Category: খুলনা

  • বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কালিয়াতে প্রস্তুতিমুলক সভা

    বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কালিয়াতে প্রস্তুতিমুলক সভা

    বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কালিয়াতে প্রস্তুতিমুলক সভা

    নড়াইলের কালিয়াতে শুভ বাংলা নববর্ষ প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। বুধবার (০৮ এপ্রিল) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে, এসো হে বৈশাখ এসো হে” শুভ বাংলা নববর্ষ- ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে এই প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিন্নাতুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তারা বলেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে আনন্দঘন, বর্ণাঢ্য ও সুশৃঙ্খলভাবে পালন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় , পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী লোকজ মেলা আয়োজন করা হবে। জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর ও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সভায় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস, কালিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ ইদ্রিস আলী,উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মোমিন, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আল আমিনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ অন্যরা।

  • চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় ট্রাক চাপায় শিশু নিহত

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় ট্রাক চাপায় শিশু নিহত

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় ট্রাক চাপায় শিশু নিহত

     চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা সড়কে ট্রাকের ধাক্কায় আতিকা (৩) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
    বুধবার(৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দর্শনা রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আতিকা দর্শনা মোবারক পাড়ার আতাহার জামিলের মেয়ে। তিন মাস আগে ক্যান্সারে মায়ের মৃত্যুর পর থেকে সে তার খালু মোবারক হোসেনের কাছে বসবাস করছিল।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা থেকে আতিকার খালাতো বোন প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফিরছিলো। তাকে দেখতে পেয়ে আতিকা দৌড়ে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করলে দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি (যশোর-ঢ ০১-০০০২) স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। বর্তমানে ট্রাকটি দামুড়হুদা থানা হেফাজতে রয়েছে।
    দামুড়হুদা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, নিহত শিশুটিকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা চিৎলা হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে এক বৃদ্ধের মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে এক বৃদ্ধের মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে এক বৃদ্ধের মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড় ও বৃষ্টিতে এ ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয় এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।নিহত মকলেছুর রহমান (৬৫) সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের সরদারপাড়ার বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বাড়ির তিনতলার ছাদে থাকা টিন নামাতে যান। এ সময় প্রবল বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন।পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ছাদ থেকে পড়ে একজন বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। এদিকে, ঝড়ের সময় চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ডিঙ্গেদহ ও বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় বেশ কয়েকটি গাছ উপড়ে পড়ে। এতে সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় গাছ অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই কালবৈশাখীতে জেলায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝড়ের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার। এদিকে আম, লিচুসহ মৌসুমি ফসলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।

  • কালিয়ার যোগানিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি ঘর সংস্কারের দাবি

    কালিয়ার যোগানিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি ঘর সংস্কারের দাবি

    কালিয়ার যোগানিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি ঘর সংস্কারের দাবি

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলা বাঐসোনা ইউনিয়নের যোগানিয়া বাজারের দক্ষিণ পাশে ১ম আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি ঘরের খুঁটি ও টিনের চালা মরিচা ধরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে টিনের ফুটো দিয়ে বৃষ্টিতে ঘর ভিজে যায়। ফলে দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাসকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ এই ভাঙা ঘরে বসবাস করছি। ভাঙ্গা টিনের চালের উপর পলিথিন দিয়ে ইটের ভারা দিয়ে রেখে জীবনযাপন করছি, কিন্তু ঝড় এলে পলিথিন ছিঁড়ে ঘর ভরে যায় বৃষ্টির পানিতে। ছেলেমেয়েদের নিয়ে এই সকল ঘরে বসবাস করা কষ্টদায়ক। এখানে বর্তমানে বসবাস করা সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের সভাপতি আলামিন বলেন, আমাদের এখানে প্রধান সমস্যা টিনের চালা মরিচা ধরে ফুটো দিয়ে বৃষ্টির পানিতে ঘর ভরে যায়। যে সকল টয়লেট ছিলো সেগুলো ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশুদ্ধ পানির কোন ব্যবস্থা নেই। তিনি আরো বলেন, সাবেক এমপি কে আমাদের সমস্যার কথা বলেছি, কিন্তু কোন সমাধাণ পায়নি। বর্তমান এমপি আলহাজ্ব বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলতে চাই, আমাদের সমস্যাগুলো যেন সমাধান করে দেন।এবিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম, আমাদের সরকারি যে কোন প্রকল্পের মাধ্যমে ঘরগুলো মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ॥বইছে মাঝারি তাপপ্রবাহ

    চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ॥বইছে মাঝারি তাপপ্রবাহ

    চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ॥বইছে মাঝারি তাপপ্রবাহ

    চুয়াডাঙ্গায় সারা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৯ ডিগ্রীতে। বয়ে যাচ্ছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬ টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস, যা সারা দেশের মধ্যেও সর্বোচ্চ। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৩ শতাংশ। বেলা ৩ টায় একই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হলেও এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার ছিল ৩৪ শতাংশ, যা গরমের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এর আগে বেলা ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ,সে সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪৫ শতাংশ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা আরও বেড়ে যায় এবং বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়। এদিকে, প্রচন্ড তাপপ্রবাহে জেলা শহরের রাস্তা অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষেরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। স্থানীয় কৃষকরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। টানা গরমে ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। বৃষ্টির না হওয়ায় মাটি ফেটে যাচ্ছে। এতে প্রভাব পড়ছে শাকসবজি চাষে।চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার হাসনহাটি গ্রামের কৃষক খোকন জানান, রোদের তাপে ও গরমে মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। বৃষ্টি না হলে ফসলের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। এ অবস্থায় খুব দুশ্চিন্তায় আছি। চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সাথে বাতাসে আর্দ্রতার ছিল ৩৪ শতাংশ। কয়েকদিন এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

  • বেনাপোল সীমান্তে পৌনে ৩ কেজি বিস্ফোরক পাউডার উদ্ধার

    বেনাপোল সীমান্তে পৌনে ৩ কেজি বিস্ফোরক পাউডার উদ্ধার

    বেনাপোল সীমান্তে পৌনে ৩ কেজি বিস্ফোরক পাউডার উদ্ধার

    যশোরের বেনাপোলের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে দুই কেজি ৮০০ গ্রাম বিস্ফোরক পাউডার’ উদ্ধার করেছে বিজিবি। বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে বড়আঁচড়া গ্রামের পাকা রাস্তার উপর থেকে বিস্ফোরকের চালানটি আটক করা হয়। বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের জানান, বিস্ফোরকগুলো ভারত থেকে পাচার করে আনা হয়েছে ধারনা করা হচ্ছে। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি। তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পের স্পেশাল টহল দল এক কেজি ৪০০ গ্রাম বিস্ফোরক পাউডার ও এক কেজি ৪ গ্রাম পটাশ বিস্ফোরক পাউডার উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকের সিজার মূল্য ৭ লাখ টাকা। বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার আব্দুল আজিজ বলেন, বিস্ফোরক পাউডার গুলো রাতেই বেনাপোল পোর্ট থানায় জমা দেওয়া হয়েছে এবং একটি মামলা করা হয়েছে।

  • কালিয়ায় পৃথক অভিযানে ৭৪০০ লিটার ডিজেল জব্দ ॥২ জনকে জরিমানা

    কালিয়ায় পৃথক অভিযানে ৭৪০০ লিটার ডিজেল জব্দ ॥২ জনকে জরিমানা

    কালিয়ায় পৃথক অভিযানে ৭৪০০ লিটার ডিজেল জব্দ ॥২ জনকে জরিমানা

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ডিজেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার বিকেলে উপজেলার বারইপাড়া ফেরিঘাট ও কলাবাড়িয়া এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মোট ৭৪০০ লিটার ডিজেল জব্দের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলামের নেতৃত্বে বারইপাড়া ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

    এসময় পিন্টু শেখ (৫৫) নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯টি ব্যারেলে রাখা ১৮০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই দিনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবনী বিশ্বাস কলাবাড়িয়া এলাকায় একটি ট্রাকে অভিযান চালিয়ে খায়রুল শেখ (৪৫) নামের আরেক ব্যক্তির কাছ থেকে ২৮টি ব্যারেলে রাখা ৫৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ করেন। এ ঘটনায় তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ইউএনও মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, জব্দকৃত মোট ৭৪০০ লিটার ডিজেল সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়

    খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়

    খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়

    খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্যানেল সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১৪টি পদে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। রোববার দিনব্যাপী উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে মোট ১২০২ জন ভোটারের মধ্যে ১০৫৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা আইনজীবীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণেরই প্রতিফলন। নির্বাচনে সভাপতি পদে মোল্লা মোহাম্মদ মাসুম রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া সহসভাপতি পদে মহসিন চৌধুরী ও মোশারফ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক এম এম তৌহিদুজ্জামান, লাইব্রেরি সম্পাদক জয়দেব কুমার সরকার এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নুরুন নাহার নাজমুন নেছা জেবা নির্বাচিত হয়েছেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের সাত সদস্য হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান, নারায়ণ কুমার মণ্ডল, আ ফ ম মুস্তাকুজ্জামান মুক্তা, স্বর্ণালী দাস, শেখ সোহান ইসলাম, শাজাহান ঠাকুর এবং শাকিরা ফেরদৌস রিমি। নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ বলেন, এই বিজয় খুলনার আইনজীবীদের অধিকার রক্ষা, পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি এবং সমিতিকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সকল আইনজীবীর সহযোগিতা কামনা করেন বিজয়ী নেতৃবৃন্দ।

  • বিলুপ্তির পথে চুয়াডাঙ্গায় দেশীয় প্রজাতির পাখি

    বিলুপ্তির পথে চুয়াডাঙ্গায় দেশীয় প্রজাতির পাখি

    বিলুপ্তির পথে চুয়াডাঙ্গায় দেশীয় প্রজাতির পাখি

    এক সময় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গ্রাম-গঞ্জের মাঠে-ঘাটে, বনে-জঙ্গলে আর গাছে গাছে হরেক প্রজাতির পাখির বিচরণ ছিল। পাখির কলকাকলিতেই ভাঙত গ্রামীণ জনপদের মানুষের ঘুম। কিন্তু কালের আবর্তে সেই চিরচেনা দৃশ্যপট এখন বিলুপ্তির পথে। বন-জঙ্গল উজাড় আর জনবসতি বাড়ার ফলে বাসস্থান হারিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির নানা পাখি। সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী দোয়েল, বাবুই, শালিক, ঘুঘু, টুনটুনি, চিল, পানকৌড়ি, ডাহুক, কোকিল ও শকুনের মতো পাখিগুলো এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না। এমনকি বসন্তের আগমনি বার্তা দেওয়া ‘বউ কথা কও’ পাখির ডাকও এখন শোনা ভার। নতুন প্রজন্মের কাছে এসব পাখি এখন কেবল বইয়ের পাতা বা ইতিহাসের গল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেলগাছি গ্রামের পাখিপ্রেমী বখতিয়ার হামিদ জানান, বালিহাঁস, লাল মাছরাঙা, চন্দনা ও হরিয়ালের মতো অনেক প্রজাতি ইতোমধ্যে হারিয়ে গেছে। নির্বিচারে শিকারের কারণে ঘুঘু ও বুলবুলিও বিলুপ্তপ্রায়। উঁচু তালগাছে বাবুই পাখির শৈল্পিক বাসা এখন আর নজরে পড়ে না। রাতে শোনা যায় না হুতুম প্যাঁচার ডাক। জীবননগরের উথলী গ্রামের আব্দুল মান্নান পিল্টু আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েলকেও এখন শিশুদের বইয়ের ছবি দেখে চিনতে হয়। মুক্ত আকাশে এসব পাখির ওড়াউড়ি এখন দুর্লভ দৃশ্য। পাখি বিলুপ্তির কারণ অনুসন্ধানে জানা গেছে, পরিবেশ বিপর্যয়, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং ব্যাপক বন উজাড়ের ফলে পাখিরা তাদের নিরাপদ আবাসস্থল ও প্রজনন ক্ষেত্র হারাচ্ছে। এছাড়া কৃষিজমিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পাখির প্রধান খাদ্য পোকামাকড় ও ছোট মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে। বিষযুক্ত খাবার খেয়ে অনেক পাখি প্রাণ হারাচ্ছে। অন্যদিকে, এক শ্রেণির অসাধু শিকারি ফাঁদ পেতে ও বিষটোপ দিয়ে পাখি শিকার করে বাজারে বিক্রি করছে। জীবননগর সরকারি মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বন উজাড় ও মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে দেশীয় প্রজাতির এসব পাখি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সাহাবুদ্দিন জানান, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় পাখির গুরুত্ব অপরিসীম। পাখির অভয়ারণ্য বাড়ানো এবং জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে এই সংকট মোকাবিলা করতে হবে। পাখি রক্ষায় জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

  • নড়াইলে যোগানিয়া হাটে টোলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    নড়াইলে যোগানিয়া হাটে টোলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    নড়াইলে যোগানিয়া হাটে টোলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

    নড়াইলের নড়াগাতী থানার যোগানিয়া হাট সরকারিভাবে খাস ঘোষণা করা হলেও সেখানে এখনো টোলের নামে চলছে চাঁদাবাজি, এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত বছর টেন্ডারের মাধ্যমে হাটের ইজারা পান বিএনপি নেতা শরাফত আলী (শবো)। ইজারার মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৭ লাখ ৮০০ টাকা। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও বাকি অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় উপজেলা প্রশাসন পরবর্তীতে হাটটিকে খাস ঘোষণা করে। কিন্তু বাস্তবে খাস ঘোষণার কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন হাটের ব্যবসায়ীরা। সরেজমিন হাটে গিয়ে বিক্রেতা ও দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা অনেকেই জানেন না যে হাটটি খাস ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি হাটে আগের মতোই অতিরিক্ত হারে টোল আদায় করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পূর্বের ইজারাদার পক্ষের লোকজন এখনো টোল আদায় করছে। ঈদকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ‘বোনাস’ নামেও টাকা আদায় করা হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, শরাফত আলী শবো হাটটি কয়েকটি ভাগে ভাগ করে সাপ্তাহিক দুই দিনের হাট বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দিয়ে দেন। তাদের মধ্যে হাফিজ, রিপন, মহ্মের, লুৎফার, দেলবার, মন্টু মাস্টার ও পাগলা কুদ্দুসসহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে টোল আদায় করছেন এবং সরকারি কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না।এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, হাটটি খাস ঘোষণার পর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে টোল আদায়ের সুযোগ নেই। এ বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।