টায়ার চুরির অভিযোগে বিমানের ২ কর্মী চাকরিচ্যুত

টায়ার চুরির অভিযোগে বিমানের ২ কর্মী চাকরিচ্যুত

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে ব্যবহৃত টায়ার বিনা অনুমতিতে বিক্রি করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির দুই কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তারা হলেন ম্যাটারিয়াল ম্যানেজমেন্ট সুপারভাইজার মো. আরমান হাসান এবং স্টোর হেলপার সামছুল হক। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. সাফিকুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার বিমান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের হ্যাঙ্গারে নিলামের জন্য রাখা ১০টি টায়ার ওই দুই কর্মী গোপনে বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কাছে বিক্রি করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে বিমান কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। একইসঙ্গে টায়ার চুরির অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। জিডিতে বলা হয়, গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় বিমানের ১০টি টায়ার নিলাম শেডে পাওয়া যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদে আরমান হোসেন ও সামছুল হক জানান, তারা ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের সহকারী মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলামের কাছে এগুলো হস্তান্তর করেছেন। বিমান বাংলাদেশের মহাব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এ বি এম রওশন কবির জানান, কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে টায়ার বিক্রির অভিযোগে বৃহস্পতিবার আরমান হাসান ও সামছুল হককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. সাফিকুর রহমান বলেন, অপরাধীদের সঙ্গে কোনো আপস নেই এবং বিমানে কর্মরত কেউ অপরাধ করে ছাড় পাবে না। বিমানের পরিচালক (প্রশাসন) মো. মমিনুল ইসলামও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের উপমহাব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের উড়োজাহাজের সংখ্যা বিমানের চেয়ে বেশি হওয়ায় ব্যবহৃত টায়ার নেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *