নওগাঁ সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১৮ জনকে ‘পুশইন’ বিএসএফ’র
নওগাঁর ধামইরহাট ও সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৮ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ। শুক্রবার (৮ আগস্ট) ভোর পৌনে ৩টার দিকে ধামইরহাট উপজেলার সাতানাপাড়া আমবাগান এলাকায় সীমান্ত পিলার ২৭১/১-এস থেকে প্রায় ৫০ গজ ভেতরে ১৪ জনকে আটক করে কালুপাড়া বিওপির টহল দল। অন্যদিকে, একই দিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সাপাহার উপজেলার বামনপাড়া সীমান্তে মেইন পিলার ২৪৬/২-এস থেকে প্রায় ৮০০ গজ ভেতরে রসুলপুর গ্রামের জামে মসজিদের পাশে চারজনকে আটক করে বামনপাড়া বিওপির বিজিবি সদস্যরা। ধামইরহাট সীমান্ত এলাকায় আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ নারী, ১ কিশোরী, ৩ শিশু ও ৪ যুবক রয়েছে। তারা খুলনা, নড়াইল, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। সাপাহার সীমান্ত এলাকায় আটকদের মধ্যে হলো, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার উথলী গ্রামের ইমদাদুলের স্ত্রী মোছা. হেনা খাতুন (৩৮), একই উপজেলার চানপুর গ্রামের বালাম শিকদারের স্ত্রী রূপালী (৩৫), তাদের মেয়ে চাঁদনী (৮) ও ছেলে রমজান (২)। জানা গেছে, ধামইরহাটে আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন মুম্বাই শহরে বসবাস ও কাজ করছিল। গত ৭ আগস্ট বিমানযোগে পুনে বিমানবন্দর হয়ে পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাট থানার মাধ্যমে বিএসএফ তাদের সীমান্তে আনে এবং গাড়িযোগে পুশইন করে। পরে বিজিবি তাদের আটক করে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাখে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সাপাহারের চারজন চার-পাঁচ বছর ধরে মুম্বাইয়ে বাসাবাড়িতে কাজ করছেন। সম্প্রতি মুম্বাই পুলিশ তাদের আটক করে ‘চেকব্যাক’ প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গের ছত্রাহাটি বিএসএফ ক্যাম্পে পাঠায় এবং পরে সীমান্ত গেট দিয়ে ঠেলে দেয়। বর্তমানে তারা সাপাহার থানায় পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। সাপাহার থানার ওসি আব্দুল আজিজ বলেন, ভোরে সাপাহার থানাধীন আইহাই ইউনিয়নের বামনপাড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশ ঢুকলে বিজিবি সদস্যরা চারজনকে আটক করে। বর্তমানে তারা থানা হেফাজতে রয়েছে। ধামইরহাট থানার ওসি মো. ইমাম জাফর বলেন, বিষয়টি শুনেছি, বিজিবি আটককৃতদের থানায় হস্তান্তর করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply