাইদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি অফিসার কামরুল হাসান, নওগাঁ জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়ামতপুর জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোসাদ্দেকুর রহমান, শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার জাকির হোসেন প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণের সেবায় জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার। দেশে প্রাণিসম্পদ বাড়ানোর লক্ষে বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছে। আমাদের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে স্বল্প সুদে লোনের ব্যবস্থা করেছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের যারা কর্মকর্তা আছেন, তাদের ছোট-বড় সব খামারিদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে হবে। কোনো খামারি যাতে প্রাণীর চিকিৎসা বা অন্যকোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী।
    প্রর্শনীতে অংশ নেওয়া ৪৫টি স্টলে দেশী-বিদেশী ছাগল, গরু, ঘোড়া, কবুতর, মোরগ, রাজহাঁস, পশুপাখি এবং দুগ্ধজাত খাবার প্রদর্শন করা হয়। শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে খামারী উদ্যোক্তার মাঝে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

  • ভোলাহাটে প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন

    ভোলাহাটে প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন

    ভোলাহাটে প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে, প্রাণী সম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প’র (এলডিডিপি) সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অ:দা) মীর আল মুনসুর সোয়াইবের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ রাব্বুল হোসেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার আশিস কুমার দেবনাথ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সুলতান আলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রতন কুমার রায় নায়েক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম কবিরাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার মোঃ তৈয়মুর রহমান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ। প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনীতে বিভিন্ন জাতের দেশি-বিদেশি প্রাণী প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীতে মোট ২২ টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

  • গোমস্তাপুরে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

    গোমস্তাপুরে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

    গোমস্তাপুরে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়েছে। ‘প্রাণিসম্পদে ভরবো দেশ-গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যকে নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে রহনপুর ডাকবাংলো চত্বরে ৭দিনব্যাপী এই আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত আনজুম অনন্যার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক সারওয়ার জাহান সুমন সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কাউসার আলী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রহনপুর পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান খাঁন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইসলাম সোর্নাদী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার, গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজম, উদ্যোক্তা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুসলেহ্ উদ্দিন সরকারসহ অন্যরা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সুধী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, উদ্যোক্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের খামারী মালিকসহ স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা। ৭ দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী মেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির গরু-ছাগল, হাঁস- মুরগি, পশু-পাখি, বিভিন্ন প্রজাতির ঘাসসহ বিভিন্ন বিষয়ের ২৬ টি স্টল রয়েছে।

  • আম চাষীদের নিয়ে চাঁপাই এগ্রোর মতবিনিময় সভা

    আম চাষীদের নিয়ে চাঁপাই এগ্রোর মতবিনিময় সভা

    আম চাষীদের নিয়ে চাঁপাই এগ্রোর মতবিনিময় সভা

    চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড আয়োজনে মহারাজপুরে শনিবার দুপুরে চাঁপাই এগ্রোর হল রুমে ফ্রুট প্রটেকটিং পেপার ব্যাগ বিপণনকারী ডিলার ও ব্যবহারকারী প্রান্ত্রিক চাষিগণদের নিয়ে মতবিনিময় সভা হয়েছে।

    চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ শফিকুল আলমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা ও কৃষি কর্মশলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মোসাঃ জেসমিন আখতার। বিষেশ অতিথি ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুল ইসলাম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন লাওঘাট্টা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (আম চাষী) মোঃ আব্দুর রকিব, মনাকষা এলাকার আমচাষী ডাঃ মোঃ ইব্রাহিম খলিল, শিবগঞ্জ সোনামসজিদ গাজিপুরের আমচাষী মোঃ মাহিদুর রহমান ও মোঃ বাবুল ইসলামসহ শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুর, ধাইনগর, রানীহাটি, কানসাট কলার দিয়াড় ও গোমস্তাপুর উপজেলা এলাকার আম চাষীরা উপস্থিত ছিলেন মতবিনিময় সভা ও কর্মশলা অনুষ্ঠানে। উপস্থিত আমচাষীরা তাদের আম পরিচর্যা ও রোগবালাই নিয়ে আলোচনা করেন।

  • ভোলাহাটে রঙিন ফুলকপির চাষাবাদ শুরু ॥ লাভবান কৃষক

    ভোলাহাটে রঙিন ফুলকপির চাষাবাদ শুরু ॥ লাভবান কৃষক

    ভোলাহাটে রঙিন ফুলকপির চাষাবাদ শুরু ॥ লাভবান কৃষক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে কৃষিতে নতুন রুপে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ রঙিন ফুলকপির চাষাবাদ শুরু হয়েছে। লাভবান হচ্ছেন কৃষকরাও। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমবারের মতো রঙিন ফুলকপির চাষ করে সফলতা পেয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। ভালো ফলনের পাশাপাশি ফুলকপির ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে। সাদা ফুলকপির চাইতে রঙিন ফুলকপি চাষাবাদে কম সময় লাগে বলে কৃষকরা এতে উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠছে। রঙিন ফুলকপি আর সাদা ফুলকপির মধ্যে পার্থক্য শুধু বীজে। যুগ যুগ ধরে বাজারে প্রচলিত সাদা ফুলকপির পাশাপাশি নতুনমাত্রা যোগ করেছে রঙিন ফুলকপি। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সাল থেকে বাংলাদেশে রঙিন ফুলকপি চাষ শুরু হয়েছে। তবে ভোলাহাটে এবারই প্রথম চাষ হয়েছে রঙিন ফুলকপির চাষ। আধুনিক প্রযুক্তিতে কৃষি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের সহযোগীতায় পরীক্ষামূলকভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে দলদলী ইউনিয়নের খড়কপুর গ্রামে প্রথমবার এ রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে। চারা রোপণের পর থেকে প্রায় দুই মাসের (৫৫ দিনের) মধ্যে জমি থেকে ফসল তোলা যাচ্ছে। এই ফুলকপি চাষে রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হচ্ছে না। এই রঙিন ফুলকপির সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন কৃষকসহ উৎসুক সাধারণ মানুষ। তাদের কেউ ফুলকপি কিনছেন, কেউ চাষের বিষয়ে পরামর্শ নিচ্ছেন। এই রঙিন ফুলকপি চীন এবং ইউরোপে সালাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    দলদলী ইউনিয়নের খড়কপুর গ্রামের কৃষক মোঃ মাইনুল ইসলাম বলেন, আমি প্রথম কৃষক এই উপজেলায় কৃষি অফিসের সহযোগিতায় রঙ্গিন ফুলকপির চাষ করেছি। শুরুর প্রথম দিকে আমি এ রঙিন ফুলকপি চাষ করে বেশ চিন্তার মধ্যে ছিলাম। কিন্তু এর ফলন দেখে আমি খুব আশাবাদী যে, এ রঙিন ফুলকপি থেকে বেশ মুনাফা অর্জন করতে পারব। আগামীতে কৃষি অফিসের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এ রঙিন ফুলকপির চাষ আরো বেশী করে করব।
    একই গ্রামের আরেক কৃষক মসিউর রহমান বলেন, এ রঙিন ফুলকপির চাষপদ্ধতি সম্পর্কে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করে আমিও আবাদ করেছি। উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতা পেলে আগামীতে আমিও এই রঙিন ফুলকপির চাষ বৃদ্ধি করব। এছাড়া উপজেলার আরও দু’একটা প্লট সহ চলতি অর্থবছরে পরীক্ষামূলকভাবে মোট ৩ বিঘা জমিতে এ রঙিন ফুলকপির আবাদ হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। এই রঙের সবজিতে অন্য রঙের সবজির তুলনায় পঁচিশ গুণ বেশি ভিটামিন ‘এ’ উপাদান থাকে।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সুলতান আলী বলেন, যুগ যুগ ধরে বাজারে প্রচলিত সাদা ফুলকপির পাশাপাশি সারাদেশের ন্যায় ভোলাহাট উপজেলাতেও নতুনমাত্রা যোগ করেছে রঙিন ফুলকপি।সবজিটির নানা রঙের জাত; যার পুষ্টিগুণ ও স্বাদ তুলনামূলক বেশি। এ ছাড়া দাম ও লাভ ভালো হওয়ায় ‘ইউরোপে সালাদ’ হিসেবে ব্যবহৃত সবজিটি আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা। বাজারে নতুন আসা কমলা রংয়ের ফুলকপিতে রয়েছে বিটা কেরোটিন; যা শরীরে ভিটামিন ‘এ’-তে পরিণত হয়। আর রক্তবর্ণ ফুলকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্থোসাইয়ানিন; যা শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া ভিটামিন ‘সি’-এর প্রাচুর্যসহ সাধারণ ফুলকপির (সাদা ফুলকপি) সব পুষ্টিগুণ উপাদানই রয়েছে। এবছর আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প ও কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় ভোলাহাট উপজেলায় প্রথমবারের মত ৩ বিঘা জমিতে উচ্চমূল্যের ফসল রঙিন ফুলকপি, ব্রোকোলি ও রেড ক্যাবেজ চাষ হয়েছে। আমরা সফল হয়েছি। দাম ভাল থাকায় কৃষক লাভবান হবে বলে আশা করছি এবং সামনের বছর আরো বেশি পরিমানে আবাদ হবে।
    কৃষিতে বৈচিত্র্য আসছে, কৃষক উচ্চ ফলনশীল নতুন জাত ও প্রযুক্তি গ্রহন করছে। ফলে কৃষি একটি বানিজ্যিক ও লাভজনক পেশায় পরিনত হচ্ছে।
    এটি স্থানীয় মাটি ও আবহাওয়ায় চাষে কতটা উপযোগী বা কেমন ফলন হয় আমরা দেখতে চেয়েছি। আমরা সফল হয়েছি বলে জানান। তিনি আরো জানান, অস্ট্রেলিয়া ও চীনসহ অন্যান্য দেশে এ জাতের ফুলকপি সালাদ হিসেবে খাওয়া হয়। সাদা ফুলকপির চেয়ে রঙিন ফুলকপিতে পুষ্টিগুণ বেশি। দেখতেও সুন্দর। তার মতে, সাধারণ ফুলকপি চাষের যে পদ্ধতি ওই একই পদ্ধতিতে রঙিন ফুলকপি চাষ হয়। খরচ ও পরিশ্রম একই। শুধু জৈব সার ব্যবহার করেই এই ফুলকপি চাষ করা যায়।
    এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ রাশেদুল ইসলাম জানান, প্রথমবার এ উপজেলায় রঙিন ফুলকপির চাষ করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে ৩ বিঘা জমিতে এ রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে। এটি একটি পরিবেশবান্ধব ফসল। আশা করি আগামীতে এ রঙিন ফুলকপি চাষে কৃষক লাভবান হবে এবং ভালো মুনাফা অর্জন করবে। কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন সর্বদা পাশে থাকবে আর এই সাফল্য নিসন্দেহে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ভোলাহাটের। এই সাফল্যের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রসংশারও দাবিদার। তিনি পাশাপাশি ভোলাহাটে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলনেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন।