Blog

  • নড়াইলের কালিয়ায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির র‌্যালি ও সভা

    নড়াইলের কালিয়ায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির র‌্যালি ও সভা

    নড়াইলের কালিয়ায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির র‌্যালি ও সভা

    ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নড়াইল-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্যোগে নড়াইলের নড়াগাতী থানার দক্ষিণ যোগানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শনিবার (৮ নভেম্বর) বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নড়াগাতী থানা বিএনপির সহসভাপতি লস্কর ফিরোজ আহমেদ। সকাল থেকেই বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হন হাজারো নেতাকর্মী। ব্যানার, ফেস্টুন ও শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। আলোচনা সভা শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বিদ্যালয় মাঠ থেকে বের হয়ে যোগানিয়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মাঠে এসে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেনাবাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠেন। সেই বিপ্লবের মধ্য দিয়েই দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ হয়েছিল, জাতি পেয়েছিল নতুন দিকনির্দেশনা, আত্মবিশ্বাস ও গণতন্ত্রের ভিত। বক্তারা আরও বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন। সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশ মুক্ত হয়েছিল অরাজকতা থেকে, প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন এক নিষ্কলুষ, সাহসী ও দেশপ্রেমিক সৈনিক, যিনি জাতীয়তাবাদী চেতনার বীজ বপন করে জাতিকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে পরিচালিত করেছিলেন। সভাপতির বক্তব্যে লস্কর ফিরোজ আহমেদ বলেন, “৭ নভেম্বরের বিপ্লব ছিল দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয় মর্যাদা পুনরুদ্ধারের এক ঐতিহাসিক মোড়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শই আমাদের প্রেরণা। সেই চেতনা ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, আজও দেশে প্রকৃত গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। ৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর জনগণ কিছুটা স্বস্তি পেলেও এখনও জবাবদিহি, সুশাসন ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। তাঁরা অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল এখনো দেশকে পদানত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

  • সেনা কর্মকর্তাদের মামলার আইনজীবী থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার সরোয়ার

    সেনা কর্মকর্তাদের মামলার আইনজীবী থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার সরোয়ার

    সেনা কর্মকর্তাদের মামলার আইনজীবী থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার সরোয়ার

    পেশাগত অসদাচরণ ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়াতে সেনা কর্মকর্তাদের পক্ষে থাকা গুমের দুটি মামলা এবং রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার মামলায় নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. সরোয়ার হোসেন। রোববার (৯ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আনুষ্ঠানিকভাবে ওকালতনামা প্রত্যাহারের আবেদন জানান তিনি। আদালত গুমের দুই মামলায় সরোয়ারসহ পাঁচ আইনজীবীর ওকালত বাতিল করে নতুন করে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দেন। আদালত কক্ষে ব্যারিস্টার সরোয়ার বলেন, আমার নিজের গুমের ঘটনায় আমি একটি অভিযোগ প্রসিকিউশনে জমা দিয়েছি। সেই অভিযোগে কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার নাম রয়েছে। তাই নৈতিক কারণে তাদের পক্ষে আইনজীবী থাকা আমার জন্য স্বার্থের দ্বন্দ্ব তৈরি করছিল। এর আগে চলতি বছরের ২১ অক্টোবর গুমের দুটি মামলায় সাবেক ১৩ সেনা কর্মকর্তা এবং রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার মামলায় আরও দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায় আদালত। এদিকে, ব্যারিস্টার সরোয়ার সরে দাঁড়ানোর পর সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা নতুন আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছেন। নতুন করে গুমের মামলায় নয়জন সেনা কর্মকর্তার পক্ষে লড়বেন পাঁচ আইনজীবী। তারা হলেন-তাবারুল হোসেন ভূঁইয়া, মাসুদ সালাউদ্দিন, ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন, মাইদুল ইসলাম পলক এবং ব্যারিস্টার হাফিজুর রহমান।

  • নিয়ামতপুরে মমতা আক্তার’র হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

    নিয়ামতপুরে মমতা আক্তার’র হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

    নিয়ামতপুরে মমতা আক্তার’র হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে ১১ বছরের মেয়ে মমতা আক্তার মিমকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদ ও আসামীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (০৯ নভেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন মমতা আক্তার মিমের পিতা মিনহাজুল ইসলাম, মাতা আশা বেগম, চাচা আক্তার হোসেন ও পাড়ইল ইউনিয়নের সাবেক সদস্য পারুল বেগম। নিয়ামতপুর থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, মামলাটি অতি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। এজাহারভুক্ত চারজন আসামিকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • কুড়িগ্রাম এনসিপি’র আহ্বায়ক মুকুল- সদস্য সচিব মাসুম

    কুড়িগ্রাম এনসিপি’র আহ্বায়ক মুকুল- সদস্য সচিব মাসুম

    কুড়িগ্রাম এনসিপি’র আহ্বায়ক মুকুল- সদস্য সচিব মাসুম

    কুড়িগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির ৬৪ সদস্যের জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় এনসিপির কেন্দ্রীয় ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে এ কমিটি প্রকাশ করা হয়। কমিটি অনুমোদন করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ছয় মাস মেয়াদের এই নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হয়েছেন মুকুল মিয়া ও সদস্যসচিব মাসুম মিয়া। এনসিপির নব গঠিত কমিটি সম্পর্কে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আতিক মুজাহিদ বলেন, নবগঠিত কমিটিতে দায়িত্বশীল নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও পূর্বের সমন্বয় কমিটির কাজকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জুয়েল। এ ছাড়াও রাশেদুজ্জামান তাওহীদকে এক নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক করে একই পদে দশ জনের নাম এসেছে তালিকায়। নতুন এই কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিবের পদ পেয়েছেন দিনার মিনহাজ। যুগ্ম সদস্য সচিব পদে শাহজাহান আলী সুমনসহ সাতজন রয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোজাম্মেল হক বাবুসহ চারজনের নাম রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পদে আহত জুলাই যোদ্ধা আরিফুল ইসলাম ও গোলাম রসুল রনিকে এক নম্বর সদস্য করে ৩৮ জনকে রাখা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে সাতজন নারী সদস্য স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে যুগ্ম সদস্য সচিব পদে জেলা নারী শক্তির সক্রিয় নেত্রী নাসিরা খন্দকার নিসার নাম রয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ বলেন, অনলাইনে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব পদে আবেদনকারীদের বিভাগীয় পর্যায়ে রংপুর সার্কিট হাউসে মৌখিক পরীক্ষা ও বায়োগ্রাফি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এই সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ অনেক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন দুর্ণীতির স্বর্গরাজ্য! সেবা বঞ্চিত উপজেলাবাসী

    নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন দুর্ণীতির স্বর্গরাজ্য! সেবা বঞ্চিত উপজেলাবাসী

    নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন দুর্ণীতির স্বর্গরাজ্য! সেবা বঞ্চিত উপজেলাবাসী

    স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষে নির্মিত একটি মাত্র সরকারি হাসপাতাল নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দিনদিন যেন হয়ে উঠছে দূর্ণীতির স্বর্গরাজ্য। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিনের আধিপত্যে জমে ওঠা অনিয়মের পাহাড়! যোগদানে বকশিশ, অ্যাম্বুলেন্সে অতিরিক্ত ভাড়া, এম্বুলেন্স সিন্ডিকেট, স্বাস্থ্য বিভাগের বরাদ্ধ কোয়ার্টারে বাইরের মানুষকে ভাড়া দেয়া, কর্মরত স্থানে যোগদানে ঘুষ, সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ, আসবাবপত্র বিক্রির টাকা সরকারী কোষাগারে জমা না দিয়ে ফাঁকি দেওয়া, মেডিকেলে রোগী ভর্তি না থাকলেও, সমাজসেবা অফিসের ফর্মে রোগীদের ওষুধ লিখে ডাক্তারের সহি, স্বাক্ষর নকল করে ওষুধ উঠিয়ে বিক্রি করা, মেডিকেলের গাছ বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করা, ড্রাইভার অ্যাম্বুলেন্স গোপনে রেখে নিজের মাইক্রো রোগীদের জন্য ব্যবহার করা। সিন্ডিকেটদের বাইরে অন্যরা কোন কিছু করলে, মব সৃষ্টি করে বদলি হতে বাধ্য করাসহ নানা বিষয়ে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমান কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বে থাকা কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় রয়েছে। তারা স্থানীয় হওয়ায় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মব সৃষ্টি করে বাইরের জেলা থেকে আসা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে অর্থ আদায়, হেনস্থা করাসহ নানা অপকর্মে জড়িত তারা। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, প্রধান সহকারী রাজু আহমেদ, অফিস সহকারী আব্দুল আলীম, অফিস সহায়ক বশির আহমেদ এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক আঃ বারেক আলী। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল হোসেনের অনুপস্থিতিতে তার স্বাক্ষর জাল করে ভান্ডার রক্ষক জুয়েল আহমেদকে শোকজ নোটিশ প্রদান করেন প্রধান সহকারী রাজু আহমেদ। শোকজ পত্রে কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল ও নাম ভুল পাওয়া যায়। পদধারী না হয়েও রাজু আহমেদ প্রায়ই কর্মকর্তার চেয়ারে বসে অফিস পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, সরকারি মোটরসাইকেল ব্যক্তিগত কাজে নিয়মিত ব্যবহার করা, তৎকালীন স্টোরকিপারের দায়িত্বে জাকারিয়া থাকলেও চাবি নিয়ে থাকেন বশির আহমেদ। একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই চারজনই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রায় সব অনিয়ম ও দুর্ণীতির সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি সিনিয়র স্টাফ নার্স মুনিরা খাতুন এবং নৈশপ্রহরী সুলতান মাহমুদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন আব্দুল আলীম ও বশির আহমেদ। তাদের রুম থেকেও বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগকারীরা বলেন, “বর্তমানে বশির, রাজু, আলীম ও বারেক, এই চারজন মিলে পুরো অফিসকে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।” মেডিকেলের একজন ছোট কর্মচারী জানান, ডাঃ কামাল হোসেনের সহযোগিতায় বশির আহমেদ সব কাজের কাজি ছিলেন। তিনি ভয়ঙ্কর রুপ নিয়ে দাপটের সহিত সব অনিয়ম, দুর্ণীতি করতেন। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও নার্সদের কাছ থেকে ‘বকশিশ’ নামে ২ হাজার টাকা করে নিতেন আঃ আলিম। কাগজে-কলমে হাসপাতালের রান্নাঘরে ২২টি সসপ্যান থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে আছে মাত্র ৩টি। এছাড়াও, ২০১৪ সাল থেকে আবাসিক কোয়ার্টারে উপজেলা হিসাব রক্ষক অফিসের তাহাসিনা খাতুন গোপনে ভাড়া থাকছেন। অভিযোগ রয়েছে, কোয়ার্টারটি স্বাস্থ্য বিভাগের বরাদ্ধ হলেও অ্যাম্বুলেন্স চালক আঃ বারেক তার নামে ভাড়া নিয়ে পরে তাহসিনাকে গোপনে ভাড়া দেন। প্রতিমাসে ২,৪৫০ টাকা হারে ভাড়া বাবদ প্রায় ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা পুরোটাই আঃ আলিম এবং বারেকের পকেটে গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অর্থের কোনো হিসাব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নথিতে পাওয়া যায়নি। অ্যাম্বুলেন্স সেবায় ও রয়েছে অনিয়ম। রাজশাহী পর্যন্ত সরকার নির্ধারিত ১,৬৫০ টাকার ভাড়ার পরিবর্তে ২,৬০০-৩,০০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এমার্জেন্সি রোগীর অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন হলে, অ্যাম্বুলেন্সের ঘরে তালা মেরে রেখে, ক্যাম্পাসের ভেতরে রাখা ড্রাইভার বারেক এর নিজস্ব মাইক্রোতে করে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা ভাড়া দিয়ে রোগীদের যেতে হয় রাজশাহী। এই প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে দেখেন, কোনো নিয়োগপত্র ছাড়াই মাসুম নামের এক ব্যক্তি ইমারজেন্সি রুমে রোগী দেখছেন। তিনি দাবি করেন, ডাক্তার নন, হাসপাতালের বিদ্যুতের কাজ করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকও স্বীকার করেন, রোগীর চাপের সময় মাঝে মাঝে এদিক-ওদিক হয়ে যায়। অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও একে অপরের উপর দায় চাপিয়ে দেন এবং কেউই ক্যামেরায় প্রতিবেদকের সামনে কথা বলতে রাজি হননি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহাবুব-উল আলম বলেন, আমি দুইদিন হলো যোগদান করেছি। অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখব, সত্যতা প্রমাণ হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সরকারি হাসপাতাল হওয়া সত্ত্বেও এখানে চলছে ব্যক্তিগত প্রভাব ও স্বার্থের রাজনীতি। এসব অনিয়ম সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা আরও দুর্বিষহ করে তুলছে। এদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, অন্যত্র বদলি করে এই হায়নাদের হাত থেকে উপজেলাবাসীকে রক্ষায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় ভূক্তভোগীরা ও উপজেলার সচেতন মহল।

  • ঘাস মারা বিষ ॥ কৃষিক্ষেত্রে আশীর্বাদ না অভিশাপ?

    ঘাস মারা বিষ ॥ কৃষিক্ষেত্রে আশীর্বাদ না অভিশাপ?

    ঘাস মারা বিষ ॥ কৃষিক্ষেত্রে আশীর্বাদ না অভিশাপ?

    বাংলাদেশের কৃষি নির্ভর সমাজে জমির উর্বরতা ও ফলন বৃদ্ধির জন্য নানামাত্রিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত একটি উপকরণ হলো “ঘাস মারা বিষ” বা হার্বিসাইড। আগাছা দমন করতে এটি যেমন কৃষকের শ্রম ও সময় বাঁচায়, তেমনি সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে মাটির ক্ষয়, পরিবেশ দূষণ এমনকি মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি করে। তাই বিষয়টি এখন একদিকে আশীর্বাদ, অন্যদিকে অভিশাপের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘাস মারা বিষের ব্যবহার-ধান, গম, ভুট্টা, পাটসহ বিভিন্ন ফসলে ঘাস বা আগাছা জমে গেলে গাছের পুষ্টি শোষণে সমস্যা হয়। এই আগাছা নিয়ন্ত্রণে কৃষকরা ব্যবহার করেন ঘাস মারা বিষ। বর্তমানে গ্রামগঞ্জে “রাউন্ডআপ”, “টাচডাউন”, “গ্রামক্সোন”, “গ্লাইফোসেট” প্রভৃতি নামে রাসায়নিকগুলো পাওয়া যায়। এগুলোর কার্যকর উপাদান সাধারণত গ্লাইফোসেট বা প্যারাকুয়াট। স্প্রে করার কয়েক দিনের মধ্যেই আগাছা মরে যায়, ফলে জমি প্রস্তুত বা ফসল রোপণে সময় কম লাগে। আগে কৃষকদের ৫-৭ জন শ্রমিক লাগত আগাছা পরিষ্কারে। এখন এক লিটার ঘাস মারা বিষ দিয়েই এক বিঘা জমি পরিস্কার করা যায়। এতে খরচ অর্ধেকে নেমে আসে, সময়ও বাঁচে। বিশেষ করে বোরো মৌসুমে বৃষ্টির আগেই জমি প্রস্তুত করতে এই বিষের ব্যবহার কৃষকদের কাছে আশীর্বাদ মনে হয়। কিন্তু ক্ষতিকর দিকগুলো হচ্ছে, এর ক্ষতিকর প্রভাবও ভয়াবহ। অতিরিক্ত বা ভুল মাত্রায় স্প্রে করলে মাটির জীবাণু মারা যায়, যা মাটির উর্বরতা কমায়। বিষাক্ত উপাদান বৃষ্টির সঙ্গে নদী-খালে গিয়ে মাছসহ জলজ প্রাণীর মৃত্যুর কারণ হয়। গ্লাইফোসেট জাতীয় উপাদান মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসার, চর্মরোগ ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়ায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গবেষণায় এমন তথ্যও রয়েছে। কৃষকদের সচেতনতার অভাব রয়েছে-চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, কুষ্টিয়া, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলায় দেখা যায়, কৃষকেরা হাত-পা ঢেকে না রেখে খালি গায়ে বা খালি হাতে বিষ স্প্রে করছেন। কেউ কেউ এমনকি বাতাসের দিক না দেখে স্প্রে করেন, ফলে নিজের শরীরেই বিষ লাগে। পরবর্তী সময়ে তাদের মধ্যে মাথা ব্যথা, বমি বা ত্বকে জ্বালাপোড়ার উপসর্গ দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পূর্ণভাবে ঘাস মারা বিষ বন্ধ না করে নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আগাছা দমনে জৈব বা পরিবেশবান্ধব উপকরণ যেমন, জৈব সার, মালচিং, ও ফসল চক্র ব্যবস্থার প্রচলন বাড়ানো যেতে পারে। কৃষি অফিসারদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কর্মশালা কৃষকদের সঠিক ব্যবহারে সাহায্য করবে। ঘাস মারা বিষ নিঃসন্দেহে আধুনিক কৃষিতে সময় ও শ্রম বাঁচানোর এক কার্যকর উপায়। তবে অন্ধভাবে ব্যবহারে তা জমি ও জীববৈচিত্রের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে। সুতরাং প্রয়োজন নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার, কৃষক প্রশিক্ষণ ও সরকারি নজরদারি। নইলে “ঘাস মারা বিষ” একদিন ফসল নয়, ভবিষ্যৎকেই মেরে ফেলবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদে লংমার্চে ‘ভয়েস অব ল’ইয়ার্স বাংলাদেশ’

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদে লংমার্চে ‘ভয়েস অব ল’ইয়ার্স বাংলাদেশ’

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদে লংমার্চে ‘ভয়েস অব ল’ইয়ার্স বাংলাদেশ’

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ লংমার্চে ‘ভয়েস অব ল’ইয়ার্স বাংলাদেশ’ এর সদস্যরা। শনিবার দুপুরে লংমার্চের একটি দল আসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে “ভয়েস অব ল’ইয়ার্স বাংলাদেশ” এর লংমার্চ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ভারতীয় ষড়যন্ত্রের কঠিন জবাব দেওয়ার হুশিয়ারী দিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। কলেজ মোড়ে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ব্যারিস্টার গোলাম মোস্তফা তাজ, অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দিন সম্রাট, অ্যাডভোকেট মাঈন উদ্দিন ফারুকী, সাংবাদিক জালাল আহমদ, আবদুল্লাহ আল নোমান মজুমদার, আবদুল আলীম, অ্যাডভোকেট শাহ আহমদ বাদল, অ্যাডভোকেট আশরাফ-উজ জামান, ভয়েস অব ল’ইয়ার্স বাংলাদেশ সমন্বয়কারী দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যরা। উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভপতি এ্যাড, ইসাহাক আলীসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি আইনজীবী দল। এসময় বক্তাগণ বলেন, সীমান্তে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ। তারা নিরস্ত্র শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশি কৃষকদের একের পর এক হত্যা করছে ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ভারতীয় ষড়যন্ত্র বৃদ্ধি পেয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে নতুন নতুন ফাঁদ তৈরি করছে ভারত। সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ সোনামসজিদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। সেখানে ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে করনীয় ও দাবী নিয়ে বক্তব্য রাখেন নেতৃবৃন্দ।

  • বর্ণাঢ্য আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

    বর্ণাঢ্য আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

    ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস বর্ণাঢ্য আয়োজনে পৃথকভাবে পালিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে ভোলাহাট উপজেলা বিএনপির আয়োজনে ভোলাহাট মহবুল্লাহ মহাবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ৩ আসনের সাবেক সাংসদ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোঃ হারুনুর রশীদ। প্রধান বক্তা ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা।

    সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর-ভোলাহাট-নাচোল) আসনের সাবেক সাংসদ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম। এসময় বিএনপি ও অংগ সংগঠনের বিভিন্নস্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, শুক্রবার বিকেলে দিবসটি উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে শান্তির মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম জাকারিয়া,

    সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. রফিকুল ইসলাম টিপু, জেলা বিএনপির সদস্য ও গোমস্তাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাড. নুরুল ইসলাম সেন্টুসহ বিএনপি ও অংগ সংগঠনের বিভিন্নস্তরের নেতা-কর্মীরা। বক্তারা, ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং শহীদ জিয়ার আদর্শ নিয়ে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান জানান।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকের লাশ দেখলো আত্মীয়রা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকের লাশ দেখলো আত্মীয়রা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকের লাশ দেখলো আত্মীয়রা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আজমতপুর সীমান্তে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ৫৯ বিজিবি ও বিএসএফ। সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের সমন্বয়ে এক মৃত ভারতীয় নারীর লাশ বাংলাদেশে থাকা তাঁর আত্মীয়-স্বজনদের দেখার সুযোগ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া। শনিবার দুপুরে বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৭ নভেম্বর (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে ভারতের মালদা জেলার গোলাপগঞ্জ থানার চকমাহিলপুর গ্রামের বাসিন্দা সেলিনা বেগম (৭০) বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর বাংলাদেশে বসবাসকারী ভাই মো. তোফাজ্জল হক ও অন্যান্য স্বজনরা লাশ দেখার জন্য বিজিবির কাছে আবেদন করেন। আবেদনের পরপরই মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) পক্ষ থেকে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। উভয় বাহিনীর সম্মতিতে শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে আজমতপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৮২/২-এস সংলগ্ন শূন্য রেখায় লাশ দেখার ব্যবস্থা করা হয়। বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের উপস্থিতিতে মৃত সেলিনা বেগমের ভাই ও স্বজনরা শেষবারের মতো তাঁকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বিজিবি ও বিএসএফের মানবিক সহায়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, বিজিবি সবসময় মানবিক কাজের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং সীমান্তে মানবিকতার দৃষ্টান্ত বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকের লাশ দেখলো আত্মীয়রা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকের লাশ দেখলো আত্মীয়রা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকের লাশ দেখলো আত্মীয়রা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আজমতপুর সীমান্তে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ৫৯ বিজিবি ও বিএসএফ। সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের সমন্বয়ে এক মৃত ভারতীয় নারীর লাশ বাংলাদেশে থাকা তাঁর আত্মীয়-স্বজনদের দেখার সুযোগ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া। শনিবার দুপুরে বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৭ নভেম্বর (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে ভারতের মালদা জেলার গোলাপগঞ্জ থানার চকমাহিলপুর গ্রামের বাসিন্দা সেলিনা বেগম (৭০) বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর বাংলাদেশে বসবাসকারী ভাই মো. তোফাজ্জল হক ও অন্যান্য স্বজনরা লাশ দেখার জন্য বিজিবির কাছে আবেদন করেন। আবেদনের পরপরই মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) পক্ষ থেকে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। উভয় বাহিনীর সম্মতিতে শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে আজমতপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৮২/২-এস সংলগ্ন শূন্য রেখায় লাশ দেখার ব্যবস্থা করা হয়। বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের উপস্থিতিতে মৃত সেলিনা বেগমের ভাই ও স্বজনরা শেষবারের মতো তাঁকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বিজিবি ও বিএসএফের মানবিক সহায়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, বিজিবি সবসময় মানবিক কাজের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং সীমান্তে মানবিকতার দৃষ্টান্ত বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।