Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের সভা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের সভা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের সভা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের সভা ও মৃত্যু জনিত কারণে এক শিক্ষক এর পরিবারকে আর্থিক সহায়তার অর্থ প্রদান করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে শহরের বাবু গিরিশ চন্দ্র মৌলিক মার্কেটের (শিল্পকলা মার্কেট) ৪র্থ তলায় শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের নিজস্ব ভবনে এই সভা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ। সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের সাধারণ সম্পাদক ও নামোশংকারবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ আসলাম কবির। দেবীনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জাব্বার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল খালেক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও কৃষ্ণগোবিন্দপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ মারিনা শিরিন, ছয়রশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান, একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক একলেসুর রহমানসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধানগণ। সভায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। শেষে ছয়রশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রয়াত আজিজুর রহমানের স্ত্রী’র হাতে সহায়তার অর্থ ৫ লক্ষ ৪২ হাজার ৯২০ টাকা তুলে দেয়া করা হয়। এছাড়াও নামোশংকরবাটী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবাইদুল ইসলামকে ৫৫ হাজার ২০০ টাকা ও নারায়নপুর মাহমুদা মতিউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী রিয়াজুল হককে ৮৯ হাজার ৮৮০ টাকা অবসরকালীন অর্থ তুলে দেয়া হয়। ২ জন শিক্ষক নাজমুল হক ও মশিউর রহমানকে বদলীজনিত কারণে বিদায় সংবর্ধণা দেয়া হয়। এর আগে শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলের প্রয়াত সকল শিক্ষক-কর্মচারীর রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। সভায় জেলার ৩৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান তহবিলে প্রায় ৬’শ জন সদস্য রয়েছেন।

  • নাটোরে বিএনপি মনোনয়নপ্রাপ্ত দুই প্রার্থীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    নাটোরে বিএনপি মনোনয়নপ্রাপ্ত দুই প্রার্থীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    নাটোরে বিএনপি মনোনয়নপ্রাপ্ত দুই প্রার্থীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনয়নপ্রাপ্ত দুই প্রার্থী এক ফ্রেমে, এমন দৃশ্য দেখা গেল নাটোরে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাতে বিএনপি থেকে নাটোর-১ আসনের মনোনয়নপ্রাপ্ত ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান নাটোর-২ আসনের বিএনপি মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক উপমন্ত্রী এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর বাসায়। রাত ১০টার দিকে নাটোর শহরের আলাইপুরে দুলুর নিজস্ব বাসভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দুই প্রার্থী পরস্পরের খোঁজখবর নেন এবং বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম, আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি ও নাটোর জেলার সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেন। সাক্ষাতে ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, “দলের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চাই।” অন্যদিকে সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মনোনীত প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “দলের ঐক্যই আমাদের শক্তি, এই ঐক্যের মাধ্যমে বিএনপি মাঠে নতুন উদ্যমে ফিরে আসবে।” দুই প্রার্থীর এই সৌজন্য সাক্ষাৎকে নাটোরের বিএনপি নেতাকর্মীরা স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই একে আসন্ন নির্বাচনে দলের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

  • একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন

    একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন

    একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন

    হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ১নং পশ্চিম বড় ভাকৈড় ইউনিয়নের চৌকি গ্রামের মহেন্দ্র দাস এর ছেলে মৃত্যুঞ্জয় দাস (৩৭)। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কর্ম জীবন থেকে নিষ্ক্রিয় জীবন যাপন এবং আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। স্ত্রী, দুই সন্তান, বৃদ্ধ ও অসুর বাবা-মা বাধ্য হয়ে বিবেকবান ব্যক্তিদের নিকট সাহায্যের জন্য আবেদন করছেন। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। মৃত্যু পথ যাত্রী মৃত্যুঞ্জয় দাসের পরিবার দেশবাসীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। রকেট পারসোনাল: +৮৮০১৬১১১৬৭১৪৩৫, বিকাশ পারসোনাল: +৮৮০১৩৩০১৬৬৬৭৬, বিকাশ পারসোনাল: +৮৮০১৭৬৬০০২৩৭৩, রোগীর ব্যাংক একাউন্টের নাম ও নাম্বার: অগ্রণী ব্যাংক, নবীগঞ্জ শাখা, হবিগঞ্জ, একাউন্ট নম্বর: ০২০০০১৭২৪৩৬৪১।

  • জয়পুরহাটে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    জয়পুরহাটে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    জয়পুরহাটে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    জয়পুরহাটে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় ডাকাতি হওয়া মালামালসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। শনিবার দুপুরে নিজ সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জয়পুরহাট পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুল ওয়াহাব এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, খুলনার রুপসা উপজেলার ইলাইপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মজনু ফরাজির ছেলে রুবেল ফরাজী, গ্যালাক্সির মোড় এলাকার দ্বীন ইসলামের ছেলে সোহেল আবিদ, ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মল্লিক বাড়ির মৃত আব্দুর রব মল্লিকের ছেলে জাহিদ হাসান ও বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ভাটরা গ্রামের শামসুদ্দীনের ছেলে কামরুল ইসলাম। পুলিশ সুপার জানান, গত ৪ সেপ্টেম্বর আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে এক প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের হাত পা বেঁধে রেখে স্বর্নালংকার ও টাকা ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এছাড়া আক্কেলপুর উপজেলা জামালগঞ্জ বাজারে এক ব্যবসায়ীর ও কালাই উপজেলার এক শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি সংঘটিত হয়। এসব ঘটনায় থানায় পৃথক মামলা দায়ের হলে পুলিশ ডাকাত দলকে ধরতে মাঠে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় জয়পুরহাট ডিবি পুলিশের একটি টিম রাজধানীর ডিএমপি ও সাভার থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। এসময় উদ্ধার করা হয় স্বর্নালঙ্কারসহ ডাকাতি হওয়া বিভিন্ন মালামাল, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার, অস্ত্র ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলার একাধিক মামলা রয়েছে।

  • আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্য গ্রেপ্তার

    আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্য গ্রেপ্তার

    আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্য গ্রেপ্তার

    কক্সবাজারের চকরিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের ব্যবহৃত দুটি হাইয়েস মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়। শনিবার (৮ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পেছনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনিসহ থানার এসআই আবুল খায়ের, এএসআই দেবু মজুমদার, এএসআই খলিল ও এএসআই আল-আমিনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ডাকাত দলের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় চারজনকে আটক করা সম্ভব হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, সাহারবিল ইউনিয়নের চোয়ারফাঁড়ি এলাকার মৃত কালু মিয়ার পুত্র সেলিম (৩৫), পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের মৃত আলী আহম্মদের পুত্র নাছির উদ্দিন (৪৫), একই ইউনিয়নের আকতার আহম্মদের পুত্র তৌহিদুল ইসলাম (২৪), সাহারবিল কোরালখালী এলাকার নুরুল আমিনের পুত্র আব্দুল্লাহ আল নোমান (ওরফে শাহীন ওরফে সাজ্জাদ) (২১)। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে চকরিয়া ও চন্দনাইশ থানায় হত্যা ও ডাকাতিসহ তিনটি মামলা রয়েছে। এছাড়া আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় গরু চুরির দুইটি মামলা রয়েছে। ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, “গ্রেপ্তার আসামিরা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তারা বিভিন্ন জেলায় সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতি করে আসছিল। গ্রেপ্তার পরবর্তী তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • সালথায় আগুনে কৃষকের বসতবাড়ি পুড়ে ভষ্মিভূত

    সালথায় আগুনে কৃষকের বসতবাড়ি পুড়ে ভষ্মিভূত

    সালথায় আগুনে কৃষকের বসতবাড়ি পুড়ে ভষ্মিভূত

    ফরিদপুরের সালথায় এক কৃষকের বসতবাড়ি আগুনে পুড়ে ভষ্মিভূত হয়েছে। শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার নকুলহাটি গ্রামের কৃষক মো. আজম মোল্যার বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওই কৃষকের অন্তত ৬-৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আজম মোল্যা বলেন, ‘আমি সারাজীবন কষ্ট করে টিনের একটি বসতঘর নির্মাণ করেছিলাম। আগুনে আমার সব শেষ হয়ে গেল। বসতঘর, পাট, ধান, পেঁয়াজসহ যাবতীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমার অন্তত ৬-৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’ সালথা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার আব্দুল জলিল বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমাদের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। এতে আনুমানিক ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

  • পদ্মার শাখা নদীর সেই কুমির টি ধরেছে স্থানীয়রা

    পদ্মার শাখা নদীর সেই কুমির টি ধরেছে স্থানীয়রা

    পদ্মার শাখা নদীর সেই কুমির টি ধরেছে স্থানীয়রা

    মানিকগঞ্জের পদ্মার শাখা নদীতে দেখা পাওয়া কুমিরটি অবশেষে স্থানীয়দের তৈরি ফাঁদে ধরা পড়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা এলাকা থেকে কুমিরটি আটক করা হয়। হরিরামপুর উপজেলা বনকর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম শনিবার সকালে সাংবাদিকদের বলেন, “হরিরামপুর উপজেলার ধুলসুরা ও হারুকান্দি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম ও সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের নদীতে দেখা কুমিরটি স্থানীয় কয়েকজন যুবক আটক করেছে। কুমির ধরার কাজে অংশ নেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। প্রায় এক মাস আগে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের চরবংখুড়ি ও হরিরামপুর উপজেলার পদ্মার শাখা নদীর বোয়ালী, আইলকুন্ডি, খামারহাটি ও হারুকান্দি ইউনিয়নের তন্ত্রখোলা এলাকায় কুমিরটি কয়েকবার দেখা যায়। এতে নদীপাড়ের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং অনেকে নদীতে নামা বন্ধ করে দেন। মানুষকে আতঙ্ক থেকে মুক্তি দিতে দীর্ঘদিন তারা কুমিরটির অবস্থান পর্যবেক্ষণ করছিলেন। শুক্রবার সকাল থেকে তারা ওই এলাকায় কুমিরটি দেখতে পান। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চৌকিঘাটা এলাকায় কুমিরটি পানির উপরে ভেসে উঠলে তারা দড়ির ফাঁদ পেতে সেটিকে ধরতে সক্ষম হন। কুমিরটি লম্বায় প্রায় ১২ ফুট বলে জানান এই যুবকরা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের বাজারে আগুন-এক দিনের ব্যবধানে ২০-৩০ টাকা বৃদ্ধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের বাজারে আগুন-এক দিনের ব্যবধানে ২০-৩০ টাকা বৃদ্ধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের বাজারে আগুন-এক দিনের ব্যবধানে ২০-৩০ টাকা বৃদ্ধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুরসহ আশপাশের বাজারে হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে হু হু করে। গত রোববার পর্যন্ত যে পেঁয়াজ ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সোমবার থেকেই সেটি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি দরে। এক দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ২০ টাকার এই দাম বৃদ্ধি, সাধারণ ক্রেতাদের হতবাক করে দিয়েছে। বর্তমানে আরও বৃদ্ধি হয়েছে বাজারে পেঁয়াজের দাম। পাইকারী বাজারের চেয়ে গ্রাম অঞ্চলের বাজারে দাম আরও বেশী নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। খুচরা দোকানে পেঁয়াজের বর্তমান দাম ১২০ টাকা কেজি। কোথাও কোথাও আরও বেশি করে নেয়া হচ্ছে পেঁয়াজের দাম। ফলে বেকায়দায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন হোটেল ব্যবসা মালিকরা। রহনপুর বাজারের এক খুচরা ব্যবসায়ী জানান, আমরাও চাই না দাম এতটা বাড়ুক, কিন্তু সোমবারের হাটে পাইকারি বাজারে দামই হঠাৎ বেড়ে যায়। ফলে আমাদেরও বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষ এই ব্যাখ্যায় সন্তষ্ট নয়। স্থানীয় এক গৃহিণীর ক্ষোভ, “বাজারে গেলেই মনে হয় সবজিতে আগুন, তবে কয়েকদিন থেকে শীতকালীন সব্জি বাজারে আমদানী হওয়ায় একটু কমেছে। পেঁয়াজ তো এখন যেন সোনার দানা! প্রতিদিনের রান্না এখন হিসেব কষে করতে হবে। বাজার বিশ্লেষক ও পর্যেবক্ষক মহল মনে করছেন, বাজার অস্থিতিশীল করার পেছনে একশ্রেণীর অসৎ ব্যবসায়ী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগণের পকেট থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। পেয়াজের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এমন অস্বাভাবিক উত্থান কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়। অর্থনীতিবিদদের মতে, আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা-এই তিন ধাপেই যদি কঠোর বাজার মনিটরিং চালু করা যায়, তাহলে এ ধরনের মূল্যবৃদ্ধি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। রহনপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভার হাটসহ জেলার বিভিন্ন পাইকারী ও খুচরা বাজারে প্রশাসনের তদারকি জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। জনগণের প্রত্যাশা একটাই-পেঁয়াজের বাজারে যেন আবার স্থিতি ফিরে আসে। প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপই পারে সাধারণ মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে।

  • টাইফয়েড টিকার শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জনসচেতনতা অব্যাহত রাখতে হবে-বিভাগীয় কমিশনার

    টাইফয়েড টিকার শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জনসচেতনতা অব্যাহত রাখতে হবে-বিভাগীয় কমিশনার

    টাইফয়েড টিকার শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জনসচেতনতা অব্যাহত রাখতে হবে-বিভাগীয় কমিশনার

    রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও রাসিক প্রশাসক খোন্দকার আজিম আহমেদ বলেছেন, কোন টিকা কাউকে জোর করে দেয়া যায়না। যারা এখনও টিকা গ্রহণ করেননি তাদের বোঝাতে হবে এবং টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। পূর্ণাঙ্গ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জনসচেতনতামূলক কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে রাসিক আয়োজিত জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫ উপলক্ষে সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, টিকা প্রদানে আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী এখনও প্রথম রয়েছে। এটা আমাদের সকলের সম্মিলিত কাজের ফল। টাইফয়েড টিকাদান সফল করতে আমাদের সকলের মধ্যে সমন্বয় অব্যাহত থাকবে। এখন স্কুল পর্যায়ে যেসব শিশু বাদ পড়েছে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগকে মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন তিনি। সভায় রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফ.এ.এম আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, ১২ অক্টোবর থেকে স্কুল পর্যায়ে এ টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ অক্টোবর শেষ হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনে অবস্থিত ৬২১ টি স্কুলে ৯৮ হাজার ২৫৫ জন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৯৪ হাজার ১১০ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে, যা শতকরা ৯৫.৭৮ ভাগ। ১ নভেম্বর থেকে কমিউনিটি পর্যায়ে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৪ নভেম্বর পর্যন্ত কমিউনিটিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১৯ দশমিক ২৫ ভাগ অধিক শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। সমন্বয় সভায় অন্যান্যের মধ্যে, রাজশাহী জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক, ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিগণ, জেলা ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারী দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • নওগাঁয় সালিশ বৈঠকে পক্ষে কথা না বলায় এক ব্যক্তিকে খুন

    নওগাঁয় সালিশ বৈঠকে পক্ষে কথা না বলায় এক ব্যক্তিকে খুন

    নওগাঁয় সালিশ বৈঠকে পক্ষে কথা না বলায় এক ব্যক্তিকে খুন

    নওগাঁয় সালিশ বৈঠকে পক্ষে মত না দেয়ার জের ধরে প্রকাশ্যে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে গোলাম হোসেন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে প্রভাবশালীরা প্রতিবেশীরা। গত বুধবার (৫ নভেম্বর) রাত ১১ টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলহাটি ইউনিয়নের সুনুলিয়া মালঞ্চি গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত গোলাম হোসেন মালঞ্চি গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে। নিহতের চাচাতো ভাই নয়ন জানান, একই গ্রামের বাসিন্দা হারুনুর রশিদ ও আজাদ হোসেন নামে দুই ভাইয়ের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এবিষয়ে কিছুদিন আগে দুই পক্ষ একজন অ্যাডভোকেটের কাছে সালিশ বৈঠকে বসেন। সেখানে গোলাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন এবং আজাদ হোসেনের পক্ষে মতামত দেন। এই ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতে গ্রামের একটি দোকানের সামনে গোলাম হোসেনের সাথে কথা-কাটাকাটি হয় হারুনের। একপর্যায়ে হারুন, তার ছেলে অন্তর ও সহযোগি মুসা এসে গোলাম হোসেনকে এসএস পাইপ দিয়ে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদরে অবস্থিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান গোলাম। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, হারুনুর রশীদ দুবলহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আযমের ভাই এবং অন্তর ভাতিজা। প্রভাবশালী হওয়ায় তারা গ্রামবাসীর সাথে সবসমই বেপরোয়া আচরন করে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায় না। বৈঠকে তাদের পক্ষে কথা না বলায় তারা গোলামকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলো। হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন নিহতের স্বজন ও গ্রামবাসী। নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।