সাধারণ ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিলো বলেই শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে-সারজিস আলম
সমস্যার জায়গা খুঁজে বের করা সমাধানের অর্ধেক পথ পাড়ি দেয়ার সমান। এই অভুথান যদি শুধু মাত্র রাজনৈতিক দলের নেতা-কমীরা রাজপথে থাকতো, তাহলে কখনোই অভ্যুথান সম্ভব হতোনা বরং আমরা মনেকরি সাধারন ছাত্রজনতা রাজপথে নেমে এসেছিলো দেখেই খুনি হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। হাসিনা অস্তিত্বের সংকটে পড়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। সাধারন মানুষ যখন যে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায়, তখন সেটাকে প্রতিরোধ ক্ষমতা আর কারও থাকেনা। শুক্রবার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ চেীমাথা মেড়ে এক পথ সভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম একথা বলেছেন।
আমরা যদি রাজনৈতিক পরিবর্তন করতে চাই, সবার আগে গোবিন্দগঞ্জের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে সবার আগে এই কথা গুলো বলতে হবে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে কিছু কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেই, আপনারা যদি ক্ষমতার সাথে আপোষ করেন-তাহলে আপনাদের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব নয়। আপনারা শুধু আপোষ করবেন তার সাথে যে, এলাকার এবং জনগনের প্রতিনিধিত্ব করে। আপনারা যদি কোন একটা দল বা পদ দেখে যে এই মানুষ টা তো ক্ষমতাবান সেযতো অপরাধ এবং অন্যায় করুকনা কেনো তার প্রতিবাদ করলে কিছু হতে পারে তাহলে এই এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা যদি মনে করতো যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলতে সমস্যা হতে পারে, তাহলে এই অভ্যুথান কোন দিন হতো না। আমরা আপনাদের সাথে কথা বলতে ও শুনতে এসেছি, কিন্তু এটা নয়, আপনারা আমাদেরকে ভোট দিয়েন। আপনাদেরকে এটা বলতে চাই, যারা এলাকা নিয়ে কাজ করবে, যারা ভালো মানুষ, যাদের গ্রহনযোগ্যতা আছে, ব্যক্তিত্ব আছে, যারা চাঁদাবাজী করেনা, ক্ষমতার অপব্যবহার করেনা, আপনাদের পাশে থাকে, আপনারা তাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুন। আগামীর বাংলাদেশে এই অভ্যুথান পরবর্তী সময়ে আমরা দল, মার্কার দাসত্ব আর করিনা। বিগত ১৬ বছরে আপনাদেরকে দলীয় প্রশাসন বানানো হয়েছিলো। আপনারাই দেখেছেন কিভাবে এই দলীয় প্রশাসন সংকটে পড়েছে। আপনাদের চাওয়া পাওয়ার উপর ভিত্তি করে এনসিপি তাদের ইতিহাস গঠন করবে। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মুখ্য সংগঠক এ্যাডভোকেট আলীনা সেরখান, ডাঃ মাহমুদা মিতু, কেন্দ্রিয় সংগঠক নাজমুল হাসান সোহাগসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। পরে গাইবান্ধা, বোনারপাড়া, ফুলছড়িসহকয়েকটি পথ সভায় বক্তব্য রাখেন নেতৃবৃন্দ।
Leave a Reply