Blog

  • ভোলাহাটে আধুনিক খামার-আমিষ ও কর্মসংস্থানে অনন্য দৃষ্টান্ত প্রকৌশলী সুমন

    ভোলাহাটে আধুনিক খামার-আমিষ ও কর্মসংস্থানে অনন্য দৃষ্টান্ত প্রকৌশলী সুমন

    ঢাকায় আইটি ব্যবসা

    ভোলাহাটে আধুনিক খামার-আমিষ ও কর্মসংস্থানে অনন্য দৃষ্টান্ত প্রকৌশলী সুমন

     

    ঢাকার আইটি ব্যবসার ব্যস্ততার মাঝেও শিকড়ের টানে গ্রামে ফিরে এক অনন্য দৃষ্টান্ত গড়েছেন প্রকৌশলী আফসার উজ্জামান সুমন। আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসার পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় গড়ে তুলেছেন বিশাল আকারের গবাদিপশু ও পোল্ট্রি খামার, যা এখন স্থানীয় আমিষ উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের অন্যতম ভরসা।
    ভোলাহাট উপজেলার ইমামনগর গ্রামের মৃত আব্দুল হান্নানের ছেলে প্রকৌশলী সুমন ঢাকায় একটি আইটি ফার্ম পরিচালনা করলেও নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘জামান এগ্রো ফার্ম’। এক সময় মাত্র ৭টি গাভী দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই খামারে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৬০টি গরু রয়েছে। সর্বোচ্চ সময়ে খামারে ৭৫টি পর্যন্ত গরু পালন করা হয়েছে। খামার থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০০ কেজি দুধ উৎপাদন হচ্ছে। সেই দুধ আধুনিক উপায়ে প্যাকেটজাত করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাজারজাত করা হচ্ছে। গরুর খামারের পাশাপাশি ডিম উৎপাদনের জন্য দুইটি বিশাল টিনশেডে বিদেশি জাতের মুরগির খামারও গড়ে তুলেছেন তিনি। খামারের পরিচালক প্রকৌশলী আফসার উজ্জামান সুমন বলেন, “দেশে আমিষের ঘাটতি পূরণ এবং যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি—সঠিক পরিকল্পনা থাকলে গ্রাম থেকেই বড় কিছু করা সম্ভব।”
    তিনি আরও বলেন, “সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা পেলে আমার এই ফার্মকে আরও আধুনিক ও সম্প্রসারিত পর্যায়ে নেওয়া যাবে।” বর্তমানে এই খামারে সরাসরি ৯ জন কর্মচারী কাজ করছেন, যা এলাকার বেকারত্ব নিরসনে ভূমিকা রাখছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোঃ শাহজালাল বলেন,
    “জামান এগ্রো ফার্ম পরিদর্শন করা হয়েছে। এই খামারের মাধ্যমে একদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, অন্যদিকে ভোলাহাট এলাকায় দুধ, মাংস ও ডিমের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সবসময় তার পাশে থাকবে।” গ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে আধুনিক উদ্যোগ, প্রযুক্তি ও পরিশ্রমের সমন্বয়ে প্রকৌশলী সুমনের এই খামার আজ ভোলাহাটের অনুপ্রেরণার প্রতীক। তার সফলতা প্রমাণ করে, গ্রামে বিনিয়োগ মানেই পিছিয়ে থাকা নয় বরং টেকসই উন্নয়নের শক্ত ভিত্তি।

  • ভোলাহাট সদর ইউনিয়নে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    ভোলাহাট সদর ইউনিয়নে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    ভোলাহাট সদর ইউনিয়নে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সদর ইউনিয়ন পরিষদে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পিয়ার জাহান, উপজেলা সার্ভেয়ার সহ গ্রাম পুলিশ ও সুবিধাভোগীরা। এসময় ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মোট ৩৫০ জন হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও শীতার্তদের হাতে একটি করে কম্বল তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামীম হোসেন বলেন, এই ভোলাহাট উপজেলায় কেউ শীতার্ত থাকবেনা। আমরা খবর পেলে শীতার্ত মানুষের পাশে আমরা দাঁড়াবো বলে জানান তিনি। এই কনকনে শীতে একটি করে কম্বল পেয়ে অনেক খুশি সুবিধাভোগীরা।

  • সৌদি আরবের জেদ্দায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ এক্সপো’ সফলভাবে সম্পন্ন

    সৌদি আরবের জেদ্দায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ এক্সপো’ সফলভাবে সম্পন্ন

    সৌদি আরবের জেদ্দার রেডিসন ব্লু হোটেল-এ আয়োজিত ‘Made in Bangladesh Expo: Saudi Arabia Edition ২০২৫-এ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB)-এর মনোনীত ৭টি কোম্পানিসহ মোট ৪০টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। এক্সপোতে রেডিমেড গার্মেন্টস (RMG), অ্যাগ্রো ও হালাল ফুড, আইসিটি ও ডিজিটাল সার্ভিস, প্লাস্টিকস, পাট ও পাটজাত পণ্য, এবং রিয়েল এস্টেট ও হসপিটালিটি খাতের প্রতিনিধিত্ব ছিল, যা বাংলাদেশের বহুমুখী রপ্তানি সক্ষমতা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরে। এক্সপো উপলক্ষে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী থেকে উল্লেখযোগ্য পোস্ট-ইভেন্ট বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, নিশ্চিত রপ্তানি আদেশ ৪ লাখ ৭৫ হাজার মার্কিন ডলার, রিয়েল এস্টেট ও হসপিটালিটি খাতে নিশ্চিত বিনিয়োগ ৫ লাখ ৪৬ হাজার মার্কিন ডলার, ২৩টি ট্রেড এনকোয়ারি, ৫৫টি কাঠামোবদ্ধ ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা (B2B) বৈঠক, এবং ২০০-এর বেশি নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ স্থাপন, যা ভবিষ্যৎ বাণিজ্য সম্প্রসারণের শক্ত ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এক্সপোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার মাননীয় কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াৎ হোসেন। সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ওসামা কোকান্দি, চেয়ারম্যান, সৌদি অর্থনৈতিক কাউন্সিল, যার উপস্থিতি এক্সপোর আন্তর্জাতিক গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতাকে আরও সুদৃঢ় করে। মিট দ্য প্রেসে বক্তব্যে প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ লিটন আহমেদ বলেন, “এই এক্সপো ‘Made in Bangladesh’ ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও শক্তিশালী করেছে। সৌদি আরব ও জিসিসি অঞ্চলের ক্রেতারা বাংলাদেশের পণ্যের মান, প্রতিযোগিতামূলক মূল্য এবং সরাসরি সোর্সিংয়ের প্রতি স্পষ্ট ও ইতিবাচক আগ্রহ দেখিয়েছেন।” তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সৌদি আরবসহ জিসিসি অঞ্চলের অন্যান্য দেশেও এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এক্সপো আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান সুদৃঢ় করার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা এক্সপোর সামগ্রিক আয়োজন, বাণিজ্যিক অর্জন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এটিকে বাংলাদেশ-সৌদি আরব বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।

  • বিভিন্ন সীমান্তে ১৬ বিজিবির টহল ও নিরাপত্তা জোরদার।

    বিভিন্ন সীমান্তে ১৬ বিজিবির টহল ও নিরাপত্তা জোরদার।

    নওগাঁ জেলার পোরশা, সাপাহার ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরে সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও দুষ্কৃতিকারীদের পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যাওয়া রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১৬-বিজিবি)। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সীমান্তজুড়ে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপনসহ ব্যাপক তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে ১৬ বিজিবি নওগাঁ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। প্রেসনোটে জানানো হয়, নওগাঁ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা পোরশা, সাপাহার ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বাঙ্গবাড়ী, রহনপুর, আড্ডা, বিভীষণ, যাতাহারা, রোকনপুর, এলাকায় এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং দুষ্কৃতিকারীদের পালিয়ে যাওয়া ঠেকাতে ১৬ বিজিবির আওতাধীন এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান, অবৈধ পণ্য পাচার ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও পরিবেশ উপেক্ষা করে দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবির সদস্যরা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)-এর অধীনস্থ বিভিন্ন বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও চেকপয়েন্টে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ সকল পয়েন্টে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া সীমান্তের যাতায়াত পথ গুলোতে একাধিক অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। ব্যাটালিয়ন সদর থেকে পরিচালিত মোবাইল টহলের মাধ্যমে সীমান্তে প্রবেশের সম্ভাব্য পথগুলোতেও কঠোর নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। নওগাঁস্থ (১৬ বিজিবি)-ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি, বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপনসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ ও দুষ্কৃতিকারীদের পালিয়ে যাওয়া ঠেকাতে বিজিবির এই তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • নড়াইলের পেড়লীতে মানুষের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    নড়াইলের পেড়লীতে মানুষের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পেড়লীতে ২০২৪ সালের ৫ই-আগষ্ট বিএনপিসহ নিরীহ লোকজনের উপর হামলাকারী আওয়ামী-যুবলীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। সোমবার বিকেলে পেড়লী বিএনপি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিএনপি নেতা মো: আসলাম শেখ, কৃষকদলের নেতা মো: আলমগীর মোল্যাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে পেড়লী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক মো: আলমগীর মোল্যা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর আমাকেসহ বিএনপি নেতা ইমরান মোল্যা, উজ্জ্বল শেখ, সবির মোল্যা,কবির মোল্যা ছাড়াও বেশকয়েকজনকে আওয়ামীলীগ নেতা জাফর শেখ, যুবলীগ নেতা সাজ্জাদ শেখ ও নবু শেখের নেতৃত্বে ৭০/৮০ জন লোক প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে চিরতরে পঙ্গু ও গুরুতর জখম করে। ওই ঘটনার পর হামলাকারী আওয়ামী-যুবলীগের চিহ্নিত লোকজন পেড়লী ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যায়। হামলাকারীরা একবছরের বেশি সময় পলাতক থাকার পর গত ১৯ ডিসেম্বর গ্রামে এসে ফের মহড়া দেয়ায় ওই সময় হামলার শিকার ভূক্তভোগী লোকজনসহ সাধারণ লোকজনের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে।সন্ত্রাসীরা গ্রামে এসেই উত্তরপাড়ার বাসিন্দা খাজা শেখকে মারতে উদ্যত হয়।তিনি দৌড়ে পালিয়ে রক্ষা পান।কালিয়ার এক জনপ্রতিনিধির ইন্ধনে সন্ত্রাসীরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।বিষয়টি কালিয়া থানার ওসি ও পেড়লী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জকে কয়েকবার অবহিত করা হলেও পুলিশ প্রশাসন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।বিষয়টির ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিআইজি খুলনা, নড়াইল পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন কৃষকদল নেতা আলমগীর মোল্যা। কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ইদ্রিস আলী বলেন, কেউ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে কোনভাবেই ছাড় দেয়া হবে না। কেউ অপরাধী হলে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।

  • সিরাজগঞ্জ জেলা সমিতি কামারখন্দ উপজেলার উপ-কমিটি গঠন

    সিরাজগঞ্জ জেলা সমিতি কামারখন্দ উপজেলার উপ-কমিটি গঠন

    রাজশাহীতে বসবাসরত সিরাজগঞ্জ জেলার স্থায়ী অধিবাসীদের প্রিয় সংগঠন সিরাজগঞ্জ জেলা সমিতির সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষে জেলার সকল উপজেলার অধিবাসীদের সমন্বয়ে পৃথক পৃথক উপজেলা উপ-কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কামারখন্দ উপজেলা উপ-কমিটি গঠিত হয়। উপজেলা কমিটির সভাপতি মনোনিত হয়েছেন অগ্রণী স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোসাঃ হাফসা খাতুন, সাধারণ সম্পাদক মনোনিত হয়েছেন বাঘা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রব। সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনিত হয়েছেন আরবান হেল্থ কেয়ার কমিউনিটি সেন্টারের নীল মাধব সাহা সহ ৯ সদস্য বিশিষ্ঠ কামারখন্দ উপজেলা উপ-কমিটির কার্যনির্বাহী পরিষদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল আলম। কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ কমিশনার কে এম হাবিবুর রহমান।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে চোলাইমদ-ওয়াশসহ গ্রেফতার এক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে চোলাইমদ-ওয়াশসহ গ্রেফতার এক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে চোলাইমদ-ওয়াশসহ গ্রেফতার এক

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় (ডিএনসি)’র অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার খরপা (জংলীপাড়া)এলাকা থেকে চোলাইমদ-ওয়াশসহ একজন গ্রেফতার হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হচ্ছে, জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার খরপা (জংলীপাড়া)এলাকার শ্রী হিরু শিং এর ছেলে শ্রী সন্তোষ শিং (৩৭)। ডিএনসির এক প্রেসনোটে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় (ডিএনসি)’র উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, মাদক বিরোধী অভিযানে ২৩ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার খরপা (জংলীপাড়া)এলাকা থেকে ২০ লিটার চোলাইমদ ও ৮০ লিটার ওয়াশসহ শ্রী সন্তোষ শিং কে গ্রেফতার করা হয়। এঘটনায় ডিএনসি’র উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ মামলার বাদী হয়ে আসামীর বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তোলা হবে-হারুনুর রশীদ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তোলা হবে-হারুনুর রশীদ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তোলা হবে-হারুনুর রশীদ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরকে একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, সাবেক এমপি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদ। মঙ্গলবার দুপুরে ‘সকলে মিলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখব-পরিবেশবান্ধব শহর গড়বো” এই স্লোগানে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর শাখার উদ্যোগে আজাইপুর এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    হারুনুর রশিদ আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে হলে-সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নাগরিক সচেতনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে একটি বাসযোগ্য ও সুন্দর শহরে পরিণত করা সম্ভব। এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল বারেক ও মাসুদুল হক নিখিল,

    জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাগর আহমেদ, সাবেক জেলা ছাত্রদলের মিম ফজলে আজিজসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সাধারণ মানুষও এতে অংশ নেয়। শেষে নেতাকর্মীরা আজাইপুর এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেয়।

  • নির্বাচন সুষ্ঠু করার পূর্ণ সক্ষমতা পুলিশের রয়েছে-আইজিপি

    নির্বাচন সুষ্ঠু করার পূর্ণ সক্ষমতা পুলিশের রয়েছে-আইজিপি

    পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর করার মতো পূর্ণ সক্ষমতা বাংলাদেশ পুলিশের রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসার ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে বাস্তব কারণেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছে। তবে আমরা সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছি। নির্বাচনের আগে এই পর্যায়ে এসে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের বাহিনী যথেষ্ট সক্ষমতা অর্জন করেছে। তুচ্ছ ঘটনায় রাস্তা বা মহাসড়ক অবরোধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির বিষয়ে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, সমাজের বিভিন্ন অংশে ছোটখাটো ইস্যুতে রাস্তা ও হাইওয়ে অবরোধ করে অস্থিরতা সৃষ্টির যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা বন্ধ করার সময় এসেছে। সব জায়গায় শৃঙ্খলা বা অর্ডার প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। ইসির পদক্ষেপের প্রশংসা করে আইজিপি বলেন, ইলেক্টরাল ইনকোয়ারি কমিটিকে সামারি ট্রায়ালের (সংক্ষিপ্ত বিচার) মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত সময়োপযোগী। এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রয়োজনে পুলিশের পাশাপাশি যেকোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবেন, এমন প্রবিধান রাখায় আমি কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই। এসময় পুলিশ প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের রদবদল নিয়ে ইসির কাছে স্পষ্টীকরণ চান আইজিপি। তিনি বলেন, এসপি বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বদলির বিষয়ে কমিশনের নির্দেশনা থাকে। তবে কনস্টেবল বা সাব-ইন্সপেক্টরের মতো সর্বনিম্ন পদেও রদবদলের ক্ষেত্রে কমিশনের পূর্বানুমতি প্রয়োজন কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা প্রয়োজন। আইজিপি বাহারুল আলম প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, পুলিশ তার সর্বশক্তি ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এবারের নির্বাচন সফল ও শান্তিপূর্ণ করতে বদ্ধপরিকর। দেশবাসী ও নির্বাচন কমিশন আমাদের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে পারেন। গণভোট ও নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসার ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। আরো উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন কমিশনার-আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

  • আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমেই সুন্দর নির্বাচন সম্ভব-সিইসি

    আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমেই সুন্দর নির্বাচন সম্ভব-সিইসি

    কেবল আইনের শাসনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমেই একটি সঠিক ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, আমরা প্রমাণ করতে চাই যে, একটি সঠিক ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারি। আর এটি সম্ভব কেবল আইনের শাসনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ডিসি-এসপি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ব্রিফিং এ এসব কথা বলেন তিনি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের ওপর যে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে, তা থেকে আমরা মুক্তি চাই। তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আইনের শাসন কাকে বলে, আমরা তা দেখিয়ে দিতে চাই। আইনের শাসন মানে আইন হবে অন্ধ। ‘ল’ (Law) সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করবেন। আপনাদের ওপর গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। এই ক্রান্তিলগ্নে আমরা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হই, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমরা দায়ী থাকব। বিগত নির্বাচনগুলো নিয়ে সমালোচনার কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, সামষ্টিকভাবে আমাদের ওপর দোষারোপ করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আমরা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছি বা ম্যানেজড ইলেকশন করছি। এই অপবাদ থেকে আমরা মুক্তি চাই। মাঠ পর্যায়ে আপনারা যারা সরকারকে সচল রাখেন, সিস্টেমটাকে ধরে রাখার দায়িত্ব আপনাদের। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাহস জুগিয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, আপনারা বুক ফুলিয়ে যখন আমাকে সাহস দেবেন, আমিও তখন সাহসী হব। আপনাদের অঙ্গীকার আমাকে সাহসী করে তোলে। আপনারা যখনই আইনের প্রতিষ্ঠার জন্য সাহসী পদক্ষেপ নেবেন, বিধি-বিধানের আলোকে কাজ করবেন, ইনশাআল্লাহ নির্বাচন কমিশন আপনাদের পাশে থাকবে। তিনি বলেন, আমাকে খুশি করার দরকার নেই। আপনারা আপনাদের অধীনস্থদের আইনের মাধ্যমে পরিচালনা করবেন। সিস্টেম যাতে ঠিকমতো ডেলিভারি দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা আপনাদেরই করতে হবে। কোনো ধরনের বিচ্যুতি যেন না ঘটে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে। সভার শুরুতে সিইসি সম্প্রতি প্রয়াত ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। অনুষ্ঠানে অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার এবং মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।