Blog

  • “শিশু শরিফা হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোমস্তাপুর ॥ বিচার দাবিতে মানববন্ধন”

    “শিশু শরিফা হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোমস্তাপুর ॥ বিচার দাবিতে মানববন্ধন”

    “শিশু শরিফা হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোমস্তাপুর ॥ বিচার দাবিতে মানববন্ধন”

    নৃশংস শিশু হত্যা যেন আরেকবার নাড়া দিল মানবতাকে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে শিশু শরিফার নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে জনপদ। বিচার দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সর্বস্তরের মানুষ। সোমবার (০৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলার বাংগাবাড়ি তেলিপাড়া বাজারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংগাবাড়ি দাড়িপাতা নুরানি মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ। নিহত শরিফা ওই মাদ্রাসার শিশু শ্রেণির ছাত্রী ছিল। কোমলমতি এই শিশুর এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।
    মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হক। এতে বক্তব্য রাখেন বাংগাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সারিকুল ইসলাম সাদ্দাম, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বুলবুল, বাংগাবাড়ি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, জামায়াতে ইসলামীর নেতা ডা. আবদুল গনি, ইউপি সদস্য তরিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মেসবাহুল হক বুলেট, মুনিরুল ইসলাম, আনারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রুহুল আমিন এবং দাড়িপাতা নুরানি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শিশু শরিফার এই হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজের ওপর আঘাত।

    ” তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি স্থানান্তর করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি—দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন নৃশংসতা রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেন। উল্লেখ্য, রোববার (৫ এপ্রিল) উপজেলার আলিনগর ইউনিয়নের বিজলি পাড়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে নিখোঁজ শিশু শরিফার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, গত শুক্রবার সে তার নানার সঙ্গে আলিনগর মক্রমপুরে একটি তাফসীর মাহফিলে অংশ নিতে ফুফুর বাড়িতে যায়। সেখানেই তার দুলাভাই তাকে হত্যা করে ধানক্ষেতে লাশ ফেলে রাখে বলে অভিযোগ ওঠে। গোমস্তাপুর থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই আওয়াল জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত অন্তর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। একটি নিষ্পাপ প্রাণের এমন নির্মম পরিণতি শুধু একটি পরিবারের নয়, গোটা সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। এখন সবার একটাই দাবি—দ্রুত বিচার, কঠোর শাস্তি এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর উদ্যোগ।

  • নাচোলে বন্ধ পেট্রোল পাম্প চালুর দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

    নাচোলে বন্ধ পেট্রোল পাম্প চালুর দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

    নাচোলে বন্ধ পেট্রোল পাম্প চালুর দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

    জনভোগান্তি দুরীকরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের প্রাণকেন্দ্র দক্ষিণ সাঁকো পাড়ায় অবস্থিত সুইটি ফিলিং স্টেশনটির মালিকদের পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নাচোলের সর্বস্তরের জনগণ। জনগণসহ সকলের এই ভোগান্তি কমাতে পূণরায় অবিলম্বে পাম্পটি চালু করার দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেছেন নাচোলের উপজেলার সর্বস্তরের ভুক্তভোগী জনসাধারণ। (এনমাস) নাচোল মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি ও নাচোল উন্নয়ন ফোরাম এর যৌথ আয়োজনে সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বাসস্ট্যান্ডে আধাঘণ্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধনে নাচোল উন্নয়ন ফোরাম এর সভাপতি আমানুল্লাহ আল মাসুদ, এনমাস টিম এর সভাপতি শাকিল রেজা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুর কামাল,

    জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক তন্ময় আহম্মেদ, উপজেলা বিএনপির সমবায় সম্পাদক বাবুল আখতার বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও নাচোলের সর্বস্তরের জনগণ মানববন্ধন অংশগ্রহণ করেন। পাম্প মালিকদের সাতদিনের আল্টিমেটাম দিয়ে বক্তারা বলেন, এখন জ্বালানী তেলের সংকটময় সময়ে আমাদের যদি ভোগান্তি পোহাতে হয়, তাহলে এই পাম্প থেকে লাভ কি! নাচোল উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি বলেন, পাম্প কর্তৃপক্ষ যদি চালু করতে ব্যর্থ হয়ে থাকে, তাহলে বিক্রি অথবা ভাড়া দিতে পারেন। আমরা কিনে নিয়ে চালু করবো। কিন্তু এভাবে জনসাধারণকে কষ্ট দিতে পারেন না। নাচোলের সর্বস্তরের মানুষের ভোগান্তি কমাতে বক্তরা বলেন যে, পারিবারিক দ্বন্দ্ব বুঝিনা, পুনরায় পাম্পটি চালু দেখতে চাই। তারা আরও বলেন যে, এক সপ্তাহের মধ্যে পাম্পটি চালু না করলে ক্ষুব্ধ জনগণ যে কোন প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এনমাস টিমের প্রচার সম্পাদক হায়দার আলী। মানববন্ধন শেষে নাচোল উপজেলা প্রশাসন ও প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন।

  • গণমাধ্যমের ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ-তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যমের ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ-তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যমের ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ-তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের মনোজগৎ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান বিশ্বে এই মাধ্যমগুলোর প্রভাব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এগুলোর ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই)-এর ছয়টি স্বল্পমেয়াদি কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ স্বভাবতই অন্যের কথা শুনতে, বুঝতে এবং বিশ্বাস করতে চায়। এই বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে সমাজে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মানুষের চিন্তাকে প্রভাবিত করতে পারেন, যা একদিকে যেমন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যদিকে অপব্যবহারের ঝুঁকিও রয়েছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যম, চলচ্চিত্র ও সৃষ্টিশীল খাতে যারা কাজ করেন, তাদের ওপর বর্তমানে বড় দায়িত্ব রয়েছে। নৈতিকতা ও পেশাগত মানদণ্ড অনুসরণ না করলে এই শক্তিশালী মাধ্যম সমাজের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘সরকার ভবিষ্যতে সৃষ্টিশীল ও প্রশিক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো আধুনিক, বিস্তৃত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করছে।’ চলচ্চিত্রের প্রভাব সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘চলচ্চিত্র এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা মানুষকে হাসাতে, কাঁদাতে এবং গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।’ এই শক্তিকে মানবতা ও সভ্যতার কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি কোর্সে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিক মানদণ্ড ও দায়িত্ববোধকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার উপদেশ দেন। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়টি স্বল্পমেয়াদি কোর্সের উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ, বিসিটিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান।

  • হুমকিতে নয়-যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ মিললেই খোলা হবে হরমুজ-ইরান

    হুমকিতে নয়-যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ মিললেই খোলা হবে হরমুজ-ইরান

    হুমকিতে নয়-যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ মিললেই খোলা হবে হরমুজ-ইরান

    যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ পেলেই কেবল হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ইরান। রোববার (৫ এপ্রিল) দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ বিষয়ক উপ-প্রধান সাইয়্যেদ মেহদি তাবাতাবায়ী ওই তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি হয়ে চলাচলকারী জাহাজের ট্রানজিট ফির ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তাবাতাবায়ী বলেছেন, ট্রাম্প আজ প্রণালি বন্ধের জেরে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার যে হুমকি দিয়েছেন, তা আসলে চরম হতাশা আর ক্ষোভ থেকে আসা অশ্লীলতা ও আজেবাজে কথা ছাড়া আর কিছু নয়।এদিকে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন ট্রাম্পের ওই হুমকির নিন্দা জানিয়ে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট দেশটির বেসামরিক জনগণের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছেন। এক্সে দেওয়া বার্তায় ইরানি মিশন বলেছে, জাতিসংঘের বিবেক যদি জাগ্রত থাকত, তাহলে যুদ্ধবাজ মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার এমন প্রকাশ্য ও নির্লজ্জ হুমকির মুখে তারা নীরব থাকত না। ট্রাম্প এই অঞ্চলকে একটি অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চাইছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি বেসামরিক নাগরিকদের আতঙ্কিত করার সরাসরি ও প্রকাশ্য উসকানি এবং যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের ইচ্ছার স্পষ্ট প্রমাণ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং সকল রাষ্ট্রের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে যুদ্ধাপরাধের মতো এ ধরনের নৃশংসতা প্রতিরোধ করার। তাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। আগামীকাল অনেক দেরি হয়ে যাবে। অন্যদিকে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের সমস্যা সমাধানের মৌলিক উপায় হলো যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার ॥ জব্দপিকআপসহ সরঞ্জামাদি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার ॥ জব্দপিকআপসহ সরঞ্জামাদি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার ॥ জব্দপিকআপসহ সরঞ্জামাদি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় গরু চুরির ঘটনায় জড়িত একটি আন্তঃজেলা চোরচক্রের মূল হোতাসহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করে পুলিশ। শিবগঞ্জ থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, গত ৭ ফেব্রুয়ারি উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের কালুপুর পাইকড়তলা এলাকার খামারি রাসেল ইসলামের খামার থেকে প্রায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ৫টি গরু চুরি হয়। এ ঘটনায় ৩ মার্চ মামলা দায়েরের পর পুলিশ কাজ শুরু করে। গত ৩ ও ৪ এপ্রিল রাজশাহী, বগুড়া ও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে র‌্যাবের সহায়তায় ওই চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, চোর চক্রের মূল হোতা বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আলাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জুয়েল ওরফে মালু (৩৮), সোনাতলা উপজেলার তারাজুল ইসলাম (৩০), শিবগঞ্জ উপজেলার সজল মন্ডল (৩৯), একই উপজেলার ওমর সানি ওরফে সজিব (২৮) এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শরিফুল (২৪)। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ আরো জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ, দুটি কাটার, টর্চ ও রশিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।তবে চুরি হওয়া গরুগুলো কসাইদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ায় সেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

  • কালিয়ার যোগানিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি ঘর সংস্কারের দাবি

    কালিয়ার যোগানিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি ঘর সংস্কারের দাবি

    কালিয়ার যোগানিয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি ঘর সংস্কারের দাবি

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলা বাঐসোনা ইউনিয়নের যোগানিয়া বাজারের দক্ষিণ পাশে ১ম আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি ঘরের খুঁটি ও টিনের চালা মরিচা ধরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে টিনের ফুটো দিয়ে বৃষ্টিতে ঘর ভিজে যায়। ফলে দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাসকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ এই ভাঙা ঘরে বসবাস করছি। ভাঙ্গা টিনের চালের উপর পলিথিন দিয়ে ইটের ভারা দিয়ে রেখে জীবনযাপন করছি, কিন্তু ঝড় এলে পলিথিন ছিঁড়ে ঘর ভরে যায় বৃষ্টির পানিতে। ছেলেমেয়েদের নিয়ে এই সকল ঘরে বসবাস করা কষ্টদায়ক। এখানে বর্তমানে বসবাস করা সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের সভাপতি আলামিন বলেন, আমাদের এখানে প্রধান সমস্যা টিনের চালা মরিচা ধরে ফুটো দিয়ে বৃষ্টির পানিতে ঘর ভরে যায়। যে সকল টয়লেট ছিলো সেগুলো ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশুদ্ধ পানির কোন ব্যবস্থা নেই। তিনি আরো বলেন, সাবেক এমপি কে আমাদের সমস্যার কথা বলেছি, কিন্তু কোন সমাধাণ পায়নি। বর্তমান এমপি আলহাজ্ব বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলতে চাই, আমাদের সমস্যাগুলো যেন সমাধান করে দেন।এবিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম, আমাদের সরকারি যে কোন প্রকল্পের মাধ্যমে ঘরগুলো মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • চৈত্র সংক্রান্তিতে সাধারণ ছুটি তিন পার্বত্য জেলায়

    চৈত্র সংক্রান্তিতে সাধারণ ছুটি তিন পার্বত্য জেলায়

    চৈত্র সংক্রান্তিতে সাধারণ ছুটি তিন পার্বত্য জেলায়

    চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণের উৎসব উদযাপনের অংশ হিসেবে এই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বাংলা নববর্ষে এক দিন ছুটি থাকলেও পার্বত্য এই তিন জেলায় বসবাসরত জাতিগোষ্ঠীর বৃহৎ উৎসব বিবেচনায় অতিরিক্ত এক দিন ছুটি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তিন পার্বত্য জেলা ব্যাতীত দেশের অন্যান্য জেলায় সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য এ ছুটি ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে বিবেচিত হবে। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নতুন বছর বরণ উপলক্ষে তিন পার্বত্য জেলায় নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে নতুন বর্ষবরণের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু।

  • নাগরপুরের কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত’র সাথে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক’র আকদ সম্পন্ন

    নাগরপুরের কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত’র সাথে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক’র আকদ সম্পন্ন

    নাগরপুরের কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত’র সাথে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক’র আকদ সম্পন্ন

    নাগরপুরের কৃতি কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত খানের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপির আকদ সম্পন্ন। টাঙ্গাইলের নাগরপুরের গর্বিত কৃতি কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত খানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে আকদ (নিকাহ) সম্পন্ন করেছেন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপি। পারিবারিক আলয়োজনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে এ শুভ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ব্যারিস্টার নুসরাত খান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূর মোহাম্মদ খানের কন্যা। দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে দোয়া ও শুভকামনার মধ্য দিয়ে নতুন জীবনের পথচলা শুরু করেন নবদম্পতি। নাগরপুরবাসী নবদম্পতিকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাদের দাম্পত্য জীবন সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় হোক, এই কামনা করি।

  • নাগরপুরের কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত’র সাথে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক’র আকদ সম্পন্ন

    নাগরপুরের কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত’র সাথে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক’র আকদ সম্পন্ন

    নাগরপুরের কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত’র সাথে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক’র আকদ সম্পন্ন

    নাগরপুরের কৃতি কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত খানের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপির আকদ সম্পন্ন। টাঙ্গাইলের নাগরপুরের গর্বিত কৃতি কন্যা ব্যারিস্টার নুসরাত খানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে আকদ (নিকাহ) সম্পন্ন করেছেন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপি। পারিবারিক আলয়োজনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে এ শুভ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ব্যারিস্টার নুসরাত খান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূর মোহাম্মদ খানের কন্যা। দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে দোয়া ও শুভকামনার মধ্য দিয়ে নতুন জীবনের পথচলা শুরু করেন নবদম্পতি। নাগরপুরবাসী নবদম্পতিকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাদের দাম্পত্য জীবন সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় হোক, এই কামনা করি।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (০৫ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে হামের টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো: মুসা জঙ্গী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক উজ্জল কুমার ঘোষ, সিভিল সার্জন ডা. মো: একে এম শাহাব উদ্দীন, জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক শুকলাল বৈদ্য, ২৫০ শষ্যা বিশিষ্ঠ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: মো: মশিউর রহমান, জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো: আব্দুস সামাদসহ অন্যরা। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় হাম প্রতিরোধে লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশুর সংখ্যা ৩ লাখ ৬০ হাজার ৮১৪ জন। এ বিপুল সংখ্যক শিশুকে টিকার আওতায় আনতে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, সদর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলার মোট ১ লাখ ৬৭ হাজার ২৮৭ জন শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    প্রত্যন্ত এলাকাতেও টিকা পৌঁছে দিতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং ভ্যাকসিন সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এর আগে হাম (Measles) রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন ও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং টিকা ক্রয়ের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকার একটি চেক জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের ২০ জেলার ৩০ স্থানকে হামের ‘হটস্পট’ ঘোষণা করা হয়েছে সরকারীভাবে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা, শিবগঞ্জ উপজেলা ও ভোলাহাট উপজেলা কে হামের ‘হটস্পট’ ঘোষণা করা হয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই, অর্থাৎ ২১ মে ২০২৬-এর মধ্যে এই কর্মসূচি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় শিশুদের প্রাণঘাতি রোগ ‘হাম’ রোগের বর্তমান অবস্থা ও করনীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে। গত বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। হামের প্রাদুর্ভাব নির্মূলে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক এমপি মোঃ হারুনুর রশীদ এবং পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাবুদ্দীন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। সভায় দ্রুত সময়ের মধ্যে শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় এনে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে হামমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা। এদিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব শিশু জ্বরে আক্রান্ত বা অন্য কোনো অসুস্থতায় ভুগছে, তাদের তাৎক্ষণিকভাবে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো টিকাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে হামের বিস্তার সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এজন্য অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।