Blog

  • রহনপুরে কুরআনের আলো সংগঠনের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    রহনপুরে কুরআনের আলো সংগঠনের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    রহনপুরে কুরআনের আলো সংগঠনের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    রহনপুরে কোরআনের আলো সংগঠনের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর লালন সুপার মার্কেটের অস্থায়ী কার্যালয়ের এ সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সমাবেশে সভাপতিত্বে করেন রহনপুর কুরআনের আলোর সংগঠনের উপদেষ্টা ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কুরআনের আলো সংগঠনের সভাপতি রবিউল আওয়াল। শুক্রবার রাতে এতে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার কর্মপরিষদ সদস্য ও রহনপুর পুনভবা মহানন্দা আইডিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম বকুল, রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যপক মুজিবুর রহমান, রহনপুর কুরআনের আলো সংগঠনের সহ-সভাপতি ও সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নেশ মোহাম্মদ মন্টু, উত্তর রহনপুর কেন্দ্রীয় আহলে হাদিস জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আব্দুল বাসির, রহমতপাড়া মিনার জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা সাদিকুল ইসলাম, ইসলামনগর জামে মসজিদের পেশ ইমাম আব্দুল আজিম প্রমূখ।

  • রহনপুরে কুরআনের আলো সংগঠনের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    রহনপুরে কুরআনের আলো সংগঠনের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    রহনপুরে কুরআনের আলো সংগঠনের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    রহনপুরে কোরআনের আলো সংগঠনের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর লালন সুপার মার্কেটের অস্থায়ী কার্যালয়ের এ সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সমাবেশে সভাপতিত্বে করেন রহনপুর কুরআনের আলোর সংগঠনের উপদেষ্টা ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কুরআনের আলো সংগঠনের সভাপতি রবিউল আওয়াল। শুক্রবার রাতে এতে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার কর্মপরিষদ সদস্য ও রহনপুর পুনভবা মহানন্দা আইডিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম বকুল, রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যপক মুজিবুর রহমান, রহনপুর কুরআনের আলো সংগঠনের সহ-সভাপতি ও সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নেশ মোহাম্মদ মন্টু, উত্তর রহনপুর কেন্দ্রীয় আহলে হাদিস জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আব্দুল বাসির, রহমতপাড়া মিনার জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা সাদিকুল ইসলাম, ইসলামনগর জামে মসজিদের পেশ ইমাম আব্দুল আজিম প্রমূখ।

  • পত্নীতলায় তালা ভেঙ্গে দিন দুপুরে দুর্র্ধষ চুরি

    পত্নীতলায় তালা ভেঙ্গে দিন দুপুরে দুর্র্ধষ চুরি

    পত্নীতলায় তালা ভেঙ্গে দিন দুপুরে দুর্র্ধষ চুরি

    নওগাঁর পত্নীতলায় দিন-দুপুরে তালা ভেঙ্গে নগদ টাকা সহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি সংগঠিত হয়েছে। জানা যায়, ৪ নভেম্বর উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের বাবনাবাজ গ্রামের ব্যবসায়ী সাইকেল মেকার মোঃ খয়রুল ইসলামের বাড়িতে দিন-দুপুরে মেইন দরজার তালা ভেঙ্গে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার, হাতের চুরি, কানের দুল-ফুলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। ব্যবসায়ী খয়রুল ইসলাম বলেন, সকালে ব্যবসার উদ্দেশ্যে নজিপুর দোকানে চলে যাই। আমার স্ত্রী বাড়ীতে তালা দিয়ে পাশে আমার ভাইয়ের বাড়িতে যায়। প্রায় ১ ঘণ্টা পর বাড়িতে এসে দেখে মেইন দরজার তালা ভাঙা ঘরের জিনিসপত্র তছনছ আলমারি ভেঙ্গে নগদ ২০ হাজার টাকা, একটি স্মার্ট ফোন, আমার স্ত্রীর গহনা হাতের চুড়ি, কানের দুল সহ অন্যান্য মুল্যবান জিনিসপত্রসহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে পত্নীতলা থানায় একটি সাধারণ জিডি দায়ের করা হয়েছে।

  • অভিযোগের আঙ্গুল কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারের দিকে

    অভিযোগের আঙ্গুল কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারের দিকে

    কালিয়ায় নির্মাণ শ্রমিক নিখোঁজ!

    অভিযোগের আঙ্গুল কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারের দিকে

    নড়াইলের কালিয়ায় ব্রীজ নির্মাণ শ্রমিক রানা নিখোঁজের ঘটনায় অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার মাধব, সাব ঠিকাদার ও জামাত নেতা পরিচয়দানকারী সেলিম ও ঘর মালিক পারভেজ এর বিরুদ্ধে। এদিকে, চুরি করে পালিয়ে যাওয়া আখ্যা দিয়ে শ্রমিক সরদার লাল মিয়ার বাসায় লুটপাট চালিয়ে ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০/১২ ম্যাশিনসহ যাবতীয় মালামাল লুট করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এ ছাড়া লুট করা মালামাল ফেরত পেতে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা দাবি করেছে তারা। গত মাসে শ্রমিক সরদার লাল মিয়া বকেয়া ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা না দেওয়ার অভিযোগ আনেন ঢাকার কংক্রিট এন্ড স্টীল টেকনোলজি কোম্পানি ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ২৫ অক্টোবর ” কালিয়ায় শ্রমিকের টাকা নিয়ে নয়ছয়ের অভিযোগ ব্রীজ নির্মাণ কোম্পানির বিরুদ্ধে” শিরোনামে বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি অপর শ্রমিক মারফত জানা যায়, সাব ঠিকাদার জামাত নেতা সেলিমের লোক কোম্পানির রড ও তেল চুরি করলে কোম্পানি সেলিমের নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। ঠিকাদার সেলিম মোবাইলে এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। শ্রমিক সরদার লাল মিয়ার স্ত্রী জানান, বকেয়া টাকা ও চুরির ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে স্থানীয় ঘর মালিক পারভেজকে সাথে নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মাধব ও সাব ঠিকাদার সেলিম আমাদের কাজের ছেলে (শ্রমিক) রানাকে গুম করেছে। ২৯ অক্টোবর সকাল ১০ টায় সিসি টিভি ফুটেজে ঘর মালিকের বরফকল সংলগ্ন ঘরে রানাকে ঢুকতে দেখা যায়। কিন্তু বের হওয়ার ফুটেজ পাওয়া যায় নি। এরপর থেকে রানার ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। রানাকে তারা কি করেছে এ নিয়ে আমাদের দুশ্চিন্তা হচ্ছে। প্রায় এক বছর হলো আমরা এ সাইডে এসেছি। অথচ তিন বছর আগে ঘর মালিকের হারিয়ে যাওয়া টিউবওয়েল ও পাইপ রানা চুরি করে পালিয়েছে এমন মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাদের ঘর লুট করেছে ইঞ্জিনিয়ার মাধব, সাব ঠিকাদার সেলিম ও ঘর মালিক পারভেজসহ তার অনুসারীরা। তিনি আরো বলেন, এখানে তারা কাজে এসেছে প্রায় এক বছর হলো। অথচ ঘর মালিকের ৩ বছর আগে চুরি হওয়া টিউবওয়েল ও পাইপ হারানোর দ্বায় আমাদের ওপর চাপিয়ে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা দাবি করছে। তাদের অপকর্ম সাংবাদিকরা জেনে যাওয়ায় আমাদের সন্দেহ করে ইঞ্জিনিয়ার মাধব ও সাব ঠিকাদার সেলিম আমাদের বকেয়া টাকা না দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় ঘর মালিকের সাথে আতাঁত করে আমাদের হয়রানি করছে। অপরদিকে, শ্রমিক সরদার লাল মিয়া রানা নিখোঁজের বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি বিষয়টি দেখবেন বললেও কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার মাধব ও সাব ঠিকাদার জামাত নেতা সেলিম কোম্পানির বিষয় নিজেরাই সমাধান করবেন বলে চেয়ারম্যানের কাছে যেতে রাজি হয়নি। রড ও তেল চুরির অপবাদ ঢাকতে এবং আমার বকেয়া টাকা না দিয়ে তারা আমাকে তাড়ানোর জন্য নানাভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। জানিনা আমার কাজের ছেলেটা বেঁচে আছে কিনা? আমি এদের বিচার চাই। এ বিষয়ে সাব ঠিকাদার ও জামায়াত নেতা সেলিমের বক্তব্য আনতে গেলে সাংবাদিকদের সাথে অকথ্য ভাষায় কথা বলেন এবং কোন বক্তব্য না দিয়ে যা পারেন তাই করেন বলে সটকে পড়েন। ঘর মালিক পারভেজকে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোনটি রিসিভ না করে বন্ধ করে দেন। তবে কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার মাধব ঠিকাদার জামায়েত নেতার রড চুরি জরিমানার বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই ঠিকাদার নিজে বাঁচতে তার পায়ে পড়েছিলেন। পরবর্তীতে শ্রমিক রানা নিখোঁজের বিষয়ে ফোন দিলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

  • র‌্যাবের হাতে ফেন্সিডিলসহ আটক এক

    র‌্যাবের হাতে ফেন্সিডিলসহ আটক এক

    র‌্যাবের হাতে ফেন্সিডিলসহ আটক এক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউপির রানীনগর শাহাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব ৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। আটককৃত ব্যক্তি হচ্ছে, জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের মৃত এন্তাজ আলীর ছেলে মোঃ মোবারক হোসেন রসদুল (৩২)। র‌্যাব এক প্রেসনোটে জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল ৩ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউপির রানীনগর গ্রামস্থ শাহাপাড়া হতে মনাকষা গামী পাকা রাস্তার উপর থেকে ৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারী মোঃ মোবারক হোসেন রসদুল কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

  • নিয়ামতপুরে সাথী পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের শুভ উদ্বোধন

    নিয়ামতপুরে সাথী পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের শুভ উদ্বোধন

    নিয়ামতপুরে সাথী পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের শুভ উদ্বোধন

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে সাথী পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের গাবতলী-ছাতড়া আঞ্চলিক সড়কের পার্শ্বে আমইল এলাকায় এ পার্কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়। সাথী পার্কের স্বত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব শামসুল হক মন্ডলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। শিশুসহ সকল শ্রেণির মানুষের বিনোদনের জন্য প্রায় ২৫ বিঘা জমির উপর পার্কটি শিশুসহ সকলের জন্য সারাদিন উন্মুক্ত থাকবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংক নওগাঁর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ইনচার্জ (ডিজিএম) কাজী মেহেদী হাসান, সোনালী ব্যাংক নিয়ামতপুর শাখা ম্যানেজার তুহিন রেজা, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউল্লাহ সোনার, রসুলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন টিটু, সাথী সহ শত শত সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পার্কটিতে, শিংহ, হাতি, হরিণ, ঘোড়া, ডাইনোসর, ডলফিন, দোয়লেসহ বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি তৈরীর কাজ চলছে। আরো কাজ চলছে পানির ফোয়ারা, স্লাইডার, বাচ্চাদের দোলনাসহ দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন বিনোদন উপকরণ। প্রধান অতিথি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিশুদের বিনোদনের জন্য ব্যক্তি উদ্যোগে এই পার্কটি নির্মাণ করা হয়েছে। শিশুদের নির্মল আনন্দ দানের জন্যই এমন উদ্যোগ। এতে করে উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার শিশুসহ সর্ব স্তরের জনগণ মাঝে বিনোদনের নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে কলা চাষে সাফল্যের সুবাস! সোনালি সম্ভাবনায় কৃষক পরিবারে হাসি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে কলা চাষে সাফল্যের সুবাস! সোনালি সম্ভাবনায় কৃষক পরিবারে হাসি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে কলা চাষে সাফল্যের সুবাস! সোনালি সম্ভাবনায় কৃষক পরিবারে হাসি

    গোমস্তাপুরসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাটিতে যেন এক বিশেষ মায়া জড়িয়ে আছে। এই মাটিতেই আমের রাজ্য গড়ে উঠেছে, আর এখন ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে আরেক সোনালি সম্ভাবনা, কলা চাষ। জেলার নানা প্রান্তে সবুজ পাতার ছায়ায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য কলা গাছ। আর সেই গাছের নিচে ঘামের ফোঁটা ফোঁটা ঝরিয়ে কৃষকরা গড়ে তুলছেন পরিবারের হাসি। সবুজে ভরা আশা-নাচোল, গোমস্তাপুর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলায় এখন ব্যাপকভাবে কলা চাষ হচ্ছে। বিশেষ করে শবরপুর, রহনপুর ও নাচোল আড্ডা অঞ্চলে কৃষকরা প্রচলিত ধান বা পাটের জায়গায় কলাকে বেছে নিচ্ছেন। মাটির প্রকৃতি, আবহাওয়া আর সহজ ব্যবস্থাপনার কারণে এই অঞ্চলে কলা চাষ বেশ ফলপ্রসূ। এক একর জমিতে বছরে দুইবার পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়— যা কৃষকের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে।

    অর্থনৈতিক সাফল্যের গল্প-চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক তরুণ কৃষক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “আগে ধান চাষে লাভ কম ছিল, এখন কলা চাষে আয় দ্বিগুণ। খরচ কম, পরিশ্রম তুলনামূলক সহজ, আর বাজারে চাহিদা বেশি।” বর্তমানে স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে এই কলা যাচ্ছে রাজশাহী, নাটোর, এমনকি ঢাকার পাইকারি বাজারেও। এক একর জমিতে গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ কলা গাছ লাগানো হয়, আর প্রতি গাছেই ফলন হয় গড়ে ২৫-৩০ কেজি পর্যন্ত। প্রতি একরে খরচ হয় প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা, কিন্তু আয় আসে ৮০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত — অর্থাৎ, কলা এখন শুধু ফসল নয়, কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের হাতিয়ার। বসন্তের হাওয়ায় দুলে ওঠা কলাগাছের পাতা, বর্ষায় নরম বৃষ্টির ধারা, সব মিলিয়ে এই ফসল যেন এক জীবন্ত চিত্রকর্ম। যখন কলার থোড় বের হয়, কৃষকের চোখে দেখা যায় এক অদ্ভুত উজ্জ্বলতা। সেই থোড় যখন ফুলে ফুলে সোনালি রঙ নেয়, তখন গোটা ক্ষেত যেন নতুন জীবনের জন্মের সাক্ষী হয়। সব সাফল্যের মাঝেও আছে সংগ্রাম। মাঝে মাঝে ঝড়-বৃষ্টি, পোকামাকড়ের আক্রমণ,

    আর বাজারের অস্থিরতা কৃষকদের উদ্বিগ্ন করে তোলে। তবুও তারা হাল ছাড়েন না। প্রতিটি গাছের যত্ন, পানি দেওয়া, পাতা ছাঁটা, এই সব কাজেই লেগে থাকে তাদের মমতার হাত। কারণ, তাদের কাছে কলা শুধু ফসল নয়— মাটির সঙ্গে সম্পর্কের এক ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জে কলা চাষ আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। যদি সঠিক বিপণন ব্যবস্থা, সংরক্ষণ ও পরিবহনের সুযোগ বাড়ানো যায়, তবে এই কলা হতে পারে জেলার অন্যতম রপ্তানি সম্ভাবনাময় পণ্য। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কলাক্ষেত শুধু অর্থনৈতিক সাফল্যের প্রতীক নয়, এটি এক পরিশ্রমী মানুষের গল্প, যে গল্পে ঘামের গন্ধ আছে, মাটির টান আছে, আর আছে জীবনের প্রতি গভীর ভালোবাসা। কলা গাছের পাতায় যখন সকালের রোদ ঝলমল করে ওঠে, তখন মনে হয়, এই মাটিই প্রকৃতির আশীর্বাদ, আর এই কৃষকরাই তার রক্ষক।

  • মাহমুদুল হাসান কে ডিএসসিসি’তে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ

    মাহমুদুল হাসান কে ডিএসসিসি’তে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ

    মাহমুদুল হাসান কে ডিএসসিসি’তে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ

    দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান। সোমবার (৩ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিটি কর্পোরেশন-১ শাখার যুগ্ম সচিব মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নবনিযুক্ত প্রশাসক স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর ধারা ২৫ ক এর উপধারা (৩) অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি মোতাবেক ভাতা প্রাপ্য হবেন। এর আগে, গত ২৯ অক্টোবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়াকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সরিয়ে দেয়। তাকে কেন সরানো হয়েছিল সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এর দায়িত্ব পালন করেছেন।

  • নওগাঁয় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    নওগাঁয় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    নওগাঁয় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    অসময়ে দুই দিনের বৃষ্টি আর ঝড়ে চলতি আমন মওসুমের উঠতি প্রায় ধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। কৃষকদের স্বপ্ন ভেঙ্গে যাওয়ায় কান্না জেলা জুড়ে। হাজার হাজার কৃষক তাদের উৎপাদন খরচও ঘরে তুলতে পারবেন না বলে মনে করছেন কৃষকরা। নওগাঁ জেলায় চলতি আমন মওসুমে ১ লাখ ৯৬ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ করেছেন কৃষকরা। ধানের আবাদ হয়েছিল খুব ভালে। থোকা থোকা ধান গাছে গুচ্ছ গুচ্ছ ভরাট শীষ ক্রমেই সোনালী হয়ে উঠছিল। আর মাত্র ১০/১৫ দিনের মধ্যেই পাকা ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আশায় বুক বেঁধেছিলেন। কিন্তু মাত্র দু’দিনের বৃষ্টি আর ঝড়ে কৃষকের সে স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। মাঠে ফলন্ত ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। জমিতে জমেছে বৃষ্টির পানি। লুটিয়ে পড়া ধান সেই পানিতে ডুবে গেছে।

    অপরদিকে যে সামান্য ধান পেকে গেছে পানিতে ডুবে থাকার ফলে সেই ধান থেকে গাছ গজিয়ে গেছে। কৃষকরা বলেছেন স্বাভাবিকভাবে যদি ধান উৎপাদিত হতো তাহলে বিঘা প্রতি ১৬ থেকে ২০ মন হারে ধান উৎপাদিত হতো। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে প্রতি বিঘা জমি থেকে ৫/৬ মন হারে ধান উৎপাদিত হওয়া কঠিন। মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। এদিকে, আমন ধানের ক্ষতি কাটিয়ে পরবর্তী ফসল হিসেবে সরিষা, আলুসহ বিভিন্ন রবি ফসল চাষ করবেন তারও সুযোগ কম। কারন জমিতে যে পানি জমেছে সে পানি নেমে যেতে সে সময় পেরিয়ে যাবে। দিব্য দৃষ্টিতে মাঠে মাঠে প্রায় ২৫ শতাংশ জমির ফসল বিনষ্ট হলেও কৃষি বিভাগ বলেছে জেলায় সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতির শিকার হয়েছে। জমিতে লুটিয়ে পড়া ধান দাঁড় করিয়ে আঁটি বেঁধে রাখার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে আগাম জাতের রবি ফসল চাষ করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতি কাটিয়ে তুলতে সরকারের সহায়তা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

  • খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি ॥ ‘লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে’ কর্মীর মৃত্যু

    খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি ॥ ‘লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে’ কর্মীর মৃত্যু

    খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি ॥ ‘লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে’ কর্মীর মৃত্যু

    খুলনা নগরে বিএনপির কার্যালয়ে স্থানীয় এক নেতাকে লক্ষ্য করে ছোড়া গুলি ‘লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে’ বিএনপির এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এতে এক বিএনপি নেতাসহ আহত হয়েছেন আরও দুজন। রোববার রাত ৯টার দিকে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-কুয়েটের আইটি গেট সংলগ্ন বিএনপির স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত এমদাদুল হক (৫৫), আড়ংঘাটা থানার তেলিগাতী গ্রামের বাসিন্দা এবং বছিতলা নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। আহতরা হলেন- নগরীর খানজাহান আলী থানার যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন শেখ (৪৫) ও বেল্লাল হোসেন (৩০)। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর শওকত হোসেন হিট্টু বলেন, “গুলিতে আহত মামুন শেখের শারীরিক অবস্থা গুরুতর। তিনি ও আহত আরেকজনের চিকিৎসা চলছে। “নিহত ও আহত ব্যক্তিরা আমাদের দলীয় নেতাকর্মী।” স্থানীয়দের বরাতে খানজাহান আলী থানার ওসি মো. তুহিনুজ্জামান জানিয়েছেন, রোববার রাতে বিএনপি নেতা মামুন শেখ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ওই কার্যালয়ে বসে ছিলেন। এসময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি বোমা ও চারটি গুলি চালায়। প্রথম গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশে থাকা এমদাদুল হকের শরীরে বিদ্ধ হয় এবং ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এরপর সন্ত্রাসীরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার সময় আরও গুলি চালালে মামুন ও বেল্লাল গুলিবিদ্ধ হন। তখন দলীয় নেতাকর্মী ও স্বজনরা গুরুতর আহত দুজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা। আড়ংঘাটা থানার ওসি খায়রুল বাসার বলেন, মামুন শেখ প্রায়ই দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আড্ডা দেন। রোববার রাতেও তিনি বিএনপির স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন। রাত ৯টার দিকে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায় এবং এ সময় গুলিতে একজন নিহত হন। খানজাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান বলেন, “যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন শেখকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে। গুলিতে মামুনসহ তিন জন আহত হন। লবণচরা থানার ওসি হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, রোববার রাত ৯টার দিকে লবণচরার মুক্তার হোসেন সড়কে অটোরাইস মিলের ফোরম্যান ইমরানের বাড়ি লক্ষ্য করে এ গুলি চালানো হয়। ইমরানকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়া হলে তা জানালা ভেদ করে ঘরের ভেতরে ঢুকে যায়।