Blog

  • গোমস্তাপুরে মাদক নির্মূল কমিটির মাদকবিরোধী মানববন্ধন

    গোমস্তাপুরে মাদক নির্মূল কমিটির মাদকবিরোধী মানববন্ধন

    গোমস্তাপুরে মাদক নির্মূল কমিটির মাদকবিরোধী মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাংগাবাড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংগাবাড়ি বাজারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংগাবাড়ি মাদক নির্মূল কমিটি।মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মেসবাহুল হক বুলেট। এসময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থান তুলে ধরেন এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংগাবাড়ি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, বাংগাবাড়ি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর নেতা ডা. আব্দুল গনি, বিএনপির ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রাজ, সাবেক ইউপি সদস্য মুনিরুল ইসলাম, আব্দুল রাকিব, নুইমুদ্দিন হাজি, শিক্ষক লিটন, শিক্ষক রুহুল আমিন এবং বাংগাবাড়ি উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোস্তকিম হোসেনসহ অন্যান্যরা।বক্তারা বলেন, মাদক সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যুবসমাজকে রক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তারা মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার স্থাপন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

    গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার স্থাপন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

    গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার স্থাপন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার স্থাপন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটি।শনিবার (২৮ মার্চ) ডাইংপাড়া চত্তরে এ্যাড. সালাহ উদ্দীনের সভাপতিত্বে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নেসকো কোম্পানী কর্তৃক জোর করে চাপিয়ে দেওয়া প্রিপেইড মিটার ও অবৈধভাবে ৩ গুন বিদ্যুৎ বিল তৈরির করে গ্রাহকদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়। স্থানীয় নেতারা বলেন, জনসাধারণের অর্থনৈতিক ভোগান্তি বিবেচনা করে নেসকো কর্তৃপক্ষকে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন কারও মিটারে কোন সমস্যা হলে অফিস থেকে গিয়ে জোরপূর্বক প্রিপেইড মিটার স্থাপন করে দেয়। আর প্রিপেইড মিটার নিতে না চাইলে কর্মচারীরা স্থান ত্যাগ করে চলে আসে।দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রিপেইড মিটার স্থাপন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে, না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

  • দিনাজপুরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত ॥ আহত-৬

    দিনাজপুরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত ॥ আহত-৬

    দিনাজপুরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত ॥ আহত-৬

    দিনাজপুরের বিরামপুরে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে আরও ৬ জন।রবিবার (২৯ মার্চ) ভোর ৫ টায় দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের বিরামপুর উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালুবাহী একটি ট্রাক দাঁড়িয়েছিল সড়কে। পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী স্লিপার ‘হেরিটেজ ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা দিলে এ মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।এতে ঘটনাস্থলেই বাসের হেলপার ও এক যাত্রী নিহত হন। দুর্ঘটনায় বাস ও ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি মোশারফ হোসেন বাবু। মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের বাসিন্দা। অপরজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।আহত ৬জনকে উদ্ধার করে বিরামপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেনে বিরামপুর থানার উপ-পরিদর্শক আমির হুসাইন। তিনি জানান,দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।

  • জেলার শিবগঞ্জে ডিএনসির হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধারসহ গ্রেফতার এক

    জেলার শিবগঞ্জে ডিএনসির হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধারসহ গ্রেফতার এক

    জেলার শিবগঞ্জে ডিএনসির হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধারসহ গ্রেফতার এক

    গোপন সংবাদের ভিত্বিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নামোচাকপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে হেরোইন ও ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা। এই অভিযানে একজন আটক হলেও আরেকজন মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নামোচাকপাড়া গ্রামের মোঃ শামির উদ্দীনের স্ত্রী মোসা পপিয়ারা বেগম (৩৬)। ডিএনসির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় মোঃ শামির উদ্দীন (৩৯)। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এক প্রেসনোটে জানান, ডিএনসির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা শিবগঞ্জ থানার নামোচাকপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৭ গ্রাম হেরোইন, ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২ বোতল কোডিন ফসফেটযুক্ত Eskuf এবং ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোসা পপিয়ারা বেগম (৩৬) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার স্বামী মোঃ শামির উদ্দীন (৩৯) বর্তমানে পলাতক। উভয়ের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের এমন মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ডিএনসি উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান।

  • বিলুপ্তির পথে চুয়াডাঙ্গায় দেশীয় প্রজাতির পাখি

    বিলুপ্তির পথে চুয়াডাঙ্গায় দেশীয় প্রজাতির পাখি

    বিলুপ্তির পথে চুয়াডাঙ্গায় দেশীয় প্রজাতির পাখি

    এক সময় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গ্রাম-গঞ্জের মাঠে-ঘাটে, বনে-জঙ্গলে আর গাছে গাছে হরেক প্রজাতির পাখির বিচরণ ছিল। পাখির কলকাকলিতেই ভাঙত গ্রামীণ জনপদের মানুষের ঘুম। কিন্তু কালের আবর্তে সেই চিরচেনা দৃশ্যপট এখন বিলুপ্তির পথে। বন-জঙ্গল উজাড় আর জনবসতি বাড়ার ফলে বাসস্থান হারিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির নানা পাখি। সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী দোয়েল, বাবুই, শালিক, ঘুঘু, টুনটুনি, চিল, পানকৌড়ি, ডাহুক, কোকিল ও শকুনের মতো পাখিগুলো এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না। এমনকি বসন্তের আগমনি বার্তা দেওয়া ‘বউ কথা কও’ পাখির ডাকও এখন শোনা ভার। নতুন প্রজন্মের কাছে এসব পাখি এখন কেবল বইয়ের পাতা বা ইতিহাসের গল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেলগাছি গ্রামের পাখিপ্রেমী বখতিয়ার হামিদ জানান, বালিহাঁস, লাল মাছরাঙা, চন্দনা ও হরিয়ালের মতো অনেক প্রজাতি ইতোমধ্যে হারিয়ে গেছে। নির্বিচারে শিকারের কারণে ঘুঘু ও বুলবুলিও বিলুপ্তপ্রায়। উঁচু তালগাছে বাবুই পাখির শৈল্পিক বাসা এখন আর নজরে পড়ে না। রাতে শোনা যায় না হুতুম প্যাঁচার ডাক। জীবননগরের উথলী গ্রামের আব্দুল মান্নান পিল্টু আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েলকেও এখন শিশুদের বইয়ের ছবি দেখে চিনতে হয়। মুক্ত আকাশে এসব পাখির ওড়াউড়ি এখন দুর্লভ দৃশ্য। পাখি বিলুপ্তির কারণ অনুসন্ধানে জানা গেছে, পরিবেশ বিপর্যয়, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং ব্যাপক বন উজাড়ের ফলে পাখিরা তাদের নিরাপদ আবাসস্থল ও প্রজনন ক্ষেত্র হারাচ্ছে। এছাড়া কৃষিজমিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পাখির প্রধান খাদ্য পোকামাকড় ও ছোট মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে। বিষযুক্ত খাবার খেয়ে অনেক পাখি প্রাণ হারাচ্ছে। অন্যদিকে, এক শ্রেণির অসাধু শিকারি ফাঁদ পেতে ও বিষটোপ দিয়ে পাখি শিকার করে বাজারে বিক্রি করছে। জীবননগর সরকারি মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বন উজাড় ও মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে দেশীয় প্রজাতির এসব পাখি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সাহাবুদ্দিন জানান, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় পাখির গুরুত্ব অপরিসীম। পাখির অভয়ারণ্য বাড়ানো এবং জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে এই সংকট মোকাবিলা করতে হবে। পাখি রক্ষায় জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

  • নড়াইলে যোগানিয়া হাটে টোলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    নড়াইলে যোগানিয়া হাটে টোলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    নড়াইলে যোগানিয়া হাটে টোলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    নড়াইলের নড়াগাতী থানার যোগানিয়া হাট সরকারিভাবে খাস ঘোষণা করা হলেও সেখানে এখনো টোলের নামে চলছে চাঁদাবাজি, এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত বছর টেন্ডারের মাধ্যমে হাটের ইজারা পান বিএনপি নেতা শরাফত আলী (শবো)। ইজারার মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৭ লাখ ৮০০ টাকা। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও বাকি অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় উপজেলা প্রশাসন পরবর্তীতে হাটটিকে খাস ঘোষণা করে। কিন্তু বাস্তবে খাস ঘোষণার কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন হাটের ব্যবসায়ীরা। সরেজমিন হাটে গিয়ে বিক্রেতা ও দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা অনেকেই জানেন না যে হাটটি খাস ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি হাটে আগের মতোই অতিরিক্ত হারে টোল আদায় করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পূর্বের ইজারাদার পক্ষের লোকজন এখনো টোল আদায় করছে। ঈদকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ‘বোনাস’ নামেও টাকা আদায় করা হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, শরাফত আলী শবো হাটটি কয়েকটি ভাগে ভাগ করে সাপ্তাহিক দুই দিনের হাট বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দিয়ে দেন। তাদের মধ্যে হাফিজ, রিপন, মহ্মের, লুৎফার, দেলবার, মন্টু মাস্টার ও পাগলা কুদ্দুসসহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে টোল আদায় করছেন এবং সরকারি কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না।এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, হাটটি খাস ঘোষণার পর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে টোল আদায়ের সুযোগ নেই। এ বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

  • তেল না দেওয়ায় ট্রাকচাপা দিয়ে পাম্প ম্যানেজারকে হত্যা

    তেল না দেওয়ায় ট্রাকচাপা দিয়ে পাম্প ম্যানেজারকে হত্যা

    তেল না দেওয়ায় ট্রাকচাপা দিয়ে পাম্প ম্যানেজারকে হত্যা

    নড়াইলে ট্রাকে তেল দিতে না পারায় নাহিদ সরদার (৩৫) নামে এক পেট্রোল পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাক চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরো একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার তুলারামপুর রেল ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাহিদ সরদার (৩৩) উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী গ্রামের মৃত আকরাম সরদারের ছেলে। তার সহযোগী জিহাদুল একই এলাকার জহুরুল মোল্যার ছেলে।ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা জানান, গত রাতে সুজাত নামের এক ট্রাক চালক তেল নিতে সদরের তানভীর ফিলিং স্টেশনে আসেন। এসময় তেল নেয়াকে কেন্দ্র করে ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারের সঙ্গে ট্রাক চালকের বাগ্বিতণ্ডা হয়। তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাকচালক প্রকাশ্যে ম্যানেজারকে চাপা দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বাগ্বিতণ্ডার পরও ওই ট্রাকচালক পাম্পেই অবস্থান করেন। রাত ২টা ১০ মিনিটে ফিলিং স্টেশনের কাজ শেষ করে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলে সহকর্মী জিহাদকে নিয়ে পাম্প থেকে বের হন নাহিদ। সাথে সাথে দ্রুত গতিতে তাদের পেছনে ধাওয়া করতে দেখা যায় ট্রাকটিকে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ট্রাকের চাপায় নাহিদ ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার সহযোগী জিহাদুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা হাসাপাতালে নিলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে এমন পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়েছেন নিহতের সহকর্মীরা ও এলাকাবাসী।তুলারামপুর হাইওয়ে পুলিশের ওসি সেকেন্দর আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত চালক ও ঘাতক ট্রাকটি শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান চলছে।

  • বগুড়ায় নাতনির ওজনে কয়েন উপহার নানার

    বগুড়ায় নাতনির ওজনে কয়েন উপহার নানার

    বগুড়ায় নাতনির ওজনে কয়েন উপহার নানার

    বগুড়ায় নাতনির ওজনে কয়েন উপহার দিয়েছেন নানা আব্দুল কাদের। দাঁড়িপাল্লায় ওজন করে নাতনি নাঈমার ওজনের সমান কয়েন উপহার দিয়েছেন তিনি। নানা আব্দুল কাদেরের শখ ছিল নাতনির বিয়েতে তার ওজনে কয়েন উপহার দেবেন। কিন্তু বিয়ের সময় কয়েন সংগ্রহ করতে পারেননি। তাই বিয়ের দেড় বছর পর সেই শখ পুরণ করলেন তিনি। গত শুক্রবার রাতে বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়ায় নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠান করে আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত করে দাঁড়িপাল্লায় নাতনি নাঈমা খাতুনকে (২৩) তুলে সমান ওজনে ৭০ কেজি ৩০০ গ্রাম কয়েন উপহার দেন আব্দুল কাদের। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে। আব্দুল কাদের বলেন, বড় মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর সেখানে জন্ম নেওয়া প্রথম সন্তানের জন্য এমন একটি ব্যতিক্রমী উপহার দেওয়ার ইচ্ছা ছিল তার এবং তার স্ত্রীর। সেই ইচ্ছা পূরণে তারা মাটির ব্যাংকে কয়েন জমাতে শুরু করেন। নাতনির বিয়ের সময় সেই পরিমাণ কয়েন জোগাড় করা সম্ভব হয়নি। এ উপলক্ষে প্রায় দেড় বছর পর সেই শখ পূরণে শুক্রবার কাদের তার বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত দেন। পরে গাছের সঙ্গে দাঁড়িপাল্লা বেঁধে এক পাশে নাতনি নাঈমা আর অন্য পাশে তার সমান ওজনের কয়েন উপহার দেন তিনি। এসব কয়েনের বেশিরভাগই পাঁচ টাকার কয়েন। এ দৃশ্য দেখতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা ভিড় করেন। তিলে তিলে জমানো কয়েন নাতনিকে উপহার দিতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে আব্দুল কাদের বলেন, মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর তার সন্তানের প্রতি ভালোবাসা থেকে এমন ইচ্ছা করেছিলেন তিনি ও তার স্ত্রী। অবশেষে সেই ইচ্ছা পূরণ হলো। আর নানার কাছ থেকে এমন ব্যতিক্রমী উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত নাতনি নাঈমা। তিনি বলেন, আমার নানা-নানির শখ ছিল উপহার দেওয়ার। নানি বেঁচে থাকলে আরও ভালো লাগত। নানির ইচ্ছে নানা পূরণ করেছেন। স্থানীয়রা জানান, আব্দুল কাদের ও তার স্ত্রীর শখ ছিল নাতনির ওজনে কয়েন উপহার দেওয়া, যা তিনি দিতে পেরেছেন নাতনির বিয়ের দেড় বছর পর। ঘটনাটি সত্যিই অন্য রকমের।

  • চুয়াডাঙ্গায় ৭টি ল্যান্ডমাইন নিস্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনীর বোমা ডিসপোজাল টিম

    চুয়াডাঙ্গায় ৭টি ল্যান্ডমাইন নিস্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনীর বোমা ডিসপোজাল টিম

    চুয়াডাঙ্গায় ৭টি ল্যান্ডমাইন নিস্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনীর বোমা ডিসপোজাল টিম

    চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা স্কুলপাড়ার মাঠে ফসলের খেতে পাওয়া ৭টি ল্যান্ডমাইন (বোমা) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দলের মাধ্যমে সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) এ বোমা নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম দুপুর দেড়টায় শেষ হয়। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি একই স্থানে কৃষি জমিতে ল্যান্ডমাইনগুলো শনাক্ত করা হয়। সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ক্যাপ্টেন সেলিম ও ক্যাপ্টেন রিফাতের নেতৃত্বে যশোর সেনানিবাস থেকে ৫৫ রেজিমেন্টের ১৫ সদস্যর একটি বোমা ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। প্রথম দফায় চারটি ল্যান্ড মাইন্ড ও পরবর্তীতে তিনটি ল্যান্ড মাইন নিষ্ক্রিয় করা হয়। এসময় বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গ্রাম। এ সময় ল্যান্ড মাইনে থাকা বারুদের ছাই ও ধুলাবালি পুরো মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয়করনের সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমান, সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মিজানুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস ও জেলা পুলিশের একটি টিম।

  • তেল নাই’ সাইনবোর্ড ॥ ভেতরে সাড়ে ৯ হাজার লিটার জ্বালানী! গোমস্তাপুরে পাম্পে জরিমানা

    তেল নাই’ সাইনবোর্ড ॥ ভেতরে সাড়ে ৯ হাজার লিটার জ্বালানী! গোমস্তাপুরে পাম্পে জরিমানা

    তেল নাই’ সাইনবোর্ড ॥ ভেতরে সাড়ে ৯ হাজার লিটার জ্বালানী! গোমস্তাপুরে পাম্পে জরিমানা

    বাইরে ঝুলছে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড, আর ভেতরে গচ্ছিত হাজার হাজার লিটার জ্বালানি! এমনই চমকপ্রদ চিত্র মিলেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদের অভিযোগে ওই পাম্পকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের বড়দাদপুর এলাকায় অবস্থিত ‘মেসার্স ব্রাদার্স এন্ড সিস্টার ফিলিং স্টেশন’-এ এই অভিযান পরিচালনা করেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির মুন্সী।অভিযান সূত্রে জানা যায়, পাম্পটির সামনে ‘পাম্পে তেল নেই’ লেখা স্টিকার টানিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়।

    এতে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা দেখা দেয়। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দল স্টোরেজ পরীক্ষা করে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুদের প্রমাণ পায়।তল্লাশিতে দেখা যায়, পাম্পটিতে মজুদ রয়েছে ২ হাজার ৩৬৮ লিটার পেট্রোল, ৩ হাজার ৭৬০ লিটার ডিজেল এবং ৩ হাজার ৬৫৫ লিটার অকটেন। মোট প্রায় সাড়ে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি। অথচ গ্রাহকদের কাছে তেল না থাকার অজুহাতে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছিল।এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির মুন্সী সাংবাদিকদের বলেন, “কোনো অবস্থাতেই অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    ” তিনি সকল পাম্প মালিককে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি প্রতিটি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে রসিদ প্রদানের নির্দেশ দেন।জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে জ্বালানিরকৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের অভিযোগ বাড়ছে। প্রশাসনের এমন অভিযানকে সাধারণ মানুষ স্বাগত জানালেও, অনিয়ম রোধে আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।