Author: Md Ronju

  • অ্যাপে বাঁধা তেল সিন্ডিকেট ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিজিটাল নজরদারিতে ভাঙছে কৃত্রিম সংকটের কারসাজি

    অ্যাপে বাঁধা তেল সিন্ডিকেট ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিজিটাল নজরদারিতে ভাঙছে কৃত্রিম সংকটের কারসাজি

    অ্যাপে বাঁধা তেল সিন্ডিকেট ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিজিটাল নজরদারিতে ভাঙছে কৃত্রিম সংকটের কারসাজি

    জ্বালানি তেল নিয়ে দীর্ঘদিনের কৃত্রিম সংকট, অতিরিক্ত ভিড় আর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে নাকাল চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষ। তবে এবার সেই চক্রে লাগাম টানতে জেলা প্রশাসনের সাহসী ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ-অ্যাপভিত্তিক তেল বিক্রয় ব্যবস্থা-নিয়ে এসেছে নতুন আশা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও নাচোল উপজেলায় এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। তিনি জানান, “তেলের প্রকৃত কোনো ঘাটতি নেই, সমস্যা তৈরি হয়েছিল কৃত্রিমভাবে-অতিরিক্ত মজুত, পুনঃবিক্রি ও অসাধু চক্রের অপতৎপরতার কারণে।”স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা ঈদুল হাসান জনি-এর উদ্ভাবিত এই ডিজিটাল সিস্টেমে প্রতিটি মোটরসাইকেল নির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় আনা হয়েছে।

    একটি মোটরসাইকেল ৫ দিনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার তেল নিতে পারবে। একবার তেল নেওয়ার পর পরবর্তী ৫ দিন একই রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে জেলার অন্য কোনো পাম্প থেকে তেল নেওয়া যাবে না। প্রতিটি লেনদেন অ্যাপে রেকর্ড হওয়ায় ডুপ্লিকেট বা জালিয়াতির সুযোগ কমে যাচ্ছে।সিন্ডিকেটে আঘাত, বাজারে স্বস্তি জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এতদিন অনেকেই একাধিকবার তেল নিয়ে তা বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন। এতে সাধারণ গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছিলেন এবং বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছিল। নতুন এই ব্যবস্থায় সেই পথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।ইতোমধ্যে শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলায় সফলভাবে পাইলটিং শেষ হয়েছে। সেখানে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় এখন জেলার ৩২টি ফিলিং স্টেশনে পর্যায়ক্রমে এই অ্যাপ চালু করা হচ্ছে। প্রশাসন আশা করছে, খুব দ্রুতই পুরো জেলায় এই ব্যবস্থা চালু হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন,“এটি শুধু একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নয়, বরং বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ফেরানোর একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।

    এতে সাধারণ মানুষ ন্যায্য অধিকার পাবে, আর অসাধু ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হবে।”আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ছেএকই সঙ্গে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তেল মজুত, অবৈধ পরিবহন বা পুনঃবিক্রির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা হবে সংশ্লিষ্টদের।বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের অ্যাপভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শুধু তেল খাতেই নয়, ভবিষ্যতে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা যেতে পারে। এতে বাজারে স্বচ্ছতা বাড়বে, ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত হবে এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ কমবে।সব মিলিয়ে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে অ্যাপভিত্তিক তেল বিক্রির এই উদ্যোগ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—এটি সফল হলে দেশের অন্যান্য জেলাতেও হতে পারে এক নতুন দৃষ্টান্ত।

  • হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক ॥ উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

    হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক ॥ উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

    হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক ॥ উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

    দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ১৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া হামে মারা গেছেন ২১ জন।বুধবার (০৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মৃত শিশুদের অধিকাংশেরই বসবাস ঢাকা বিভাগে।বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১৩৩ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, গত তিন সপ্তাহে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭ হাজার ৫৭৭ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৯৯ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হামের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। একই সময়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫ হাজার ২৪১ জন।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর এই ঊর্ধ্বগতি মোকাবিলায় দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং অভিভাবকদের সতর্ক হওয়া জরুরি।

  • সবুজ স্বপ্নে ঝুলছে সোনা ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে নতুন আশার বার্তা

    সবুজ স্বপ্নে ঝুলছে সোনা ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে নতুন আশার বার্তা

    সবুজ স্বপ্নে ঝুলছে সোনা ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে নতুন আশার বার্তা

     

    গাছভরা কাঁচা আমে ছেয়ে গেছে উত্তর-পশ্চিমের জনপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। ডালে ডালে ঝুলছে সবুজ সোনা-যার ওপর নির্ভর করে লাখো মানুষের জীবিকা। নতুন মৌসুমকে ঘিরে উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির বিস্তার ও রপ্তানির সম্ভাবনা যেমন আশাবাদ জাগাচ্ছে, তেমনি জলবায়ু পরিবর্তন ও বাজার সংকট রয়ে গেছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে।
    ঐতিহ্যের মাটিতে আমের রাজত্বদেশের “আমের রাজধানী” হিসেবে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দীর্ঘদিন ধরেই আম উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এখানকার অনুকূল মাটি ও আবহাওয়া আমচাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় জেলায় গড়ে উঠেছে বিস্তীর্ণ আমবাগান।
    ফজলি, ল্যাংড়া, ক্ষীরসাপাত, গোপালভোগ ও আম্রপালি-এই সব জাতের আম দেশের বাজারে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন। এর মধ্যে ক্ষীরসাপাত আম ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) স্বীকৃতি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়েও জেলার সুনাম বেড়েছে।
    উৎপাদন ও অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রপ্রতিবছর কয়েক লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হয় এই জেলায়, যা রাজশাহী অঞ্চলের মোট উৎপাদনের বড় অংশ। আমকে ঘিরে কৃষক, শ্রমিক, পরিবহনকর্মী, আড়তদারসহ প্রায় ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
    মৌসুম এলেই জেলার অর্থনীতিতে কয়েক হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তোলে। আম এখানে শুধু কৃষিপণ্য নয়-এটি পুরো জেলার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি।
    মাঠে সবুজের সমারোহ, তবু উদ্বেগএ মৌসুমে বাগানজুড়ে কাঁচা আমের সমারোহ কৃষকদের আশাবাদী করে তুলেছে। তবে একই সঙ্গে কিছু উদ্বেগও রয়েছে।
    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে- বাগানের জমি কিছুটা কমছেউৎপাদন খরচ বেড়েছেবাজারমূল্যে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে
    বিশেষ করে মাছচাষের জন্য পুকুর খনন ও জমির ব্যবহার পরিবর্তনের কারণে আমবাগানের পরিমাণ হ্রাস পাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

    প্রযুক্তির ছোঁয়ায় উৎপাদনে গতিআমচাষে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। বিশেষ করে Ultra High Density (UHD) পদ্ধতি কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
    এই পদ্ধতিতে-কম জায়গায় বেশি গাছ লাগানো যায়গাছ ছোট হওয়ায় পরিচর্যা সহজফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়ফলে উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে লাভ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।জলবায়ু ও রোগবালাই: বড় চ্যালেঞ্জজলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আমচাষে ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। অনিয়মিত বৃষ্টি, ঝড় ও তাপমাত্রার ওঠানামায় মুকুল ঝরে পড়া ও ফলন কমার আশঙ্কা দেখা দেয়।এছাড়া রোগবালাই ও কীটপতঙ্গের আক্রমণ, সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি কৃষকদের জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।
    রপ্তানির সম্ভাবনা, প্রস্তুতির ঘাটতিবাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ আম উৎপাদন হলেও রপ্তানির পরিমাণ এখনো সীমিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে, যা আশার সঞ্চার করেছে।
    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন-আন্তর্জাতিক মানের গ্রেডিংউন্নত প্যাকেজিংকোল্ড স্টোরেজ ও কোল্ড চেইননিশ্চিত করা গেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বিশ্ববাজারে বড় অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
    কৃষকের প্রত্যাশাগোমস্তাপুরের এক আমচাষি জানান, “এবার গাছে মুকুল ভালো এসেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ফলন ভালো হবে। তবে আমরা ন্যায্য দাম চাই-এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”এই প্রত্যাশাই এখন জেলার হাজারো চাষির কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
    সামনে করণীয়বিশেষজ্ঞদের মতে, আম খাতকে টেকসই ও লাভজনক করতে-সংরক্ষণ ও কোল্ড স্টোরেজ বাড়ানো
    কৃষকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করাসরাসরি বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলাআমভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলাঅত্যন্ত জরুরি।সবুজে ভরা বাগান আর ঝুলন্ত আমের প্রাচুর্য জানান দিচ্ছে সম্ভাবনার কথা। সঠিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তির ব্যবহার ও বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নত করা গেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শুধু দেশের “আমের রাজধানী” হিসেবেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।আমের এই মৌসুম তাই শুধু ফলনের গল্প নয়-এটি একটি অঞ্চলের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি।

  • নওগাঁর ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল ব্যবস্থাপনা অ্যাপে দেয়া হচ্ছে জ্বালানী

    নওগাঁর ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল ব্যবস্থাপনা অ্যাপে দেয়া হচ্ছে জ্বালানী

    নওগাঁর ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল ব্যবস্থাপনা অ্যাপে দেয়া হচ্ছে জ্বালানী

    নওগাঁর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ফুয়েল ব্যবস্থাপনা অ্যাপে দেয়া হচ্ছে জ্বালানী তেল। নওগাঁর ২৯টি ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে হয়রানী ছাড়াই জ্বালানী তেল পেতে ও অনিয়ম ঠেকাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চালু করা হয়েছে ফুয়েল ব্যবস্থাপনা অ্যাপ। এতে করে জেলাজুড়ে জ্বালানী তেল বিতরণে বৈষম্যের সৃষ্টি না হওয়ায় স্বচ্ছতার ভিত্তিতে তেল পাওয়ায় ভোক্তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।রোববার (০৫এপ্রিল) প্রাথমিকভাবে সদর উপজেলার ১১টি পেট্রোল পাম্পে প্রথমবারের মতো এই কার্যক্রম শুরু করা হয়। আর মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) থেকে জেলার ১১টি উপজেলার সকল ফিলিং স্টেশনগুলোতে ট্যাগ কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে এই অ্যাপ চালু করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।মঙ্গলবার জেলার রাণীনগর উপজেলার ৫টি ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল ব্যবস্থাপনা অ্যাপ স্থাপনের পর তেল সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে তেল বিতরণের কার্যক্রম তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুল হাসান।মোটরসাইকেলে তেল নিতে আসা বাইকাররা জানান, অনেকের বাইকে তেল থাকার পরেও লাইনে দাঁড়িয়ে বারবার তেল নেয়। অ্যাপসের মাধ্যমে তেল দেওয়ার ফলে কোন চালক চাইলেই আর নির্দিষ্ট পরিমাণ মোটরসাইকেল চালানোর আগে তেল নিতে পারবে না। আমরা প্রশাসনের কাছে এই অ্যাপস ব্যবস্থা কার্যকর রাখার দাবি জানাই।নওগাঁর মুক্তির মোড়ের মেসার্স সাকিব ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আল আমিন বলেন, এই অ্যাপ পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসন কর্তৃক ট্রেনিং করতে হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অ্যাপসের মাধ্যমে তেল বিক্রয়ের নির্দেশনা মেনে সকাল থেকেই তেল বিক্রি করা হচ্ছে। এতে মাধ্যমে কেউ চাইলেই একাধিকবার তেল নিতে পারবে না। এতে আমাদের তেল দিতেও সুবিধা হচ্ছে।অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: মাসুদুল হক জানান, একটি গাড়ি অ্যাপসের মাধ্যমে তেল সরবরাহ করতে মাত্র ১৫-২০ সেকেন্ড সময় বেশি লাগছে। তবে পরবর্তীতে অসাধু ব্যক্তিগণকে শনাক্ত করলে তারা আর লাইনে ভীড় করতে পারবে না, ফলে প্রাপ্য ব্যক্তিগণ বরং এখনকার চেয়ে অল্প সময়েই তেল পাবেন। এটি পুরোপুরি চালু হলে জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত হবে। অ্যাপটির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা কাজ করছেন।জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নওগাঁ জেলায় ভিন্ন আঙ্গিকে এই ফুয়েল অ্যাপ চালু করা হয়েছে। অ্যাপের মূললক্ষ্য হলো, গাড়ী প্রতি যৌক্তিক ব্যবহার সীমা নির্ধারণপূর্বক জ্বালানি তেলের কালোবাজারি, অবৈধ মজুদ এবং একাধিকবার তেল নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করা। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র একই মোটরসাইকেল বা ভিন্ন পরিচয়ে বারবার তেল নিয়ে তা বেশি দামে বিক্রি করছিল। এই অ্যাপ চালু হওয়ায় সেই সুযোগ আর থাকছে না।তিনি আরো জানান, এখন থেকে ফুয়েল অ্যাপ ব্যবহার করে সকল গ্রাহককে তেল নিতে হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে তেল নিলে গ্রাহক চাইলেই আর একাধিকবার তেল নিতে পারবেন না। গাড়িতে তেল দেওয়ার সময়, তেলের পরিমাণ, গাড়ির মাইলেস এবং লাইসেন্স নাম্বার অ্যাপে সংরক্ষিত থাকবে। একটি মোটরসাইকেল একবার ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। এরপর ১২৫ কিলোমিটার চালানোর পরে সেই মোটরসাইকেলে আবার তেল দেওয়া হবে। কেউ যদি ১২৫ কিলোমিটার গাড়ি না চালিয়ে অন্য পাম্পে তেল দিতে যায়, তাহলে অ্যাপের মাধ্যমে সেটি ধরা পড়বে। এখন থেকে প্রকল্পের আওতায় জেলার সকল ফিলিং স্টেশনে এই অ্যাপ চালু করা হয়েছে। নওগাঁবাসী এই অ্যাপের মাধ্যমে উপকৃত হবেন এবং জ্বালানী তেল নিয়ে কোন অনিয়মের সৃষ্টি হবে না।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মঙ্গলবার বিকেলে আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে আমসহ বিভিন্ন খেতের ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষকরা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী জানান, সদর উপজেলায় বিকেল ৩টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে কিছুক্ষণ পর শিবগঞ্জ উপজেলায় তীব্র শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ১৫ মিনিট স্থায়ী এই শিলাবৃষ্টিতে আকাশ থেকে ৫০ থেকে ১০০ গ্রাম ওজনের বড় বড় শিলা পড়েছে।শিলাবৃষ্টির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমের বাগান। গাছে থাকা কাঁচা আম ঝরে পড়েছে এবং অনেক আম আঘাতে নষ্ট হয়েছে। পাশাপাশি শাকসবজি ও অন্যান্য খেতের ফসলও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।ড. ইয়াছিন আলী আরও জানান, শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের জন্য মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।স্থানীয় কৃষকেরা মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে হতাশা ও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তারা সরকারের সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের আশায় দিন গুনছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইটবোঝাই ট্রলি উল্টে বড় ভাই নিহত ॥ আহত ছোট ভাই

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইটবোঝাই ট্রলি উল্টে বড় ভাই নিহত ॥ আহত ছোট ভাই

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইটবোঝাই ট্রলি উল্টে বড় ভাই নিহত ॥ আহত ছোট ভাই

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইটবোঝাই একটি ট্রলি উল্টে আব্দুস সামাদ নামে এক ট্রলি চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের ছোটভাই।শিবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক ডিকে তনয় কুমার জানান, বুধবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ মহাসড়কের হরিনগর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে আব্দুস সামাদ ইটবোঝাই ট্রলি নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শিবগঞ্জ আসছিলেন। হরিনগর এলাকায় পৌঁছালে ট্রলির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান আব্দুস সামাদ।

    দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার ছোট ভাই সারোয়ার হোসেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। নিহত আব্দুস সামাদের মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কালিয়াতে প্রস্তুতিমুলক সভা

    বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কালিয়াতে প্রস্তুতিমুলক সভা

    বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কালিয়াতে প্রস্তুতিমুলক সভা

    নড়াইলের কালিয়াতে শুভ বাংলা নববর্ষ প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। বুধবার (০৮ এপ্রিল) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে, এসো হে বৈশাখ এসো হে” শুভ বাংলা নববর্ষ- ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে এই প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিন্নাতুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তারা বলেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে আনন্দঘন, বর্ণাঢ্য ও সুশৃঙ্খলভাবে পালন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় , পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী লোকজ মেলা আয়োজন করা হবে। জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর ও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সভায় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস, কালিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ ইদ্রিস আলী,উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মোমিন, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আল আমিনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ অন্যরা।

  • ভোলাহাটে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় ‘ইসকাপ’ সিরাপসহ যুবক আটক

    ভোলাহাটে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় ‘ইসকাপ’ সিরাপসহ যুবক আটক

    ভোলাহাটে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় ‘ইসকাপ’ সিরাপসহ যুবক আটক

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে মাদকবিরোধীবিশেষ অভিযানে ৯৮ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ ‘ইসকাপ’ সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।
    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলাহাট থানা পুলিশের একটি চৌকস দল উপজেলার মুশরীভিজা এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে এক যুবককে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে ৯৮ বোতল ভারতীয় ইসকাপ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই তাকে আটক করা হয়।
    আটক ব্যক্তি হলেন—মুশরীভিজা গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে গোলাম রাব্বানী (২৭)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় ভারত থেকে অবৈধভাবে এসব মাদক সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন।
    ভোলাহাট থানা পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত ইসকাপ সিরাপগুলো মূলত মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, যা তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই ধরনের অবৈধ সিরাপের বিরুদ্ধে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।
    এ ঘটনায় ভোলাহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মামলা নম্বর-০৩। আটক আসামিকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে বলেও নিশ্চিত করেছে পুলিশ।পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, মাদক নির্মূলে এমন ধারাবাহিক অভিযানই পারে সমাজকে নিরাপদ রাখতে। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • নওগাঁর পোরশায় নেশাগ্রস্ত ছেলেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করলেন বাবা

    নওগাঁর পোরশায় নেশাগ্রস্ত ছেলেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করলেন বাবা

    নওগাঁর পোরশায় নেশাগ্রস্ত ছেলেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করলেন বাবা

     

    নওগাঁর পোরশা উপজেলায় মাদকাসক্ত ছেলের আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাতে তুলে দিলেন এক অসহায় বাবা। বুধবার পোরশা উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের নোনাহার পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পারভেজ (৩৪) নামে ওই যুবককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নোনাহার পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদুল নবীর ছেলে পারভেজ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তিনি নিয়মিত অবৈধ মাদক সেবন করতেন এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে উশৃঙ্খল আচরণ করতেন। তার এমন আচরণে পরিবারে অশান্তি ও এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছিল।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, পারভেজ প্রায়ই মাদক গ্রহণ করে বাড়িতে ভাঙচুর, হৈচৈ ও মারমুখী আচরণ করতেন। এতে তার পরিবারের সদস্যরা যেমন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিলেন, তেমনি আশপাশের মানুষও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন।
    এ অবস্থায় বুধবার দুপুরে তার বাবা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
    আদালতে পারভেজ তার অপরাধ স্বীকার করলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির প্রাসঙ্গিক ধারায় তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার পরপরই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ছেলের মাদকাসক্ত আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে বাবা নিজেই তাকে আইনের হাতে তুলে দিয়েছেন। আদালতে অভিযুক্ত তার দোষ স্বীকার করায় আইন অনুযায়ী তাকে সাজা প্রদান করা হয়েছে।
    এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, মাদকের বিরুদ্ধে এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেবে এবং পরিবার ও সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও আরও সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে।
    মাদকাসক্তি শুধু একজন ব্যক্তির নয়, পুরো পরিবার ও সমাজের জন্য অভিশাপ। তাই এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে।

  • চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় ট্রাক চাপায় শিশু নিহত

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় ট্রাক চাপায় শিশু নিহত

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় ট্রাক চাপায় শিশু নিহত

     চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা সড়কে ট্রাকের ধাক্কায় আতিকা (৩) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
    বুধবার(৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দর্শনা রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আতিকা দর্শনা মোবারক পাড়ার আতাহার জামিলের মেয়ে। তিন মাস আগে ক্যান্সারে মায়ের মৃত্যুর পর থেকে সে তার খালু মোবারক হোসেনের কাছে বসবাস করছিল।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা থেকে আতিকার খালাতো বোন প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফিরছিলো। তাকে দেখতে পেয়ে আতিকা দৌড়ে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করলে দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি (যশোর-ঢ ০১-০০০২) স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। বর্তমানে ট্রাকটি দামুড়হুদা থানা হেফাজতে রয়েছে।
    দামুড়হুদা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, নিহত শিশুটিকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা চিৎলা হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।