Blog

  • নিয়ামতপুরে মৃত বাবার সম্পত্তি উদ্ধারে মেয়ের সংবাদ সম্মেলন

    নিয়ামতপুরে মৃত বাবার সম্পত্তি উদ্ধারে মেয়ের সংবাদ সম্মেলন

    আমরা মা মেয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যে কোন মূহুর্তে আমাদেও তুলে নেওয়া হুমকি দিয়ে যাচ্ছে আমার চাচা, চাচাতো ভাইয়েরা। আমার দাদা হাজি মঞ্জুর আলী মৃত্যুবরণ করার পূর্বে প্রত্যেক সন্তানের নামে আলাদা আলাদা দলিল করে যান। সে মোতাবেক আমার বাবা সামীর আলী ও আমরা তার ওয়ারিশ দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল কওে আসছি। আমার বাবা মারা যাওয়া প্রায় ৯ বছর অতিবিাহিত হয়েছে। অথচ হঠাৎ গত মে মাসে ৯ তারিখে আমার চাচা বশির আহমেদ, নাসির আলী, তার সন্তানরা তাদের মনগড়াভাবে আমার দাদার সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা করে। এবং আমার বাবার বাড়ী, ভিটা, মার্কেট জোরপূর্বক দখল করে নেয়। কান্না বিজড়িত কন্ঠে নিয়ামতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে মাকে সাথে নিয়ে এসে উপস্থিত হয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এমনটিই অভিযোগ করে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের চৌরাপাড়া গ্রামের মৃত-সামির আলীর মেয়ে শিউলি খাতুন। এ বিষয়ে সামীর আলীর স্ত্রী মালেকা বেগম বাদি হয়ে থানা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সেনা ক্যাম্প এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। শিউলি খাতুন লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, আমার মাকে আমার চাচা, চাচী ও চাচাতো ভাইয়েরা বাড়ী থেকে বের কওে দেয়। আমরা পাশের বাড়ীতে গিয়ে আশ্রয় নেই। আমাদের মার্কেট দখল করে নেয়। মার্কেটের কাজের জন্য নিয়ে আসা ইট, বালি, খোয়া আমার চাচা জোর করে নিয়ে নিজের কাজে লাগায়। আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এসিল্যান্ড, থানা এমনকি সেনাবাহিনীর কাছে বিচার চেয়েও কোন বিচার পাইনি। তাই নিরুপায় হয়ে দেশবাসীকে জানানোর জন্য এই সংবাদ সম্মেলন করছি। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসী তথা আইন শৃংখলা বাহিনীর কাছে আকুল আবেদন আমাদের জীবনের নিরপত্তা দিন। আমার বাবার বেদখল হওয়া সম্পত্তি উদ্ধার করে আমাদেও সুস্থ্য সুন্দও জীবন যাপন করা সুযোগ করে দেন। সংবাদ সম্মেলনে মেয়ে শিউলি খাতুন ছাড়া সামীর আলীর স্ত্রী মালেকা বেগমও উপস্থিত ছিলেন।

  • ১৮ লাখের বেশি রিটার্ন দাখিল- আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

    ১৮ লাখের বেশি রিটার্ন দাখিল

    আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

    ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর। রোববার সংস্থার এক আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এনবিআর জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে। এই সময় ৩০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। কেউ অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে অসমর্থ হলে তাকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে উপকর কমিশনারের নিকট আবেদনের সুযোগ দিয়ে আরেকটি আদেশও এদিন জারি করা হয়। চলতি করবর্ষের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি এবং মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্ন দাখিল এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে এ বিধান শিথিল রাখা হয়েছে। চাইলে ই-রিটার্নও দাখিল করতে পারবেন তারা। করদাতার তরফে তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিও এবছর অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশির ক্ষেত্রে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাদকতা না থাকলেও তার পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ই-মেইল অ্যাড্রেস ইত্যাদি তথ্য দিয়ে বিদেশে বসেই ই-রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলে আয়কর আইন অনুযায়ী মাসিক ২ শতাংশ হারে বিলম্ব সুদ দিতে হবে। এছাড়া কর নির্ধারণ প্রক্রিয়াতেও আসবে পরিবর্তন; তখন করদাতাকে মোট আয়ের ওপর কর পরিশোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে করদাতা আয়কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত হবেন না; পাবেন না কর রেয়াতও। মাসের হিসাবের ক্ষেত্রে ভগ্নাংশ মাসও পূর্ণাঙ্গ মাস হিসেবে গণ্য হবে। বর্তমানে কোনো নথি বা দলিলাদি আপলোড ছাড়াই অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া যাচ্ছে; ব্যাংকিং সেবার যেকোনো মাধ্যম বা মোবাইল ফিন্যানসিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করে সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয় ই-রিটার্ন দাখিলের স্বীকারপত্র পাচ্ছেন করদাতারা। এর আগে ই-রিটার্ন সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় করদাতাদের সহায়তা প্রদানের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি কল সেন্টার স্থাপন করেছে। এ সেন্টারের ০৯৬৪৩৭১৭১৭১ নম্বরে ফোন করে করদাতারা ই-রিটার্ন সংক্রান্ত প্রশ্নের তাৎক্ষণিক টেলিফোনিক সমাধান পাচ্ছেন। তাছাড়া সারাদেশের সব কর অঞ্চলে স্থাপিত ই-রিটার্ন হেল্প-ডেস্ক থেকেও সহায়তা মিলছে। চলতি করবর্ষে রোববার পর্যন্ত ১৮ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছেন। গত বছর ১৭ নভেম্বরেই একমাস সময় বাড়ানোর আদেশ দিয়েছিল এনবিআর। সেদিন পর্যন্ত ই-রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৭৫ হাজার। পরে কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি শেষ সময় ঠিক করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর জরিমানা দিয়ে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রয়েছে।

  • বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মাদক মুক্ত দেশ এবং নারীদের ক্ষমতায়ন করা হবে-মিলন

    বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মাদক মুক্ত দেশ এবং নারীদের ক্ষমতায়ন করা হবে-মিলন

    দীর্ঘ সতের বছরে দেশে বেকারত্বের হার বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন। সেইসাথে কমেছে কলকারখানা। অনেক কারখানা বন্ধ হওয়ায় বেড়েছে বেকারত্ব। শুধু তাইনয় পতিত সরকার তার নেতাকর্মী আইন শৃংখলাবানীর কিছু সদস্যদের দিয়ে দেশে মাদকের সম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। এতে করে যুব সমাজ নষ্ট হতে বসেছে। একদিকে বেকার অন্যদিকে মাদকের ছোবলে বিপর্যস্ত দেশ। শুধু তাইনয় আমরা বলি নারী স্বাধীনতা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। এখনো নারীরা পরিবারে মতামত দিতে পারেনা। দিলেও প্রায়ই সেটা অগ্রাহ্য করা হয়। এজন্য বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আগে যুবসমাজকে বাঁচাতে দেশকে মাদকদুক্ত এবং যুবসমাজ ও বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। সারা দেশের ন্যায় পবা-মোহনপুরকেও একই অবস্থায় নিয়ে আসা হবে বলে শনিবার সন্ধ্যায় যুবদল নওহাটা পৌরসভা শাখার আয়োজনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যুবদলের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, যুবকরা হচ্ছে একটি দেশের প্রাণ শক্তি। এই শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথমেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। কিন্তু এই নির্বাচন বানচাল ও পেছানোর জন্য একটি দল নানা কৌশল করছে। তারা দেশকে অস্থিতিশীল করে নির্বাচন পেছানোর পাঁয়তারায় লিপ্ত হয়েছে। কিন্তু ঐ দল আবার ছয় মাস পূর্বে নির্বাচন করার জন্য প্রার্থী মনোনয়ন শেষ করেছে। শুধু তাইনয় এখন তারা বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করছে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলাম মেয়ে ও নারীদের দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র ঠিক করার নামে সেগুলোর ফটোকপি এবং নম্বর নিয়ে নিচ্ছে। এগুলো নিয়ে তারা নানা ধরনের অপকৌশল অবলম্বন করছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। কোন অপরিচিত ব্যক্তি বাসাবাড়িতে যেয়ে এগুলো চাইলে না দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। মিলন বলেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল। আর ধানের শীষ হচ্ছে জনগণের প্রাণের প্রতিক। এজন্য এই প্রতিক যখন ক্ষমতায় আসে জনগণ তখন শান্তিতে থাকে। দেশে উন্নয়নের জোয়ার আসে। এজন্য আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করে বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী ও দেশের উন্নয়নে অংশিদার হতে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি। নওহাটা পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সুজন মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুবুল আলম সুমন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওহাটা পৌর বিএনপি সাবেক সভাপতি ও নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব শেখ মকবুল হোসেন, নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রাকিবুল ইসলাম পিটার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুনুর সরকার জেড, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক-১ সাইদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক-২ মিজানুর রহমান মিজান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুর রহমান শরিফ, জেলা যুবদলের সদস্য ইফতেখারুল ইসলাম ডনি, নওহাটা পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান, মমিনুল ইসলাম মিলন, আজাদ সরকার, মাহাবুব রহমান, মতিউর রহমান মতি ও শামীম হোসেন। এছাড়াও নওহাটা পৌরসভার সকল ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক, সদস্য সচিবসহ পাঁচশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী-সেনাপ্রধান

    ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী-সেনাপ্রধান

    দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সেনাপ্রধান জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো পথ অনুসরণ করে দেশের স্বার্থে ও জনগণের কল্যাণে সেনাবাহিনী সর্বদা কাজ করে যাবে। এর আগে, বীরত্বপূর্ণ কাজ ও বাহিনীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬৪ জন সেনাসদস্যকে পদক এবং ৭৫টি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে ৯ জনকে ‘সেনাবাহিনী পদক’, ১৭ জনকে ‘অসামান্য সেবা পদক’ এবং ৩৮ জনকে ‘বিশিষ্ট সেবা পদক’ দেওয়া হয়।

  • ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সাক্ষাৎ

    ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সাক্ষাৎ

    বাংলাদেশে সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানরত হোটেলে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলটির অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। এর আগে, দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে ঢাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। ওইদিন বিকেলেই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য খাত ও ইন্টারনেট সংযোগ সংক্রান্ত দুটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবী জোরালো হচ্ছে

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবী জোরালো হচ্ছে

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন নাচোল, গোমস্তাপুর, ভোলাহাট এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক এমপি আমিনুল ইসলাম। কিন্তু বিএনপি’র সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘোষণা নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। প্রার্থী বাছাইয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামত উপেক্ষিত হওয়ায় এমন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাকে মনোনয়ন দেওয়ার পরপরই লাগাতার আন্দোলন করে যাচ্ছে বিএনপির বঞ্চিত নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। প্রায় প্রতিদিন নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন স্থানীয় নেতা কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন। নেতা- কর্মীদের দাবী, তৃণমূলের কোনো সমর্থন না নিয়ে আমিনুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাটবাসী চান, যার জনপ্রিয়তা বেশি ও জনগণের কল্যাণে কাজ করবেন, তাকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। যে পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন পরিবর্তন করা না হবে, সেই পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করা অনেক নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু কেন্দ্র থেকে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তিনি জনবান্ধব নেতা নন। বিগত সময়গুলোতে এলাকায় তার অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। তাছাড়া তিনি এলাকার বাসিন্দা নন। তিনি লালমনিরহাট জেলার অধিবাসী ও ব্যবসার কাজে প্রায়ই ঢাকা, চট্টগ্রাম থাকেন এমন অভিযোগ তাদের। এ আসনে দীর্ঘদিন ধরে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আসাদুল্লাহ আহমদ। দলের জন্য রয়েছে তার অপরিসীম ত্যাগ। এলাকার সন্তান হয়ে দল ও মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ১৯৮১ সাল থেকে দলের সাথে আছি। ছাত্রদল, যুবদল, জাসাস ও বিএনপির দায়িত্ব পালন করেছি। দলের সিদ্ধান্ত সবসময় মেনে চলেছি। কোন গ্রুপিংয়ের সাথে জড়িত হইনি। মনে করেছিলাম মনোনয়ন পাবো। কিন্তু পাইনি। সিদ্ধান্ত পূর্নবিবেচনা করার জন্য দলের নিকট আবেদন করছি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম তুহিন বলেন, ‘আমরা যারা মাঠে আছি, আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছি, আমাদের মতামত না নিয়ে বাইরের কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূল তা মেনে নেবে না।’ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মাসউদা আফরোজ হক শুচি বলেন, “আমরা এলাকার মানুষের সঙ্গে দিনরাত কাজ করি। কিন্তু যাকে এলাকায় দেখা যায়নি, তিনি হঠাৎ এসে মনোনয়ন পেয়ে গেলে সংগঠনের ভেতরে ভাঙন ধরবে। বিএনপি’র অন্যতম মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার ইমদাদুল হক মাসুদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দল বাঁচাতে হলে এলাকার পরীক্ষিত নেতাদের মধ্যে থেকে যে কোন একজনকে মনোনয়ন দিতে হবে। বাইরে থেকে এনে প্রার্থী দিলে কর্মীরা হতাশ হবেন। আমিনুল ইসলামকে বাদ দিয়ে প্রার্থী না দিলে কেউ মেনে নেব না।’ নাচোল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন বলেন, ‘আমরা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি অনুরোধ জানাই, তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দিন। তৃণমূলই বিএনপির শক্তি। তাদের উপেক্ষা করলে নির্বাচনী মাঠ দুর্বল হয়ে পড়বে। গোমস্তাপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ( ভারপ্রাপ্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, কোন জনবিচ্ছিন্ন নেতাকে মনোনয়ন দিলে জনগন ও দলীয় নেতাকর্মী মেনে নিবে না। দূর্বল প্রার্থীর কারণে দলই ক্ষতির সম্মুখীন হবে। ভোলাহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইয়াজদানী আলীম আল রাজী জজ বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর আমাদের আস্থা আছে। তিনি অবশ্যই এলাকার মানুষের সেন্টিমেন্ট বুঝে সিদ্ধান্ত নিবেন। আমাদের দাবী অযোগ্য প্রার্থীর পরিবর্তন চাই। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ নভেম্বর রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২৩৭টি আসনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সে সময় এ আসনে আমিনুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়ার ঘোষণা করা হয়।

  • নওগাঁয় ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত কৃষক-মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য

    নওগাঁয় ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত কৃষক-মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য

    নওগাঁয় ধানের নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষক। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে মণপ্রতি প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কমে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকেরা। এতে উৎপাদন খরচ তোলা নিয়েই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। নওগাঁয় চলতি মৌসুমে আমন ধান কাটা ও মাড়াই এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। জেলার প্রায় অর্ধেক জমির ধান কাটা বাকি থাকতেই বাজারে শুরু হয়েছে অস্থিরতা। জেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ৫০ শতাংশ ধান কাটা ও মাড়াই বাকি। কৃষকরা বলছেন, মৌসুমের কাজ পুরোপুরি শেষ হতে আরও ১০-১৫ দিন সময় লাগবে। এরই মধ্যে বাজারে ধানের দরপতন হওয়ায় তাদের হতাশ করেছে। সরকার চলতি মৌসুমে প্রতি কেজি ধানের দাম ৩৬ টাকা অর্থাৎ প্রতি মণ ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে। অথচ স্থানীয় নিয়ামতপুরের ছাতড়াহাট, মহাদেবপুরের মাতাজি এবং মান্দার চৌবাড়িহাট ও সতীহাটসহ বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা দরে। মান্দা উপজেলার কৃষক আব্দুল লতিফ আক্ষেপ করে বলেন, এখনো অনেক জমির ধান কাটা বাকি। সার ও শ্রমিকের দাম অনেক বেশি। কিন্তু বাজারে ধানের দাম শুনলেই বুক ভেঙে যায়। মণপ্রতি ১ হাজার ৫০ টাকায় ধান বিক্রি করলে লোকসান গোনা ছাড়া উপায় নেই। সরকারি ক্রয়কেন্দ্রে ধান বিক্রির জটিলতার কথা উল্লেখ করে মহাদেবপুরের কৃষক মোসলেম উদ্দিন বলেন, সরকারি দরে খুব অল্প পরিমাণ ধান কেনা হয়। ক্রয়কেন্দ্রে আমাদের ধান নেওয়া হয় না, নানা অজুহাত দেখানো হয়। বাধ্য হয়ে দালালদের কাছে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ধান কাটা পুরোপুরি শেষ হলে দাম আরও কমার আশঙ্কা করছি। পত্নীতলার নারী কৃষক রোকসানা খাতুন বলেন, শ্রমিকের মজুরি ও উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এর মধ্যে ধানের দাম কমতে থাকলে আমাদের পথে বসা ছাড়া উপায় থাকবে না। এ চিন্তায় দিন-রাত অস্থিরতায় কাটছে। এদিকে, ধানের দাম কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা ব্যাংকের তারল্য সংকট ও মিল মালিকদের অনাগ্রহকে দায়ী করছেন। নওগাঁ সদর বাজারের ধান ব্যবসায়ী হাসানুজ্জামান রনি বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন কঠিন হয়ে গেছে। মিলগুলোও ধান কম কিনছে। হাতে নগদ টাকা না থাকায় আমরা চাইলেও বেশি দামে ধান কিনতে পারছি না। মান্দা বাজারের ব্যবসায়ী মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘বাজারে ধানের সরবরাহ বাড়লেও নগদ টাকার সংকটে দাম বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোছা. হোমায়রা মন্ডল বলেন, ‘জেলায় এখনো প্রায় অর্ধেক ধান কাটা বাকি। ধান কাটার গতি বাড়ায় বাজারে সরবরাহও বাড়ছে। আমরা মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্য পান এবং সরকারি ক্রয়কেন্দ্রে ধান দিতে পারেন, সে বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হলে আগামী মৌসুমে ধান চাষে আগ্রহ হারাবেন কৃষক। তাই মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগীরা।

  • নওগাঁ-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মাসুদ রানার মতবিনিময়

    নওগাঁ-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মাসুদ রানার মতবিনিময়

    ‘বিভেদ নয় ঐক্য চাই, ধানের শীষের জয় চাই’ স্লোগানে নওগাঁর পোরশায় মতবিনিময় সভা হয়েছে। শনিবার উপজেলার নিতপুর বাসস্ট্যান্ডে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন-পোরশা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোঃ মাসুদ রানা। সাপাহার উপজেলা বিএনপির সদস্য মাহফুজুল হক চৌধূরী বাবুর সভাপতিত্ব বক্তব্য রাখেন-পোরশা উপজেলা বিএনপির সদস্য আবুল কালাম ও জেলা যুবদলের সাবেক সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক ও পোরশা উপজেলা বিএনপির সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন- পোরশা উপজেলা থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক বকুল, জিয়া সৈনিক দলের সভাপতি ওয়াসিম মন্ডল ও প্রচার সম্পাদক খোরশেদ আলম বাবু, উপজেলার নিতপুর সদর উইনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ এবং তারেক জিয়া পরিষদ জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন মোন্না খোকা, সাপাহার উপজেলা বিএনপির শহর সাধারন সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সায়েদ মিজান রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ও আইহাই ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক, নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির ওলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম সেলিম এবং জেলা যুবদলের সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন সহ অন্যরা। এসময় সাপাহার-পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলার বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
    লায়ন মোঃ মাসুদ রানা জানান-সাপাহার-পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা নিয়ে নওগাঁ-১ আসন। দল থেকে মোস্তাফিজুর রহমান মনোনীত করা হয়েছে এবং তাকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছি। তবে তিনি এখন পর্যন্ত মাঠ গুছিয়ে নিতে পারেননি। আবার ডা: ছালেক চৌধূরী তিনিও মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে জমি ও পুকুর দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ আসছে। এতে বিএনপির ইমেজ খারাপ হচ্ছে। এ দুইজনের কারণে মাঠে ভোট নষ্ট হচ্ছে। তারা যদি ভাল করতে পারে, আমার কোন সমস্যা নাই। তিনি আরো বলেন-তাদের দুইজনের মধ্যে এমনটা যদি চলতে থাকে তাহলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অন্য দল বিজয়ী হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের চেয়ে জনপ্রিয়তা আমার কোন অংশে কম নয়। ২০১৪ সাল থেকে মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করে আসছি। মনোনয়ন পেতে একজন অপরজনকে ছোট ও হেয় করা নিয়ে ব্যতিব্যস্ত এবং উঠে পড়ে লেগেছে। ছোট ছোট সমস্যাগুলো ঘরে বসেই সমাধান করা যেতো। কিন্তু সেটা এখন বড় করে দেখানো হচ্ছে। তবে আমি দলের সীদ্ধান্ত মেনে নিতে চাই। মনোনীত প্রার্থী হলেও চুড়ান্ত হয়নি বলে দলের সীদ্ধান্ত। তাই আমি মাঠে নামতে আগ্রহ প্রকাশ করছি এবং মনোনয়ন চাইছি। আমাদের সামনে দুর্দিন আসছে যা মোকাবেলা করতে হবে।

  • নওগাঁ-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মাসুদ রানার মতবিনিময়

    নওগাঁ-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মাসুদ রানার মতবিনিময়

    ‘বিভেদ নয় ঐক্য চাই, ধানের শীষের জয় চাই’ স্লোগানে নওগাঁর পোরশায় মতবিনিময় সভা হয়েছে। শনিবার উপজেলার নিতপুর বাসস্ট্যান্ডে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন-পোরশা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোঃ মাসুদ রানা। সাপাহার উপজেলা বিএনপির সদস্য মাহফুজুল হক চৌধূরী বাবুর সভাপতিত্ব বক্তব্য রাখেন-পোরশা উপজেলা বিএনপির সদস্য আবুল কালাম ও জেলা যুবদলের সাবেক সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক ও পোরশা উপজেলা বিএনপির সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন- পোরশা উপজেলা থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক বকুল, জিয়া সৈনিক দলের সভাপতি ওয়াসিম মন্ডল ও প্রচার সম্পাদক খোরশেদ আলম বাবু, উপজেলার নিতপুর সদর উইনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ এবং তারেক জিয়া পরিষদ জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন মোন্না খোকা, সাপাহার উপজেলা বিএনপির শহর সাধারন সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সায়েদ মিজান রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান ও আইহাই ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক, নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির ওলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম সেলিম এবং জেলা যুবদলের সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন সহ অন্যরা। এসময় সাপাহার-পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলার বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
    লায়ন মোঃ মাসুদ রানা জানান-সাপাহার-পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা নিয়ে নওগাঁ-১ আসন। দল থেকে মোস্তাফিজুর রহমান মনোনীত করা হয়েছে এবং তাকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছি। তবে তিনি এখন পর্যন্ত মাঠ গুছিয়ে নিতে পারেননি। আবার ডা: ছালেক চৌধূরী তিনিও মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে জমি ও পুকুর দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ আসছে। এতে বিএনপির ইমেজ খারাপ হচ্ছে। এ দুইজনের কারণে মাঠে ভোট নষ্ট হচ্ছে। তারা যদি ভাল করতে পারে, আমার কোন সমস্যা নাই। তিনি আরো বলেন-তাদের দুইজনের মধ্যে এমনটা যদি চলতে থাকে তাহলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অন্য দল বিজয়ী হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের চেয়ে জনপ্রিয়তা আমার কোন অংশে কম নয়। ২০১৪ সাল থেকে মনোনয়ন পেতে চেষ্টা করে আসছি। মনোনয়ন পেতে একজন অপরজনকে ছোট ও হেয় করা নিয়ে ব্যতিব্যস্ত এবং উঠে পড়ে লেগেছে। ছোট ছোট সমস্যাগুলো ঘরে বসেই সমাধান করা যেতো। কিন্তু সেটা এখন বড় করে দেখানো হচ্ছে। তবে আমি দলের সীদ্ধান্ত মেনে নিতে চাই। মনোনীত প্রার্থী হলেও চুড়ান্ত হয়নি বলে দলের সীদ্ধান্ত। তাই আমি মাঠে নামতে আগ্রহ প্রকাশ করছি এবং মনোনয়ন চাইছি। আমাদের সামনে দুর্দিন আসছে যা মোকাবেলা করতে হবে।

  • গোদাগাড়ীতে মেজর অব. শরিফ উদ্দীনের মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

    গোদাগাড়ীতে মেজর অব. শরিফ উদ্দীনের মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে শরিফ উদ্দীনের মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিএনপির একটি গ্রুপ। জানা যায়, শনিবার বিকেলে গোদাগাড়ী রেলগেট এলাকায় গোদাগাড়ী-তানোরের সম্ভাব্যপ্রার্থী মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিনের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে এক বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এখানে তানোর-গোদাগাড়ী বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভে গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ তাজমিলুর রহমান শেলি, পাকড়ী ইউনিয়ন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, গোদাগাড়ী পৌরসভা সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল ওহাব, গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপি সহ-সভাপতি এনামুল হক চয়ন, ২নং মোহনপুর ইউনিয়নের যুগ্ন আহ্বায়ক ইমতিয়াজ সাকলাইন, তানোর উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান, তানোর উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান আতিক প্রমুখ। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ বলেন, মেজর অব. শরিফ উদ্দীন কে ৫ই আগস্ট এর আগে এলাকায় দেখা যায়নি। সে সময় বি.এন.এম এর নমিনেশনের নেওয়ার ব্যাপারে ব্যাপক গুঞ্জন উঠেছিল। তিনি গোদাগাড়ী বিএনপির বড় একটি অংশের সমর্থন পাননি। ফলে কোন অবস্থাতেই তিনি বিজয়লাভ করতে পারবেন না। আর সেজন্যই ধানের শীষ বাঁচানো এবং এই প্রার্থীর পরিবর্তে যে কোনো প্রার্থী দিলে তাদের কোন আপত্তি নাই। তারা সেই প্রার্থীর হয়ে কাজ করবেন।