টাঙ্গাইলে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি-জামায়াতসহ অন্য প্রার্থীরা
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ৩৪১ জন। এ আসনে বিএনপির মো. রবিউল আওয়াল (ধানের শীষ), বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জুয়েল সরকার(হরিণ), জামায়াতে ইসলামীর একেএম আব্দুল হামিদ (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয়পার্টির (জেপি) তারেক শামস খান হিমু (বাইসাইকেল), জাতীয় পার্টির মো. মামুনুর রহিম (লাঙল), ইসলামী আন্দোলনের মো. আখিনুর মিয়া (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল ইসলাম (মোরগ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে বিএনপির প্রতিশ্রুতি পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সংস্কার, জামায়াতের প্রতিশ্রুতি ইনসাফ ও সামাজিক নিরাপত্তা এবং অন্যান্য দলের প্রতিশ্রুতি সংস্কার ও সংহতি। নীরব’ ভোটাররাই ফ্যাক্টর। টাঙ্গাইলের ৬ আসনের প্রার্থীরা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উঠোন বৈঠক, পথসভা এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। প্রত্যেক প্রার্থী উপজেলা থেকে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়াচ্ছেন। কেবল পোস্টার বা মাইকিং নয়, এবার প্রার্থীরা জোর দিচ্ছেন ব্যক্তিগত গণসংযোগে। ভোটার পরিবারগুলোতে গিয়ে প্রার্থীরা অভয় দিচ্ছেন এবং উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। আওয়ামীলীগের নাগরপুর-দেলদুয়ার একটি বড় অংশ এখনও নির্বাচন নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন এবং তারা এ নির্বাচন মানেন না। এখনো তারা আশায় আছে তাদের নেত্রী এক সময় ফিরে আসবে। তবে অনেকেই বিএনপি/জামায়েত বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সাথে যোগ দিয়েছে। তবে যাইহোক না কেন.. সংখ্যালঘু হিন্দু ভোটারদের টানতে বিএনপি ও জামায়াত কৌশলী ভূমিকা পালন করছে। অনেক সাধারণ ভোটার উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক শান্তি ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশের প্রত্যাশা করছেন। ভোটাররা এবার নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে এমনটা আশা করছেন সকলে।

Leave a Reply