Blog

  • শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ড আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার উদাহরণ-তালুকদার দুলু

    শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ড আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার উদাহরণ-তালুকদার দুলু

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের পতনের পর দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত বছরের জুলাই আগষ্টে দেশের ছাত্র-জনতার উপরে গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ড সেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রকৃষ্ঠ উদাহরণ। শেখ হাসিনার সময় দেশে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা, গুম, নির্যাতন করা হলেও মানুষ কোন বিচার পায়নি। আজো শত শত মা তার সন্তানের কোন সন্ধান পায়নি, বিচারও পায়নি। শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল করে ১৯৭১সালের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে যে বিচার করেছিল তাতে অসংখ্য অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ থাকলে বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে যে রায় দিয়েছে সেখানে সকল নিয়ম নীতি অনুসরন করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে। জুলাই আগষ্টের আন্দোলনে শেখ হাসিনা তার দলের লোকের পাশাপাশি দেশের প্রায় সকল বাহিনীকে ব্যবহার করে গণহত্যা চালিয়েছে। তখন হেলিকপ্টার থেকে শুরু করে সামনাসামনি গুলি করে আন্দোলনকারীদের হত্যা এবং লাশ পুড়িয়ে ফেলার মতো অপরাধও করেছে। আদালতে আইনজীবীরা প্রতিটি ঘটনার উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে দুলুর জন্মস্থান নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার রামশার কাজিপুর আমতলি বাজারে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত স্মরণকালের বৃহত্তম নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন। স্থানীয় বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম হযরতের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, সদস্য শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, নাসিম উদ্দিন নাসিম, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম, জেলা যুবদল সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সানোয়ার হোসেন তুষার ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম সৃজন প্রমুখ। সমাবেশে দুলু বলেন, শেখ হাসিনা ও তার সাবেক এমপি মন্ত্রীরা ভারতে পালিয়ে থেকে বাংলাদেশকে অশান্ত করতে নিজেদের অনুসারীদের দিয়ে দেশে অগ্নি সন্ত্রাস করে মানুষের জীবনকে অশান্ত করার অপচেষ্ঠা করছে। দেশের মানুষ তাদের আন্দোলনে কোন সাড়া দিচ্ছে না। বরং আদালতের ন্যায় বিচারে মানুষ খুশি হয়ে মিষ্টি বিতরণ করেছে। রায়ের পর প্রকাশ্য রাস্তায় শত শত মানুষ মাটিতে সিজদা দিয়ে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া জানিয়েছেন। ন্যায় বিচার পেয়ে অনেকে স্বজন হারানোর কষ্ট ভুলে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

  • বিজয় দিবস উদযাপনে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নেই-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    বিজয় দিবস উদযাপনে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নেই-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    মহান বিজয় দিবস উদযাপনে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, শেখ হাসিনার মামলার রায়ের পর বা বিজয় দিবস উদযাপন নিয়ে কোনো ধরনের নাশকতা-অস্থিরতার শঙ্কা নেই। তারপরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, এবার আগের চেয়ে অনেক বেশি হবে কর্মসূচি। জাতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজয় দিবস উদযাপন করতে পারবে। তবে গতবারের মতো এবারও প্যারেড হচ্ছে না।

  • গোবিন্দগঞ্জে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের মানববন্ধন

    গোবিন্দগঞ্জে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের মানববন্ধন

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যপি চলা এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আবু সায়াদত মোঃ কাইউম, মোখছেদুর রহমান, সেনেটারি ইন্সপেক্টর মিলন কুমার গুণ ও ফার্মসিস্ট এনামুল ইসলামসহ অন্যরা। মানববন্ধন কর্মসূচীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা অংশ নেন। এসময় বক্তারা সরকারের কাছে অবিলম্বে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি জানান, তা না হলে আগামীতে দাবি আদায়ে কর্মবিরতিসহ কঠোরতম কর্মসূচী পলন করা হবে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

  • ভালুকায় আধুনিক পদ্ধতিতে আদা চাষে নতুন সম্ভাবনা

    ভালুকায় আধুনিক পদ্ধতিতে আদা চাষে নতুন সম্ভাবনা

    ভালুকায় আধুনিক পদ্ধতিতে আদা চাষে নতুন সম্ভাবনা

    প্রবাস জীবন ছেড়ে নিজ দেশের মাটিতে ফিরে এসে কৃষিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের মো. আক্তার হোসেন। আধুনিক পদ্ধতিতে বস্তায় আদা চাষ করে তিনি এখন এলাকায় বেশ আলোচিত। ইউটিউব দেখে ধারণা নিয়ে তিনি এই চাষ শুরু করেন। আশা করছেন, মৌসুম শেষে আদা বিক্রি করে অন্তত পাঁচ লাখ টাকা লাভ হবে। তাঁর এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন আশপাশের কৃষক ও তরুণরা। আক্তার হোসেন উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের মরহুম শুক্কুর আলীর ছেলে। জীবনের শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ। অল্প পড়াশোনা শেষে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন ওয়েল্ডিং শপে কাজ করতেন। পরিশ্রম ও দক্ষতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে এই পেশায় তিনি অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। উন্নত জীবনের আশায় ২০০৭ সালে পাড়ি জমান সিঙ্গাপুরে। সেখানে দীর্ঘ ১০ বছরের প্রবাসজীবনে তিনি শিখেছেন শৃঙ্খলা, পরিশ্রম ও আত্মনির্ভরতা। ২০১৭ সালে দেশে ফিরে এসে সিডস্টোর বাজারে হার্ডওয়ারের ব্যবসা শুরু করেন। তবে, কৃষির প্রতি তাঁর টান থেকেই যায়। ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে মাঠে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁকে কৃষিতে ফিরে আসার অনুপ্রেরণা জোগায়। ব্যবসার পাশাপাশি অবসর সময়ে ইউটিউবে কৃষি বিষয়ক ভিডিও দেখে তিনি বস্তায় আদা চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ভালুকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ও নিজের উদ্যোগে তিনি এ বছর বাবার কাছ থেকে পাওয়া সাড়ে পাঁচ কাঠা জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে সাড়ে চার হাজার বস্তায় আদা চাষ শুরু করেন।

    চাষের কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁর ক্ষেতজুড়ে সবুজের সমারোহ। এপ্রিল-মে মাসে লাগানো চারা এখন হৃষ্টপুষ্ট হয়ে উঠেছে। বড় হওয়া আদার চাপে কিছু বস্তা ফেটে যাওয়াকে কৃষি কর্মকর্তারা ফলনের ভালো লক্ষণ হিসেবে দেখছেন। আক্তার হোসেন জানান, বস্তা তৈরি, বীজ রোপণ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, সেচ ও আগাছা পরিষ্কারে এখন পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ৮১ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে আদা উত্তোলনের সময় পর্যন্ত আরও প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। তবে আশা করছি অন্তত পাঁচ মেট্রিক টন আদা উৎপন্ন হবে, যা কেজিপ্রতি ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করলে প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকা পাওয়া যাবে। সব খরচ বাদে অন্তত পাঁচ লাখ টাকা লাভ থাকবে। চাষপদ্ধতি সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রতিটি বস্তায় চুন, জৈব সার ও কাঠের গুড়ো মিশিয়ে মাটি তৈরি করে বীজ রোপণ করেছি। প্রথমে পানি সেচ দিয়ে এক সপ্তাহ রাখার পর ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে চারা গজিয়েছে। দুই মাস পর সার দিয়েছি, পোকামাকড়ের আক্রমণ হলে কীটনাশক স্প্রে করেছি। নিয়মিত পরিচর্যা করায় গাছগুলো এখন খুব ভালো অবস্থায় আছে। হবিরবাড়ি ইউনিয়নের পাড়াগাঁও ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন বলেন, বস্তায় আদা চাষের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ছত্রাকের আক্রমণ তুলনামূলক কম হয় এবং অতিরিক্ত বৃষ্টিতেও আদা পঁচে না। জমিতে চাষের চেয়ে বস্তায় চাষ অনেক বেশি লাভজনক। আক্তার হোসেনের সফলতা দেখে এলাকায় অনেকেই এখন বস্তায় আদা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। ভালুকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুসরাত জামান বলেন, বস্তায় আদা চাষের অন্যতম সুবিধা হলো এটি অল্প জায়গায় করা যায়। চাইলে ঘরের ছাদেও করা সম্ভব। রোগবালাই কম হয় বলে ফলন ভালো হয়। আক্তার হোসেনকে আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেন নিয়মিত পরামর্শ দিয়েছেন। এ বছর ফলন ভালো হয়েছে, যদি বাজারে দাম ভালো পাওয়া যায়, তবে তিনি বাণিজ্যিকভাবে এ চাষ আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিতে পারেন।

  • পত্নীতলায় ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত

    পত্নীতলায় ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত

    নওগাঁর পত্নীতলায় উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের পদ্মপুকুর স্কুল মাঠে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীন মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলাকে ঘিরে বিভিন্ন এলাকা থেকে দোকানীরা আগের দিন এসে দোকানে মিষ্টি মিঠাই, বাঁশ, বেত, মাটির তৈরী নকশি পাতিল, মাটির ব্যাংক, পুতুল, কাঠের তৈরী ফার্নিচার, কসমেটিক, খেলনা, বাশি, বেলুন, ঘূর্নি, লোহার তৈরী হাঁসুয়া বটি, চাকু, কাগজের ফুল নানা রকম মুখরোচক খাবারেরর দোকান দিয়ে নানান জিনিসপত্রের পশরা সাজিয়ে বসেন। গ্রামীণ মানুষের মধ্য এক অন্য রকম উৎসবের আমেজে মুখোর হয়ে ওঠে আসপাশের ১০/১২ টি গ্রাম।বাড়িতে বাড়িতে শীতের পিঠা পুলি, নতুন ধান থেকে পাওয়া চালের পায়েশ, ক্ষীর, ক্ষিরসা রান্না করা হয়।কৃষক পরিবারের প্রয়োজনিয় ধানচালা কুলা, চালুনি, ডালা ইত্যাদি ক্রয় করেন গৃহবধূ ও গৃহকর্তীরা । এদিকে গ্রামের প্রতিটি বাড়ীতেই জামাই মেয়েসহ বিভিন্ন আত্মীয় স্বজন আসে, চলে খাওয়া দাওয়ার ধুম। চন্দনা রানী পাল নামের এক নারী দোকানি জানান, অনেক বছর ধরে এই পদ্মপুকুর নবান্নের মেলাতে মাটির তৈরি তৈজসপত্র বিক্রি করে আসছি। আগে আমার বাবা দাদু ও পূর্ব পুরুষরা মাটির তৈরী হাড়ি, পাতিল, ঢাকনা, প্রদীপ দেওয়া ছোট বাটি, ধুপ জালানো ধুপতীসহ নানা রকম মাটির তৈরি তৈজসপত্র বিক্রি করি আমরা। মেলার এক পাশে চলে ‘বউ মেলা’। বউ মেলায় বিশেষ করে নারীদের কসমেটিক দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভীড়।আশপাশের কয়েকটি গ্রামের শত শত নারীদের বউ মেলায় আগমন ঘটে।মেলা দেখতে আশা কিশোরী স্মৃতি রানী বলেন মেলায় এসে তার অনেক ভাল লাগছে। কসমেটিক ও ফুলের মালা কিনেছে। প্রতিমা রানী বলেন, মেলায় এসে মন্দিরে ভোগ দিলাম। এছাড়াও খেলনা, শাখাঁ ও প্রসাধনী ক্রয় করেছি। স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন দেড়শ বছরের বেশী সময় ধরে হয়ে আসছে এ মেলার। স্থানীয় ইউপি সদস্য আপেল মাহমুদ বলেন খুব ছোট বেলা থেকে এ মেলা দেকে আসছি আসলে কবে থেকে শুরু হয়েছে তা নিশ্চিত ভাবে বলা মুশকিল। মেলা কমিটির সভাপতি শ্রী মনজ কুমার বলেন, মূলত নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে আমরা এই মেলার আয়োজন করে থাকি। তবে এ দিন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা সংক্রান্তী উপলক্ষে কালি পুজা অর্চনা করেন এখানে।ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ছোট-বড় নানা শ্রেণী পেশার মানুষ আসেন এ মেলায়।

  • ডিএনসির অভিযানে ফেন্সিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    ডিএনসির অভিযানে ফেন্সিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    ডিএনসির অভিযানে ফেন্সিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের অভিযানে ফেন্সিডিলসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার বেগপুর এলাকায় এই অভিযানে গ্রেফতার হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বেগপুর গ্রামের মোঃ ফারুক হোসেনের স্ত্রী মোসা: হাবিবা খাতুন (২৩)। অভিযানকালে পালিয়ে যায়, মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আফছার আলীর ছেলে মোঃ ফারুক হোসেন (৩১)। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান মঙ্গলবার রাতে এক প্রেসনোটে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার বেগপুর এলাকায় এই অভিযানে ২৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বেগপুর গ্রামের মোঃ ফারুক হোসেনের স্ত্রী ও মোঃ হাবিল হোসেনের মেয়ে মোসা: হাবিবা খাতুন কে গ্রেফতার করা হয়। ডিএনসি দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়, মোসা: হাবিবা খাতুন এর স্বামী মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মোঃ আফছার আলীর ছেলে মোঃ ফারুক হোসেন। এঘটনায় আসামীদের বিরুদ্ধে ডিএনসি উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

  • চট্টগ্রামে সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ

    চট্টগ্রামে সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ

    চট্টগ্রামে সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ আসনে (কোতোয়ালী-চকবাজার-বাকলিয়া-আংশিক ডবলমুড়িং) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক, প্রাক্তন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল ও ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ ও ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ করেছেন। উপস্থিত ছিলেন ধানের শীষ সমর্থক গোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ হারুন, যুগ্ম আহবায়ক মিজানুল হক চৌধুরী ফয়সাল, সালাউদ্দিন লিটন, রাশেদুল হক জুয়েল, ব্যারিস্টার নাজমুল হক, হাবিবুর রহমান হাবিব, কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য মোহাম্মদ আলী হাসান, সিরাজুল ইসলাম, ওমর ফারুক ভূঁইয়া, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, ইব্রাহীম খলিল সুমন, ইকবাল হোসেন, শেখ হারুনুর রশিদ হারুন, আমিনুল ইসলাম বাবু, নুরুল আবছার টিটু, জাহিদুল আলম নিপু, শহিদুল ইসলাম পারভেজ, জসিম উদ্দিন, বাহার আহমেদ, মীর পারভেজ, মোহাম্মদ এসকান্দর, আব্দুল রাসেল, আজফার শাফি, রুবেল উদ্দিন, মোহাম্মদ মাহাবুব, মোহাম্মদ মিন্টু, মোহাম্মদ সুমন, মোহাম্মদ সানজিদ, আরিফ হোসেন, এনামুল হক টুটুল তাজুল ইসলাম তাজু , মোঃ মোজাফফর আহমদ, মোহাম্মদ রকি, ফয়েজ উল্লাহ, মোঃ শাহজাহান, শহিদুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, মোঃ রাশেদ খান, নাসির উদ্দিন, আবুল হোসেন, আবুল কাশেম, আব্দুল জলিল, ওমর আলী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

  • গাজীপুরে ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ড ॥ ৩টি গরুর মৃত্যু

    গাজীপুরে ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ড ॥ ৩টি গরুর মৃত্যু

    গাজীপুরে ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ড ॥ ৩টি গরুর মৃত্যু

    গাজীপুরের শ্রীপুরে ঝুট গুদামে অগ্নিকাণ্ডে ঝুট-তুলাসহ বিভিন্ন মালামাল ভস্মিভূত এবং তিনটি গরু পুড়ে মারা গেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা-শ্রীপুর সড়কের বকুলতলা এলাকায় সারোয়ার হোসেনের ঝুট গুদামে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের খবর পেয়ে প্রথমে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজে শুরু করে, পরে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় রাজেন্দ্রপুর মডার্ণ ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিটও আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যুক্ত হয়। গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুন জানান, ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের চেষ্টায় মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় কোনো মানুষ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে গোডাউনের এক পাশে থাকা তিনটি গরু পুড়ে মারা গেছে। এছাড়া, অগ্নিকাণ্ডে গোডাউনে থাকা তুলা, ঝুট ও ভাঙারি মালামালসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিস।

  • সারাদেশে অক্টোবরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪১-আহত ১১২৮

    সারাদেশে অক্টোবরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪১-আহত ১১২৮

    সারাদেশে অক্টোবরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪১-আহত ১১২৮

    গত অক্টোবর/২৫ মাসে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৮৬টি, দুর্ঘটনায় ৪৪১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১১২৮ জন। এর মধ্যে ১৯২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩৭ জন। এই সময়ে ৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত এবং ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ৪৬টি রেল দুর্ঘটনায় ৪৩ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১২১টি দুর্ঘটনায় ১১২ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সংবাদ মাধ্যমে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এ পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
    প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৩৭ জন, বাসের যাত্রী ৩০ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি আরোহী ২৪ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস আরোহী ৭ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ১০৩ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু-টমটম-মাহিন্দ্র) ৩৪ জন এবং রিকশা-বাইসাইকেল আরোহী ৮ জন নিহত হয়েছেন।
    গত সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিল ১৩.৯ জন। অক্টোবর মাসে নিহত হয়েছে ১৪.৭ জন। এই হিসেবে অক্টোবর মাসে প্রাণহানি বেড়েছে ৫.৭৫ শতাংশ।
    রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬৬টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৪৮টি আঞ্চলিক সড়কে, ৮১টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৮৭টি শহরের সড়কে এবং ৪টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৯টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১৭টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১০৩টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৬০টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৭টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে। সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে— ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, বেপরোয়া গতি; চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা; বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা; বিআরটিএ-র সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে। সুপারিশ হিসেবে বলা হয়েছে, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে, চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে, বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে; পরিবহন মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা (সার্ভিস রোড) তৈরি করতে হবে, পর্যায়ক্রমে সব মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে, গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে, রেল ও নৌ-পথ সংস্কার করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে, টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

  • সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই মূল লক্ষ্য- চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসক এর মতবিনিময়

    সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই মূল লক্ষ্য- চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসক এর মতবিনিময়

    সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই মূল লক্ষ্য

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসক এর মতবিনিময়

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময় সভা করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন। জেলা প্রশাসক মাসুদ বলেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকার আমাকে এই জেলায় দায়িত্ব দিয়েছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়।

    সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করব।” তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন ও সাংবাদিকরা একই লক্ষ্যেই কাজ করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং উন্নয়নমূলক কাজকে গতিশীল করা। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রশাসনের কাজে স্বচ্ছতা ও গতি এনে দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ আরও বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ এবং দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। সকল সমস্যা, সম্ভাবনা উন্নয়নে মিডিয়া বড় ভূমিকা পালন করে চলেছে।

    তিনি আরো জানান, সমালোচনা একটি শিল্প, তাই সঠিক সমোলচনা করা উচিত। প্রশাসন ও গনমাধ্যম এ জেলার উন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণ করে এ জেলাকে মডেল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করবেন। সভায় সাংবাদিকরা জেলার বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন কার্যক্রম, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন। মতবিনিময় সভায় সংবাদকর্মীরা জেলার মাদক, চোরাচালান, আমের ক্ষতিকর ইটভাটা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতি ও নানান সমস্যার কথা তুলে ধরেন। নবাগত জেলা প্রশাসক এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং তা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।

    মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক উজ্জল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাকিব হাসান তরফদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রুমানা আফরোজ।

    মতবিনিময়কালে জেলার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা মন্টু, সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ শহীদুল হুদা অলক, চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি ও ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’র প্রকাশক ও সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, ‘দৈনিক গৌড় বাংলা’র প্রকাশক ও সম্পাদক হাসিব হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসেন শাহনেওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনোয়ার হোসেন জুয়েল, জেলা স্বাধীন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী, মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ফেরদৌস সিহানুক শান্ত, সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান রাজাবাবু, সাংবাদিক জাকির হোসেন পিংকু, আজিজুর রহমান শিশির, জহুরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা। সহঅন্যরা।

     

    এসময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটগণ, জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সোমবার (১৭ নভেম্বর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ জেলায় যোগদান করেছেন।