Blog

  • রাজশাহীতে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি নেতাকর্মীরা ॥ ধানের শীষে গণজোয়ারের আশাবাদ

    রাজশাহীতে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি নেতাকর্মীরা ॥ ধানের শীষে গণজোয়ারের আশাবাদ

    রাজশাহীতে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি নেতাকর্মীরা ॥ ধানের শীষে গণজোয়ারের আশাবাদ

    রাজশাহীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে কোনো বিরোধ কিংবা বিভেদ বর্তমানে নেই। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি এবং বিজয় উপহার দিতে উচ্ছ্বসিত বিএনপি নেতাকর্মীরা। বুধবার (৫ নভেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে রাজশাহী মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। মতবিনিময়কালে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, দল থেকে রাজশাহীর ৬টি আসনে সম্ভাব্য ধানের শীষের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। যোগ্য নেতৃবৃন্দকে হাইকমান্ড থেকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমরা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে কেন্দ্রকে উপহার দিতে চাই। যে প্রত্যাশা নিয়ে দলের চেয়ারপার্সন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমান যে বিশ্বাসের সাথে আমাদের গুরু দায়িত্ব দিয়েছেন, সবাই একত্রিত হয়ে ঢেলে সাজিয়ে পূর্বের ন্যায় কাজ করবো। রাজশাহীর ৬টি আসনের মাটি ধাণের শীষের ঘাটি। এরমধে গুরুত্বপূর্ণ মহানগরী, সেজন্য আমরা কোনক্রমে দলের নাম ভাঙিয়ে অতি বিভ্রান্তি কর্মকাণ্ড না হয়, বিএনপির নামে বাধাগ্রস্ত না করে, সুনাম যাতে ক্ষুণ্ণ না করে, এসব বিষয়ে কাজ করবো। রিটন আরও বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ৩১ দফার রূপরেখা বাস্তবায়ন হলে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। রাজশাহীকে গতিশীল করতে এখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ যা যা করা দরকার, এসব বিষয়ে আপনারা সহযোগিতা করবেন। রাজশাহীর প্রসঙ্গে রিটন বলেন, দল দায়িত্ব দিয়েছে আমাদের। দলকে যারা মানবে, তাদের কাউকে কমিটির বাইরে রাখতে চাই না। ৭ নভেম্বর আমাদের কর্মসূচি আছে, সেখানে সদর আসনের এমপি প্রার্থী সাবেক মেয়র ও সাবেক সংসদ সদস্য চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু থাকবেন। রাজশাহীর ৬ জন প্রার্থীকেই আমরা দাওয়াত করেছি। আমরা চাই সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ করতে। ধানের শীষকে জয়যুক্ত করে এবং দলকে সুসংগঠিত করে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। শুভেচ্ছা বক্তব্যে মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি নজরুল হুদা বলেন, বিএনপিকে আমরা যাতে ভাল দলে রূপান্তর করতে পারি, শান্তিপূর্ণ রাজশাহী হয়, আপনারা সহযোগিতা করবেন। সবাই মিলে কাজ করতে পারি, সাংবাদিকদের সাথে আগে সম্পর্ক ভাল ছিল, এখনো আছে। আশা করি, মিডিয়া জনকল্যাণে কাজ করে। দেশের সবকিছু তুলে ধরে। আপানারা এসব ব্যাপারে কাজ করবেন। সভায় নতুন কমিটির সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, জুলাই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক দেশে ভোটের অধিকার যাতে প্রতিষ্ঠা হয়, ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়, এটাই আমরা চাই। তারেক রহমান বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ। নেতাকর্মীদের দেশের জন্য কাজ করতে হবে। অনৈতিক কাজ বর্জন করতে বলেছেন তিনি। যারা অনৈতিক কাজ করে, তারা দলের কেউ না। আর যাতে বিশৃঙ্খলা না হয়, কেউ যাতে ষড়যন্ত্র না করতে পারে। সাংবাদিকদের নিয়ে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব ইনশাআল্লাহ। এক প্রশ্নের জবাবে মামুন বলেন, দলের নির্দেশ যারা ধানের শীষের মনোনয়ন পাবেন, তার পক্ষে সমস্ত নেতাকর্মীরা থাকবেন, প্রচার প্রচারণা করবেন। মিনু ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে, ৫ সদস্যবিশিষ্ট টিম আমরা উনার কাছে পাঠিয়েছি। আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নাই। সকলকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করছি এবং করবো।
    মতবিনিময় সভায় নতুন কমিটির সকল সদস্য এবং ৭ থানার সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সাংবাদিকদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার দিয়ে ভালবাসায় সিক্ত করেন মহানগর বিএনপির নেতারা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কর্মশালা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কর্মশালা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কর্মশালা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কর্মশালা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মিলনায়তনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এ কর্মশালার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সোলায়মানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাকিয়া আফরোজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ও প্রকল্প পরিচালক আ ন ম নাজিম উদ্দীন, সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীনসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। কর্মশালায় খাদ্যে দুষণ ও ভেজাল সংমিশ্রণ বিষয়ে ডিজিটাল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সিনিয়র কনসালটেন্ট মো. আইয়ুব হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাকিয়া আফরোজ বলেন, প্রতিদিন আমরা নিজেদের অজান্তে দুষণ ও ভেজালযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করছি, যার ফলে মানুষ নানাবিধ জটিল ও প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীরা যেন সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাকিব হাসান তরফদার, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ড. মো. ইয়াছিন আলী, জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একরামুল হক, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযান ॥ ২ কেজি ৩’শ গ্রাম বিস্ফোরকসহ আটক এক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযান ॥ ২ কেজি ৩’শ গ্রাম বিস্ফোরকসহ আটক এক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযান ॥ ২ কেজি ৩’শ গ্রাম বিস্ফোরকসহ আটক এক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২ কেজি ৩০০ গ্রাম বিস্ফোরক ও ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ একজনকে আটক করেছে ৫৩ বিজিবি সদস্যরা। বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার সূর্যনারায়ণপুর ইউনিয়নের বেলতলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বুধবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তি মো. মামুন (২০)। তিনি একই এলাকার বাবলু হকের ছেলে। এ ঘটনায় মামুনের ভাই মো. নয়ন (৩৫) পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবি জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জহুরপুরটেক বিওপির একটি টহলদল বুধবার দুপুরে বেলপাড়ার মামুনদের বাড়িতে বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে বাড়ির ভেতরে একটি মাটির তৈরি ধান রাখার গোলার উপর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ২ কেজি ৩০০ গ্রাম গান পাউডার ও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এসময় মামুনকে আটক করা সম্ভব হলেও তার ভাই নয়ন পালিয়ে যায়। লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক ও সরঞ্জাম ভারত থেকে আনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক চোরাচালান রোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • ৫৯ বিজিবির সোনামসজিদ সীমান্তে অভিযান ॥ মাদকসহ আটক এক

    ৫৯ বিজিবির সোনামসজিদ সীমান্তে অভিযান ॥ মাদকসহ আটক এক

    ৫৯ বিজিবির সোনামসজিদ সীমান্তে অভিযান ॥ মাদকসহ আটক এক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযানে ফেন্সিডিল ও ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে ৫৯ বিজিবি। বুধবার (৫ নভেম্বর) রাত থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর সদস্যরা এসব অভিযান পরিচালনা করে। মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার রাত ১০টায় বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, রাত ১টার দিকে সোনামসজিদ বিওপির একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত পিলার ১৮৪/৪-এস হতে প্রায় ২ কিলোমিটার ভেতরে শাহাবাজপুর ইউনিয়নের মুসলিমপুর গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ২৫ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, একইদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে দ্বিতীয় অভিযানে একই বিওপির সদস্যরা মোবারকপুর ইউনিয়নের লাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে অভিযান চালিয়ে ১০৭ পিস ভারতীয় ইয়াবাসহ একজন চোরাকারবারীকে আটক করে। আটক ব্যক্তির নাম মো. রুবেল হোসেন (৩৯)। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চরদৌলতপুর গ্রামের মৃত গাউস উদ্দিনের ছেলে। এ সময় তার ব্যবহৃত একটি ১০০ সিসি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক ফেন্সিডিল শিবগঞ্জ থানায় জমা দেওয়া হয়েছে এবং আটক রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে ইয়াবা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কঠোরভাবে কাজ করছে। মাদক ও অন্যান্য অবৈধ পণ্যের অনুপ্রবেশ রোধে অপারেশনাল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। তিনি সীমান্ত এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং মাদকবিরোধী অভিযানে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • নওগাঁয় যানজট নিরসনে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবীতে আমজনতার মানববন্ধন

    নওগাঁয় যানজট নিরসনে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবীতে আমজনতার মানববন্ধন

    নওগাঁয় যানজট নিরসনে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবীতে আমজনতার মানববন্ধন

    নওগাঁর রাণীনগরের গলার কাঁটা রেলগেটের যানজট নিরসনের লক্ষ্যে আন্ডারপাস কিংবা ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন উপজেলার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার রেলগেটে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের ব্যানারে ঘন্টাকালব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাণীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ, উপজেলা বিএনপির সম্পাদক মোসারব হোসেন, জামায়েতে ইসলামী বাংলাদেশ রাণীনগর শাখার আমীর ডা: আনজীর হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার ব্যক্তিরা। মানববন্ধনে উপজেলার সুধীজন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষরা অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধনে উপজেলার সর্বস্তরের শ্রেণিপেশার কয়েক হাজার আমজনতা অংশগ্রহণ করে। এসময় বক্তারা বলেন, রাণীনগর রেলগেট অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। রেললাইনের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক। যে সড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলার ভারী যানবাহন ঢাকাসহ অন্যান্য জেলার সঙ্গে চলাচল অব্যাহত রেখেছে। অপরদিকে নওগাঁ-রাণীনগর-আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়কে যেতে হলেও এই রেলগেট পার হতে হয়। দুটি আঞ্চলিক সড়কের মিলনস্থল এই রেলগেট। ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গে চলাচলের জন্য দিন দিন ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও রেলগেটের কোন উন্নয়ন হয়নি। যার কারণে প্রতিদিনই ট্রেন চলাচলের সময় রেলগেট পড়ার পর দুই পাশে প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটের শিকার হতে হচ্ছে এই অঞ্চলের হাজার হাজার পথচারীদের। বছরের পর বছর কোন সংস্কার না করা এবং বিকল্প কোন সড়কের সৃষ্টি না করার কারণে এই রেলগেট বর্তমানে অত্র অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে। এই বিষয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা বহুবার লেখালেখি করেও আজ পর্যন্ত কোন দপ্তরের সুদৃষ্টি পড়েনি। এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার পথচারীদের প্রতিদিনই যানজট নামক মরণফাঁদে পড়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তাই দ্রুত এই রেলগেট বিকল্প পথ হিসেবে আন্ডারপাস কিংবা ফ্লাইওভার নির্মাণ করার আশ^াস না দিলে আগামীতে রেলপথ অবরোধ করাসহ কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করতে উপজেলাবাসী বাধ্য হবেন বলে মানববন্ধনে হুশিয়ার প্রদান করেন বক্তারা।

  • নড়াইলের কালিয়ায় তারুণ্যের উৎসব পালিত

    নড়াইলের কালিয়ায় তারুণ্যের উৎসব পালিত

    নড়াইলের কালিয়ায় তারুণ্যের উৎসব পালিত

    নড়াইলের কালিয়ায় তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৫ নভেম্বর (বুধবার) উপজেলা হলরুমসহ বিভিন্ন স্পটে পালিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে হামদ নাথ ও কেরাত প্রতিযোগীতার পাশাপাশি উপজেলা শিল্পকলা একাডেমিতে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতাসহ ক্রীড়া প্রতিযোগীতার অংশ হিসেবে শুধু ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টন খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাশেদ্দুজ্জামান, একাডেমী সুপার এম এম সারাফত হোসেন, আইসিটি অফিসার প্রুস্ফুট মন্ডল, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাগর কুমার বিশ্বাস ও বিকাশ চন্দ্র দাশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান মোঃ মোরর্শেদ আলী, কালিয়া পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বি.এম শুকুর আলী, উপজেলা জামায়েত ইসলামীর আমির মাওলানা তরিকুল ইসলাম, পৌর আমির নওসাদ হোসেন, উপজেলা উলামা পরিষদের সভাপতি মাওঃ হাফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা ও নানা শ্রেণীর পেশার মানুষ। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাশেদুজ্জামান।

  • ‘পরকীয়ার’ জেরে পুলিশ কনস্টেবলকে হত্যা ॥ পুলিশ দম্পতির ফাঁসি রায়

    ‘পরকীয়ার’ জেরে পুলিশ কনস্টেবলকে হত্যা ॥ পুলিশ দম্পতির ফাঁসি রায়

    ‘পরকীয়ার’ জেরে পুলিশ কনস্টেবলকে হত্যা ॥ পুলিশ দম্পতির ফাঁসি রায়

    ‘পরকীয়ার’ জেরে সহকর্মী পুলিশ সদস্যকে হত্যার দায়ে এক পুলিশ দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ময়মনসিংহের একটি আদালত। বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক হারুন-অর রশিদ আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) আনোয়ারুল আজিজ টুটুল। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-পুলিশ কনস্টেবল মো. আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী কনস্টেবল নাসরিন নেলী। আলাউদ্দিন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা। মামলার বরাতে পিপি টুটুল বলেন, “২০১৪ সালে কনস্টেবল আলাউদ্দিনের স্ত্রী নাসরিন নেলীর সঙ্গে সহকর্মী কনস্টেবল সাইফুল ইসলামের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে বিষয়টি জানতে পারেন সাইফুল। পরে ওই বছরের অগাস্টে ময়মনসিংহের কাঁচিঝুলি এলাকায় নেলীর ভাড়া বাসায় সাইফুলকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে সাইফুলকে হত্যার পর মৃতদেহ বস্তাবন্দি করে গুম করার চেষ্টা করেন পুলিশ দম্পতি। তবে লাশ গুম করতে গিয়েই বাধে বিপত্তি। নগরের টাউন হল মোড়ে পুলিশের তল্লাশির সময় বস্তাবন্দি লাশসহ আলাউদ্দিন ও নেলী আটক হন। পরে এ ঘটনায় সাইফুলের মা মোছা. মুলেদা বেগম ২০১৪ সালের ১৩ আগস্ট ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় কনস্টেবল আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী নাসরিন নেলীসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন বলে জানান পিপি টুটুল। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী।

  • আবারো ট্রলারসহ ৬ জেলেকে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

    আবারো ট্রলারসহ ৬ জেলেকে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

    আবারো ট্রলারসহ ৬ জেলেকে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

    টেকনাফে মাছ ধরে ফেরার পথে জলসীমা অতিক্রম করায় ট্রলারসহ ছয় রোহিঙ্গা জেলেকে আটক করেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। বুধবার সন্ধ্যায় শাহপরীর দ্বীপের বদরমোকাম চ্যানেলে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা পর্যন্ত তাঁদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। অপহৃত জেলেরা হলেন-মো. আয়াছ, মো. ইয়াছিন, জিয়াউর রহমান, আতাউর হোসেন, কেফায়েত উল্লাহ ও রশিদ উল্লাহ। তারা সবাই কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী বোট মালিক সমিতির সভাপতি সাজেদ আহমেদ জানান, টেকনাফের আবদুল মতলবের মালিকানাধীন ট্রলারটি সাগরে মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়লে আরাকান আর্মির সদস্যরা সেখানে এসে ছয় জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে, মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল আরাকান নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, গত ২৮ অক্টোবর থেকে আরাকান আর্মির উপকূলীয় নিরাপত্তা ইউনিট সমুদ্রপথে টহল জোরদার করেছে। তাদের দাবি, বাংলাদেশি ট্রলারগুলো মিয়ানমারের জলসীমা অতিক্রম করে মাছ ধরছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত অন্তত ১৮৮ জেলে ও ৩০টি নৌকা তারা আটক করে পরে মুক্তি দেয়। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, একটি ট্রলারসহ ছয় জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি। বিষয়টি যাচাই করে দেখা হচ্ছে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত আট মাসে নাফ নদী ও সংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ৩০০ বাংলাদেশি জেলেকে অপহরণ করেছে আরাকান আর্মি। এর মধ্যে প্রায় ২০০ জনকে ফেরত আনা সম্ভব হলেও এখনো অন্তত ১০০ জন জেলে তাদের হাতে বন্দি রয়েছে।

  • ৩৯ বিজিবির অভিযানে ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

    ৩৯ বিজিবির অভিযানে ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

    ৩৯ বিজিবির অভিযানে ১৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

    ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর পৃথক অভিযানে শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে প্রায় ১৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকার ভারতীয় চোরাচালানী পণ্য জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার ফরেস্ট অফিস এলাকায় ৩৯ বিজিবির টহল দল অভিযান চালায়। এতে ৪ হাজার ১৪০ পিস ভারতীয় সানগ্লাস এবং ২৭০ কেজি জিরা জব্দ করা হয়। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধে তারা সর্বদা সতর্ক। মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট ॥ ওয়ার্ডবয় দিয়ে চলছে কাজ

    গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট ॥ ওয়ার্ডবয় দিয়ে চলছে কাজ

    নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম-ডাক্তার-নার্স

    গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট ॥ ওয়ার্ডবয় দিয়ে চলছে কাজ

    গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট দীর্ঘ দিনের। এতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। প্রতিদিন সকালে গ্রামাঞ্চল থেকে শত শত রোগী আসেন এই হাসপাতালে। চাহিদা মত চিকিৎসা না পেয়ে প্রাইভেট ক্লিনিক কিংবা শহরের কোন মিডিকেলে যেতে হয়। চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম না থাকায় এমন ভোগান্তিতে পড়তে হয় বলে অভিযোগ চিকিৎসা নিতে আসা রোগিদের। এখানে এক্সরে বিভাগের অনুমোদন থাকলেও মেশিন নষ্ট হওয়ায় তা বন্ধ হয়ে পড়ে আছে প্রায় ১৫ বছর যাবৎ। ফলে রোগীদের যেতে হয় প্রাইভেট ক্লিনিকে। জরুরী বিভাগে ডাক্তার স্বল্পতায় চিকিৎসা দেন ওয়ার্ডবয়। কাটা ছেঁড়া, দূর্ঘটনায় জরুরি চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন তারা। এতে ঝুঁকি তৈরী হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। চিকিৎসা নিতে আসা সরমংলা গ্রামের আল মামুন জানান, গোদাগাড়ী সদরে এত বড় একটি হাসপাতাল আছে, কিন্তু ডাঃ স্বল্পতার কারনে আমরা চিকিৎসা নিতে পারছি না। আমার পায়ে ফোঁড়া উঠেছে, ডাঃ ব্যস্ত থাকায় ওয়ার্ডবয় ফোঁড়া ওয়াশ করে দিলেন। উপায় না পেয়ে তাদের হাতেই ওয়াশ করে নিতে হচ্ছে। জ্বর, ঠান্ডা জনিত সমস্যা নিয়ে আসলেও ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক বৃদ্ধ মহিলা, পুরুষদেরও দেখি তারা অনেক সময় দাঁড়িয়ে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে। ডেলিভারী রোগীদের সাথে নার্সদের অসৌজন্যমুলক আচরণ। ব্যাবহার ও ভাষা খারাপ। ওয়ার্ডবয়দের অত্যাচারেও রোগীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছ। ডেন্টাল বিভাগেও নেই ডেন্টাল চেয়ার। নাম মাত্র ডেন্টাল চিকিৎসা, নেই কোন আলো। ফলে চিকিৎসা সেবা দিতে পারছেন না ডাক্তার। ডেন্টাল চিকিৎসক ডাক্তার বেবি হালদার জানান, গত এক মাসে আমি প্রায় ২৫০ জন রোগিকে সেবা দিয়েছি। দক্ষতা থাকা সত্বেও দাঁতের সকল সমস্যার চিকিৎসা করতে পারছি না। ডেন্টাল চেয়ার নেই, দাঁতের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। ফলে চিকিৎসা সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। দাঁত তোলা, ডায়াগনোসিস ও ঔষধ লিখে দেওয়া ছাড়া আর কোন চিকিৎসা দেওয়া যাচ্ছে না। ১ টি ডেন্টাল চেয়ার এবং আলোর ব্যবস্থা হলে সকল চিকিৎসা দেওয়া যেত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গত অক্টোবরে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা ডেঙ্গু-এনএস ওয়ান ১২৯ টি, কম্বো ১১টি,টিসি ৮৩ টি, ডিসি ৮৩ টি, হিমোগ্লোবিন ১০৩ টি, ইএসআর ৮৩ টি, ভিডাল ৭৪ টি, এইচবিএস এজি ২৭ টি, এটি ৩১টি, ইউরিনারী ১৬২ টি, প্রেগন্যান্সি টেস্ট ৬৫ টি করা হয়েছে। চিকিৎসার চাহিদা অনুযায়ী এক্সরে পরীক্ষার প্রয়োজন হয় নিয়মিত। তবে ১৫ বছর আগে মেশিনটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় রোগির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ আরও জানান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ১ জন, বিশেষজ্ঞ (গাইনী এন্ড অবস অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ১ জন, বিশেষজ্ঞ (মেডিসিন) অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ০ জন, সার্জারী বিশেষজ্ঞ অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ০ জন, ডেন্টাল সার্জন অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ১ জন, মেডিকেল অফিসার অনুমোদিত ২ জন কর্মরত ২ জন, মেডিকেল অফিসার পঃ পঃ অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ১ জন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ১ জন, সিনিয়র স্টাফ নার্স অনুমোদিত ২৫ জন কর্মরত ২৫ জন, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ল্যাব) অনুমোদিত ২ জন কর্মরত ২ জন, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (রেডিও) অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ১ জন, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ডেন্টাল) অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ১ জন, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ইপিআই) অনুমোদিত ১ জন কর্মরত ১ জন। এছাড়াও পরিসংখ্যানবিদ, এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার, ক্যাশিয়ার ষ্টোর কিপার, কুক/ মশালচি, মালি, অফিস সহায়ক, সুইপার, ঝাড়ুদারের প্রয়োজন থাকলেও নেই একজনও। প্রশাসনিক প্রধান সহকারী মোঃ অয়ন আযম জানান, আমাদের জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যহত হচ্ছে। এখানে পরিচ্ছন্ন কর্মি নেই, রন্ধন শালাতেও লোক নেই, ডাক্তার আছে ২ জন, নার্স-২৫। ডেপুটেশনে ডাঃ ছিল ১৩ জন তারাও এখন নেই। এতে চাহিদামত চিকিৎসা না পেয়ে রোগিরা মন খারাপ করে।কোন ওটির ব্যবস্থা নেই হাসপাতালে তাই সিজারসহ অন্যান্য কোন অপারেশনের ব্যবস্থা নেই। ছোট খাটো সমস্যা হলেও আমরা তেমন কোন চিকিৎসা দিতে পারি না। উপায় না পেয়ে রোগীদের রেফার্ড করি সদর হাসপাতালে।