Blog

  • নৌযান ডুবে নিখোঁজ প্রবাসী নারী পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

    নৌযান ডুবে নিখোঁজ প্রবাসী নারী পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

    নৌযান ডুবে নিখোঁজ প্রবাসী নারী পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

    সুন্দরবনে নৌযান ডুবে নিখোঁজ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নারী পর্যটকের মরদেহ দুদিন পর উদ্ধার হয়েছে। সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে মোংলার জয়মনির ঘোল এলাকার সাইলো জেটি সংলগ্ন পশুর ও শ্যালা নদীর মোহনা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রিয়ানা আবজাল (২৮), ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদের মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশালে। তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পাইলট ছিলেন। কয়েক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, গত শনিবার দুপুরে সুন্দরবনের পশুর ও ঢাংমারী নদীর মোহনায় পর্যটকবাহী একটি জারি বোট (ফাইবার ট্রলার) উল্টে গেলে রিয়ানা আবজাল নিখোঁজ হন। ওই নৌযানে নারী-শিশুসহ মোট ১৩ পর্যটক ছিলেন। তাদের কেউ কেউ সাঁতরে তীরে ওঠেন। কয়েকজনকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করেন। তবে রিয়ানাকে তখন খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশে এসে পরিবারসহ সুন্দরবনের ঢাংমারী এলাকার ‘ম্যানগ্রোভ ভ্যালি’ নামের একটি ইকো-রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছিলেন রিয়ানা। শনিবার পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে জারি বোটে করে সুন্দরবনের করমজল পর্যটনকেন্দ্রের দিকে যাচ্ছিলেন তারা। পথে অন্য একটি স্পিডবোটের ঢেউয়ের তোড়ে তাদের নৌযানটি উল্টে যায়। কোস্ট গার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরও বলেন, মরদেহটি চাঁদপাই নৌ পুলিশ ফাঁড়ির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • একটি হত্যা মামলায় রাজবাড়ীতে ১০ জনের যাবজ্জীবন

    একটি হত্যা মামলায় রাজবাড়ীতে ১০ জনের যাবজ্জীবন

    একটি হত্যা মামলায় রাজবাড়ীতে ১০ জনের যাবজ্জীবন

    রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যার দায়ে ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক অশোক কুমার আট আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন। দণ্ডিতরা হলেন-মিরাজ মৃধা (পলাতক), সাঈদ মৃধা, মনিরুল শেখ, আশরাফুল শেখ, আশরাফ শেখ, আছাদ শেখ, দিলু মৃধা, তোফাজ্জেল ওরফে তোফা, মাহাতাব শেখ, ঠান্ডা মৃধা (পলাতক)। মামলার বরাতে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, ২০১৮ সালের ১৬ জুন পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের জাগিরমালঞ্চি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল সাত্তার মৃধাকে পারিবারিক কলহের জেরে ঈদের দিন সকালে জবাই করে হত্যা করে তার ভাই-ভাতিজারা। পর দিন নিহতের স্ত্রী পাংশা মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। তিনি বলেন, বিচারক মামলায় তিনজনকে খালাস দিয়েছেন। ১০ জনের প্রত্যেককে যাবজ্জীবনের ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মরা গাছের ঝুঁকিতে সড়কপথ-যেন মৃত্যুফাঁদ ॥ দুর্ঘটনার শঙ্কা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মরা গাছের ঝুঁকিতে সড়কপথ-যেন মৃত্যুফাঁদ ॥ দুর্ঘটনার শঙ্কা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মরা গাছের ঝুঁকিতে সড়কপথ-যেন মৃত্যুফাঁদ ॥ দুর্ঘটনার শঙ্কা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সড়কে বছরের পর বছর ধরে দাঁড়িয়ে থাকা মরা গাছগুলো এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে গোমস্তাপুর, ভোলাহাট, নাচোল ও শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কে এসব গাছের শাখা-প্রশাখা শুকিয়ে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলো শুকিয়ে এবং অসাড়ে পরিনত হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি গাছ রাস্তার উপর ভেঙে পড়েছিল। তবে অল্পের জন্য অনেকেই প্রাণে বেঁচে গেছে। ফলে সাধারণ পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহনের চালকরা রয়েছেন চরম ঝুঁকিতে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব গাছ দীর্ঘদিন ধরে মরা অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির দিনে বা প্রবল বাতাসে প্রায়ই ডালপালা ভেঙে পড়ে গিয়ে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে গাছ উপড়ে পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর- ভোলাহাট, রাধানগর-বংপুর, পার্বতীপুর-রহনপুর-কানসাট-সোনামসজিদ সড়কের পাশে এমন বহু শুকনো ও মরা গাছ দেখা যায়। বিশেষ করে পুরনো শিরিষ, কড়ই, মেহগনি ও বটগাছের কাণ্ডগুলো এখন ফাঁপা ও ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। বাতাস বা ঝড়ের দিনে মনে হয় মাথার উপর থেকেই গাছ পড়বে। অনেকবার এলজিইডি বা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে, কিন্তু এখনো কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। রহনপুর পৌর এলাকার বাসচালক রবিউল হক বলেন, “দিনে দিনে গাছগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। কিছু গাছ তো হেলে পড়েছে রাস্তার দিকে। দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নেবে কে?” স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, গাছ অপসারণে প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রয়োজন হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না। তবে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় শিগগিরই এসব বিপজ্জনক গাছ অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার একজন বন কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, পূর্ববর্তী সরকার আমলে অনেক স্থানে গাছ চিহ্নিত করে টেন্ডারের প্রসেস হচ্ছিল, কিন্তু তা অদৃশ্য কারণে ভেস্তে গেছে। আবারো “বিপজ্জনক গাছ চিহ্নিত করে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন পাওয়ার পর ধাপে ধাপে সেগুলো অপসারণ করা হবে।” প্রতিনিয়তই বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা, আর তার সঙ্গে ঝুঁকিও। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। তাই এখনই জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত দরকার।

  • রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ানগালা ও লবাণ উৎসব ২০২৫

    রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ানগালা ও লবাণ উৎসব ২০২৫

    রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ানগালা ও লবাণ উৎসব ২০২৫

    রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ানগালা ও লবান উৎসব। রাজশাহী ওয়ানগালা ও লবাণ উৎসব আয়োজক কমিটির আয়োজনে মহানগরীর বাগানপাড়ায় উত্তম মেষপালক ক্যাথিড্রাল গির্জা প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগ ছাড়াও ময়মনসিংহ ও দিনাজপুরের গারো, সাঁওতাল পাহাড়িয়া, গারো, মাহালী, উরাঁওসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র নিগোষ্ঠীর দেড় হাজার প্রতিনিধি অংশ নেন। রাজশাহী ওয়ানগালা ও লবাণ উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি, নকমা লোটাস চিসিম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী কাথলিক ধর্মপ্রদেশের বিশপ জেভাস রোজারিও। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ডক্টর সালেহ উদ্দিন নকিব, রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার দীন মোহাম্মদ, রাজশাহী ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশের ভিখার জেনারেল ফাদার ফাবিয়ান মারান্ডি, কারিতাস বাংলাদেশের রাজশাহী আঞ্চলিক পরিচালক ডক্টর অরোক টপ্য, নানকিং গ্রুপের চেয়ারম্যান এহসানুল হুদা, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমীর পরিচালক হরেন্দ্র নাথ সিং, রাজশাহী পার্লার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রুকসানা হুদা, নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মিস সুলতা, উত্তম মেষপাল ক্যাথিড্রাল গির্জার পালকিও পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফ্রান্সিস সরেন। অনুষ্ঠানে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফসল উৎসর্গ করা হয়। এরপর আদিবাসী, গারো ওরাও, সাঁওতাল পাহাড়িয়াসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী তাদের ফসল উৎসর্গ করে নিত্য পরিবেশন করেন।

  • নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কারণ নেই ॥ ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন-আইন উপদেষ্টা

    নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কারণ নেই ॥ ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন-আইন উপদেষ্টা

    নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কারণ নেই ॥ ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন-আইন উপদেষ্টা

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই। সরকার ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে বদ্ধপরিকর।’রোববার (৯ নভেম্বর) সকালে রাজশাহীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের লিগ্যাল এইড অফিসে বিচারকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। আসিফ নজরুল বলেন, ‘নির্বাচন বিলম্বিত করার কোনো ইস্যু নেই। অবশ্যই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টির জন্য যা যা করা দরকার করা হবে। রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য ও আমাদের (উপদেষ্টাদের) ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বিভিন্ন কথা বলে। এসব কথার কিছু হয়তো সত্য থাকে। তাদের কথায় জনমনে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘১৬-১৭ বছর নির্বাচন হয় না। এ কারণে কিছুটা শঙ্কা মানুষের মধ্যে আছে। পাঁচ কোটি মানুষ কখনো ভোট দিতে পারেনি, এটা তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ অধীর আগ্রহে নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের মাঝে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।’ জামিন দেওয়া শুধু বিচারকের ওপর নির্ভর করে না জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘পুলিশ কী রিপোর্ট দিচ্ছে তার ওপরও নির্ভর করে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে কিংবা কণ্ঠ শোনা গেছে এরকম হলে ব্যতিক্রম হয়।’ তিনি বলেন, ‘যেখানে জামিন পাওয়ার যোগ্য সেখানে জামিন পেতেই পারে। তবে যারা জামিন পেয়ে একই ধরনের অপরাধ করতে পারে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পরিবেশ বিনষ্ট করতে পারে, নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের সদস্য হয়ে তৎপরতা চালাতে পারে, তাদের যদি বেশি জামিন হয়, সেক্ষেত্রে আমরা আতঙ্কিত হব। একজন বিচারকের জায়গায় আদালতে তিনজন বিচারক দেওয়া হচ্ছে, যাতে আদালতে মামলার চাপ কমে। আদালত সংস্কারে আমরা নানান উদ্যোগ নিচ্ছি। সুফল অবশ্যই জনগণ পাবে।

  • ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে-চাঁপাইনবাবগঞ্জে হারুনুর রশীদ

    ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে-চাঁপাইনবাবগঞ্জে হারুনুর রশীদ

    ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে-চাঁপাইনবাবগঞ্জে হারুনুর রশীদ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের বটতলাহাট সেন্টু চত্বরে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা রাতে ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৩ সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মো. আব্দুল বারেক। সভায় হারুনুর রশীদ বলেন, নির্বাচন যেভাবেই হোক, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই হতে হবে। ভোট বিলম্বিত করার কোনো চক্রান্ত জনগণ মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, দেশে যদি অরাজকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, তার দায় যারা সৃষ্টি করবে, তাদের জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, হত্যা ও মিথ্যা মামলার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “যেমন শেখ হাসিনা তার কর্মকাণ্ডের ফল ভোগ করছেন, তেমনি অতীতের অপরাধের বিচারও সবার জন্য হতে হবে। ইসলামী বক্তা ও জামায়াতে ইসলামের নেতাদের বক্তব্যে দায়িত্বশীলতার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ওয়াজ মাহফিল যেন রাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত না হয়। ইসলামের নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা উচিত নয়। হারুনুর রশীদ ধর্মীয় সম্প্রীতি বিষয়ে বলেন, মসজিদ ইবাদতের জায়গা, আবার হিন্দুদের মন্দিরে গিয়ে পূজার ব্রতকে রোজার সঙ্গে তুলনা করা ঈমানের জন্য বিপজ্জনক। তিনি জামায়াতে ইসলামের নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, ভোট দিয়ে জান্নাতে যাওয়ার প্রচারণা ইসলাম সম্মত নয়। জনগণকে বিভ্রান্ত করা উচিত নয়। তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সুখি সমৃদ্ধি বাংলাদেশ গড়তে সকলকে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান জানান।

  • নির্বাচনে প্রায় ২৮ হাজার ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ॥ নিরাপত্তায় ব্যাপক প্রস্তুতি

    নির্বাচনে প্রায় ২৮ হাজার ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ॥ নিরাপত্তায় ব্যাপক প্রস্তুতি

    নির্বাচনে প্রায় ২৮ হাজার ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ॥ নিরাপত্তায় ব্যাপক প্রস্তুতি

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটকেন্দ্রকে প্রাথমিকভাবে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই বিপুল সংখ্যক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৭ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের প্রাথমিক প্রস্তাবনা দিয়েছে ইসি। যদিও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের চূড়ান্ত সংখ্যা, কেন্দ্রে কতজন নিরাপত্তা সদস্য থাকবেন এবং বাহিনী মাঠে কতদিন মোতায়েন থাকবে, এসব বিষয়ে ইসি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি; এগুলো কমিশন সভায় চূড়ান্ত হবে। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় কেন্দ্রের নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনের সুবিধার্থে একটি ধারণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। প্রায় ৪২ হাজার কেন্দ্র বিবেচনায় নিয়ে সেখানে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা জানানো হয়। সভায় ৮ হাজার ২২৬টি কেন্দ্রকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’, ২০ হাজার ৪৩৭টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং ১৩ হাজার ৪০০টি কেন্দ্রকে ‘সাধারণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কেন্দ্র (সাড়ে ২৮ হাজারেরও বেশি) ঝুঁকিপূর্ণ বা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ইসি এই কেন্দ্রগুলোকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ কেন্দ্র হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকে। ভৌত অবকাঠামো, থানা থেকে দূরত্ব, প্রভাবশালীদের বাসস্থান, সীমান্ত এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা বিবেচনায় কেন্দ্রগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এবারের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করে রেখেছে ইসি। ভোটের অন্তত ২৫ দিন আগে এই তালিকা গেজেট করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সংখ্যা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার গণমাধ্যমকে জানান, “ফাইনাল ম্যাপিংটা এখনো আমরা করিনি। আরেকটু সময় আছে আমাদের হাতে। এটা নিয়ে আমরা কমিশন সভায় বসবো।” নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে জানিয়েছিলেন, এবার মোট ৬৪টি জেলার ৩০০টি সংসদীয় আসনে কেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১। কক্ষের হিসাবে পুরুষদের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭ এবং নারীদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২ কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে, অর্থাৎ মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯। স্বরাষ্ট্র ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে গত ৯ জুলাই নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করে প্রধান উপদেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন। বৈঠকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কীভাবে দায়িত্ব পালন করবে ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোটের নির্দেশনাও দেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, “ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কীভাবে হবে, কতজন আনসার থাকবেন, কতজন পুলিশের সদস্য থাকবেন, বিজিবি বা সেনাবাহিনী কীভাবে থাকবেন, স্ট্রাইক ফোর্স হিসেবে কীভাবে থাকবেন–সেগুলো নিয়ে মিটিংয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে বলা হয়, ৮ লাখের মধ্যে ৫ লাখ ৭০ হাজার হচ্ছেন আনসার এবং ১ লাখ ৪১ হাজার হচ্ছেন পুলিশের সদস্য। বলা হয়েছে, ৪৭ হাজারের মতো পুলিশ ভোটিং কেন্দ্রে থাকবে এবং তারা অ্যাসেসমেন্ট করে দেখেছেন যে ১৬ হাজারের মতো ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।” ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট নেওয়া যায় সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টা দিয়েছেন উল্লেখ করে প্রেস সচিব জানান, এর মধ্যে কিছু মেজর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। সেটা হচ্ছে যে, পুলিশের বডি ক্যাম রাখা এবং প্রত্যেকটা কেন্দ্র যাতে সিসিটিভির আওতায় আসে, সেটা একটা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • পরিশ্রমেই সফলতা-বেকারত্ব জয় করে স্বাবলম্বী বাগাতিপাড়ার সজল

    পরিশ্রমেই সফলতা-বেকারত্ব জয় করে স্বাবলম্বী বাগাতিপাড়ার সজল

    পরিশ্রমেই সফলতা-বেকারত্ব জয় করে স্বাবলম্বী বাগাতিপাড়ার সজল

    জীবনের শুরুটা ছিল একেবারে নিচু স্থান থেকে। ছোটবেলায় কেউ ভাবেনি, একদিন এই তরুণ হয়ে উঠবেন এলাকার অনুপ্রেরণা। কিন্তু আজ তিনি নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পেড়াবাড়িয়া মহল্লার গর্ব। তিনি সজল আহমেদ, যিনি প্রমাণ করেছেন, পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস থাকলে সফলতা সময়ের ব্যাপার মাত্র। নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান সজল আহমেদ। পিতা শফির উদ্দিন, মাতা রানু বেগম। সংসারের টানাপোড়েনের মধ্যেও ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বড় কিছু করার। ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ১০ দিনের মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন তিনি। তখন থেকেই মনে জন্ম নেয় আত্মনির্ভর হওয়ার ইচ্ছা। চাকরির খোঁজে অনেক ঘুরেছেন, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সুযোগ পাননি। তবে হাল ছাড়েননি বরং বেকারত্বকে জয় করার দৃঢ় সংকল্প নেন। ২০১৭ সালের ২১ অক্টোবর দিনাজপুরে রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষায় অ+অর্জন করেন। শুধু তাই নয়, ১৬ জেলার মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে আনেন সম্মান। পরে ইলেকট্রিক হাউস ওয়্যারিং ও আর্কিটেকচারাল লাইটিং ডিজাইনেও দক্ষতা অর্জন করেন। ২০১৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১-এর আওতাধীন প্রশিক্ষণ শেষে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে এবিসি বোর্ডের সি ক্যাটাগরি লাইসেন্স (আইডি নং ০৩০২২) অর্জন করেন তিনি। এখন সজল নিজ উদ্যোগে খুলেছেন একটি ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জামের দোকান। পাশাপাশি রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশন মেরামতের কাজও করছেন দক্ষতার সঙ্গে। স্থানীয় কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছেন তিনি, যাদের কর্মসংস্থানও হয়েছে তার হাত ধরেই। নিজের সাফল্যের গল্প বলতে গিয়ে সজল বলেন, “পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস থাকলে সফলতা আসবেই। আমি চাই, তরুণরা যেন বেকার বসে না থেকে নিজের মতো করে কিছু শুরু করে।” এখন তার এই আত্মবিশ্বাস আর পরিশ্রমই হয়ে উঠেছে এলাকার তরুণদের অনুপ্রেরণা। একসময় যিনি ছিলেন চাকরিপ্রত্যাশী, আজ তিনিই তৈরি করছেন অন্যদের জন্য কর্মের সুযোগ। সজলের প্রতিবেশী ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এ কে এম আফজাল হোসেন বলেন, “সজল খুব ভালো ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স কারিগর। সে সৎ, পরিশ্রমী এবং এলাকার যুবকদের সঙ্গে কাজ করছে—এটা প্রশংসনীয়।” উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা একেএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, “সজল আহমেদ আমাদের প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন স্বাবলম্বী হয়েছে—এটা আমাদের গর্বের বিষয়। তার সাফল্যে আরও অনেক তরুণ অনুপ্রাণিত হবে।” নাটোর-১ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাগাতিপাড়া সাব-জোনাল অফিসের এজিএম মমিনুল ইসলাম বলেন, “সজল একজন পরিশ্রমী ও দায়িত্বশীল কারিগর। তার কাজের মান ও সততা প্রশংসার যোগ্য।” সজল আহমেদের জীবন যেন এক বাস্তব শিক্ষা, বেকারত্ব কোনো অভিশাপ নয়, যদি থাকে সাহস, অধ্যবসায় আর নিজের ওপর বিশ্বাস।

  • নওগাঁয় মনোনয়ন বঞ্চিত জনির পক্ষে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    নওগাঁয় মনোনয়ন বঞ্চিত জনির পক্ষে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    নওগাঁয় মনোনয়ন বঞ্চিত জনির পক্ষে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় মহাদেবপুর থানা বিএনপির সদস্য পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনির পক্ষে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করা হয়েছে। শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার মাছ চত্বর মোড়ে নওগাঁ-মহাদেবপুর সড়কে মহাদেবপুর-বদলগাছী উপজেলা তৃনমুল বিএনপির সাধারণ ভোটার, সমর্থক ও সর্বস্তরের ব্যানারে এ কর্মসূচী পালন করা হয়। এসময় হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে স্লোগান দেয় বিক্ষোভকারীরা। এসময় মহাদেবপুর থানা বিএনপির সদস্য মনোনয়ন প্রত্যাশী পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি বক্তব্য রাখেন। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, মহাদেবপুর থানা বিএনপির সাবেক সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী বাবলু, বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম, ইফতেখারুল ইসলাম ইপু, দুলাল হোসেন, স্বপন, মোজাফ্ফর হোসন, সাবেক ভিপি আমজাদ আলী, ছাত্রনেতা মাহাবুবসহ অন্যরা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলার বক চত্বর মোড়ে উপজেলার বিএনপির পার্টি অফিসে গিয়ে শেষ হয়। উল্লেখ্য, মনোনয়ন প্রত্যাশী জনি সাবেক ডেপুটি স্পীকার আকতার হামিদ সিদ্দিকী নান্নুর পুত্র।

  • গংগাচড়ায় ডায়াবেটিস ও ব্লাডপ্রেসার চেকআপ ক্যাম্প

    গংগাচড়ায় ডায়াবেটিস ও ব্লাডপ্রেসার চেকআপ ক্যাম্প

    গংগাচড়ায় ডায়াবেটিস ও ব্লাডপ্রেসার চেকআপ ক্যাম্প

    গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারি ইউনিয়নে ডা. ওয়াসিম-ওয়ালেদা বহুমুখী কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে Community Based Hypertension and Diabetes  Screening Program (CBHDS) প্রকল্পের আওতায় রবিবার (৯ নভেম্বর) রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলা লক্ষীটারি ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন লক্ষীটারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাদী। উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মন্ডলী, মসজিদের ইমাম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে ৪০ সদস্যের মেডিকেল টিম এর মাধ্যমে জনসাধারণকে ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, বি এম আই চেকআপ করা হয় এবং তাৎক্ষণিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কর্তৃক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। দিনশেষে ৩৫০ জনের অধিক রোগী ক্যাম্প থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন ডা. ওয়াছিম-ওয়ালেদা বহুমুখী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আনোয়ার হোসেন।