কালিয়ায় গ্রাম্য শালিশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বিএনপির কর্মী আহত ৬
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বাবরা হাচলা ইউনিয়নের হাচলা গ্রামে একটি গ্রাম্য শালিশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ৬ জন বিএনপির কর্মীকে দেশীও অস্ত্রাঘাতে আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাচলা গ্রামের মুজিবর ফকিরের ছেলে মামুনের সাথে ১৪ বছর আগে হাসান মোল্লার মেয়ে লিমার পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। তাদের ঘরে সন্তান না হওয়ায় মামুন দ্বিতীয় বিবাহের অনুমিত চায় সমাজ কর্তাদের কাছে। এ নিয়ে মামুন ও লিমার পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।
এই দ্বন্দ্ব মেটাতে হাচলা সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সামনে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ সালিশি মীমাংসার জন্যে উপস্থিত হলে সালিশের এক পর্যায়ে একই এলাকার রুবেল মোল্লা দেশীও অস্ত্র দিয়ে রশিদ মোল্লার ছেলে ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য রকিবুল মোল্লা, সুবহান মোল্লার ছেলে ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য মোজাহের মোল্লা, মতলেব মোল্লার ছেলে ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য তারিকুল মোল্লা, আহাম্মদ সরদারের ছেলে ইউনিয়ন জামাতের রোকন মাহাতাব সরদার ও ওসমান মোল্লার ছেলে ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য হাফিজ মোল্লা কে গুরুতর আহত করে।
আহতরা কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ স্থানীয় শুক্তগ্রাম বাজারের ফার্মেসী থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানান
এ ঘটনায় সালিশির আহ্বায়ক ও কালিয়া উপজেলা বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোল্লা বলেন, মুজিবরের ছেলে মামুন ও তার স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন একটি কলহ চলছিল। আমরা স্থানীয় ব্যক্তিরা তাদের কলহ মিটানোর জন্য হাচলা মন্দিরের সামনে বসেছিলাম। সালিশের একপর্যায়ে মফিজ মোল্লার ছেলে রুবেল মোল্লা অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে এক পক্ষের উপর হামলা করে। পরবর্তীতে স্থানীয় থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এ বিষয়ে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, স্থানীয় সালিশ কে কেন্দ্র করে হাচলা গ্রামে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা জানতে পেরে কালিয়া থানা পুলিশ ও কালিয়া সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা গঠনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ওই এলাকার পরিস্থিতি বর্তমান স্বাভাবিক রয়েছে।
Leave a Reply