Blog

  • ধানের শীষ জয়যুক্ত হলেই আমরা জয়যুক্ত হবো-দাউদার মাহমুদ

    ধানের শীষ জয়যুক্ত হলেই আমরা জয়যুক্ত হবো-দাউদার মাহমুদ

    নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, নাটোর-৩, সিংড়া আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রার্থী দাউদার মাহমুদ বলেছেন, আমাদের ওপর থেকে কালো মেঘ কেটে গেছে, আওয়ামীলীগের মত একটা বাকশাল সরকার আমাদের মাথার ওপর থেকে চলে গেছে। এখন আমরা শান্তিতে মিটিং মিছিল করতে পারছি। আমাদের এখন জমি দখল, পুকুর দখলের ভয় নাই। তার মানে এই নয়, যে আমরা সুদিন ফিরে পেয়েছি। আগামী নিবার্চনে ধানের শীষ বিজয় না হলে আমাদের সুদিন ফিরে আসবেনা। ধানের শীষ জয়যুক্ত হলেই আমরা জয়যুক্ত হবো। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাত ৮ টায় নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২ নং ডাহিয়া ইউনিয়নের আয়েশ বাজারে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দাউদার মাহমুদ বলেন, দীর্ঘ ২৯ বছরের রাজনৈতিক জীবনে দলের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। জেল জুলুম ও দুঃখ কষ্টের মধ্যে দিন কেটেছে। আমার হাতে ধানের শীষ থাকবে না হয় হৃদয়ে ধানের শীষ থাকবে। আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপনাদের পাশে থাকবো। দাউদার বলেন, আমি মনোনয়ন নিয়ে আসলাম। কিন্তু আপনারা আমাকে কেউ পছন্দ করলেন না। আমি মনোনয়ন পাই আর না পাই আমি আমি আপনাদের হৃদয়ের মাঝে আছি এটাই আমার বড় পাওয়া। দাউদার বলেন, আগামী দিনে দেশনেতা তারেক জিয়া যার হাতে ধানের শীষ দেবে, আমরা তার হয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবো। ২নং ডাহিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক পিএম ইব্রাহীম এর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচীব মোঃ আব্দুল কাদের প্রাং এর সঞ্চালনায় উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিংড়া পৌর বিএনপির সদস্য সচিব তায়েজুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বোরহান উদ্দিন বাবু, মো. খালেকুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সবুজ মাহমুদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান, ডাহিয়া ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মোঃ মেস্তাাফিজুর রহহমান বকুল, ইউনিয়ন শ্রমকি দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আলহাজ হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসমত আলী, ৪নং ওর্য়াড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুস সালাম, ৪নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান, উপজেলা কৃষক দলের সদস্য মোঃ হাফিজুর রহমান ও আয়েশ গ্রামের বিএনপি কর্মী মোঃ রবিউল করিম মোল্লা প্রমূখ।

  • জেলার ভোলাহাটে হেরোইনসহ মাদক বিক্রেতা স্বামী-স্ত্রী আটক

    জেলার ভোলাহাটে হেরোইনসহ মাদক বিক্রেতা স্বামী-স্ত্রী আটক

    জেলার ভোলাহাটে হেরোইনসহ মাদক বিক্রেতা স্বামী-স্ত্রী আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে বসত বাড়িতে খুচরা ও পাইকারি হেরোইন বিক্রয়কালে ১৬৫ গ্রাম হেরোইন সহ মাদক বিক্রেতা স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। আটককৃতরা হচ্ছে, জেলার ভোলাহাট উপজেলার সুরানপুর (কচিপাইকড়) গ্রামের মোঃ রবিউল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ ময়না (৪০) এবং মৃত সহিমুদ্দিনের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (৪২)। র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল ২১ নভেম্বর বিকেল ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট থানার গোয়ালবাড়ী ইউপি’র সুরানপুর (কচিপাইকড়) গ্রামস্থ আটক আসামী মোছাঃ ময়না (৪০) ও স্বামী-মোঃ রবিউল ইসলাম এর বসতবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ১৬৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এসময় তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট থানায় হস্তান্তর করা হয়।

  • কর্মস্থলে চুরি করা টাকা ফেরত না দেয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলোচিত চোর মেরাজ শ্রীঘরে

    কর্মস্থলে চুরি করা টাকা ফেরত না দেয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলোচিত চোর মেরাজ শ্রীঘরে

    নিজ কর্মস্থলে চুরি করা ৬০ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে আপস করে ১৫ লক্ষ টাকার চেক ও ১ বছরের মদ্ধে ৪৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিবে মর্মে স্ট্যাম্প করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের মেসার্স শাওন ট্রেডার্স এর ম্যানেজার জহির রায়হান মেরাজ (৩৪) নামে এক যুবক। জানা গেছে, মের্সাস শাওন ট্রেডার্স এর দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ অত্র প্রতিষ্ঠানে যাবতীয় মালামাল বিক্রয়ের নগদ টাকার হিসাব নিকাশ সহ অত্র প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ন কাজ কর্মে কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করিয়া আসছিলেন মোঃ জহির রায়হান মেরাজ। প্রতিদিন মের্সাস শাওন ট্রেডাস এর কাজ কর্ম শেষে বিভিন্ন কায়দা কৌশলে প্রায় ৫,০০০/-টাকা থেকে ১০,০০০/- টাকা পর্যন্ত চুরি করত, যা সি সি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ধরা পাড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। উক্ত ঘটনায় মেরাজকে জিজ্ঞেসাবাদ করলে উপস্থিত উভয় পক্ষের শালিশদারগনের সামনে মেরাজ চুরির কথা স্বীকার করেন। গত ৩ বছর যাবত সে বিভিন্ন কায়দা কৌশলের মাধ্যমে আনুমানিক ৬০,০০,০০০/- (ষাট লক্ষ) টাকা চুরি করেছে। ৩০/০৯/২০২৩ তারিখে চুরির ঘটনা সত্যতা স্বীকার করিয়া অত্র অঙ্গীকার নামা দলিলে স্বীকার ও অঙ্গীকার করে যে, উক্ত ৬০,০০,০০০/- (ষাট লক্ষ) টাকার মধ্যে আগামী ০৪/১০/২০২৩ ইং তারিখের নগদে ১৫,০০,০০০/- (পনের লক্ষ) টাকা মের্সাস শাওন ট্রেডাস এর নামে ফেরত দেবে এই মর্মে জহির রায়হান মেরাজ এর স্বাক্ষরিত ঢাকা ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা যাহার চলতি এ্যাকাউন্ট নং ৩০৫২০০০০০৬৬৫৩, চেক নং ১০৩২৩৭১ একখানা চেক প্রদান করেন এবং অবশিষ্ট ৪৫,০০,০০০/- (পঁয়চল্লিশ লক্ষ) টাকা পরবর্তী ১ বছরের মধ্যে মের্সাস শাওন ট্রেডাস কে পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিব। যদি উক্ত ১৫,০০,০০০/- (পনের লক্ষ) টাকা ০৪/১০/২০২৩ ইং তারিখের মধ্যে পরিশোধ করিতে না পারি ও ৪৫,০০,০০০/- (পঁয়চল্লিশ লক্ষ) টাকা আগমী ১ বছরের মধ্যে মের্সাস শাওন ট্রেডাস কে পরিশোধ করিতে না পারে বা পরিশোধে কোন প্রকারে টালবাহানা করে তবে অত্র চেকের বলে ও অঙ্গীকার নামা দলিল বলে মের্সাস শাওন ট্রেডাস এর স্বত্বাধীকারী মেরাজের উপর যে কোন প্রকার আইনগত ব্যবস্থা লইতে পারিবেন। পরবর্তীতে মেরাজ কোন প্রকার টাকা ফেরত না দেওয়ায় মেসার্স শাওন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মোঃ সামিরুল আলম (শাওন) বাদী হয়ে আদালতে ২টি মামলা দায়ের করেন উক্ত ৪৫ লক্ষ টাকার স্ট্যাম্পের মামলায় (মামলা নাম্বার সিআর ১১২৪/২০২৪) আদালত গত ৩ নভেম্বর মেরাজের নামে ওয়ারেন্ট জারি করলে সদর মডেল থানার এএসআই মোতালের মেরাজকে গ্রেফতার করেন। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ রাজু আহমেদ বলেন, ৪৫ লক্ষ টাকার একটি স্ট্যাম্পের মামলায় ওয়ারেন্ট থাকায় আসামি জহির রায়হান মিরাজকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • ঝিনাইগাতীতে ৩ দিনব্যাপী ‘ওয়ানগালা‘ উৎসব শুরু

    ঝিনাইগাতীতে ৩ দিনব্যাপী ‘ওয়ানগালা‘ উৎসব শুরু

    শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গারো সম্প্রদায়ের বৃহৎ সামাজিক উৎসব ওয়ানগালা (নবান্ন) শুরু হয়েছে। ঝিনাইগাতীর মরিয়মনগর ক্রিশ্চিয়ান মিশনের আয়োজনে শুক্রবার স্থানীয় মরিয়মনগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ উৎসব উদ্বোধন করেন ঢাকা মহা ধমপ্রদেশের কার্ডিনাল বিশপ প্যাট্রিক ডি. রোজারিও। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মরিয়মনগর মিশনের পাল পুরোহিত ফাদার লরেন্স রিবেরু। এতে বক্তব্য দেন মরিয়মনগর ধর্ম পল্লীর প্যারিস কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অনার্শন চাম্বুগং। গারোদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ‘ওয়ানগালা’। এ উৎসবে দেবদেবীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও মনোবাসনার নানা নিবেদন করে গারোরা। সাধারণত বর্ষার শেষে ও শীতের আগে, নতুন ফসল ঘরে তোলার পর এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। এর আগে নতুন খাদ্যশস্য ভোজন নিষেধ থাকে এ সম্প্রদায়ের জন্য। তাই অনেকেই একে নবান্ন বা ধন্যবাদের উৎসবও বলে থাকেন। আবার ওয়ানগালা উৎসব একশ’ ঢোলের উৎসব নামেও পরিচিত। আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এ বছর তিন দিনব্যাপী উৎসব উপলক্ষে কিশোর-কিশোরীদের চিত্রাঙন, ছড়া (মান্দি ভাষায়), নৃত্য, মিস ওয়ানগালা প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা ও খেলাধুলার আয়োজন করা হয়েছে।

  • বাসদ (মার্কসবাদী)-এর ৪৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শাহবাগে জনসভা

    বাসদ (মার্কসবাদী)-এর ৪৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শাহবাগে জনসভা

    মহান রুশ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ১০৮ তম ও বাসদ (মার্কসবাদী)-এর ৪৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২১ নভেম্বর শাহবাগে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে জনসভা শুরুর পূর্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শাহবাগ থেকে কাটাবন সায়েন্সল্যাব মোড় ঘুরে জনসভা স্থলে এসে শেষ হয়। জনসভায় সারাদেশের দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সমন্বয়ক কমরেড মাসুদ রানার সভাপতিত্বে এবং সদস্য জয়দীপ ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য কমরেড শফিউদ্দিন কবীর আবিদ এবং কমরেড সীমা দত্ত। জনসভায় কমরেড মাসুদ রানা এবং বক্তারা বলেন- “১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর বিশ্বের বুকে প্রথম শোষণ-বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে। রুশ বিপ্লব এতদিনকার বৈষম্যহীন সমাজের ইউটোপিয়ান ধারণাকে বাস্তবে প্রমাণ করেছিল মহামতি লেনিনের নেতৃত্বে। এ বিপ্লব এই শিক্ষা তুলে ধরল যে, জনতার সংঘবদ্ধ শক্তির চেয়ে বড় কিছু নেই। বৈষম্য বাস্তবে কীভাবে দূর হয়- তার পথ দেখালো রুশ বিপ্লব। রুশদেশ দেখালো চাষাভুষা, নিরক্ষর শ্রমিকরা সংগঠিত হলে বিপ্লব করতে পারে। রুশ বিপ্লবের সফল রূপকার লেনিন ও পরবর্তীতে মহামতি স্ট্যালিনের নেতৃত্বে রুশ দেশ ঘোষণা করে তাদের দেশে আর ভিক্ষুক নেই, বেকার নাই। রুশদেশ ঘুরে এসে পল্লীকবি জসীমউদ্দীন আপ্লুত হয়ে বই লিখেছেন, ‘যে দেশে মানুষ বড়।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, “..বহুদূরব্যাপী একটা ক্ষেত্র নিয়ে এরা একটা নূতন জগৎ গড়ে তুলতে কোমর বেঁধে লেগে গেছে। … যত শীঘ্র পারে এদের খাড়া হয়ে দাঁড়াতে হবে, হাতে হাতে প্রমাণ করে দিতে হবে- এরা যেটা চাচ্ছে সেটা ভুল নয়, ফাঁকি নয়। হাজার বছরের বিরুদ্ধে দশ-পনেরো বছর জিতবে বলে পণ করেছে।”
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীতে মহান স্ট্যালিনের নেতৃত্বে দেশে দেশে যুদ্ধবিরোধী শান্তি আন্দোলন জোরদার হয়। পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো চাইলেই যুদ্ধ চাপিয়ে দিতে পারে না এমন পরিবেশ তৈরি হয়। অথচ আজ সমাজতান্ত্রিক শিবিরের অনুপস্থিতিতে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বে যুদ্ধ উন্মাদনা, যুদ্ধ লাগিয়ে রাখছে। ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার ন্যায়সঙ্গত দাবিকে উপেক্ষা করে জায়নবাদী ইসরায়েলকে যুদ্ধের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদদ জুগিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গত জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হলো। বৈষম্যের বিরুদ্ধে এ. আন্দোলনে বিগত সরকারের ফ্যাসিবাদী কায়দায় শাসনে জনগণের ভোটাধিকার হরণ, মূল্যস্ফীতি, জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি, বাকস্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে এদেশের জনগণ রাজপথে নেমেছে। অসংখ্য ছাত্র-জনতা বীরত্বের সাথে জীবন দিয়েছে ফ্যাসিবাদী জুলুমের বিরুদ্ধে। প্রত্যাশা ছিল সুন্দর আগামীর। দেশের নানামুখী গণতান্ত্রিক সংস্কারের স্বাভাবিক প্রত্যাশা অভ্যূত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে পুরণ তো হয়নি উল্টো বিভিন্ন মত-পথের মানুষ জীবনের ঝুঁকিসহ নানা আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। মব তৈরি করে নারীকে আক্রমণ, মাজার ভাঙা, বাউলদের উপর আক্রমণ কোনটাই অভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্র্বতী সরকার ঠেকাতে পারেননি। এই সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। সম্প্রতি ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৬ টাকা বাড়ানো হলো। অতীতের ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের মতোই ব্যবসায়ীদের স্বার্থ দেখছে এ সরকার। সাধারণ জনগণের উপর ব্যয়ের বোঝা আরও বাড়লো। অভ্যুত্থান, পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন কলকারখানার শ্রমিকরা যখন বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলন করেছে সেখানে আন্দোলন দমনে সরকার পেট্রোয়া পুলিশ বাহিনী দিয়ে শ্রমিক হত্যা করেছে। অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী জনতার জীবনদান সবচেয়ে বেশি। সরকার বিদেশি কোম্পানিকে দেশের সমুদ্র বন্দর ইজারা দেয়ার জন্য মরিয়া। অথচ জুলাই অভ্যুত্থানে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বশ্যতা আমরা অস্বীকার করেছিলাম।
    সর্বশেষ ঐক্যমত কমিশন রচিত জুলাই সনদ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করতে পারলো না। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে রাষ্ট্র সংস্কারের যে দাবিটি উঠেছে, এর মূল নির্যাস ছিল এই যে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে, নির্বাচনব্যবস্থাকে যেভাবে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে, সেখান থেকে তাদের ফিরিয়ে আনা ও সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর যে একচ্ছত্র ক্ষমতা সেটাকে কমিয়ে একটা ভারসাম্যে নিয়ে আসা। সংবিধানের মূলনীতির আলোচনাটি এই উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়। আদর্শিক-রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে আলোচনার বাইরে রাখা উচিত। কারণ এ ব্যাপারে দলগুলোর মধ্যে। ঐকমত্য সম্ভব নয়। সনদে বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থাকলেও অঙ্গীকারনামায় সেটি উল্লেখ করা হয়নি। জাতি গঠনের ইতিহাসও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস সনদে ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। সাংবিধানিক নানা সংস্কারের কথা বলা হলেও এগুলোর বাস্তবায়ন কিভাবে হবে তা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। এছাড়া নারীর রাজনৈতিক অধিকার, শ্রমজীবী জনগণের আশু প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ মতামত যেগুলো নারী সংস্কার কমিশন ও শ্রম সংস্কার কমিশন দিয়েছিল তা উপেক্ষিত হয়েছে। সরকার পাল্টানোর মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ পরাস্ত হয় না। যে শোষণমূলক পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কাঠামো বিদ্যমান তাকে না পাল্টাতে পারলে ফ্যাসিবাদ হটানো যাবে না। ইতিহাস এই শিক্ষা আমাদের সামনে রেখে গেছে। ফলে দেশের আপামর জনগণের প্রতি আমাদের আহ্বান- ন্যায়সঙ্গত প্রতিটি দাবি নিয়ে সংগঠিত হোন, গণআন্দোলন গড়ে তুলুন, শ্রমিক শ্রেণির যথার্থ বিপ্লবী দলের নেতৃত্বে এই বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থা বদলের সংগ্রামকে বেগবান করুন।’

  • পঞ্চগড়ে বাড়ছে শীতের দাপট ॥ তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রিতে

    পঞ্চগড়ে বাড়ছে শীতের দাপট ॥ তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রিতে

    পঞ্চগড়ে শীতের দাপট বাড়ছে দিন দিন। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এ জেলায় শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এ ছাড়া বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। ঘন কুয়াশা না থাকলেও বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকায় ঠান্ডার অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশে ঝলমলে রোদের দেখা মেলায় দিন ও রাতের তাপমাত্রায় লক্ষণীয় পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। শুক্রবার সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বৃহস্পতিবারের ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রির তুলনায় কিছুটা বেড়েছিল। শুক্রবার বিকেলে জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত জেলায় শীতের উপস্থিতি বেশি অনুভূত হয়। তেঁতুলিয়া, দেবীগঞ্জ, বোদা, আটোয়ারী ও পঞ্চগড় সদর সব উপজেলাতেই ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঠান্ডা হাওয়া বইছে। দিনের আলোয় সূর্যের দেখা মিললেও প্রচণ্ড আর্দ্রতা ও হিমেল বাতাস শরীরে শীতের কামড় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে তেঁতুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ডিসেম্বরের শুরুতেই উত্তরাঞ্চলে শীত পুরোপুরি জেঁকে বসবে।

  • দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ॥ রাজধানীতে ভূমিকম্পে তিনজন নিহত

    দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ॥ রাজধানীতে ভূমিকম্পে তিনজন নিহত

    দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা ১০টা ৩৮ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্পে রাজধানীতে তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পে আতঙ্কিত হয়ে মানুষ ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। ভূমিকম্পে বিল্ডিংয়ের রেলিং ভেঙে পড়ে রাজধানীর বংশালে অন্তত তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল সোয়া ১১টার দিকে সময় সংবাদকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ডিউটি অফিসার। তিনি জানিয়েছেন, বংশালের কসাইতলীতে এক পাঁচ তোলা ভবনের রেলিং ভেঙে পড়লে তিনজন পথচারি নিহত হন। এর আগে সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ভবন হেলা পড়াসহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। আবহাওয়া অধিদফতরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৭। এটি মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের সময় ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অনেকেই আতঙ্কে ঘর থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। ভূমিকম্পটি কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ২ বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং এর কেন্দ্রস্থল ঘোড়াশালের নিকটবর্তী এলাকা। ভূমিকম্পের পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে সড়কে নেমে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শি ও স্থানীয়রা জানায়, ভূমিকম্পের সঙ্গে সঙ্গে পুরো ভবন দুলতে থাকে। জোরে জোরে শব্দ হতে থাকে। বাসার জিনিসপত্র এলোমেলো হয়ে যায়। হঠাৎ খেয়াল করি ভূমিকম্প হচ্ছে। এ সময় বৈদ্যুতিক খুঁটি জোরে জোরে ঝাঁকি দিচ্ছিল। মনে হচ্ছিল এখনই তার ছিঁড়ে পড়ে যাবে। বাসার সবাই নিচে নেমে আসে। অনেককে চিৎকারও করতে শোনা যায়। দেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, রংপুর, সাতক্ষীরায়, নরসিংদী, যশোর, জামালপুর, দিনাজপুর, ঝালকাঠি, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, বাগেরহাট, মাদারীপুর, শেরপুর, সিলেট, ফেনী, খুলনার গণম্যধ্যমকর্মীরা ভূমিকম্পের তথ্য জানান। অন্যদিকে, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাসহ আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এছাড়া পাকিস্তানেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

  • সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

    সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

    ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে তাঁরা এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা জানান। শুক্রবার-২১ নভেম্বর, যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হয়েছে। দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটির মসজিদসমূহে দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি, সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে বিকেল ৪টায় ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ সংবর্ধনায় উল্লেখযোগ্য আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে থাকবেন প্রধান বিচারপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পদমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর সাবেক প্রধান, প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তা, স্বাধীনতার সব বীরশ্রেষ্ঠের উত্তরাধিকারী, স্বাধীনতা যুদ্ধ ও স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে ঢাকা এলাকায় বসবাসরত খেতাবপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তাদের উত্তরাধিকারী, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শহীদ সেনাসদস্যদের পত্নী ও উত্তরাধিকারী, স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, ছাত্র-জনতার জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি, উচ্চপদস্থ বেসামরিক কর্মকর্তা এবং তিন বাহিনীর কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

  • মান্দায় ৩১ দফা বাস্তবায়নে মোটরসাইকেল শোডাউন-লিফলেট বিতরণ ও পথসভা

    মান্দায় ৩১ দফা বাস্তবায়নে মোটরসাইকেল শোডাউন-লিফলেট বিতরণ ও পথসভা

    তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মান্দায় মোটরসাইকেল শোডাউন-লিফলেট বিতরণ ও পথসভা হয়েছে। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো সংস্কারসহ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখার ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নওগাঁর মান্দায় লিফলেট বিতরণ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সাবাইহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সতিহাট থেকে সহস্রাধিক মোটরসাইকেলে শোডাউন করে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিস্থলে পৌঁছান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউন্নবী হুদা এবং সঞ্চালনা করেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সামশুল ইসলাম বাদল। পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এম এ মতীন। তিনি বলেন, “৩১ দফার রূপরেখা বাস্তবায়নই দেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার পুনর্গঠনের পথ খুলে দেবে। সুতরাং ষড়যন্ত্র করে কোন লাভ হবে না।” প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মান্দা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ৫নং গণেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম চৌধুরী (বাবুল)। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এ.কে.এম নাজমুল হক নাজু। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম সরদার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল হোসেন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট কুমার বিশ্বজিৎ সরকার, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা কাজী সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক ধর্ম সম্পাদক মাওলানা কাজী মো. আমিনুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক ডি.এম. আব্দুল মালেক, সাদেকুল ইসলাম, জুয়েল রানা, শরিফুল ইসলাম বেলাল এ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান ও সিদ্দিক হোসেন প্রমূখ। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম দুলাল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব পলাশ কুমারসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদল, মহিলাদল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ভারশোঁ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী কাবুল, সাধারণ সম্পাদক গোলাম সাকলাইন চারু, সংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা, ভালাইন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রওশন আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, পরানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান, মান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক হামিদুর রহমান শাহানা, গণেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিঠুন, মৈনম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাহারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।
    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, প্রসাদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহজামাল হক, সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ আলী, কুসুম্বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম মোর্শেদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া জুয়েল, নূরুল্যাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, কালিকাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, কাঁশোপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাহিদুজ্জামান সোহান, সাধারণ সম্পাদক কাজী নাজিমুদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মানিক,কসব ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল হাসেম সরদার, সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহসীন আলী, বিষ্ণপুর ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক জয়বুল হোসেন প্রমূখ।

  • ক্ষমতার লোভে আওয়ামীলীগ বাতিল করেছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল-নাটোরে দুলু

    ক্ষমতার লোভে আওয়ামীলীগ বাতিল করেছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল-নাটোরে দুলু

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর ২ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, আওয়ামীলীগ অবৈধভাবে জোর করে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় থাকার লোভে অবৈধভাবে ক্ষমতা থাকার লোভে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল বাতিল করেছিল। মহামান্য আদালত সুপ্রিম কোর্ট এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস করেছে, এটা আমি মনে করি বিএনপি’র জন্য নয় বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি বিজয় এটি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বিজয় বলে আমি মনে করি। বিএনপি বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের রাজনীতি করে। বিএনপি পার্শ্ববর্তী দেশের দালালি, তাদের রাজত্ত্ব, তাদের নির্দেশে বাংলাদেশে তাদের অঙ্গরাজ্য হিসেবে পরিচালিত হোক, সেই রাজনীতি বিএনপি করে না। বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী বাংলাদেশের স্বাধীনতা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশের গণতন্ত্র বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার এই রাজনীতি করে বাংলাদেশ বিএনপি। আর এজন্যই বাংলাদেশের মানুষের উপর বিএনপি’র উপর আছে বলেই বিশ্বাস আস্থা আছে বলেই এই বিএনপি’র উপরে তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে ১৫ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছিলাম বলেই রক্ত দিতে হয়েছে খুন হতে হয়েছে, তারপরেও শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি না মেনে এই বাংলাদেশে স্বৈরতশাসন কায়েম করেছে।
    তিনি বৃহস্পতিবার আলাইপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক রহিম নেওযাজ, যুগ্ম আহব্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব, জেলা বিএনপির সদস্য শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, কাজী শাহ আলম, যুব দলের সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম পলাশসহ জেলা ও উপজেলার পর্যায়ের অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।