বিগত আমলে ইস্যু অস্ত্র নীতিমালা বহির্ভূত কিনা জানতে কমিটি গঠন-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
যে সব অস্ত্রের লাইসেন্স ২০০৯ থেকে ২০২৪ এর ৫ আগস্টের সময়ের মধ্যে ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলো রাজনৈতিক বিবেচনায় হয়েছে, নাকি নীতিমালা বহির্ভূত হয়েছে, সেটা চিহ্নিত করতে একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।তিনি বলেন, কমিটি একটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট করবে। তখন সে বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।গত ০৫ আগস্টের পর থানা থেকে অস্ত্র লুট এবং উদ্ধার বিষয়ের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রথম দিনেই এখানে সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র যেগুলো জমা দিতে বলা হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম দিকে, তার মধ্যে সংখ্যাটা আমি এক্সাক্টলি বলতে পারব না। তবে অনেক অস্ত্র জমা হয়নি।সেই হিসেবে সে অস্ত্রগুলো অবৈধ হয়ে গিয়েছে এবং লাইসেন্সও বাতিলযোগ্য।তিনি বলেন, আমি একটা সার্কুলার পাঠিয়েছি, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ইস্যুকৃত আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স এবং তার অধীনে ক্রয়কৃত অস্ত্র এগুলোর পূর্ণাঙ্গ একটা তালিকা আমরা অস্ত্রের ক্যাটাগরি ওয়াইজ দেওয়ার জন্য জেলা পর্যায়ে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটদের কাছে জেলা প্রশাসকদের কাছে।দ্বিতীয়ত ওখানে আরেকটা সার্কুলার দিয়েছি, ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল, যে লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য তার মধ্যে যে সমস্ত অস্ত্র জমা পড়েনি, তার এ সমস্ত ক্ষেত্রে কি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? গৃহীত পদক্ষেপ কি? সেই মামলাগুলো উদ্ধার হয়েছে কিনা? সেই অস্ত্রগুলো বেআইনি বিধায় সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে কিনা বা কি আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? মামলা করা হয়েছে কিনা।মন্ত্রী বলেন, তৃতীয়ত আরেকটা নির্দেশনা আমরা জারি করেছি, যে সব অস্ত্রের লাইসেন্স ২০০৯ থেকে ২০২৪ এর ৫ আগস্টের সময়ের মধ্যে ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলো যদি রাজনৈতিক বিবেচনায় হয়ে থাকে এবং নীতিমালা বহির্ভূত হয়ে থাকে, সেগুলো চিহ্নিত করে মন্ত্রণালয়ের কাছে রিপোর্ট করতে হবে। সেজন্য আমরা একটা কমিটি গঠন করে দিয়েছি। ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপার, অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে সদস্য করে এবং এনএসআই এর যুগ্ম অথবা উপপরিচালক জেলার তাকে সদস্য করে এবং পাবলিক প্রসিকিউটরও সেখানে সদস্য থাকবে। কমিটিটা আমরা ফর্ম করে দিয়েছি। তাদের একটা নির্ধারিত সময় দেওয়া আছে, তার মধ্যে তারা রিপোর্ট করবে।
সে বিষয়ে আমরা রিপোর্ট পাওয়ার পরে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেব।

Leave a Reply