Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ

    শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওআজ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ জেলাবাসী। বৃহস্পতিবার সুর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সুচনা হয় এবং শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    সুর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর সংলগ্ন শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামাঙ্কিত স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন সূচনা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিচার বিভাগ, জেলা পরিষদ, সিভিল সার্জন অফিস, নবাবগঞ্জ পৌরসভা, সদর উপজেলা প্রশাসন, জেলা এলজিইডি অফিস, গণপুর্ত বিভাগ, জেলা শিল্পকলা একাডেমী,

    জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা শিক্ষা অফিস, জেলা কারাগার, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সসহ বিভিন্ন দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও রাজনৈতিক সংগঠন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ নতুন স্টেডিয়ামে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওআজ প্রদর্শন করা হয়।

    সেখানে সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা ও পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। সকাল ৮টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ নতুন স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী ও পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস শান্তির প্রতীক পায়রা ও রঙিন বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

    এরপরই শুরু হয় মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। পুলিশ, আনসার, বিএনসিসি ও স্কাউটসসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেয়।

    কুচকাওয়াজ শেষে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন-যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল-এর উদ্যোগে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

    মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বীর শহীদদের জন্য দোয়া করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন গোমস্তাপুর ইউ.এন.ও, উপজেলা প্রশাশন, পুলিশ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ও শিক্ষকবৃন্দ।

    শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ, স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক উজ্জল কুমার ঘোষ, সিভিল সার্জন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাকিব হাসান তরফদার, ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল মতিন, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ গোলাম মোস্তফা,

    বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মোঃ খাইরুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর উপ-সহকারী পরিচালক শেখ মোঃ মাহাবুবুল ইসলাম, জেলা মহিলা বিষয়ক অদিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোসাঃ সাহিদা আখতারসহ সরকারী-বেসরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।

    এসময় কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, জেলা তথ্য অফিস, জেলা কারাগার, জেলা নির্বাচন অফিস, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়, বন বিভাগ, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান শহীদদের স্মরণে পুস্পার্ঘ অর্পণ করেন।

    দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধণা, চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

    অপরদিকে, জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। দুপুরে সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মন্দির এবং গীর্জায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া, হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিবার, এতিমখানায় উন্নতমানের ইফতারী ও খাবার পরিবেশন করা হয়।

    দিবসটি উপলক্ষে বিকেলে আলোচনা সভা, চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে জেলার প্রতিটি উপজেলায় নানা কর্মসুচী পালিত হয়েছে।

  • স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতির বীর সন্তানদের ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ৫টা ৫৩ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছান। রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছলে সেখানে তাকে অভিবাদন জানান প্রধানমন্ত্রী। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, মন্ত্রি পরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং তিন বাহিনীর প্রধান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধের বেদীতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এসময় রাষ্ট্রীয় সালাম শেষে বিউগলে করুণ সুর তোলেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। পরে প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে জাতীয় স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বীর শহীদদের স্মরণে মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা, কূটনীতিকরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। প্রত্যুষে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়। ভিআইপিদের শ্রদ্ধা জানানোর পর জাতীয় স্মৃতিসৌধ খুলে দেওয়া হয় সকলের জন্য।

  • আদিনা সরকারি কলেজে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

    আদিনা সরকারি কলেজে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

    আদিনা সরকারি কলেজে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

    জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজে ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিনের সূচনায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পর ১৯৭১ সালের নয়মাস ব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। কলেজ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষসহ শিক্ষক কর্মচারী শিক্ষার্থীবৃন্দ। সকাল ১১টায় কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সৈয়দ মোঃ মোজাহারুল ইসলাম তরু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ইমানুল হক, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর মোঃ আসগার হোসেন, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মোঃ খাইরুল ইসলাম, উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মোঃ জিয়াউল হক, মূখ্য আলোচক ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মোঃ আব্দুল লতিফ ছাত্রনেতা মোঃ নাগিব রেসাদ রিফাত ও ছাত্রনেতা মোঃ আব্দুল হালিম। কবিতা আবৃত্তি করেন রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মোঃ আশিক ইকবাল ও ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী খানম শরিফা তাসনিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, মোঃ আশিক ইকবাল। দিবসটি উপলক্ষে জোহর এর নামাজের পর কলেজ মসজিদে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মুনাজাত করা হয়।

  • নাচোলে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

    নাচোলে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

    নাচোলে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ৩১বার তোপধ্বনীর মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। সেই সাথে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নাচোল সরকারি কলেজের শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে পুলিশ, আনসার ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শিত হয়।

    সকাল ১০টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে সংবর্ধনা প্রদান করেন উপজেলা প্রশাসন। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে আনন্দঘন পরিবেশে সুধী বনাম ব্যবসায়ী ও ¯’ানীয় সাংবাদিক বনাম উপজেলা প্রশাসনের মধ্যে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে এসময় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) সুলতানা রাজিয়া, নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ আছলাম আলী, সাবেক পৌর প্রশাসক কামরুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুর কামাল, নাচোল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান, রাজবাড়ি কলেজের প্রভাষক হুমায়ুন কবির আজমসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের ক্ষোভ ॥ মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিলের দাবী- স্বাধীনতা দিবসের ক্রোড়পত্র পেলো ফ্যাসিষ্ট’র দোষর মাসুম এর ‘চাঁপাই দৃষ্টি’

    জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের ক্ষোভ ॥ মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিলের দাবী- স্বাধীনতা দিবসের ক্রোড়পত্র পেলো ফ্যাসিষ্ট’র দোষর মাসুম এর ‘চাঁপাই দৃষ্টি’

    জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের ক্ষোভ ॥ মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিলের দাবী

    স্বাধীনতা দিবসের ক্রোড়পত্র পেলো ফ্যাসিষ্ট’র দোষর মাসুম এর ‘চাঁপাই দৃষ্টি’

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস/২৬’র ক্রোড়পত্র দেয়া হয়েছে ফ্যাসিষ্ট এর দোষর, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের সরাসরি বিরোধিতাকারী এমরান ফারুক মাসুম এর ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’ তে। ‘চাঁপাই দৃষ্টি’র প্রকাশক ও সম্পাদক এমরান ফারুক মাসুম স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সকল সুবিধা ভোগ করলেও বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলেও সুবিধা পাওয়ায় ক্ষুদ্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অধিকাংশ গণমাধ্যমকর্মীরা। জেলার সিনিয়র-জুনিয়র সংবাদিকরা ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’র মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিলের দাবীও জানিয়েছেন। ফ্যাসিষ্ট এর দোষর, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের সরাসরি বিরোধিতাকারী এমরান ফারুক মাসুম জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগ কমিটির একজন সদস্য। অন্যদিকে, স্বৈরাচার সরকারের পতন হলেও এখনও সরকারের নিয়ন্ত্রনাধীন ‘বিটিভি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে এখন বহাল তবিয়তে থাকায় জেলার মিডিয়াকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিএনপি সরকারের আমলেও মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস/২৬’র ক্রোড়পত্র ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’কে দেয়া এবং ‘বিটিভি’র প্রতিনিধি থাকায় জেলার সাংবাদিক মহলে সমালোচনার ঝড় চলছে। জেলার সচেতন মহল ও মিডিয়াকর্মীদের দাবী, ফ্যাসিস্ট এমরান ফারুক মাসুম এর ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস/২৬’র ক্রোড়পত্র পাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে অবিলম্বে ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’র মিডিয়া তালিকাভূক্তি বাতিলের ব্যবস্থা গ্রহণের।

    এদিকে, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের নীতিমালা লঙ্ঘন করে (“নিজ বাসার ডায়নিং-বারান্দায় অফিস চালানো, নীতিমালা মোতাবেক প্রয়োজনীয় অফিস নেই, নেই প্রয়োজনীয় কম্পিউটার ও জনবলও, অসুস্থতার অভিনয় করে কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে পার পাচ্ছেন, নীতিমালা মোতাবেক প্রয়োজনীয় অফিস, সরঞ্জাম, জনবল না পাওয়ায় তলব করা হলে কর্মকর্তাদের কাছে মায়াকান্না করে কর্তৃপক্ষকে বোঝানো, সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ম্যানেজ করে বিজ্ঞাপনসহ অন্যান্য সুবিধা ভোগ করছেন” অভিনয়ে চতুর এই এমরান ফারুক মাসুম ও তার মালিকানাধীন ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’)। এভাবে কর্তৃপক্ষের চোখে ফাঁকি দিয়ে পত্রিকার প্রকাশনা চালিয়ে যাওয়া ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’র বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবী-জেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাধারণ মিডিয়াকর্মী ও ভূক্তভোগীদের।
    জানা গেছে, ফ্যাসিষ্ট এর দোষর, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের সরাসরি বিরোধিতাকারী এমরান ফারুক মাসুম জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগ কমিটির সদস্য। ২০১৩ সালে ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রকাশনার অনুমতি পেয়ে ‘১লা মে/১৩’ প্রকাশনার কাজ শুরু করে। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে এমরান ফারুক মাসুম নিজেকে জেলার ক্ষমতাবান মনে করে জেলার বিভিন্ন অফিস-আদালত থেকে সুবিধা ভোগ করেন। হয়রানী ও নির্যাতন করেন মিডিয়াকর্মীদের উপরও। তার কথার বাইরে গেলেই নেমে আসতো সেই মিডিয়াকর্মী বা অফিসারদের উপর অত্যাচার। কোন অফিস তার কথা না শুনলে সেই কর্মকর্তা বা কর্মচারী তার রোসানলে পড়তো। এনিয়ে অনেকেই দীর্ঘদিন থেকেই তার দ্বারা ভূক্তভোগী। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবসহ জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজনকারী ব্যক্তি হচ্ছে এমরান ফারুক মাসুম। তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ক্ষমতা খাটিয়ে জেলার প্রায় সকল দপ্তর থেকে সরকারী-বেসরকারী বিজ্ঞাপন হাতিয়ে নিতেন। তার স্বেচ্ছাচারিতা ও দাম্ভিকতার কারণে নিজ দলীয় লোকজনও বিরক্ত ও বিব্রত বোধ করতেন।

    দলীয় লেজুড়বৃত্তিতে পারদর্শী এই এমরান ফারুক মাসুম নানাভাবে জেলার জামায়াত-বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ মানুষকে হয়রানী এবং বিপদগ্রস্থ করেছেন। কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারতো না। সেই সাংবাদিক মাসুম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-গণআন্দোলনের সময় সরাসরি বিরোধীতা করে এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-গণআন্দোলনের পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করায় জেলা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’সহ ২টি পত্রিকা এবং জেলার মিডিয়াকর্মীদের নিয়ে ‘২০২৪ সালের ৪ঠা আগষ্ট’ ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’ তে সংবাদ প্রকাশ পর্যন্ত করেন। সেই সংবাদে জেলার পত্রিকা ২টি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-গণআন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচার ও প্রকাশনাকারী মিডিয়াকর্মী ও পত্রিকার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হয়, শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় বসেন অন্তবর্তীকালিন সরকার। কিন্তু এই অভিনেতা মাসুম ভোল্ট পাল্টিয়ে জেলার জামায়াত-বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে সৌখ্যতা গড়ে তোলেন। অন্যদিকে, জেলা থেকে প্রকাশিক ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ পত্রিকার ‘ডিএফপি’ (চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে সরকারী বিজ্ঞাপন ছাপানোর অনুমতি) পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শুরু থেকেই বিরোধিতা করে এবং ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর ডিএফপি তালিকাভূক্ত হতে দেয়নি। কখনো বিএনপি, কখনো জাামায়াত সমর্থক বলে প্রশাসনকে নানান মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন এই সাংবাদিক এমরান ফারুক মাসুম। বিএনপি রাজনীতির মতাদর্শের হওয়ায় অনেক চড়াই-উৎরায় পার করে প্রায় দীর্ঘ ১২ বছর পর অন্তর্বর্তীকালিন সরকারের আমলে ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও কিছু শুভাকাঙ্খীগণের সহায়তায় ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর মিডিয়া তালিকাভূক্তি সম্পন্ন হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েও পত্রিকাটি সরকারী ক্রোড়পত্র না পেলেও, অপরদিকে, আওয়ামীলীগ আমলে সরকারী ক্রোড়পত্রসহ অন্যান্য সুবিধাভোগকারী ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’ কে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্র দেয়া হয়েছে, ২৬ মার্চ এর পত্রিকায় ছাপানোও হয়েছে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দপ্তর থেকেও এই ফ্যাসিস্ট এর দোষর এমরান ফারুম মাসুম এর পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে। জেলায় বিভিন্ন দপ্তরে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামীলীগের দোষর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা এখনও তাকে সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে, এমনকি তথ্য মন্ত্রনালয় থেকেও। বিষয়টি ভালোভাবে দেখছেন না জেলার মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও সিনিয়র-জুনিয়র অধিকাংশ মিডিয়াকর্মীরা। এখানেই শেষ নয়, বর্তমানে তিনি বিএনপি-জামায়াত নেতৃবৃন্দের সাথে সৌখ্যতা বজায় রেখে নিজের সব কাজ বাগিয়ে নিচ্ছেন। ভোগ করছেন বিভিন্ন সুবিধাও। ধরে রেখেছেন সরকারী টেলিভেশন ‘বিটিভি’র প্রতিনিধিও।
    বিষয়টি নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সিনিয়র সাংবাদিকগণ বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ আমলে সরকারী ক্রোড়পত্রসহ অন্যান্য সুবিধাভোগকারী ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’ কে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্র দেয়া হয়েছে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দপ্তর থেকেও এই ফ্যাসিস্ট এর দোষর এমরান ফারুম মাসুম এর পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা এখনও তাকে সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে, তথ্য মন্ত্রনালয় থেকেও এই ফ্যাসিস্ট এমরান ফারুক মাসুমকে সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এটা মোটেও ঠিক হচ্ছে না। সে আওয়ামীলীগ আমলে দীর্ঘদিন ক্ষমতা খাটিয়ে জেলার সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষকে হয়রানী-নির্যাতন ও ষড়যন্ত্র করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিভিন্নভাবে হয়রানী করেছে। এখন আবার ভোল্ট পাল্টিয়ে এবং প্রশাসনের মধ্যে থাকা ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সুবিধা নেয়া অব্যাহত রেখেছে। এটা অবশ্যই বন্ধ হওয়া জরুরী। এছাড়া, বিগত দিনে সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথেই সরকারি টেলিভিশন ‘বিটিভি’র প্রতিনিধি পরিবর্তন হলেও বিগত প্রায় দেড়বছর অন্তর্বর্তীকালিন সরকারের আমলে বিটিভির প্রতিনিধি পরিবর্তন হয়নি। বর্তমান বিএনপি সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পরও সরকারি টেলিভিশন ‘বিটিভি’র প্রতিনিধি পরিবর্তন হয়নি। আওামীলীগের এমন পদধারী ও দোষর সরকারি টেলিভিশন ‘বিটিভি’র প্রতিনিধি থাকলে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রচার-প্রকাশনার কাজ ব্যহত হবে। বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা খুব জরুরী হয়ে পড়েছে।
    জেলার মিডিয়াকর্মী ও ভূক্তভোগীদের দাবী, ফ্যাসিষ্ট এর দোষর, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের সরাসরি বিরোধিতাকারী এমরান ফারুক মাসুম ও এর মালিকানাধীন ‘দৈনিক চাঁপাই দৃষ্টি’র বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে জেলার সাংবাদিক মহল ও ভূক্তভোগীদের মাঝে সস্তি ফিরিয়ে আনবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, এমনটায় আশা।

  • জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন- তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে-মির্জা ফখরুল

    জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন- তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে-মির্জা ফখরুল

    জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে-মির্জা ফখরুল

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতি দেশের মানুষের দৃঢ় আস্থা রয়েছে এবং তার নেতৃত্বেই একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী হয়ে উঠেছে। নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নেওয়া হয়েছে এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাই কাজ করছে। স্বাধীনতা দিবসে জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে তিনি বলেন, তার আহ্বানেই দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি দীর্ঘদিন গণতন্ত্রের পক্ষে সংগ্রাম করে গেছেন। মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দীর্ঘ সময় দেশে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত ছিল, তবে জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে ভিন্ন এক পরিবেশে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, তারেক রহমানের নতুন ভাবনার অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা হবে।

  • গোমস্তাপুরে ডিএনসির পৃথক অভিযানে মাদকসহ ২ জন গ্রেফতার

    গোমস্তাপুরে ডিএনসির পৃথক অভিযানে মাদকসহ ২ জন গ্রেফতার

    গোমস্তাপুরে ডিএনসির পৃথক অভিযানে মাদকসহ ২ জন গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পৃথক অভিযানে চোলাইমদ, ওয়াশ ও গাঁজাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে গোমস্তাপুর থানাধীন আরুখা জোড়ার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ রুবেল আলী (২৯) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৫ লিটার চোলাইমদ এবং ১৫০ লিটার ওয়াশ উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বড় তেঘরিয়া গ্রামে পৃথক আরেকটি অভিযানে মোঃ মনিরুল ইসলাম (৬৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামীর বিরুদ্ধে ডিএনসির পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • নাচোলে সাংসদ মিজানুর রহমানের সাথে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মতবিনিময়

    নাচোলে সাংসদ মিজানুর রহমানের সাথে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মতবিনিময়

    নাচোলে সাংসদ মিজানুর রহমানের সাথে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মতবিনিময়

    নাচোল উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সাথে ৪৪ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫মার্চ, বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা হল রুমে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর (আদিবাসী একাডেমীর) সভাপতি শ্রী বিধান শিং-এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাংসদ মিজানুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যের মাঝে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের ওপর অন্য কোন জাতি যেন জোর পূর্বক অন্যায় অত্যাচার না করে সে বিষয়ে আলোকপাত করেন। তারা আমাদের দেশের নাগরিক, তারা যেসব পুকুর পাড়ে বসবাস করে, সেসব পুকুরগুলো যেন তারাই ভোগদখল করে খেতে পারে, সেজন্য ইউএনও’র সুদৃষ্টি কামনা করেন। অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে কোন ধরনের সমস্যায় পড়লে তার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে বলেন। এছাড়াও নাচোল উপজেলার রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার সুলতানা রাজিয়া। এসময় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইয়াকুব আলী, সেক্রেটারি মোবারক হোসেন, পৌর আমীর মনিরুল ইসলাম, নেজামপুর ইউনিয়ন সেক্রেটারি অবাইদুল্লাহসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিষদ চত্বরে এমপি মিজানুর রহমানকে ক্ষুদ্র নৃ-তাত্বিক সম্প্রদায়ের সদস্যরা নৃত্য পরিবেশন ও ঢাকঢোল বাজিয়ে বরণ করে নেন। মতবিনিময় শেষে দুইজন কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন এমপি মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ।

  • অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ-নাচোলে সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান

    অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ-নাচোলে সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান

    অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ-নাচোলে সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান

    নাচোলে যে কোন মূল্যে অনিয়ম, দুর্ণীতি প্রতিরোধে এক বিন্দুও ছাড় দেওয়া হবেনা বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ৪৪-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ এর সংসদ সদস্য ড. মিজানুর রহমান। নাচোল উপজেলায় প্রথমত ১০টি প্রজেক্ট চালু করতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান করেন এবং অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে শতভাগ অটল থাকবেন বলে আশ্বাস দেন জাতীয় সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ২৫মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্য রাখেন তিনি। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা মিনি কনফারেন্স রুমে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার সুলতানা রাজিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন থানার তদন্ত অফিসার মোঃ সৈকত, নাচোল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক নুর কামাল, পৌর সাধারণ সম্পাদক দুরুল হোদা, উপজেলা জামায়াতে আমীর ইয়াকুব আলী, পৌর আমীর মনিরুল ইসলাম, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান, কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম, মেডিকেল অফিসার মাহবুব-উল আলম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, সমাজসেবা অফিসার সোহেল রানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন মন্ডল। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। সভায় বক্তারা ২৫ মার্চের কালো রাতে সংঘটিত গণহত্যার ইতিহাস তুলে ধরেন এবং সকল শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। আলোচনা শেষে গণহত্যা দিবসে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

  • নাটোরে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

    নাটোরে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

    নাটোরে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

    নাটোরে ৩১ বার তোপধ্বনি, পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দোয়া মনোজাতের মধ্যে দিয়ে মহান ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের আয়োজনে নাটোর শহরের স্বাধীনতা চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনি, পুষ্পস্তবক অর্পন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দোয়া ও মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। এসময় জাতীয় সংসদের হুইপ এ্যাড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, আজকে দীর্ঘদিন পর স্বাধীন পরিবেশে স্বাধীনতা দিবস আজকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল উদযাপন করছে। স্বাধীন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে গত ১৮-২০ বছর এই সুযোগ আমরা পাই নাই। বিশেষ করে বাংলাদেশের জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং স্বাধীনভাবে বিএনপি এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে, পুলিশ প্রশাসন এবং সকলের সঙ্গে। আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই, আমরা বিশ্বাস করি, ৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দিয়েছিলেন। সেই আলোকে বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, জাতীয় দিবস স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হবে। আমরা আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যে, দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করতে পারছে। আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই আল্লাহর কাছে। কৃতজ্ঞতা জানাই, দেশের জনগণের কাছে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবুল হায়াত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ আদনান, জেলা বিএনপির আহবায়ক রহিম নেওয়াজ, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ।