বিরামপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষককে মারধরের অভিযাগ
দিনাজপুরের বিরামপুরে ‘বিরামপুর চাঁদপুর ফাজিল মাদ্রাসার’ শিক্ষককে মারধর করেছেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান। ঘটনাটি ঘটে ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২ টায়। মিজানুর রহমান মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক ও তথাকথিত নামধারী সাংবাদিক, তার স্ত্রী মেফতাহুন নাহার (কবিতা) বিরামপুর চাঁদপুর ফাজিল মাদ্রাসার বাংলা বিষয়ের প্রভাষক। একই মাদ্রাসার পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক এস এম আশরাফুল ইসলাম চলতি বছর আলিম শাখার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্বে আছেন। আলিম প্রথম বর্ষ সমাপনী পরীক্ষা শেষ হলেও মেফতাহুন নাহার (কবিতা) বিভিন্ন অজুহাতে খাতা জমা না দিয়ে কালক্ষেপণ করে আসছিলো। ফলে নির্দিষ্ট তারিখ অতিবাহিত হওয়ার পরেও পরীক্ষার ফলাফল দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।

বিষয়টি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে জানালে তিনি এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। খাতা জমা দেওয়ার বিষয়ে বাংলা প্রভাষক মেফতাহুন নাহার (কবিতা)ও পদার্থ প্রভাষক এসএম আশরাফুল এর মধ্যে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে বাংলা প্রভাষকের হাতে থাকা কাঠ দিয়ে এস এম আশরাফুল ইসলামকে আঘাত করে। উপস্থিত শিক্ষকরা তাদেরকে শান্ত করার চেষ্টা করে। কিছুক্ষণ পর মেফতাহুন নাহার (কবিতা) ও তার স্বামী মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিজানুর রহমান মিলে মাদ্রাসার ভিতরে এসে এস এম আশরাফুল ইসলাম এর উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায়। হামলায় প্রভাষক এসএম আশরাফুল ইসলামের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়। ঘটনায় মাদ্রাসায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং বাকি শিক্ষকরা আতঙ্কের মধ্যে আছেন,

আবার কোন সময় বহিরাগত যে কেউ এসে শিক্ষকের উপর হামলা করতে পারেন। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিরামপুর চাঁদপুর ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আ.ছ ম হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এই বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শমসের আলী মন্ডল এর সঙ্গে যোগাযোগ হলে তিনি জানান, আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি এবং সরজমিনে গিয়েছিলাম এবং ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো।

Leave a Reply