Blog

  • বিরল অসুখে ভোলাহাটের শ্রী শম্ভু কর্মকার চিকিৎসাধীন ॥ সহানুভূতি আশায় পরিবার

    বিরল অসুখে ভোলাহাটের শ্রী শম্ভু কর্মকার চিকিৎসাধীন ॥ সহানুভূতি আশায় পরিবার

    বিরল অসুখে ভোলাহাটের শ্রী শম্ভু কর্মকার চিকিৎসাধীন ॥ সহানুভূতি আশায় পরিবার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার পোল্লাডাঙ্গা নামোটোলা গ্রামের বাসিন্দা শ্রী শম্ভু কর্মকার বিরল এক অসুখে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা তাঁর পরিবারের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। জীবনের এই কঠিন সময়ে শ্রী শম্ভু কর্মকারের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার দানশীল ব্যক্তিবর্গের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবার। আপনার অল্প একটু সহায়তা একটি জীবন বাঁচাতে পারে। আপনার সাহায্য-সহযোগিতা তাঁর জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে নতুন আলো। সহায়তা পাঠানোর বিকাশ নম্বর-শ্রী শম্ভু কর্মকার- ০১৭৭১০৬৭৩৫৮।

  • ডিএনসি’র অভিযানে গাঁজাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটক এক

    ডিএনসি’র অভিযানে গাঁজাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটক এক

    ডিএনসি’র অভিযানে গাঁজাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটক এক

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের অভিযানে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার বড় বঙ্গেশ্বরপুর এলাকা থেকে আটক হওয়া মাদক কারবারী হচ্ছে, জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বড় বঙ্গেশ্বরপুর গ্রামের মৃত আশরাফুল মুলক এর ছেলে মো: আসাদুজ্জামান ওরফে গাটু (৫৩)। ডিএনসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর পাঠানো এক প্রেসনোটে জানানো হয়, সোমবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার বড় বঙ্গেশ্বরপুর গ্রামে অভিযান চালায় ডিএনসির একটি দল। এসময় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মো: আসাদুজ্জামান ওরফে গাটু কে আটক করা হয়। এঘটনায় ডিএনসির উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ মামলার বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

  • গোমস্তাপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে অগ্নিকাণ্ড ॥ দোকানের মালামাল ভষ্মিভূত

    গোমস্তাপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে অগ্নিকাণ্ড ॥ দোকানের মালামাল ভষ্মিভূত

    গোমস্তাপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে অগ্নিকাণ্ড ॥ দোকানের মালামাল ভষ্মিভূত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে একটি দোকানের সব মালামাল পুড়ে ভষ্মিভূত হয়েছে। রবিবার (২ নভেম্বর) বিকেল ২টার দিকে গোমস্তাপুর ইউনিয়নের গোমস্তাপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারের “ভাই ভাই ভ্যারাইটিজ অ্যান্ড কোকারিজ” নামের দোকানে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দোকানের ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, পরে গোমস্তাপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। দোকানের মালিক চক পুস্তম গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে সাদিকুল ইসলাম (৫০) জানান, “আমি দুপুরের খাবারের জন্য বাসায় গিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর ফোনে জানানো হয় দোকানে আগুন লেগেছে। দৌড়ে এসে দেখি আমার দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আমি এখন একেবারে অসহায় হয়ে পড়েছি। গোমস্তাপুর ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকা। তবে দোকান মালিকের দাবি, তার দোকানে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার মালামাল ছিল, যা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সময়মতো ফায়ার সার্ভিস পৌঁছাতে না পারলে আশপাশের আরও কয়েকটি দোকানেও আগুন ছড়িয়ে পড়তো।

  • রংপুর সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ॥ লেখক-পাঠক মিলন মেলা

    রংপুর সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ॥ লেখক-পাঠক মিলন মেলা

    রংপুর সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ॥ লেখক-পাঠক মিলন মেলা

    ‘সমাজ প্রগতির জন্য শিল্প-সাহিত্য’ এই স্লোগানে সামনে রেখে সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান রংপুরের ঐতিহাসিক তাজ হাট জমিদার বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী দুই পর্বের উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন দেশবরেণ্য কবি লেখক গবেষক দৈনিক দেশ জগত পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান নেজামী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক, গীতিকার, সংগঠক এডভোকেট মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লেখক গবেষক ডা. মফিজুল ইসলাম মান্টু, লেখক গবেষক এমদাদুল হক চৌধুরী, লেখক সংগঠক মোজহারুল ইসলাম মাজহার, লেখক সংগঠক আব্দুল হাদী, বাংলাদেশ কবি লেখক ফোরাম এর নির্বাহী সভাপতি লেখক গবেষক স্বদেশ কবি লেখক এস কে মহসিন আলী, লেখক সংগঠক আহসান হাবীব রবু, লেখক সংগঠক ধ্রুবক রাজ, লেখক সংগঠক অহিদুল ইসলাম, লেখক সংগঠক নূর ই এলাহী। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া কলেজের ভূতপূর্ব অধ্যাপক প্রফেসর মোঃ শাহ আলম। প্রথম পর্বের সভাপতিত্ব করেন সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ, রংপুর বিভাগীয় কমিটির সভাপতি ইন্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন রংপুরী।

    দ্বিতীয় পর্বের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেতার রংপুরের আঞ্চলিক পরিচালক আব্দুর রহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ এর উপদেষ্টা ফখরুল আনাম বেঞ্জু, সৈয়দা রুকসানা জামান শানু, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক আশরাফ খান কিরণ, সাতক্ষীরার কবি লেখক সংগঠক ওসমান গনি, বাবলা অভিযাত্রিক সভাপতি তৈয়বুর রহমান বাবু, নওগাঁর কবি সংগঠক খেয়ালী মোস্তফা, সাফল্য সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশ গাইবান্ধা জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হাবিব মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক আকতারুজ্জামান সুলতান, ঠাকুরগাঁও জেলা কমিটির সভাপতি ফজলে এলাহী, পার্বতীপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি বদরুদ্দোজা বুলু, ঘোড়াঘাট দিনাজপুর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ কবির, লেখক সংগঠক ফাহমিদা আফরোজ, সমাজ সেবক মনজুদার রহমান দ্বিতীয় পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশের নির্বাহী সভাপতি নাজিরা পারভীন। আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন সাফল্য সাহিত্য সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়িতা নাসরিন নাজ। সাফল্য সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিবার বাংলাদেশের সাধারণ সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিনের সঞ্চালনায় দিনব্যাপী এ আয়োজনে সকল লেখক কবিতা পাঠ করেন। উপস্থিত ছিলেন দেশের ৩০ জেলা থেকে আগত ৪ শতাধিক লেখক-পাঠক।

  • শিবগঞ্জে ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

    শিবগঞ্জে ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

    শিবগঞ্জে ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

    বগুড়ার শিবগঞ্জে আমন ধানের মাঠে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে কারেন্ট পোকার আক্রমণ। হঠাৎ করেই ধানক্ষেতে এই পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক স্প্রে করেও কোনো সুফল পাচ্ছেন না তারা। এতে নষ্ট হচ্ছে স্বপ্নের ফসল, বাড়ছে হতাশা। সোমবার সরেজমিনে শিবগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের আমন ক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, একের পর এক জমিতে ধানগাছ শুকিয়ে গেছে। ক্ষেতে ভিড় জমিয়েছে কারেন্ট পোকার ঝাঁক। নষ্ট হয়ে গেছে কৃষকের সোনার ফসল। কৃষকরা জানান, এবছর আমন মৌসুমের শুরুতে পানি সংকট বা চারা রোপনে তেমন সমস্যা ছিল না। তবে সারের দাম ছিল অনেক বেশি। তবুও কষ্ট করে বেশি দামে সার কিনে ধান চাষ করছেন তারা। কিন্তু হঠাৎ কারেন্ট পোকার আক্রমণে সব পরিশ্রম যেন মাটি হয়ে যাচ্ছে। উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের এক কৃষক বলেন, ধানগাছ শুরু থেকে ভালোই ছিল, কিন্তু বাড়িঘরের কাজের চাপে ৩ দিন মাত্র জমিতে যেতে পারিনি। এর মধ্যেই কারেন্ট পোকা সব শেষ করে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আর কিছুদিন পরেই ধান কাটার উপযুক্ত হতো। কিন্তু কারেন্ট পোকা সব শেষ করে দিলো। দিনে দুইবার করে ওষুধ দিচ্ছি, তাও কোনো কাজ হচ্ছে না। গোড়া থেকে গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে। এভাবে নষ্ট হলে ধানের খরচই উঠবে না। অন্য কৃষক বলেন, আমার ধানক্ষেতে একদিকে ইঁদুরের হানা, আরেকদিকে কারেন্ট পোকার হানা। তাদের অত্যাচারে ধান নিয়ে হতাশায় পরেছি। তারমধ্যে আবার কীটনাশক কিনতে পড়তে হচ্ছে বিভ্রান্তিতে। বাজারে যত কম্পানির ওষুধ নামছে, কোনটা আসল আর কোনটা নকল বুঝা বড় দায়। নকল ওষুধ কিনে টাকা নষ্ট করছি, ফসলেরও কাজ হচ্ছে না। এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান প্রতিবেদককে জানান, কারেন্ট পোকা দমনে করণীয় সম্পর্কে প্রত্যেক ওয়ার্ডে উঠান বৈঠক করা হয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির পর কারেন্ট পোকার যে উপদ্রব হয়, তা থেকে ধান রক্ষায় কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

  • সাহিত্যের সন্ধানে নরসিংদী জেলা কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান

    সাহিত্যের সন্ধানে নরসিংদী জেলা কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান

    সাহিত্যের সন্ধানে নরসিংদী জেলা কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান

    নরসিংদী জেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবনকে আধুনিকায়ন করে গড়ে তোলা এবং পাশে একটি মনোরম পরিবেশে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও বিশিষ্ট কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। সাহিত্যের সন্ধানে নরসিংদী জেলা কমিটির অভিষেক ও গুণীজন সংবর্ধনা শুক্রবার বিকেলে নরসিংদীর পিনাকল স্কুল এন্ড কলেজের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার রুনা লায়লা। নরসিংদীর কৃতি সন্তান কবি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আসাদ কাজলকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বিশিষ্ট শিল্পপতি আল আমিন রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আলী, অতিরিক্ত পুলিপ সুপার আনোয়ার হোসেন শামীম, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও কবি খাদেম রসূল সরকার, শিক্ষাবিদ মঈনুল ইসলাম মিরু, কবি ও সাহিত্যিক নুরুল ইসলাম নূরচানসহ আরো অনেকে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি’র মতবিনিময় সভা ॥ একই মঞ্চে সাবেক ৩ এমপি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি’র মতবিনিময় সভা ॥ একই মঞ্চে সাবেক ৩ এমপি

    চলো জি ভাই হাঁরঘে পদ্মা বাঁচাই-পদ্মা বাঁচাতে ঐক্য গড়ি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি’র মতবিনিময় সভা ॥ একই মঞ্চে সাবেক ৩ এমপি

    “চলো জি ভাই হাঁরঘে পদ্মা বাঁচাই-পদ্মা বাঁচাতে ঐক্য গড়ি” শ্লোগানে নেতা-কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছে বিএনপি। ‘আমাদের গঙ্গা-পদ্মা, আমাদের অধিকার-নায্য পানি বন্টনে হোক সমাধান’ প্রতিপাদ্যে সভায় দীর্ঘদিন পর একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ৩ আসনের সাবেক সাংসদ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোঃ হারুনুর রশীদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর আয়োজনে রবিবার বিকেলে জেলা শহরের শহীদ সাটুহল কমপ্লেক্সে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ৩ আসনের সাবেক সাংসদ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোঃ হারুনুর রশীদ।

    সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর-ভোলাহাট-নাচোল) আসনের সাবেক সাংসদ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক তসিকুল ইসলাম তসি, শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব আশরাফুল ইসলাম (আশরাফ চেয়ারম্যান),

    জেলা বিএনপি নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহবায়ক তবিউল ইসলাম তারিফসহ অন্যরা। উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও পাঁকা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মালেক, বিএনপি নেতা এ্যাড. ময়েজ উদ্দিন, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুল বারেক, ভোলাহাট উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ারুল ইসলামসহ অন্যরা। এসময় জেলার ৩টি সংসদীয় আসনের বিএনপি ও অংগ সংগঠনের কয়েক হাজার নেতা-কর্মী মতবিনিময় সভায় অংশ গ্রহণ করেন। এদিকে, পদ্মা বাঁচাতে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা নানা শ্লোগান দিতে থাকে। বক্তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে পদ্মা ভাঙ্গনে ওই এলাকার দূর্দশার কথা তুলে ধরেন এবং গঙ্গা-পদ্মার-নায্য পানি বন্টনের জোর দাবী জানিয়ে দ্রুতই পদ্মা ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান।

    বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও সাবেক ৩ সাংসদ আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে বিএনপির ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান জানানোর জন্য নিজ নিজ এলাকায় কাজ করার নির্দেশনা দেন।

  • গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন তিন গরু চোরের মৃত্যু

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন তিন গরু চোরের মৃত্যু

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন তিন গরু চোরের মৃত্যু

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গরু চুরি করে পালানোর সময় ধরা পরলে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে তাদের মৃত্যু হয়। শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের নাসিরাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে তাদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। এলাকাবাসী জানান, শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা এবং দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী মাজার এলাকায় জনৈক সালামের বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে ৩টি গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির লোকজন চুরির বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার করলে প্রতিবেশীসহ গ্রামের সবাই মিলে মিলে লাঠিসোঁটা হাতে চোরকে ধাওয়া করলে তারা পার্শ্ববর্তী নাসিরাবাদ গ্রামের পালিয়ে যায়।

    পরে নাসিরাবাদ গ্রামবাসী গরু চোরের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করলে ৩ চোর স্থানীয় এক পুকুরে ঝাঁপ দেয়। এসময় এলাকাবাসী তাদের পুকুর থেকে উদ্ধার করে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই ২ চোর নিহত হয় এবং অপর একজন গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে থানার এস.আই আখতারুজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ আহত চোরকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

  • প্রবল বৃষ্টিতে গোমস্তাপুরে ফসল ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি

    প্রবল বৃষ্টিতে গোমস্তাপুরে ফসল ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি

    প্রবল বৃষ্টিতে গোমস্তাপুরে ফসল ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সারারাত ধরে দমকা হাওয়া ও প্রবল বৃষ্টিপাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা। হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া আর টানা বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে আমন ধান, পেঁয়াজের বীজ চারা ও শাকসবজির মাঠে পানি জমে কৃষকরা পড়েছেন দুঃচিন্তায়। বৃষ্টির তীব্রতায় নিচু এলাকার শত শত একর বিভিন্ন ফসলী জমি তলিয়ে গেছে। ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক। কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, “ধানের গাছ একেবারে কাদা পানিতে ডুবে গেছে, পেঁয়াজের চারা নষ্ট হয়ে গেছে। এবার কীভাবে ঘর সংসার চালাবো, বুঝতে পারছি না।” প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে শুধু কৃষিজমিই নয়, অসংখ্য মাটির ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়ে বসতবাড়িতে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে, রহনপুর পৌর এলাকা ও পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলো। শনিবার সকাল পর্যন্ত পৌর এলাকার অনেক রাস্তাঘাটে হাঁটু সমান পানি জমে ছিল। রহনপুর পৌর এলাকার হুজরাপুর মডেল একাডেমী বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। স্কুলের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষগুলো কাদা পানিতে ভরে গেছে। শিক্ষকরা জানান, ক্লাস কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখতে হয়েছে। এদিকে, উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই বৃষ্টিতে গোমস্তাপুরে শত শত বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কি পরিমান ক্ষয়ক্ষতির হয়েছে তা সরজমিনে তদন্ত করে রিপোর্ট দিলে পরিমাণ নির্ণয় করা যাবে। তখন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম হাতে নেওয়া জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা যাবে।” গোমস্তাপুরের মানুষের এখন একটাই প্রত্যাশা, আকাশে রোদ উঠুক, শুকিয়ে যাক জমি, আবার ফিরে আসুক কৃষক ও সাধারণ মানুষের মুখে হাসি।

  • নাটোরের লালপুরে ৬ মাসে ৩০ ট্রান্সফরমার চুরি ॥ ক্ষতি কৃষকদের

    নাটোরের লালপুরে ৬ মাসে ৩০ ট্রান্সফরমার চুরি ॥ ক্ষতি কৃষকদের

    নাটোরের লালপুরে ৬ মাসে ৩০ ট্রান্সফরমার চুরি ॥ ক্ষতি কৃষকদের

    নাটোরের লালপুরে সেচ প্রকল্পে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েই চলেছে। ফলে গ্রাহকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে চুরির আতঙ্ক। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ), বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও লালপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ মাসে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৩০টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। যার বাজারমূল্য ২১ লাখ টাকার বেশি। সম্প্রতি চোর চক্রের দৌরাত্ম্যে শুধু গত ১০ দিনেই উপজেলায় ৯টি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। ফলে সেচ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকরা জানান, লাগাতার এসব চুরির ঘটনায় তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। চুরি রোধে উদ্যোগ না নিলে আগামী মৌসুমে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কেশববাড়িয়া গ্রামের এক কৃষক বলেন, চারপাশে ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়টি জানার পর পাহারা বসিয়েছিলাম, তবুও শেষ রক্ষা হয়নি। গত শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে আমার নলকূপের তিনটি ট্রান্সফরমারের সব যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে গেছে চোরেরা। এর আগে ২৪ অক্টোবর দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের গোলাম আযম (৫২), ১০ অক্টোবর ঢুষপাড়া গ্রাম থেকে লালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক পলাশ (৫৫), ৭ সেপ্টেম্বর রামানন্দপুর (গোবরপুর) গ্রাম থেকে লালপুর কলেজের সাবেক শিক্ষক মো. শফিউল্লাহ ও ছোট বিলশলিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে বাকিব উদ্দিনের (৪৫) গভীর নলকূপ থেকে ট্রান্সফরমার চুরি হয়। এছাড়া গত জুলাই ও আগস্ট মাসে আরও নয়টি ট্রান্সফরমার চুরির তথ্য পাওয়া গেছে। কৃষক নাজমুল জানান, “আমার দুই দফায় মোট পাঁচটি ট্রান্সফরমার চুরি গেছে। প্রতিটি ট্রান্সফরমার নতুন করে কিনতে বিএমডিএ অফিসে ৭০ হাজার টাকা ও নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ অফিসে পরীক্ষার জন্য সাড়ে তিন হাজার টাকা দিতে হয়েছে। নতুন ট্রান্সফরমার কিনে কেন আবার গ্রাহকের টাকায় পরীক্ষার নামে হয়রানি করা হচ্ছে জানি না। শিক্ষক মো. শফিউল্লাহ বলেন, চুরি ঠেকাতে ট্রান্সফরমারের গায়ে দোয়া লিখেছিলাম যাতে চোরেরা আল্লাহর ভয়ে চুরি না করে, খুঁটির ওঠার ফাঁকা জায়গা বন্ধ করে দিয়েছিলাম, কাটা তারের বেষ্টনী দিয়েছিলাম, তবুও কিছুই কাজে আসেনি। ৭ সেপ্টেম্বর রাতে আমার নলকূপের দুটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়। এর বাজারমূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা। চারদিকে চুরির ঘটনায় আমরা আতঙ্কে আছি। কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী মৌসুমে সেচ প্রকল্প চালানোই কঠিন হয়ে পড়বে। গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, পল্লী বিদ্যুতের নিজস্ব ট্রান্সফরমারগুলো সাধারণত চুরি হয় না। বেছে বেছে সেচ প্রকল্পে ব্যবহৃত ব্যক্তিমালিকানাধীন ট্রান্সফরমারগুলো চুরি করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ ছাড়া এ সকল ট্রান্সফরমার চুরি করা সম্ভব নয়। চোর সিন্ডিকেটের সাথে পল্লী বিদ্যুৎ ও প্রশাসনের যোগসাজশ থাকতে পারে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, লালপুর জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে এসব চুরি করছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। গ্রাহকদের সতর্ক থাকার অনুরোধ করছি। এ বিষয়ে বিএমডিএ বড়াইগ্রাম জোনের উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল বাশার প্রতিবেদককে বলেন, আমরা সব সময় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করি। আমরা বুয়েট থেকে টেস্ট করে ট্রান্সফরমার ক্রয় করি। কিন্তু পল্লী বিদ্যুতের নিয়মের বেড়াজালে আমাদের পুনরায় ট্রান্সফরমার পরীক্ষা করাতে হয়। আর নিয়ম অনুযায়ী ট্রান্সফরমারগুলো গ্রাহকদের নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করতে হবে। চুরির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়ে বিএডিসি বড়াইগ্রাম জোনের সহকারী প্রকৌশলী ও লালপুর উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব মো. জিয়াউল হক বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। সেচ প্রকল্পে ব্যবহৃত ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। লালপুর উপজেলায় বিএডিসি-এর আওতায় চারটি গভীর নলকূপ আছে। এখন পর্যন্ত সেখানে কোন ট্রান্সফরমার চুরি হয়নি। তবে বড়াইগ্রাম উপজেলায় আমাদের অনেকগুলো ট্রান্সফরমার ইতিমধ্যে চুরি হয়ে গেছে। গ্রাহকদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। লালপুর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় থানায় কয়েকটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও চোর চক্রকে গ্রেপ্তারে পুলিশের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।