Category: আইন আদালত

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই মাদক কারবারির যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই মাদক কারবারির যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই মাদক কারবারির যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমিরুল ইসলাম (৩৩) ও মো. দুলাল (৩৮) নামে দু’জনকে যাবজজ্জীবন কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র দায়রা জজ মোহা: আদীব আলী আসামীদের উপস্থিতিতে এই আদেশ দেন। আমিরুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষীনারায়নপুর গাজিপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে ও দুলাল দশরশিয়া গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে। একই মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশীটভূক্ত আসামী সদর উপজেলার সাদিকুল ইসলাম ও নাসির উদ্দিনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাজমুল আজম জানান, ২০২০ সালের ৪ জুন ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের চর ইসলামাবাদ গ্রামের পাকা সড়কের উপর র‌্যাবের অভিযানে ১ কেজি ৯০০ গ্রাম হেরোইনসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয় আমিরুল ও দুলাল। অভিযানকালে সাদিকুল ও নাসির পালিয়ে যায়। পরে সাদিকুল গ্রেপ্তার হয়। এ ঘটনায় ওইদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় গ্রেপ্তার ও পলাতক ৪ জনের নামে মামলা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ র‌্যাব ক্যাম্পের তৎকালীন ডিএডি এনতাজুল হক। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ র‌্যাব ক্যাম্পের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক তারিফুল ইসলাম ওই ৪ জনকে অভিযুক্ত করে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

  • জয়পুরহাটে মিল শ্রমিক হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

    জয়পুরহাটে মিল শ্রমিক হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

    জয়পুরহাটে মিল শ্রমিক হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

    জয়পুরহাটে মিল শ্রমিক মুনছুর রহমান হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রোববার দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দীন এ রায় দেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট আদালতের সরকারি কৌসুলি এ্যাড. নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল(পিপি)।
    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল প্রধান পাঁচবিবি উপজেলার গণেশপুর গ্রামের জমির উদ্দীন প্রধানের ছেলে। তবে তিনি পলাতক রয়েছেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেলে পাঁচবিবি উপজেলার গণেশপুর গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে মুনছুরকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান একই গ্রামের সোহেল। সেদিন দুজন রিকশায় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান এবং সন্ধ্যার পর কেরামবোডও খেলেন। পরে রাত ৯টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পনা মোতাবেক সোহেল মুনছুরের বুকের ফুসফুস বরাবর ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয়রা মুনছুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে সে মারা যায়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা হেলাল উদ্দিন বাদি হয়ে পরের দিন পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত এ রায় দেন।

  • নাঙ্গলকোটে লেখকদের সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    নাঙ্গলকোটে লেখকদের সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    নাঙ্গলকোটে লেখকদের সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার লেখক-সাংবাদিকদের সংগঠন নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ‘সাপ্তাহিক সাহিত্য আড্ডা’ শনিবার (২৯.০৭.২৩) বিকেল ৩ টা ৩০ মিনিটে নাঙ্গলকোট বাজারের নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সাহিত্য আড্ডার প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন-কবিও শিক্ষক মো: তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস ঐতিহ্যের নগরী লাকসাম সাহিত্য সংস্কৃতির সূতিকাগারও হিসেবে পরিচিত। সেই লাকসাম প্রায় দেড় শত বছর ধরে নবাব ফয়জুন্নেছা,ভাষাসৈনিক আবদুল জলিল,আবুল খায়ের মোসলেহ উদ্দিন,সিরাজুল ইসলাম রাহী মিনু, নুরুল হক নেভী, করুন কুমার দেব রায়, জিন্নতের রহমান, এস এম হেদায়েত, সায়েম মাহবুব, কবি এস এম আবুল বাশার এসেছেন ও এই অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করে সাহিত্যকে উর্বর করে দিয়ে গেছেন। এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও স্থানীয় ও দেশের সকল সাহিত্য-সংস্কৃতিমনাকে নাঙ্গলকোট ব্যাংক রোডের সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে সাহিত্য আড্ডায় এসে সাপ্তাহিক শনিবার বিকেলে এক ঘন্টা করে বিনোদন (পেতে-নিতে) গ্রহণ করতে আহবান জানাচ্ছি।’ সাহিত্য আড্ডায় কবি শামসুর রাহমানের ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতা আবৃত্তি করেন এডভোকেট ওমর ফারুক আল নিজামী। ‘সাধারণ মানুষের কবি সায়েম মাহবুব’ নিবন্ধ পাঠ করেন কবি ও কলামিস্ট আজিম উল্যাহ হানিফ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমনা মো: কলিম উল্যাহ, মুহিবুল ইসলাম, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন আবু ছালেহ মাসুম।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি মাদ্রাসার ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী তিন শিশু শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় ওই মাদ্রাসার শিক্ষক মো: সুয়াইবুর রহমান (৫৪) কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও পাঁচ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইবুনাল। বুধবার বিকেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার (জেলা ও দায়রা জজ) একমাত্র আসামীর উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। দন্ডিত সুয়াইবুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট মিলিক(কলকলিয়া) এলাকার মৃত শমসের আলীর ছেলে। মামলার এজাহার ও আদালত সূত্র এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (বিশেষ পি.পি) এনামুল হক জানান, ২০২২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী রাতে শিবগঞ্জের কানসাট বাজার এলাকার একটি আবাসিক মাদ্রাসায় মাদ্রাসার শিক্ষক ও পরিচালক শুয়াইবুর রহমান মারধরের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তারই মাদ্রাসার ৯ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে। পরের দিন ছাত্রদের নিকট ঘটনাটি জানতে পেরে স্থানীয়রা ওই শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী ওই শিশুর মামা বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় ওই শিক্ষককে একমাত্র আসামী করে মামলা করেন। মামলার এজাহারে সূনির্দিষ্ট আরও ২ জন সহ আরও ৮/১০ শিশু শিক্ষার্থীকে ওই শিক্ষক একই কায়দায় ধর্ষণ করেছেন মর্মে অভিযোগ করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) ও শিবগঞ্জ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক(এসআই) আব্দুল বাসির একমাত্র আসামী সূইায়বুরকে অভিযুক্ত করে ২০২২ সালের ১২ মার্চ আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। ১১ জনের সাক্ষ্য, প্রমাণ ও শুনানী শেষে ট্রাইবুনাল সুয়াইবুর রহমানকে দোষি সাব্যস্ত করে দন্ডাদেশ ঘোষণা করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ বছরের শিশু মাসরুফাকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলায় তার নানার প্রতিবেশী আব্দুল খালেক (৪২) কে আমৃত্যু সশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ রবিউল ইসলাম আসামীর উপস্থি’তিতে রায় ঘোষণা করেন। মাসরুফা শিবগঞ্জের সাবেক লাভাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাইয়ের মেয়ে। সে সদর উপজেলার কুথনিপাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমানের নাতনি। খালেক কুথনিপাড়া গ্রামেরই মৃত ওসমান আলীর ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, মায়ের সাথে নানা জিয়াউরের বাড়ি যায় মাসরুফা। এর পর ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে নানাবাড়ির সামনে শিশুদের সাথে খেলার সময় নিখোঁজ হয় সে। তবে ওইদিন আর তার খোঁজ মেলেনি। পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর সকালে নানার প্রতিবেশি কামরুলের বাড়ির সামনে মাসরুফার লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওইদিন সদর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে মামলা করে শিশুর পিতা।
    মামলার তদন্তে ও আসামীর ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে জানা যায়, পুলিশের তদন্তে প্রাপ্ত আসামী নানার অপর প্রতিবেশী খালেক নানা জিয়াউর ও নানী এমেলির সাথে পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁদের নাতনি মাসরুফাকে একা পেয়ে কৌশলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়ি ফাঁকা পেয়ে সে মাসরুফাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির গোয়ালঘরে লুকিয়ে রাখে। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়লে রাতে সে মরদেহ বের করে অপর প্রতিবেশী কামরুলের বাড়ির সামনে ফেলে রাখে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর থানার পরিদর্শক কবির হোসেন ২০১৯ সালের ২২ জানুয়ারী খালেককে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় মিলন (২৬) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে সিনিয়র দায়রা জজ মোহা: আদীব আলী আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করেন। মিলন রাজশাহীর তানোর উপজেলার রাধাইড় শিবরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের শাহালালের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) নাজমুল আজম বলেন, ২০২২ সালের ২ জুন সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের রাধুনীডাঙ্গা গ্রামে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হন মিলন। এ ব্যাপারে ওই দিন সদর থানায় গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মশিউর রহমান বাদী হয়ে মিলনকে আসামী করে মামলা করেন। ২০২২ সালের ২৯ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অনুপ কুমার সরকার মিলনকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

  • অস্ত্র মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবকের যাবজ্জীবন

    অস্ত্র মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবকের যাবজ্জীবন

    অস্ত্র মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবকের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র মামলায় রাজিব কুমার মজুমদার (৩৫) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই মামলায় অন্য আরেক ধারায় আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। রবিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোঃ রবিউল ইসলাম আসামির উপ¯ি’তিতে এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন। শ্রী রাজিব কুমার মজুমদার নামে দণ্ডিত ব্যক্তি জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার কামারপাড়ার মৃত ননী গোপালের ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিকেলে জেলার শিবগঞ্জের মোবারকপুর ইউনিয়নের টোলবাড়ী এলাকায় একটি আম বাগানে অভিযান চালিয়ে রাজিব কুমার মজুমদারকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৫। এসময় তার কাছ থেকে ৩টি বিদেশি পিস্তল, ৫টি ম্যাগজিন, ১০ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। ঘটনার দিনই র‌্যাবের এসআই সেলিনা ইয়াসমিন মিতা বাদি হয়ে শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শিবগঞ্জ থানার এসআই ইকবাল হোসেন রাজিব কুমার মজুমদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার দীর্ঘ শুনানী ও স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন।

  • প্রতারণার মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে রেজা-বিউটির ১০ বছরের কারাদণ্ড

    প্রতারণার মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে রেজা-বিউটির ১০ বছরের কারাদণ্ড

    প্রতারণার মামলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে রেজা-বিউটির ১০ বছরের কারাদণ্ড

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থ সহায়তা দেয়ার নামে প্রতারণার আলোচিত দুটি মামলার ঘোষণা করা হয়েছে। দুটি মামলার রায়ে প্রতারক সিন্ডিকেটের প্রধান রেজাউল ইসলাম রেজা ও বিউটি খাতুনকে ৫ বছর করে মোট ১০ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ মামলার অন্য তিন আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রট মো. হুমায়ূন কবির রোববার এ রায় ঘোষণা করেন। খালাস পাওয়া তিন আসামি হলেন, ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, দণ্ডপ্রাপ্ত রেজার সহযোগি মো. কাবির ও বিউটির মা সেমালি বেগম। এর আগে বাদী ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য রোববার দিন ঠিক করে। এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাদীর আইনজীবী ড. মো. তসিকুল ইসলাম। তিনি রায়কে বিচার বিভাগের জন্য একটি মাইলফলক বলে উল্লেখ করেছেন। এই আইনজীবী বলেন, আসামিরা অনেক প্রভাবশালী তারা অর্থ ও প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে যাওয়ার বহু চেষ্টা করেছেন। এ রায়ে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়বে। প্রতারণার আলোচিত ঘটনা হওয়ায় গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয়দেরও আগ্রহ ছিল এ রায় নিয়ে। যুগান্তকারী এ রায়ে তারাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের চরমোহনপুর এলাকার মো. কালাম ও দক্ষিণ চরাগ্রামের রুবেল আলী বাদী হয়ে সদর আমলী আদালতে মামলা করেন। মামলার আবেদনে বলা হয়, আসামিরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থ সহায়তা দেয়ার নামে কৌশলে অর্ধশত মানুষের প্রায় ৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আসামিরা নিজেদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দাতা সংস্থার প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। অতঃপর মসজিদে নিয়ে মহান আল্লাহ্র নামে হলফ করিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তার অর্থের শেয়ার হোল্ডার হওয়ার প্রস্তাব দেয়। আসামিরা বলে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশি হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ৩৫ হাজার কোটি টাকা অর্থ সহায়তা দিচ্ছে। তবে সেই টাকা ছাড় করতে ২ শতাংশ হারে ভ্যাট লাগবে। তারা ভুক্তভোগীকে প্রলোভিত করে যদি ২ শতাংশ ভ্যাটের শেয়ার হোল্ডার হয় তাহলে রাতারাতি বড় লোক হয়ে যাবেন। এমন প্রলোভন দিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। বাদির আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. মো. তসিকুল ইসলাম জানান, প্রতারণার দুটি মামলায় আসামির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দোষী সাব্যস্ত করে দুজনকে ৫ বছর করে অর্ধাৎ ১০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। অপর তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

  • কুমিল্লায় রানা খান হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

    কুমিল্লায় রানা খান হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

    কুমিল্লায় রানা খান হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

    মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ার জেরে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার স্যানেটারি মিস্ত্রি রানা খান হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি রায়ে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। রায়ে বিচারক সাজাপ্রাপ্ত সবাইকে ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডেরও আদেশ দিয়েছেন। রোববার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম। আইনজীবী জানান, এই হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত মোট ১৬ জন আসামির মধ্যে চারজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। রায় প্রদানের সময় মোট নয় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. শিপন, রিপন মিয়া, আলাউদ্দিন, মো. জুয়েল, শুভ, কাজল ও হাবিব। এদের মধ্যে শিপন, রিপন ও আলাউদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ প্রাপ্তরা হলেন- বাদল মিয়া, জহিরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন ও মো. সোহেল। এদের মধ্যে বাদল ও ইকবাল পলাতক। দণ্ডপ্রাপ্তরা কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা বলে জানান রফিকুল ইসলাম। তারা সবাই মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিল বলেও জানান তিনি। মামলার নথির বরাতে রফিকুল বলেন, মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়া নিয়ে বিরোধে ২০০৬ সালের ১ মে রাতে যৌনাঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা করা হয় চম্পকনগর এলাকার স্যানিটারি মিস্ত্রি রানাকে। ঘটনার পরদিন রানার বাবা জাহাঙ্গীর খান ছয়জনকে আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্তে আরও ১০ জনকে আসামি করে মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। ১৭ বছর পর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য আমলে নিয়ে রোববার দুপুরে এ রায় দেন ঘোষণা করেছেন আদালত। এ মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। তিনি আরও জানান, রায়ে বিচারক সাজাপ্রাপ্ত সবাইকে ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডেরও আদেশ দিয়েছেন। ছেলে হত্যার বিচারের রায় পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন নিহত রানার বাবা জাহাঙ্গীর খান। তিনি দ্রুত রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান। কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান জানান, রায় ঘোষণার পর আসামিদের কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র ও গুলি রাখায় দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র ও গুলি রাখায় দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র ও গুলি রাখায় দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭টি আমেরিকার তৈরি পিস্তল, ৫টি ওয়ান সুটার গান, ৪০ রাউন্ড গুলি ও ১৩টি ম্যাগজিন রাখার দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ মোহা. আদীব আলী আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করেন। যাবজ্জীবন ছাড়াও পৃথক আরেকটি ধারায় প্রত্যেককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
    দন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে, পাবনার ইশ্বরদী উপজেলার আতাউল শিমুল গ্রামের মৃত হাফিজুর রহমানের ছেলে মো. আলামিন খন্দকার (২৯) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আজমতপুর হুদমাপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. মজিবুর রহমান ধুলা (৪৫)।
    মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ০৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাথরভর্তি ট্রাকে করে অস্ত্রগুলো পাচার হচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল শিবগঞ্জ উপজেলার ধোপপুকুর গ্রামের মেসার্স রাকিব এ্যান্ড ব্রাদার্স ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে ট্রাকসহ অস্ত্র আটক করে। পরে র‌্যাবের উপ—পরিদর্শক (এসআই) মো. ইউসুফ আলী ভুইয়া শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি উপ—পরিদর্শক (এসআই) মো. তোফাজ্জল হোসেন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে আদালত সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে এই রায় প্রদান করেন। একটি সাজা শেষের পর আরেকটি সাজা ভোগ করবেন আসামীরা।