Category: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের হাতে ফেন্সিডিলসহ ব্যবসায়ী আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের হাতে ফেন্সিডিলসহ ব্যবসায়ী আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের হাতে ফেন্সিডিলসহ ব্যবসায়ী আটক

    মাদক পাচারের গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের তেলকুপি লম্বাপাড়া এলাকা থেকে ৪’শ বোতল ফেন্সিডিলসহ মোঃ সারওয়ার্দি @ সাহু (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। সে জলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের তেলকুপি লম্বাপাড়া গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে। র‌্যাব এক প্রেসনোটে জানায়, র‌্যাব ৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল ৮ এপ্রিল রাত দেড়টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার তেলকুপি লম্বাপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল রিয়াজ শাহ্রিয়ার এবং কোম্পানী উপ অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জাহিদুল ইসলাম। এসময় মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সারওয়ার্দি @ সাহু’র বসত বাড়ীর সামনে আঙ্গিনায় বড় সুড়ঙ্গ থেকে ৪০০ বোতল ফেন্সিডিল, একটি মোবাইল ফোনসহ মোঃ সারওয়ার্দি @ সাহু কে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।

  • শিবগঞ্জে কবজী কাটা সেই প্রতিবন্ধী রুবেল কে ভাতা প্রদান

    শিবগঞ্জে কবজী কাটা সেই প্রতিবন্ধী রুবেল কে ভাতা প্রদান

    শিবগঞ্জে কবজী কাটা সেই প্রতিবন্ধী রুবেল কে ভাতা প্রদান

    বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধীনে শিবগঞ্জ সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের আলোচিত দুই হাতকাটা সেই রুবেল আহমেদ। প্রতিবন্ধী রুবেল আহমেদ শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের খোদাবক্সের ছেলে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস তাকে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড তুলে দেন। এসময় স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য মো: আজিম আলীসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত দুই বছর আগে পূর্বশত্রুতার জেরে তার ২ হাতের কবজী কেটে ফেলে দুর্বৃত্তরা।

  • শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ, সভাপতি যখন অধ্যক্ষ ॥ নিজ বাড়িতে অফিস ॥ কলেজের নিয়ন্ত্রণ এনজিও’র হাতে

    শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ, সভাপতি যখন অধ্যক্ষ ॥ নিজ বাড়িতে অফিস ॥ কলেজের নিয়ন্ত্রণ এনজিও’র হাতে

    শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ
    সভাপতি যখন অধ্যক্ষ ॥ নিজ বাড়িতে অফিস ॥ কলেজের নিয়ন্ত্রণ এনজিও’র হাতে

    কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নিজেই অধ্যক্ষের ভূমিকায় থেকে সকল কাজ করছেন, নিজ বাড়িয়ে অফিস বসিয়ে চালাচ্ছেন কলেজের প্রায় সকল কার্যক্রম। কলেজের আভ্যন্তরীন ও বিভিন্ন অফিসিয়াল কার্যক্রম চালাচ্ছেন জেলার একটি এনজিওকে দিয়ে। কলেজের গোপন সকল তথ্য থাকছে গভর্নিং বডির একজন সদস্য’র পরিচালিত এনজিও’র নিয়ন্ত্রণে। কলেজের জমি অন্যের নামে নিতে সড়যন্ত্র চললেও কোন মাথা ব্যাথা নেই সভাপতিসহ গভর্নিং বডির সদস্যদের। কলেজের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তোড়জোড় চালানো হচ্ছে। কলেজের এসব কার্যক্রম বিষয়ে কেউ কথা বলার সাহস পর্যন্ত করছেন না সভাপতির ভয়ে। নিজ ক্ষমতাবলে বন্ধ রেখেছেন কলেজের অনার্স বিভাগের বেশ কয়েক মাসের বেতন-ভাতাদী ও কর্মচারীদের কলেজ থেকে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধাদীও। এমন সব নানা অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ’ এর পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বালুগ্রাম আদর্শ কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জালিয়াতকারী মো. সাইদুর রহমান। অন্যদিকে, কলেজের দুই/একজন আস্থাভাজন এবং সাবেক অধ্যক্ষ মরহুম আনোয়ারুল ইসলামের দোষর ও অনিয়মের সহায়তাকারী শিক্ষকদের নিয়ে অনিয়মের কাজ চালানো, অধ্যক্ষের ক্ষমতা খর্ব করে ও জিম্মি করে সভাপতির সকল কাজ করা হচ্ছে। এদিকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এসব বিষয় স্বীকার করে জানিয়েছেন তাঁর অসহায়ত্বের নানা কথা। ক্ষুদ্ধ কলেজের অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মচারীরা। তাঁর স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও নানা অত্যাচারের প্রতিকার চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন কলেজের এক অভিভাবক সদস্য। জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ’ পরিচালনার জন্য ২০২০ সালে গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়ন দেয়া হয় কয়েক মাসের জন্য (সংসদ সদস্যদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার আদেশের কারণে)। পরিচালনা পর্ষদ গঠনের সময় বালুগ্রাম আদর্শ কলেজের অব. অধ্যক্ষ মো. সাইদুর রহমান নিজেকে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন পেতে উঠে পড়ে লাগেন। প্রথম দফায় জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের সাথে সখ্যতা থাকায় কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হন তিনি। সভাপতি মনোনীত হওয়ার পর থেকেই তিনি শুরু করেন নিজ মনমতো কাজ করতে। জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জালকারী ও বালুগ্রাম কলেজের দায়িত্ব পালনকালে নানা অপকর্মের হোতা, সকল অনিয়ম ও অপকর্মের প্রমান নিশ্চিহ্ন করতে কলেজের কম্পিউটারের মাদারবোড উধাওকারী, অজ্ঞাত কারনে কলেজের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীকে ভিআইপি চেয়ারে বসিয়ে কম্পিউটারের কার্যক্রম চালানো, ওই কর্মচারীর স্ত্রীকে চাকুরী দেয়ার জন্য কৌশলসহ নানা অনিয়ম ও কাজের হোতা একজন বিতর্কিত মানুষকে এমন স্বানমধণ্য কলেজের সভাপতি মনোনয়ন দেয়ায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ ও এলাকাবাসী মানববন্ধন পর্যন্ত করে কলেজ গেটে। তারপরও তিনি নাছোড়বান্দা, দায়িত্ব গ্রহণ করার পরই শুরু হয় স্বেচ্ছাচারিতা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কলেজ অধ্যক্ষ মো. শরিফুল আলমকে হাতের পুতুল বানিয়ে নাচিয়ে নিয়ে বেড়াতে থাকেন। পরিচালনা পর্যদের ক্ষমতা খাটিয়ে নিজের পছন্দমত সব কাজ করিয়ে নেন এবং উপায়ান্তর না পেয়ে মুখ বুজে সব কাজ করতে বাধ্য হন তখনকার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. শরিফুল আলম। এভাবেই মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে। ২০২১ সালের জানুয়ারী মাসে আবারও একই কায়দায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে দিয়ে কৌশলে ও চাপ দিয়ে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ে সকল কাগজপত্র নিজে পাঠিয়ে এবং নিজের আস্থাভাজন লোক থাকায় আবারও সভাপতি মনোনয়ন পেয়ে যান সাইদুর রহমান। তারপর থেকেই নতুন নতুন পরিকল্পনা ও নিজের আখের গোছাতে শুরু করেন সভাপতি পরিচালনা পর্ষদের কিছু সদস্যকে নিয়ে। এরই অংশ হিসেবে কলেজের অধ্যক্ষসহ কয়েকটি কর্মচারী পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করে। সেখানেও স্বজনপ্রীতি, নিজ স্বার্থ হাসিলসহ বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করার পরিকল্পনা, কলেজে শিক্ষার্থী হিসেবে না থাকলেও অভিভাবক সদস্য রাখা, নিজ পছন্দমত সদস্যদের দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার তোড়জোড় শুরু করেন। প্রেক্ষিতে কলেজের একজন অভিভাবক এসব অনিয়ম ও বিতর্কিত কার্যকম বন্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৪৪/২০২২ অঃপ্রঃ। তারিখ-২২/০৩/২০২২ইং। মামলায় শুনানী শেষে কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিসহ অন্যান্য সদস্যদের উপর কারণ দর্শানোর আদেশ দেন বিজ্ঞ আদালত। এদিকে, আদালতের নোটিশ পাওয়ার পরও নিয়োগ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন সভাপতি। যা আদালতকে অবমাননার সামিল বলছেন মামলার আইনজীবী। এদিকে, কলেজের সকল অনলাইন কার্যক্রম এবং কলেজের গোপন পিন নম্বর একটি এনজিও (প্রয়াস) যা কলেজের পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্যের দ্বারা পরিচালিত) দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। কলেজের অফিস সহকারী, কম্পিউটার ল্যাবসহ অন্যান্য সকল কারিগরি যন্ত্রপাতি থাকলেও জেলার প্রয়াস নামের এনজিওকে দিয়ে কাজ করাচ্ছেন এবং কলেজ ফান্ড থেকে মাসিক মোটা অংকের টাকা দিচ্ছেন। এছাড়া কলেজের গোপন সকল অনলাইন ভিত্তিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে ওই এনজিওর লোক দিয়ে। কলেজে একটি রুম বরাদ্দ দিয়ে এভাবে কাজ করানো হচ্ছে। তবে কোন অজ্ঞাত কারনে এটা করা হয়েছে তা কেউ বধোগম্য নয়, এমনকি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষও কিছুই জানেন না। কলেজের সকল কাজ কলেজ অধ্যক্ষ এর দায়িত্বে থেকে করার কথা থাকলেও সেসকল কাজ করছেন সভাপতি নিজ পছন্দের এবং বাইরের একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে। শুধুমাত্র নিজের নিয়ন্ত্রণে সবকিছু রাখার উদ্দেশ্যে। এমনকি কলেজ কর্তৃপক্ষকে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের দেয়া একটি মোবাইল সিমকার্ড, সেটাও সভাপতির কাছে নিজ নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। সব মিলিয়ে কলেজকে একটি ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালনা করছেন এবং নিজের ইচ্ছামত পরিচালনা করছেন। এদিকে, কলেজের দীর্ঘদিন দখলে থাকা জমি অন্য একজন চেক (দাখিলা) কেটে নিয়ে দখলের সড়যন্ত্র করলেও সভাপতি বা কলেজ পরিচালনা পর্ষদের কোন মাথাব্যাথা বা পদক্ষেপ নেয়। যেখানে নিজের লাভ নেই, সেখানে কোন কাজও নেই। এমনটায় যেন। কলেজের সকল কার্যক্রম প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্বে বা নিয়ন্ত্রণে না থেকে সভাপতির কাছে এমন প্রশ্নে কলেজের সকল অভিযোগ ও অত্যাচারের বিষয়ের সত্যতা স্বীকার করে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহা. হাকিকুল ইসলাম জানান, আমি একজন নামমাত্র অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বলা যায়, একটা পুতুল। চেয়ারে বসিয়ে রেখেছে আমাকে। কলেজের সকল কাজ আমার করার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারনে সভাপতি নিজেই সব করছেন এবং নিজের মনমত করছেন। কোন সময় সাদা প্যাডে স্বাক্ষর করে এবং স্মারক দিয়ে কলেজের প্যাড চেয়ে পাঠান নিজের বাড়িতে। নিজের পরিকল্পনামত কলেজের সকল গোপন তথ্য বাইরের একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে করাচ্ছেন এবং কলেজের অর্থ খরচ করছেন। আমি যেন একজন ঠুটো জনন্নাথ। যদিও আমার অনিচ্ছা স্বত্ত্বে জোরপূর্বক আমাকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিতে বাধ্য করেছেন। সব মিলিয়ে কলেজের সভাপতিই এখন অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান তিনি। এব্যাপারে মামলার বাদীর আইনজীবী এ্যাড. সৈয়দ তৌহিদুজ্জামান বলেন, কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাইদুর রহমানসহ অনান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, নিয়োগ বন্ধসহ নানা অভিযোগে কলেজের একজন অভিভাবক সদস্য মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক কারন দর্শানোর আদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই আদেশের পর কলেজ কর্তৃপক্ষ নিয়োগ সংক্রান্ত কোন কার্যক্রম চালানো বা যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়, সেসকল বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখা না দিয়ে আদালতকে বোঝাতে সক্ষম না হবে, ততদিন পর্যন্ত সকল অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। যদি কলেজ কর্তৃপক্ষ বা পরিচালনা পর্ষদ আদালতের আদেশ অমান্য করে নিয়োগসহ অন্যান্য বিতর্কিত কার্যক্রম চালাতে থাকে, তবে সেটা আদালতকে অমান্য করা। এব্যাপারে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অব. অধ্যক্ষ (বালুগ্রাম) মো. সাইদুর রহমান তাঁর বিরুদ্ধে করা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কলেজের বিষয়ে কোন কিছু জানতে বা বলতে রাজি নই। তবে তিনি মামলার কার্যক্রম বিষয়ে বলেন, আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করেই সকল কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর হাবিবুর রহমান বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে সকল প্রকার যোগাযোগ রক্ষার জন্য কলেজের কোড মিলিয়ে একটি মোবাইল সিমকার্ড দেয়া হয়। সেটা কলেজ অধ্যক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যদি কলেজের সভাপতি বা অন্য কারো কাছে এর নিয়ন্ত্রণ থাকে, তবে সেটা অবশ্যই অনিয়ম এবং অন্যায়।

  • র‌্যাবের হাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০১০ পিস ইয়াবাসহ আটক এক

    র‌্যাবের হাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০১০ পিস ইয়াবাসহ আটক এক

    র‌্যাবের হাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০১০ পিস ইয়াবাসহ আটক এক

    ♦ নিজস্ব প্রতিনিধি 

    মাদক পাচারের গোপন সংবাদে সদর উপজেলার মহারাজপুর ঘোড়াস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ১ হাজার ১০পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব ৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। আটককৃত ব্যবসায়ী সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নের নীলকুঠির মাঠের মৃত মোখলেছুর রহমানের ছেলে মোঃ অপু শেখ (২৮)। র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল ৬ এপ্রিল রাত সাতে ৮টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার মহারাজপুর ঘোড়াষ্ট্যান্ড এলাকায় কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার রুহ-ফি-তাহমিন তৌকির এর নেতৃত্বে একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ১০১০ পিচ ইয়াবা, একটি মোবাইল ফোনসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ অপু শেখ কে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

    ♦ নিজস্ব প্রতিনিধি 

    “সুরক্ষিত বিশ^, নিশ্চিত স্বাস্থ্য” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টায় সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে ও সমতা নারী উন্নয়ন সংস্থা ও ব্র্যাকসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় উক্ত অফিস চত্বর থেকে র‌্যালি বের করা হয়। সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে বের হয়ে র‌্যালিটি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভা কক্ষে সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাহমুদুর রশিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ ওহেদুজ্জামান, ব্র্যাক জেলা সমন্বয়ক মোমেনা খাতুন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মকর্তা চৌধুরী আব্দুল্লাহ আস শামস তিলক। শেষে জেলা হাসপাতাল চত্বরে হেলথ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

  • মেডিকেল পরিক্ষায় দেশে ছেলেদের মধ্যে প্রথম চাঁপাইনবাবগঞ্জের আব্দুল্লাহ

    মেডিকেল পরিক্ষায় দেশে ছেলেদের মধ্যে প্রথম চাঁপাইনবাবগঞ্জের আব্দুল্লাহ

    মেডিকেল পরিক্ষায় দেশে ছেলেদের মধ্যে প্রথম চাঁপাইনবাবগঞ্জের আব্দুল্লাহ

    সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ছেলেদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আব্দ্ল্লুাহ। সে সারাদেশে মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ভর্তির সুযোগ পেয়েছে আব্দ্ল্লুাহ। আব্দুল্লাহর চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার রাজারামপুরের ব্যাঙ-ডুবিপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। সে মইদুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। তার বাবা মইদুল নামোশংকরবাটি ভবানীপুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব। গত মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) মেডিকেলের ভর্তি পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়। ওই পরিক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে আব্দুল্লাহ লিখিত পরীক্ষায় ৯১ দশমিক ৫ নম্বর পেয়ে সারাদেশে ছেলেদের মধ্যে প্রথম স্থান দখল করেছে। সব মিলিয়ে সে ২৯১ দশমিক ৫ নাম্বার পেয়েছে।মেডিকেল পরীক্ষায় তার রোল নং ছিলো ৩৩০৯৮৭৪। সে রাজশাহীর মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজে মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। আব্দুল্লাহর বাবা মইদুল জানান, আমার ছেলে আব্দুল্লাহ ছোট থেকেই পড়া লিখার উপর ঝোঁক ছিল। নবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তার শিক্ষা জীবন শুরু। এ প্রাইমারি স্কুল থেকে সে পিএসসি পাস করেন। ভালো ফলাফলের জন্য এ পরিক্ষিায় সে ট্যালেন্টপুলে বিত্তি পেয়েছিল। হাইস্কুলে পড়ার জন্য জেলার নাম করা হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষা দেয়। ভর্তি পরিক্ষায় টিকে এখানেও পড়াড় সুযোগ পায় আমার ছেলে আব্দুল্লাহ। এ হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। জেএসসি ও এসএসসিতে পরিক্ষাতে ভালো ফলাফল করায় আব্দুল্লাহ ট্যালেন্টপুলে বিত্তি পেয়েছিল। তার বাবা আরও বলেন, রাজশাহী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরিক্ষাতে ও জিপিএ-৫ পাস করে। এ পরিক্ষাতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি না পেলেও সাধারনে বৃত্তি পায় আব্দুল্লাহ। ডাক্তার হবার ইচ্ছায় মেডিকেলে পরিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে আব্দুল্লাহ। প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করতে রাজশাহীর তিনটি কোচিং সেন্টারের মডেল টেস্ট আর প্রশ্ন ব্যাংকের সহযোগিতা নিয়ে মেডিকেল পরীক্ষায় অংশ নেয়। আল্লাহর ইচ্ছায় আমার ছেলে ঢামেকে পড়ার সুযোগ পেয়েছে। আমার ছেলে যেন মানুষের মতো মানুষ হতে পারে এমনটা প্রত্যাশা। আব্দুল্লাহ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছে, কিছু পাইতে চাইলে কিছু ত্যাগ করতে হবে। সেটা হতে পারে ঘুম, আরাম। ৩ মাস ধরে ফেসবুকে আসিনি। এফবি একাউন্ট deactivate ছিলো। গত ৩ মাস ধরে আমার মোবাইলের wallpaper ছিল,Your Lack Of Dedication is an Insult to Those Who Believe in You. আব্দুল্লাহ সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলে, ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নি। প্রসঙ্গত, এবারের এমবিবিএস পরীক্ষায় ছেলেদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন আব্দুল্লাহ। সে পেয়েছে ৯১.৫ নম্বার। এ পরিক্ষায় মোট পাস করেছেন ৭৯ হাজার ৩৩৭ জন। তার মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ৩৪ হাজার ৮৩৩ জন। ছেলেদের পাশের হার শতকরা ৪৩.৯১ শতাংশ।

  • গাইবান্ধায় এতিম ও অসহায়দের মাঝে ইফতার ও রাতের খাবার বিতরণ

    গাইবান্ধায় এতিম ও অসহায়দের মাঝে ইফতার ও রাতের খাবার বিতরণ

    গাইবান্ধায় এতিম ও অসহায়দের মাঝে ইফতার ও রাতের খাবার বিতরণ

    গাইবান্ধায় এতিম, দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে মাসব্যাপি ইফতার ও রাতের খাবার সহায়তা করছে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্র। গাইবান্ধা জেলাসহ রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাও ও কুড়িগ্রাম জেলার ১ লাখ ৪২ হাজার এতিম ও অসহায় মানুষকে প্রথম রোজা থেকে শেষ পর্যন্ত এই খাবার সহায়তা অব্যাহত রাখবে। গাইবান্ধা শহরে সংস্থাটির কার্যালয়ে প্রতিদিন ৩৫০ জনের জন্য ইফতার ও রাতের খাবার সহায়তার মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুরু করা হয়।

  • কানসাটে ভাতা ভোগীদের কার্ড তুলে দেন চেয়ারম্যান বেনাউল

    কানসাটে ভাতা ভোগীদের কার্ড তুলে দেন চেয়ারম্যান বেনাউল

    কানসাটে ভাতা ভোগীদের কার্ড তুলে দেন চেয়ারম্যান বেনাউল

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট ইউনিয়নে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড উপকার ভোগিদের মাঝে তুলে দেন কানসাট ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম। বুধবার প্রায় ৭০০টি কার্ড বিতরণ করা হয়। কানসাট ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নে একটি মানুষও না খেয়ে থাকবে না, একটি মানুষও চিকিৎসার অভাবে মারা যাবে না।” তিনি আরো জনান, কানসাট ইউনিয়ন পরিষদ আজ মডেল ইউনিয়নে পরিণত হয়েছে, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ সকল উন্নয়ন জনসাধারণকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমার জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যতদিন আমকে জীবিত রেখেছেন, ততদিন আপনাদের সেবা করতে পারি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কানসাট ইউপি আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • নাচোলে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন্স’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

    নাচোলে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন্স’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

    নাচোলে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন্স’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

    ♦ নাচোল প্রতিনিধি 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ নাচোল থানা পুলিশের আয়োজনে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন্স নেটওয়ার্কের উদ্যোগে নাচোল মহিলা কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আলোচনা সভা হয়। বুধবার কলেজের মিলনায়তনে নাচোল থানা পুলিশের আয়োজনে এমতবিনিময় সভা হয়। নাচোল মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ জনাব আশীষ কুমার চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনভনাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নারী শিশু ও বয়স্ক হেল্পডেক্স এর এএসআই লতিফা, নাচোল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল ওয়াহাবসহ অত্র কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ। বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক এর উদ্যোগে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বাল্য বিবাহ, নিরাপদ ইন্টারনেট প্রযুক্তির ব্যবহার, অপহরণ, প্রগতি নারী নির্যাতন, মাদক সেবন প্রতিরোধের বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা মুলক সভা এবং বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও সভা

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও সভা

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও সভা

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও আলোচনা সভা হয়েছে। ‘সবাই মিলে খেলা করি-মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি’ স্লোগানে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা হয়।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে বের র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। শেষে সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনসহ অন্যরা। র‌্যালী ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, আরডিসি মো. আনিসুর রহমান, ক্রীড়া সংগঠক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর শেখ ফরিদ সায়েম, জেলা ক্রীড়া অফিসের মো. জনিসহ বিভিন্ন বয়সী খেলোয়াড়রা অংশ নেয়।