Blog

  • সকলের সহযোগিতা পেলে জুলাই মাসেই জাতীয় সনদ-আলী রীয়াজ

    সকলের সহযোগিতা পেলে জুলাই মাসেই জাতীয় সনদ-আলী রীয়াজ

    সকলের সহযোগিতা পেলে জুলাই মাসেই জাতীয় সনদ-আলী রীয়াজ

    আগামী মাসের মধ্যে জাতীয় সনদ প্রণয়নে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য যেটা আমরা বারবার বলে এসেছি, জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন সংকল্পবদ্ধ যে-আমরা জুলাই মাসের মধ্যেই জাতীয় সনদ তৈরি করতে পারব। সেই ক্ষেত্রে আপনারা (রাজনৈতিক দলগুলো) সহযোগিতা দেখাচ্ছেন এবং এই সময়ে সহযোগিতা করছেন, সেজন্য নেতৃবৃন্দের প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমি আশা করছি যে, এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে আমাদের পক্ষে অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে। মঙ্গলবার সকালে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার সংলাপের সূচনা তিনি এ মন্তব্য করেন। আলী রীয়াজ বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যে, সমস্ত বিষয়গুলোতে সকলে না মানলে সামগ্রিকভাবে বিভিন্ন বিষয়ে একমতে আসতে পারি। আমি আবারো বলি যে, সব বিষয়ে হয়তো একমত হব না; কিন্তু তার পরও জাতি এবং রাষ্ট্রের স্বার্থে যেমন খানিকটা হলেও ছাড় দিয়ে এক জায়গায় আসতে পারি, সেই চেষ্টাটা আপনাদের করেছি। আমরা চাই, আলোচনা করে একটা জায়গায় আসা। বেলা সাড়ে ১১টায় বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে এ সংলাপ হয়। সংলাপ অনুষ্ঠানে ছিলেন, বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমদ ও ইসমাইল জবিহউল্লাহ, জাতীয় গণফ্রন্টের টিপু বিশ্বাস, খেলাফত মজলিসের আহমেদ আবদুল কাদের, গণসংহতি আন্দোলনের আবুল হাসান রুবেল, এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির তাসনিম জারা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, বিএলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম, জেএসডির শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, বাংলাদেশ জাসদের মোস্তাক হোসেনসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের নেতারা। বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রতিনিধিকে দেখা যায়নি।
    জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক ছিলেন কমিশনের সদস্য বিচারপতি এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, আইয়ুর মিয়া, ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার।

  • নাটোরের আ’লীগ নেতা মঞ্জু হত্যার আসামি টুমন ঢাকায় গ্রেপ্তার

    নাটোরের আ’লীগ নেতা মঞ্জু হত্যার আসামি টুমন ঢাকায় গ্রেপ্তার

    নাটোরের আ’লীগ নেতা মঞ্জু হত্যার আসামি টুমন ঢাকায় গ্রেপ্তার

    নাটোরের লালপুরে আওয়ামীলীগ নেতা মনজুর রহমান মঞ্জু হত্যা মামলার আসামি হাসান আলী টুমনকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। রোববার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান। তিনি জানান, সোমবার তাকে নাটোরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হাসান আলী টুমন (৪২) গোপালপুর পৌরসভার শিবপুর (খাঁ পাড়া) এলাকার মোজাফফর হোসেনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি ও নাশকতার ১৪টি মামলা রয়েছে। মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, গত বছরের ৩০ এপ্রিল রাতে লালপুরের গোপালপুর পৌরসভার আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় একটি কনফেকশনারী দোকানে গোপালপুর পৌর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনজুর রহমান মঞ্জু বসে ছিলেন। এসময় তিনটি মোটরসাইকেলে কয়েকজন এসে মঞ্জুর মাথা ও পেটে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মঞ্জুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মঞ্জুর ভাই মাসুদ রানা বাদী হয়ে হাসান আলী টুমনসহ ১৬ জনের নাম দিয়ে অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে লালপুর থানায় মামলা করেন। পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন বলেন, ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন টুমন।

  • স্বৈরাচার পতনের পর থেকেই লাপাত্তা আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যক্ষ বুলি- ১১ মাস অভিভাবকহীন বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজ ॥ নীরব সংশ্লিষ্টরা-নানা জটিলতায় প্রতিষ্ঠান

    স্বৈরাচার পতনের পর থেকেই লাপাত্তা আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যক্ষ বুলি- ১১ মাস অভিভাবকহীন বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজ ॥ নীরব সংশ্লিষ্টরা-নানা জটিলতায় প্রতিষ্ঠান

    স্বৈরাচার পতনের পর থেকেই লাপাত্তা আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যক্ষ বুলি

    ১১ মাস অভিভাবকহীন বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজ ॥ নীরব সংশ্লিষ্টরা-নানা জটিলতায় প্রতিষ্ঠান

    ক্ষমতার পালাবদলের সাথে সাথে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান করে ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা বহু অপরাধের হোতা শহরের স্বরুপনগরে অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কলেজের (নিয়মবহির্ভূতভাবে ও পেশিশক্তি খাটিয়ে হওয়া) অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হক (বুলি) জুলাই-আগষ্ট ছাত্র-জনতা গণআন্দোলনের পর থেকে

     কলেজে অনুপস্থিত বা পলাতক থাকলেও এবং তিনি ফৌজদারী মামলায় হাজতবাস করলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আওয়ামীলীগের আমলের নির্যাতিত শিক্ষকরা অফিস অফিস ঘুরে বেড়ালেও অদ্যবধি অজ্ঞাত কারণে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। কেন তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছেনা?-এমন প্রশ্ন এখন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণের।

    জানা গেছে, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ এনামুল হককে জোর করে পদ থেকে সরিয়ে অবৈধ উপায়ে স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের আমলে ২০১৪ সালে অধ্যক্ষ হয়েছিলেন মোঃ এজাবুল হক (বুলি)। চাকরী জীবনে তিনি মাঝে মধ্যে তার বিশাল বাহিনী নিয়ে কলেজে যেতেন এবং তিনি কখনো একটিও ক্লাস নেননি। শুধু রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, চাকরীর প্রলোভনে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়াসহ স্বেচ্ছাচারী কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি কখনো পেশাদার শিক্ষক হতে পারেননি বলে অধিকাংশ শিক্ষকের উপর ক্ষমতার স্টিম রোলার চালিয়ে নির্যাতন করতেন। তিনি এ কলেজটিকে মাদক, ষড়যন্ত্র ও পাওনাদারদের আখড়া বানিয়েছিলেন। তার কারণে কলেজটি এখন অনেক সমস্যায় জর্জরিত। তিনি জুলাই আন্দোলনের পর থেকে অদ্যবধি কলেজে অনুপস্থিত থেকেও বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হাইকোর্টে রীট করে কলেজটিকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছেন। ফলে কলেজে চলছে হযবরল অবস্থা। সৃষ্টি হয়েছে নানান জটিলতার। জরুরী ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে কলেজের সার্বিক শৃখংলা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন শিক্ষানুরাগী ও সুধীজনরা। তার এবং কলেজের হযবরল অবস্থা বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনকে অনেকবার আবেদন দিয়েও কোন কাজ হয়নি বলে ক্ষোভের কথা বলছেন কলেজের অধিকাংশ শিক্ষক। সব কিছু জেনেও নিরব ভূমিকা পালন করায় এবং ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার পতনের পর থেকে লাপাত্তা এই অধ্যক্ষ এখনও কিভাবে পদে রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে কোন অজ্ঞাত কারনে অপসারনসহ তার বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না? কোন ক্ষমতাবলে এখনও বহাল তবিয়তে আত্মগোপনে থেকে কলেজে অস্থিশিল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার সাহস দেখিয়ে যাচ্ছে? এসব নানা প্রশ্নের মুখে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। স্বৈরাচারের দোষর এজাবুল হক বুলির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী কলেজের অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মচারীসহ জেলার সচেতন মহল।

    অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হক ফৌজদারী মামলার আসামী হওয়ায় গত ১০ মার্চ ২০২৫ থেকে দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। তাঁর ২ দিনের রিমান্ডও দেন বিজ্ঞ আদালত। সরকারী চাকরী বিধির ৪১ এর ২ ও ৩ ধারায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চালুসহ অন্যান্য সিদ্ধান্ত নেয়ার বিধান থাকলেও অদ্যবধি শিক্ষা মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ০৪/০২/২০২৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাহিনা পারভিন স্বাক্ষরিত এক পত্রে অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হককে ৫ আগস্টের পর থেকে কলেজে অনুপস্থিত থাকাসহ ১০টি বিষয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়া হয় এবং ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হলেও অদ্যবধি তিনি সে জবাব না দিয়ে গা ঢাকা দিয়ে আছেন।
    জুলাই আন্দোলনের সময় থেকে অধ্যক্ষ এজাবুল হক এর অপসারণ দাবি করে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, মিছিল ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এদিকে, অধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলির বিরুদ্ধে কয়েকটি তদন্ত হলেও তিনি একটিতেও উপস্থিত হননি। এদিকে, গত ২৭ নভেম্বর ২০২৪ অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে প্লাকার্ড ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে তদন্ত টিমের সামনেই শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচী পালন করে, যার সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
    কলেজের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তিনি বন বিভাগ ও জেলা প্রশাসনকে না জানিয়ে টেন্ডার ছাড়া অবৈধভাবে কলেজের ৭/৮টি ফলজ ও বনজ গাছ কর্তন করেছেন। এমপিও এবং ইএফটি উভয় একাউন্ট থেকে ১ বছরের বেতন তুলে আত্মসাতের চেষ্টা করেছিলেন। একজন মহিলা শিক্ষকের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২০২২ সালের তদন্ত প্রতিবেদনে অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হককে অযোগ্য অধ্যক্ষ হিসেবে জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিবেদন দাখিল হলেও অজ্ঞাত কারণে জেলা প্রশাসন আজো কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ২০১৬ থেকে ২০২১ পর্যন্ত তিনি মহারাজপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান থাকাকালে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ইউপি সদস্যরা তার বিরুদ্ধে অনাস্থা দেয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। তার এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করেন তৎকালীন ডিডিএলজি তাজকির-উজ-জামান এবং তিনি অভিযোগের সত্যতার বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ২০২০ সালে পাঠালেও আজো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। যে কারণে মহারাজপুর ইউনিয়নের জনগণ আওয়ামীলীগ সরকারের উপর তখন থেকেই ক্ষিপ্ত। আত্মসাৎ করা সরকারের প্রায় অর্ধ কোটি টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেয়ার আইন থাকলেও আজো জমা করা হয়নি বলেও জানা গেছে। কলেজ সরকারীকরণের সময় কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি, শিক্ষকদের বেতন বন্ধ করা, মহিলা শিক্ষকদের প্রতি বিভিন্ন নির্যাতন ও ইভটিজিং, শিক্ষকদের চাকরীচ্যুত করার ভয়ভীতি দেখানো, অসৎ উদ্দেশ্যে ছাত্র হোস্টেল বন্ধ করে দেয়াসহ তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদাসীন থাকায় কলেজ, কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলেছে। জুলাই আন্দোলনের আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয় ডজনেরও অধিক সংবাদ মাধ্যমে।
    উল্লেখ্য, সরকারিকৃত কলেজের চাকরী বদলীযোগ্য না হওয়ায় এবং অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হক এর চাকরীকালীন বিষয় গণিত এর পদ সরকারীকরণের সময় সৃষ্ট হয়নি বলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সুত্রে জানা গেছে। জুলাই আন্দোলন থেকে তার অফিসে তালা লাগানো আছে, এটা সব প্রশাসনই জানে। আগামী ২৬/৬/২৫ তারিখ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। এ সময় প্রতি বছর বিদায়-বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকলেও এ বছর এ বিষয়ে কোন উদ্যোগ না থাকায় শিক্ষার্থীরা শিক্ষক ও প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

  • এইচ.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্রে মাস্ক-স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক

    এইচ.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্রে মাস্ক-স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক

    এইচ.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্রে মাস্ক-স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক

    দেশজুড়ে করোনাভাইরাস ও ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় আসন্ন এইচ.এস.সি ও সমমানের পরীক্ষায় বাড়তি সতর্কতার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে কেন্দ্রগুলোতে মাস্ক পরা ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সোমবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত এক জরুরি নির্দেশনায় এসব কথা বলা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে কেন্দ্রের প্রবেশ পথে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কেন্দ্রের ভেতরে ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং পরীক্ষা শুরুর আগে মশা নিধনের ওষুধ স্প্রে করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা কক্ষের আসন বিন্যাস যথাযথভাবে বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী করতে হবে। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে মেডিকেল টিম সক্রিয় রাখতে হবে এবং সিভিল সার্জন বা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে। একইসঙ্গে জনসচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যবিধি মানা নিশ্চিত করতে হবে এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে অভিভাবকদের ভিড় বা জটলা এড়াতে প্রচারণা চালাতে হবে। নির্দেশনায় পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সবার প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। বোর্ডের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে ২৬ জুন এবং চলবে ১০ আগস্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে ১১ থেকে ২১ আগস্ট। উল্লেখ্য, দেশে ২০২০ সালের শুরুর দিকে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর একাধিক দফায় সংক্রমণ বেড়ে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করলেও সংক্রমণ হ্রাস পাওয়ায় সেগুলোর অনেকটাই শিথিল করা হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সংক্রমণ আবার কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে সতর্কতা পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

  • এনসিপি’র ৩৩ সদস্যের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমন্বয় কমিটি অনুমোদন

    এনসিপি’র ৩৩ সদস্যের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমন্বয় কমিটি অনুমোদন

    এনসিপি’র ৩৩ সদস্যের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমন্বয় কমিটি অনুমোদন

    জাতীয় নাগরিক পার্টি-(এনসিপি)’র ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমন্বয় কমিটি অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। গত ৫ জুন এনসিপি’র দলীয় প্যাডে উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত কমিটি শনিবার (১৩জুন) এনসিপি’র ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়। একই সাথে শনিবার কমিটির তালিকা জেলায় প্রকাশ করা হয়। এনসিপি কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাতের পেইসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়, আগামী তিন মাস বা জেলা আহব্বায়ক কমিটি গঠনের পূর্ব পর্যন্ত অনুমোদিত কমিটি জেলায় সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করবে। কমিটিতে প্রধান সমন্বয়কারী হয়েছেন মোঃ আলাউল হক। ৫ জন যুগ্ম সম্বনয়কারী হলেন, যথাক্রমে মোঃ আবু মাসুদ, মোঃ শামীম বাবু, মোঃ রজেবুল ইসলাম, মোঃ নজরুল ইসলাম এবং বায়েজীদ ইসলাম জীবন। এছাড়া কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে ২৭ জনকে। কমিটি গঠন এবং প্রকাশের ব্যাপারে প্রধান সমন্বয়কারী আলাউল হক বলেন, সারাদেশের ধারাবহিকতায় পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ঈদের আগেই কমিটি গঠন ও অনুমোদনের পর শনিবার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কমিটি কেন্দ্রীয় নির্দেশনা এবং দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করবে। উল্লেখ্য, জেলায় এনসিপির এটি প্রথম কোন কমিটি। গত ৩০ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে এনসিপির এক সভায় ঈদের আগেই কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় এবং প্রচার ও প্রকাশনা সেলের সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল নেহাল। প্রধান অতিথি ছিলেন এনসিপি কেন্দ্রীয় সংগঠক এবং রাজশাহী অঞ্চল তত্বাবধায়ক ইমরান ইমন।

  • মিথ্যা প্রচারনা ও ঘের দখলের অপবাদ- সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও খান মহিউদ্দিন রিপনের সংবাদ সম্মেলন

    মিথ্যা প্রচারনা ও ঘের দখলের অপবাদ- সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও খান মহিউদ্দিন রিপনের সংবাদ সম্মেলন

    মিথ্যা প্রচারনা ও ঘের দখলের অপবাদ

    সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও খান মহিউদ্দিন রিপনের সংবাদ সম্মেলন

    বাগেরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সোহাগ এবং জিউধরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি খান মহিউদ্দিন রিপনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন” নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও খান মহিউদ্দিন রিপনের বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য ছড়ানো হয়েছে। সেখানে বিএনপির মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলার ২০১৮ সালের চূড়ান্ত মনোনয়নপ্রাপ্ত নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপনকেও জড়িয়ে কুৎসা রটানো হয়েছে। সাইফুল ইসলাম সোহাগ অভিযোগ করে বলেন, “নেতা শিপন ভাইয়ের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল এনসিপি নামধারী দলের ছত্রছায়ায় ও সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ দালালদের সহযোগিতায় মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই-মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলায় প্রকৃত বিএনপি ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের হেয় করা এবং দলকে বিভক্ত করা। তিনি আরও বলেন, “আমি ছাত্রদলের সাবেক জেলা সদস্য হিসেবে বিগত ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলাম। এখন কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে নিজে নেতৃত্বে আসার পথ সুগম করতে চায়।” সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, তাদের নামে ৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি মাছের ঘের দখলের মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তারা বলেন, “এই ঘেরটি ২০২৪ সালে এলাকার প্রকৃত জমির মালিকদের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিকভাবে পুনরুদ্ধার করা হয় এবং ২০২৫ সাল থেকে আমরা আইনগত প্রক্রিয়ায় ঘেরটি পরিচালনা করছি। সোহাগ ও রিপন অভিযোগ করেন, অতীতে এই ঘেরটি আওয়ামীলীগের এক সন্ত্রাসীর ঘনিষ্ঠ মহর আলী গাজীর নাতি জোরপূর্বক দখলে নিয়েছিল এবং একই ব্যক্তি ‘বৈষম্যবিরোধী’ পরিচয়ে নানা দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করে আসছে। এই বিষয়ে এলাকাবাসী ও জমির প্রকৃত মালিকদের সামনে তার জবাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তারা। এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার আমাদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে এবং সামাজিকভাবে হেয় করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও সিভিল প্রশাসনের কাছে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনেরও আহ্বান জানান ভূক্তভোগীরা।

  • তারেক রহমান একটি নতুন দেশের স্বপ্ন নিয়ে হাজির হবেন-পটল কন্যা পুতুল

    তারেক রহমান একটি নতুন দেশের স্বপ্ন নিয়ে হাজির হবেন-পটল কন্যা পুতুল

    তারেক রহমান একটি নতুন দেশের স্বপ্ন নিয়ে হাজির হবেন-পটল কন্যা পুতুল

    নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক মন্ত্রী কন্যা অ্যাডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, দেশনায়ক তারেক রহমান একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হবেন। আমরা চাই আপনারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একেকজন সৈনিক হয়ে সেই বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রত্যেকেই কাজ করবেন। নাটোরের বাগাতিপাড়ায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বাগাতিপাড়া পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঈদ পূনর্মিলনী ও জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারজানা শারমিন পুতুল এই কথা বলেন। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে মাফিয়া তন্ত্র কায়েম করে স্বৈরাচারী সরকার বাংলাদেশের মানুষকে নির্যাতন-নিপীড়ন করেছিল। বাংলাদেশের প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে একনায়কতন্ত্র কায়েম করেছিল। আগামীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় তবে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়বে। ১৪ জুন বিকেলে বাগাতিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ঈদ পূনর্মিলনী ও জনসমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বাগাতিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুর রহমান। এসময় লালপুর-বাগাতিপাড়ার বিএনপি, মহিলাদল ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নাচোল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

    নাচোল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

    নাচোল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা মিনি কনফারেন্সন রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নীলুফা সরকারের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম, নাচোল ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম, কসবা ইউপি চেয়ারম্যান জাকারিয়া আল মেহেরাব, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা প্রভাতী মাহতোসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, কাজী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। আইনশৃঙ্খলা সভায় মাদক, বাল্যবিবাহ, ধর্ষণ, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, অপহরণ, সন্ত্রাস ও নাশকতা, ডাকাতি, চোরাকারবারি, ছিনতাই, রাস্তা ঘাট, সাস্থ্য সেবা, সরকারি জমিজমা সংক্রান্ত, পানি সরবরাহ, গাড়ীঘোড়া, রাস্তায় দূর্ঘটনা ও যানজোট নিরসনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

  • গোমস্তাপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ

    গোমস্তাপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ

    গোমস্তাপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারীদের ক্ষমতায়ন প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন (বিএনএফ) এর অর্থায়নে ১৫টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের নারীদের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে।

    এ উপলক্ষে সোমবার (১৬ জুন) সকালে ডঃ আতিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির মুন্সী।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: ওয়াসিম আকরাম। অগ্রদূত বাংলাদেশ, রহনপুর, গোমস্তাপুর এর বাস্তবায়নে এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অগ্রদূত বাংলাদেশ, রহনপুর, গোমস্তাপুর এর নির্বাহী পরিচালক ইয়াহিয়া খান রুবেল, উপকার ভোগীদের মধ্য হতে শ্রীমতি সরস্বতী রানী, শ্রীমতি মানসী রানী, শ্রীমতি গীতা রানী, কনদা প্রমুখ। আলোচনা শেষে ১৫টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারীদের মাঝে ৩০টি ছাগল বিতরণ করা হয়।

  • গুরুদাসপুরে কিশোর গ্যাং সদস্য ২ সহোদর গ্রেপ্তার

    গুরুদাসপুরে কিশোর গ্যাং সদস্য ২ সহোদর গ্রেপ্তার

    গুরুদাসপুরে কিশোর গ্যাং সদস্য ২ সহোদর গ্রেপ্তার

    চাঁদাবাজির অভিযোগে নাটোরের গুরুদাসপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্যকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। রবিবার ভোরে উপজেলার বিয়াঘাট বাবলাতলা এলাকা থেকে মজিবর রহমানের ছেলে মিন্টু (২২) ও শাকিল হোসেন (১৯) দুই সহোদরকে আটক করা হয়। জানা যায়, কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্য বিয়াঘাট এলাকায় বিভিন্নভাবে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল। তারা মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও জিম্মি করে চাঁদাবাজি করত। বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানাই এলাকাবাসী। সেনাবাহিনীর অভিযান চালিয়ে দুই কিশোরকে আটক করে গুরুদাসপুর থানায় হস্তান্তর করে। গুরুদাসপুর থানার ওসি (তদন্ত) মমিনুল ইসলাম বলেন, আটক দু’জনকে নাটোর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।