Blog

  • দল ক্ষমতায় গেলে সন্ত্রাস মুক্ত শান্তির সিংড়া গড়ে তুলবো-অধ্যক্ষ আনু

    দল ক্ষমতায় গেলে সন্ত্রাস মুক্ত শান্তির সিংড়া গড়ে তুলবো-অধ্যক্ষ আনু

    নাটোর-৩, সিংড়া আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রার্থী অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে নিবার্চনের জন্য কাজ করতে বলেছেন। সেই থেকে আমি উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠে কাজ করছি। রাষ্ট কাঠামোর ৩১ দফার সুফল মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌছে দিচ্ছি। আমাকে মনোনয়ন দিলে আর আমার দল ক্ষমতায় গেলে সিংড়াতে সব ধরনের সন্ত্রাস মুক্ত করে একটি শান্তির সিংড়া গড়ে তুলবো। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিকেল ৫ টায় নাটোরের সিংড়া উপজেলার ৩ নং ইটালী ইউনিয়নের হিজলি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। অধ্যক্ষ আনু বলেন, দীর্ষ ১৬ বছর সিংড়ার যে উন্নয়ন হয়নি। রাজনৈতিক কারনে যেসব এলাকা উন্নয়ন বৈষম্য হয়েছে। আমরা সেসব এলাকায় প্রথম উন্নয়ন করবো। অধ্যক্ষ আনু বলেন, হিজলি একটি শিক্ষত প্রধান গ্রাম। এ গ্রামের অনেক চাকুরীজীবি রয়েছেন যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সহ বড় বড় জায়গায় চাকুরী করছেন। কিন্তু এখানে কোন রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হয়নি। আমরা সেই বৈষম্য দুর করে রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন করবো। অধ্যক্ষ আনু আরো বলেন, আমার নেতা তারেক রহমান ৩১ দফা বাস্তবায়নের যে ঘোষনা দিয়েছেন। সেটা বাস্তবায়ন হলে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলা সম্ভব হবে। আমরা সেই নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। আগামী নির্বাচনে তাই ধানের শীষের পক্ষে থাকবেন। একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে ধানের শীষকে বিজয়ী করবেন। ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও যুবদল নেতা সোহানুর রহমানের সঞ্চালনায় উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, সিংড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সাখা, উপজেলা বিএনপির সদস্য ও কলম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল ফটিক,উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ইটালি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বজলার রহমান বাচ্চু,উপজেলা বিএনপির সদস্য ও তাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন,উপজেলা বিএনপির সদস্য রিয়াদ মোস্তফা, পৌর বিএনপির সদস্য সাবেক কমিশনার মহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মিলন হোসেন মাষ্টার, উপজেলা যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক শাহাদাত হোসেন মিন্টু। উঠান বৈঠক শেষে সন্ধার পর নুরপুর বাজারে গণসংযোগ ও দলীয় লিফলেট বিতরণ করেন অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু।

  • গোবিন্দগঞ্জে দৈনিক আমাদের প্রতিদিন পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    গোবিন্দগঞ্জে দৈনিক আমাদের প্রতিদিন পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    গোবিন্দগঞ্জে দৈনিক আমাদের প্রতিদিন পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রংপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের প্রতিদিন পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ১০ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে স্থানীয় গোবিন্দগঞ্জ পৌর মডেল স্কুলে আলোচনা সভা ও কেক কর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে ‘দৈনিক আমাদের প্রতিদিন’ পত্রিকার পাঠক ফোরামের আয়োজনে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি ও গোবিন্দগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি গোপাল মহন্ত, বিশেষ অতিথির বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, এ্যাডভোকেট চৌধুরী মোঃ জাবিউল হাসান। দৈনিক আমাদের প্রতিদিন পত্রিকার গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে এবং গোবিন্দগঞ্জ পৌর মডেল স্কুলের পরিচালক মোঃ আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ৭১ টেলিভিশনের গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি এবিএস লিটন, রেজাউল করিম, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আবু সায়াদত মোঃ কাইউমসহ অন্যারা। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটা হয়।

  • নাচোলে দরিদ্র উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করাহয়

    নাচোলে দরিদ্র উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করাহয়

    নাচোলে দরিদ্র উপকারভোগীদের মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করাহয়

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে উপকারভোগীদের মাঝে স্বাবলম্বী উপকরণ বিতররণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এসেডো’র মুক্তি-২ প্রকল্পের আয়োজনে ও ট্রডক্র্যাফ্ট এক্সচেঞ্জ এর আর্থীক সহযোগিতায় নাচোল ইউপির বাঘরাইল বাজারে দরিদ্র ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির প্রশিক্ষিত উদ্যোক্তাদের মাঝে উপকরণ বিতরণ করা হয়। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রবিউল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে দরিদ্র ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির সদস্যদের জন্য বরাদ্দকৃত মুক্তি সেলুনের উদ্বোধন ও পাঁচটি পেশা ভিত্তিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১২৬ জন উদ্যোক্তার মাঝে স্বাবলম্বী উপকরণ বিতরণ করেন নাচোল ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম। সংস্থার অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক আজাহার আলীর সঞ্চালনায় বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসেডো’র নির্বাহী পরিচারক রবিউল আলম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান হোসেন আকন্দ, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ও সংস্থার গণস্বাক্ষরতা প্রকল্পের সভাপতি জতিন হেমরোম। স্বাবলম্বীদের মাঝে বক্তব্য রাখেন টুম্পা মুখার্জী ও স্মৃতি রাণী। এসেডো’র নির্বাহী পরিচালক রবিউল আলম বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চল নাচোলের পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির শ্রমিকেরা পেটের দায়ে মহাজনের নিকট স্বল্প মূল্যে আগাম শ্রম বিক্রি করে জিম্মি হয়ে পড়ে। উপজেলার জিম্মি লোকদের মুক্তি ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে সংস্থার মুক্তি-২ প্রকল্পের আওতায় ২৫ জনকে ইলেকট্রিক এ্যান্ড হাউজ ওয়েরিং, ১৬ জনকে হেয়ার কাটিং(সেলুন), ২৫ জনকে দর্জি, ৩০ জনকে ব্লক বাটিং ও ৩০ জনকে নকশি কাঁথা ছাপানো এবং সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে তাদের মাঝে এসব সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হলো। বিতররণী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুবিধাভোগী, সংস্থার মাঠকর্মী মোসাঃ ডেজি ও সুমি উপস্থিত ছিলেন।

  • গোমস্তাপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মাঝে সেমিপাকা টয়লেটের চাবি ও মালামাল হস্তান্তর

    গোমস্তাপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মাঝে সেমিপাকা টয়লেটের চাবি ও মালামাল হস্তান্তর

    গোমস্তাপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মাঝে সেমিপাকা টয়লেটের চাবি ও মালামাল হস্তান্তর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ১৫টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মাঝে সেমি পাকা টয়লেটের চাবি ও মালামাল হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অগ্রদূত বাংলাদেশের আয়োজনে ও বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন এর অর্থায়নে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বিশেষ বরাদ্দ বাবদ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মাঝে স্মারক চাবি ও মালামাল হস্তান্তর করা হয়। আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাতেমা বেগম সভাপতি অগ্রদূত বাংলাদেশ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহাদুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর, গোমস্তাপুর। বিশেষ অতিথি জাহাঙ্গীর আরিফ প্রামানিক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, গোমস্তাপুর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ইয়াহিয়া খান রুবেল,নির্বাহী পরিচালক, অগ্রদূত বাংলাদেশ ও সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল মামুন নাহিদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিদ্বয় ও উপস্থিত সাংবাদিকেরা উপকারভোগীদের কাছে তাদের অভিব্যক্তি জানতে চাইলে রওশনি বালা, ফুলন দেবী, প্রমিলা রানীসহ অন্যান্যরা বলেন। বিগত দিনে আমরা উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ করতাম এতে করে জমির মালিক বকাবকি করতো, এছাড়াও আমরা দিনের বেলা মলত্যাগ করতে লজ্জা পেতাম। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত সেমি পাকা তৈরি করে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন ও অগ্রদূত বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানাই এবং আমরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে টয়লেট গুলো ব্যবহার করব বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। শেষে তাদের চাবি ও টয়লেটের মালামাল হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে উপভোগিসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভূরুঙ্গামারীতে এনসিপি’র উপজেলা শাখার দলীয় কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন

    ভূরুঙ্গামারীতে এনসিপি’র উপজেলা শাখার দলীয় কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন

    কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র উপজেলা শাখার দলীয় কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন ও মতবিনিময় সভা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্য সচিব মাসুম মিয়া। এনসিপি ভুরুঙ্গামারী উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী মাহফুজুল ইসলাম কিরন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল হামিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু ও আলমগীর হোসেন প্রমুখ। এসময় জেলা, নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা এবং কচাকাটা থানার নেতৃবৃন্দ সহ ইউনিয়ন কমিটির প্রায় দুই শতাধিক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) উপজেলা পরিষদ হল রুমে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন এর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোছা: এলিজা খাতুন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মোসাঃ শারমিন আক্তার,প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল অহাব জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, অশিক্ষা, দারিদ্র, নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক নানান কুসংস্কারের কারণে এ আইনের তোয়াক্কা না করে বাল্যবিবাহ অব্যাহত রয়েছে। বাল্যবিবাহ রোধে আরো সচেতন হতে হবে। এছাড়া বিবাহ বিচ্ছেদের হারও আশংকাজনক হারে বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি পারিবারিক অশান্তি দেখা দিচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ে উঠান বৈঠক ও মা সমাবেশ করলে এ পথ থেকে উত্তরণ সম্ভব। পাশাপাশি বাল্য বিবাহ বন্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া এখনো মাদকের ব্যবহার ও বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সমাজ থেকে চিরতরে মাদককে দূর করতে না পারলে তরুণ ও যুব সমাজ ধ্বংসের পথে ধাবিত হবে। তাই মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গড়তে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একযোগে কাজ করতে হবে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • আপিল বিভাগের রায়- সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল-চতুর্দশ সংসদ নির্বাচনে কার্যকর

    আপিল বিভাগের রায়

    সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল-চতুর্দশ সংসদ নির্বাচনে কার্যকর

    সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এতে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে আর কোনো আইনি বাধা নেই। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর ৬ বিচারক হলেন- বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। এর মধ্য দিয়ে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারে অধীনেই হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে। রায়ে বলা হয়েছে, সর্বশেষ অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি হবেন এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। যদি সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি যদি দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান, তাহলে তার ঠিক আগে অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতিকে প্রধান উপদেষ্টা করা হবে। যদি কোনো অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি যদি দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানান, তাহলে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের মধ্যে যিনি সর্বশেষে অবসরে গেছেন, তাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। আপিল বিভাগের কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে না পাওয়া গেলে, বা তারা কেউ প্রধান উপদেষ্টা হতে রাজি না হলে রাষ্ট্রপতি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে কোনো ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব দেবেন। সেভাবেও যদি কাউকে না পাওয়া যায়, তাহলে রাষ্ট্রপতি তার স্বীয় দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বভার নেবেন। ১৯৯৬ সলে সাংবিধানিকভাবে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান। এর আগে সংবিধানের যে সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল, সেই ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দিন ধার্য করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর আগে গত ২১, ২২, ২৩, ২৮, ২৯ অক্টোবর ও ২,৪, ৫, ৬ ও ১১ নভেম্বর শুনানি হয়। ওই ১০ দিনে ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজনের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া, ইন্টারভেনার হিসেবে আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেনের পক্ষে আইনজীবী এস এম শাহরিয়ার শুনানি সম্পন্ন করেন এবং বিএনপির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। এর আগে, গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারী পক্ষ। এ আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশকিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন- তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া, রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। পরে নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর একটি আবেদন করেন।

  • রাজশাহীতে ১১ দফা দাবিতে ইজিবাইক চালকদের স্মারকলিপি প্রদান

    রাজশাহীতে ১১ দফা দাবিতে ইজিবাইক চালকদের স্মারকলিপি প্রদান

    ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ ১১ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন জাতীয়তাবাদী ইজিবাইক শ্রমিক দল রাজশাহী মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের নেতারা। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহা. সবুর আলী। এসময় ন্যায্য দাবিগুলো না মানলে আগামী ৩০ নভেম্বর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী ইজিবাইক শ্রমিক দল রাজশাহী মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন,“বর্তমান জরিমানা ২৬০০ থেকে ৫০০০ টাকা, এটি চালকদের সাপ্তাহিক আয়ের চেয়েও বেশি। এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আমরা দাবি করছি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় একীভূত নীতিমালা, নকশা অনুযায়ী গাড়ি উৎপাদন, টাইম ওভার মামলার পুনর্বিবেচনা এবং ভাড়ার তালিকা হালনাগাদের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হোক। আমাদের দাবি মানা না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব। জাতীয়তাবাদী ইজিবাইক শ্রমিক দল রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, আমাদের জমা দেওয়া ১১ দফা দাবি কোনো বাড়তি সুযোগ নয়, এগুলো চালকদের ন্যায্য অধিকার। অযৌক্তিক জরিমানা, গাড়ি ডাম্পিং ও হয়রানির কারণে হাজারো পরিবার আজ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ করা হলে নিম্ন আয়ের মানুষদের জীবন আরও কষ্টকর হবে। আমরা চাই, চালকদের জন্য সহনশীল জরিমানা, নির্দিষ্ট পার্কিং এবং নিবন্ধিত গাড়ির সুরক্ষা নিশ্চিত হোক। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী ইজিবাইক শ্রমিক দল রাজশাহী মহানগর শাখার সহ-সভাপতি শ্রী গগণ কুমার রায়, শাহ আলম ও মো. অনু, যুগ্ম আহবায়ক মো. হামিদ, দপ্তর সম্পাদক মো. আলমগীর, প্রচার সম্পাদক মো. রাসেলসহ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বক্তারা বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পরিবেশবান্ধব এবং নিম্ন আয়ের মানুষের একমাত্র জীবিকার মাধ্যম। এই যানবাহন নগরীর স্বল্প দূরত্বের পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। “অন্যায় ও অমানবিক” সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করে তারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ জানান, এসব দাবি বাস্তবায়ন হলে রাজশাহীর পরিবহন ব্যবস্থা আরও শৃঙ্খলিত, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব হবে। পাশাপাশি হাজারো দরিদ্র চালকের জীবিকা সুরক্ষিত হবে। মানববন্ধনে উপস্থাপিত চালকদের ১১ দফা দাবিগুলো হলো, মামলা ও জরিমানা পুনর্বিবেচনা, অতিরিক্ত জরিমানা প্রত্যাহার, ন্যায্য মজুরি ও হালনাগাদ ভাড়ার তালিকা প্রকাশ, অতিরিক্ত যাত্রী তোলার বিরুদ্ধে কার্যকর তদারকি, নির্দিষ্ট পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামার স্থান নির্ধারণ, নিবন্ধিত গাড়ির সুরক্ষা ও অনিবন্ধিত গাড়িকে আইনের আওতায় আনা, নকশা অনুযায়ী নিরাপদ গাড়ি উৎপাদনের ব্যবস্থা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় একক নীতিমালা, টাইম ওভার মামলার পুনর্বিবেচনা, চালকদের ট্রাফিক আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ, মাসিক সমন্বয় সভা আয়োজন।

  • রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ

    রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) তিন শিক্ষার্থীর ওপর হামলা ও মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেট এলাকায় তারা এই অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে কাজলা এলাকার একটি ক্যানটিন থেকে দুই শিক্ষার্থীকে রামদা ঠেকিয়ে তুলে নিয়ে মারধর করে দুর্বৃত্তরা। হামলায় আরও এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন, ফাইনান্স বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের ফারাবী, যিনি আগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং একই বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী বকশী। একই সময় খাবার নিতে গিয়ে নাট্যকলা বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মিনহাজও হামলার শিকার হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১১টার দিকে ফারাবী ও বকশী কাজলার একটি ক্যানটিনে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত হেলমেট ও মাস্ক পরে সেখানে ঢুকে হামলা চালায়। তাদের হাতে রামদা, হাতুড়ি ও পিস্তল ছিল বলে জানা গেছে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা রামদা ঠেকিয়ে ফারাবী ও বকশীকে ক্যানটিন থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। একই সময় খাবার খেতে যাওয়া মিনহাজকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে পাঠান। কিছুক্ষণ পর মন্ডলের মোড় এলাকা থেকে আহত ফারাবী এবং হবিবুর হলের সামনে থেকে বকশীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই শিক্ষার্থীকে দুর্বৃত্তরা তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা মহাসড়কে কাঠের গুঁড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে পুলিশকে পরিস্থিতি শান্ত করে। ভুক্তভোগী বকশী বলেন, কমপক্ষে ১০টা মোটরসাইকেল ছিল। সবাই হেলমেট পরা। আমাকে বাইকে তুলে নিতে চাইছিল। পরে নেমে গেলে আমাকে মারতে মারতে রিকশায় তোলে। রিকশায় করে অক্ট্রয় মোড়ের দিকে নিয়ে যায়। অন্ধকার জায়গায় বসিয়ে রাখে। কিছুক্ষণ পর তাদের কারও ফোন আসে, তারা বলে, আসলটা পেয়ে গেছি, ওকে ছেড়ে দে। এরপর প্রায় ৩০ মিনিট ঘোরানোর পর আমাকে ছেড়ে দেয়। তাদের কাউকে চিনতে পারিনি। রাবি প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘কাজলার ক্যানটিনে ফারাবী ও বকশী খাবার খাচ্ছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন এসে অতর্কিত হামলা চালায়। সবাই হেলমেট পরা থাকায় কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছি, কিন্তু ততক্ষণে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে মতিহার থানা পুলিশকে জানানোর ব্যবস্থা করি।’ মতিহার থানার ওসি আব্দুল মালেক বলেন, ‘দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। কারা হামলা করেছে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে জনি নামে একজনের নাম পাওয়া গেছে। ঘটনা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় ৮ গরু জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় ৮ গরু জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকার চোরাচালান প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত টানা অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ৮টি গরু জব্দ করেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে ৫৩ বিজিবির এক প্রেসনোটে জানানো হয়, চোরাকারবারীরা ভারত থেকে গবাদিপশু এনে নদীতে ভাসিয়ে বা বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত মনোহরপুর, জহুরপুর ও জহুরপুরটেক বিওপির বিশেষ টহলদল সদর ও শিবগঞ্জ থানার সূর্যনারায়নপুর ও দূর্লভপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৮টি ভারতীয় গরু জব্দ করে।

    পরে জব্দ করা গরুগুলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ শুল্ক কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে সর্বদা সতর্ক রয়েছে বিজিবি। দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা ও চোরাচালান রোধে বিজিবির এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।