Blog

  • এক নামে ১০টির বেশি সিম থাকলে বন্ধ

    এক নামে ১০টির বেশি সিম থাকলে বন্ধ

    এক নামে ১০টির বেশি সিম থাকলে বন্ধ

    এক ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি সিম থাকলে সেগুলো শনিবার (০১ নভেম্বর) থেকে বন্ধ করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবে বিটিআরসি। গত ছয় মাস আগে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে অতিরিক্ত সিম ‘ডি-রেজিস্টার’ করতে বলেছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি। অতিরিক্ত সিম বন্ধ করতে গিয়ে গ্রাহক ভোগান্তির আশঙ্কাও করা হচ্ছে। বিটিআরসির চেয়ারম্যান এমদাদুল বারী বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “অতিরিক্ত সিম বন্ধ করতে ১ নভেম্বর থেকে ফোর্স করবে বিটিআরসি। এই কাজটা ধাপে ধাপে করা হবে। যাদের অতিরিক্ত সিম আছে তাদের তালিকা করে কোন অপারেটরের কয়টা সিম আছে তা আগে নির্ধারণ করা হবে। তারপর অপারেটরগুলোকে অতিরিক্ত সিম বন্ধ করতে বলা হবে। এই ক্ষেত্রে অপারেটরগুলো সবচেয়ে কম ব্যবহৃত সিমটি বন্ধ করে দিবে। তবে এই প্রক্রিয়ায় কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত প্রধান সিমটি বন্ধ হওয়ার শঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিটিআরসি চেয়ারম্যান। তিনি বলছেন, “আগে অতিরিক্ত সিম দিয়ে ভেহিক্যাল ট্রাকারসহ বিভিন্ন ধরনের আইওটি ডিভাইস চালানো হতো। তবে এখন আই ও টি সিম গুলো একেবারেই আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে অতিরিক্ত সিম রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। ধাপে ধাপে একক ব্যক্তির নামে সিমের সংখ্যা আরো কমিয়ে আনা হবে বলেও বিটিআরসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলারক্ষা বাহিনী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে চাপ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন। তিনি। এর আগে গত মে মাসে কমিশন সভায় ব্যক্তির নামে সর্বোচ্চ সিমের সংখ্যা ১৫ থেকে ১০টিতে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত দেয় বিটিআরসি। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলে ১০টির অতিরিক্ত সিম আছে, এমন ২৬ লাখ গ্রাহকের ৬৭ লাখ সিম বন্ধ করে দেওয়া হবে। একক নামে কতো সিম আছে, সেটা জানা যাবে *১৬০০১# ডায়াল করে। ১০টির অতিরিক্ত সিম গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে ‘ডি-রেজিস্টার’ করতে পারবেন। ২০১৭ সালে একজন গ্রাহকের নামে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করা যাবে বলে নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি। এর আট বছর পর চলতি বছরের ১৯ মে কমিশন সভায় ১৯ মে সিমের সংখ্যা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। সিম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কমিশন এ-সংক্রান্ত পর্যালোচনা করেছে। তাদের পর্যালোচনা বলছে, এতগুলো সিম একজন গ্রাহক ব্যবহার করেন না। পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা, অপারেটরদের অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক অনুশীলন চর্চা বিবেচনায় একজনের নামের বিপরীতে সিম সর্বোচ্চ ১০টি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিশনের মে মাসের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার। আর বিক্রি হওয়া সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। এসব গ্রাহকের মধ্যে পাঁচটি বা তার কম সিম রয়েছে ৮০ দশমিক ৩২ শতাংশ গ্রাহকের। পাঁচ থেকে ১০টি পর্যন্ত সিম রয়েছে ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ গ্রাহকের। ১১ থেকে ১৫টি পর্যন্ত সিম রয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ গ্রাহকের। অপারেটরগুলোর ১৫টি সিমধারী গ্রাহকের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য পর্যালোচনা করে কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, “দেশে প্রতিমাসে ৫০ লাখ সিম বিক্রি হয়। গ্রাহকের সিম নিবন্ধনের তথ্য পর্যালোচনা করে আরও দেখা গেছে, একজন গ্রাহক একদিনে দুই বা ততোধিক সিম নিবন্ধন করছেন, যা অস্বাভাবিক। কিছু অসাধু রিটেইলার (খুচরা ব্যবসায়ী) গ্রাহকের বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ) সংরক্ষণ করে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করে থাকেন, যা ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

  • দেশব্যাপী জাটকা ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা

    দেশব্যাপী জাটকা ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা

    দেশব্যাপী জাটকা ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা

    ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে শনিবার (১ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে দেশব্যাপী জাটকা ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা। আগামী বছর ৩০ জুন পর্যন্ত এই ৮ মাস মেয়াদি নিষেধাজ্ঞা চলবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট ইলিশ (জাটকা) আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। গত ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর (১৯ আশ্বিন থেকে ৯ কার্তিক) পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে প্রজননক্ষম ইলিশ রক্ষায় ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৫’ বাস্তবায়ন করা হয়। ওই সময়ে ডিমওয়ালা ইলিশ থেকে নিঃসৃত ডিমের পরিস্ফুটনের মাধ্যমে উৎপাদিত পোনা বর্তমানে উপকূলীয় নদ-নদী ও মোহনাসমূহে বিচরণ করছে। এসব পোনা নিরাপদে বেড়ে উঠলেই ভবিষ্যতে দেশের ইলিশ উৎপাদন আরও বাড়বে। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে অনধিক ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, র‌্যাব ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সহযোগিতায় কঠোরভাবে এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে।

  • র‌্যাবের হাতে ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ ২ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    র‌্যাবের হাতে ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ ২ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    র‌্যাবের হাতে ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ ২ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার উপরাজারামপুর গ্রাম থেকে ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ ২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার দক্ষিণ সাকোপাড়ার মোঃ নুজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ জুয়েল রানা (৩৪) এবং একই উপজেলার দেওপাড়ার মোজাম্মেল হক এর ছেলে মোঃ জসিম উদ্দিন (৪০)। র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, র‌্যাবের চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল ৩০ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার পৌরসভাধীন উপরাজারামপুর গ্রাম হতে ২০০ গ্রাম হেরোইন সহ মাদক কারবারী মোঃ জুয়েল রানা ও মোঃ জসিম উদ্দিন কে গ্রেফতার করে। র‌্যাব আরও জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক টহল দল ঘটনাস্থল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন উপরাজারামপুর গ্রামস্থ জনৈক জেসমিন আক্তার এর বসতবাড়ীর ভিতর তল্লাশী করে ধৃত আসামী জুয়েল এর ভাড়া ফ্লাটের দক্ষিণ পাশের রুমের বেলকনির গ্রীলের বাহিরের সানসেটের উপর হতে ধৃত আসামীদ্বয়ের নিজ হাতে বের করে দেয় ২০০ গ্রাম হেরোইন। এসময় মোঃ জুয়েল রানা (৩৪) ও মোঃ জসিম উদ্দিন (৪০)কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত মাদক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • অসময়ের বৃষ্টিতে জয়পুরহাটে ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    অসময়ের বৃষ্টিতে জয়পুরহাটে ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    অসময়ের বৃষ্টিতে জয়পুরহাটে ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় অসময়ের টানা বৃষ্টিতে রোপা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাঠে পানি জমে অনেক জায়গায় ধান গাছ লুটিয়ে পড়েছে, শীষে চিটা ধরার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, এবং কোথাও কোথাও গাছ পচে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে জেলার কৃষকেরা গভীর হতাশাগ্রস্থ। সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা যে সময় ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, সেসময় এখন বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। নিচু জমির অধিকাংশ রোপা আমন খেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ধান নষ্ট হচ্ছে। অনেক মাঠে ধান গাছ একেবারে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, যা কাটা ও শুকানো প্রায় অসম্ভব। কৃষি অফিস সূত্রে জানায়, চলতি মৌসুমে ক্ষেতলাল উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে। মাঠেই বিনা-১৭, ব্রি ধান-৭৫, ব্রি ধান-৯০, স্বর্ণা-৫ এবং নতুন জাত ব্রি ধান-১০৩ রোপণ করা হয়েছিল। নতুন জাতের ধানে তুলনামূলক ভালো ফলনের আশা করা হলেও হঠাৎ বৃষ্টি সেই আশায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। স্থানীয় এক কৃষক বলেন, গত সপ্তাহের বৃষ্টিতে আমার তিন বিঘা জমির ধান একেবারে লুটিয়ে পড়েছে। এখন কাটা সম্ভব হচ্ছে না, ধান কালো হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি আর এমন চললে পুরো ফসল শেষ হয়ে যাবে। এদিকে কৃষকেরা জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে সার, বীজ ও শ্রমের উচ্চমূল্যের কারণে আগেই ব্যয় অনেক বেড়েছে। এখন বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হলে এই লোকসান সামাল দেওয়া তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। কৃষকেরা এখন এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মুখে, একদিকে রোপা আমনের ব্যাপক ক্ষতি, অন্যদিকে জমিতে জমে থাকা পানি শুকাতে সময় লাগছে। আবহাওয়া অনুকূলে না এলে উপজেলার সামগ্রিক ধান উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • নিয়ামতপুরে ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

    নিয়ামতপুরে ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

    নিয়ামতপুরে ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

    ‘সাম্য ও সমতায়, দেশ গড়বে সমবায়’ এই প্রতিপাদ্যে সারাদেশের ন্যায় নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা হয়েছে। শনিবার (০১ নভেম্বর) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও সমবায় অফিসের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমবায় অফিসার রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজাউল করিম। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) হাবিবুর রহমান, উপজেলা কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান বাবু, নিয়ামতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনি আহমেদ, ছাতড়া সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির পরিচালক আব্দুল আলিম ও বালাহৈর কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রতিনিধি কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ছাতড়া সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি পরিচালক আব্দুল আলিম ও বালাহৈর কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ছয়টি ক্যাটাগরিতে ছয় জনকে সম্মাননা স্মারক ও সাটিফিকেট প্রদান করা হয়।

  • যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর উপ-পরিচালকের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন

    যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর উপ-পরিচালকের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন

    যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর উপ-পরিচালকের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন

    হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রবীন্দ্র চন্দ্র দাস গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞা। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে গ্রন্থাগার পরিদর্শনে আসলে তাঁকে গ্রন্থাগারে স্বাগত জানান গ্রন্থাগারের পাঠক ফোরামের সভাপতি দেবাশীষ দাশ রতন ও সাধারণ সম্পাদক কনিক দাশ শুভ। এসময় উপ-পরিচালক একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞার সাথে ছিলেন-নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। এসময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক গ্রন্থাগারের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন ও সার্বিক কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

  • পত্নীতলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ

    পত্নীতলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ

    পত্নীতলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ

    নওগাঁর পত্নীতলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রবি মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় গম, সরিষা, চিনাবাদাম, সূর্যমুখী, শীতকালীন পেঁয়াজ, মুগ ও মসুর উৎপাদনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে এ বিতরণের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আলীমুজ্জামান মিলন। উপজেলা কৃষি অফিসার সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মোহাইমিনুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ পারভেজ মোশারফ, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান প্রমুখ। এসময় গম চাষের জন্য ২ কেজি গম বীজ, সরিষার জন্য ১ কেজি, সূর্যমুখীর জন্য ১ কেজি এবং পেঁয়াজের জন্য প্রত্যেকে ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পেয়েছেন। এই কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় মোট ৫ হাজার ৫০০ কৃষক বীজ ও সার পাবেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফতেপুর সীমান্ত হতে ৪৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি সদস্যরা। বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৩ বিজিবি’র ফতেপুর বিওপির একটি বিশেষ টহলদল মদগুলো জব্দ করেন। ৫৩ বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফতেপুর বিওপির একটি বিশেষ টহলদল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের ক্যাম্পপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। জায়গাটি সীমান্ত হতে ৪০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে। অভিযানে ৪৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মদ শিবগঞ্জ থানায় জমা করা হয়েছে। এক প্রেসনোটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নসহ সকল প্রকার চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • পত্নীতলায় ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    পত্নীতলায় ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    পত্নীতলায় ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    নওগাঁর পত্নীতলায় উপজেলা প্রশাসন ও সমবায় কার্যালয়ের আয়োজনে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ সামছুল হক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুয়েল মিয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ জাহিরুল হক, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রল্লাদ কুমার কুন্ডু, সমাজসেবা কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন, জাতীয় মহিলা সংস্থার সমন্বয়কারী আমিনুল ইসলাম, তথ্য আপা তিথি রাণী, অবসরপ্রাপ্ত সমবায় অফিসার আব্দুর রশিদ, পত্নীতলা প্রেসক্লাব (১৯৮৩) এর সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম ও সমবায়ীবৃন্দ।

  • ডাইংপাড়া বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সভা

    ডাইংপাড়া বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সভা

    ডাইংপাড়া বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সভা

    ডাইংপাড়া ব্যবসায়ী বণিক সমবায় সমিতি লি. এর বার্ষিক সাধারণ সভা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলা অডিটরিয়ামে আসাদুজ্জামান মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফয়সাল আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা সমবায় অফিসার জিগার হাসরত। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ভারপ্রাপ্ত মোয়াজ্জেম হোসেন, বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, গোদাগাড়ী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান প্রমুখ। বার্ষিক সাধারণ সভায় বেশ কিছু বিষয় সিদ্ধান্তগৃহীত হয়, তার মধ্যে-কোন ব্যক্তি নতুন ব্যবসা শুরু করলে সমিতিকে অবহিত করতে হবে, দোকানঘর ভাড়ার মেয়াদ শেষে নতুন করে নবায়ন করতে ১৫% এর বেশি ভাড়া বৃদ্ধি করা যাবে না, ঘরের মেয়াদ শেষে নতুন করে নবায়ন করার সময় পূর্বের জামানত বহাল থাকবে, নতুন করে জামানত গ্রহণ বা প্রদান করা যাবে না, দোকানঘর নেয়ার সময় চুক্তিপত্রে সমিতির সভাপতি/ সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকতে হবে এবং প্রতিটি চুক্তিপত্র একই রকম হতে হবে, কারও মনগড়া চুক্তিপত্র লিখলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না, কোন ব্যবসায়ী মৃত্যুবরণ করলে সকল দোকানঘর বন্ধ রেখে জানাযায় অংশগ্রহণ করতে হবে, সমিতির মাসিক চাঁদা নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে, অনাদায়ী সদস্যদের ৩টি নোটিশ প্রদান করা হবে। নোটিশের পরেও যদি চাঁদা নিয়মিত না দেন তাহলে তার সদস্যপদ রহিত হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, গোদাগাড়ীর ব্যবসায়ীদের মানসম্মত প্রডাক্ট রাখতে হবে, বিক্রয় অবশ্যই সাশ্রয়ীমূল্যে করতে হবে, যেন রাজশাহী কিংবা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ক্রেতারা এসে বাজার করে নিয়ে যায়। কোন ক্রেতা যেন প্রতারিত না হয়। কারও কোন সমস্যা হলে প্রশাসনকে জানালে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ^াস দেন তিনি।