Blog

  • নওগাঁ চেম্বারের ভোটে ১৯ পদে ৪০ প্রার্থী ॥ ব্যবসায়ী উন্নয়ন ও কল্যাণ পরিষদের মনোনয়ন দাখিল

    নওগাঁ চেম্বারের ভোটে ১৯ পদে ৪০ প্রার্থী ॥ ব্যবসায়ী উন্নয়ন ও কল্যাণ পরিষদের মনোনয়ন দাখিল

    নওগাঁ চেম্বারের ভোটে ১৯ পদে ৪০ প্রার্থী ॥ ব্যবসায়ী উন্নয়ন ও কল্যাণ পরিষদের মনোনয়ন দাখিল

    নওগাঁর ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির প্রতিনিধি নির্বাচনে ১৯ টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪০ জন। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে দুপুরে ‘নওগাঁ ব্যবসায়ী উন্নয়ন ও কল্যাণ পরিষদ’ এর প্রার্থীরা তাদের মনোনয়পত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া এদিন সিনিয়র সহ সভাপতি পদে আর্কিটেক তৌফিকুল আলম সুজিত তাঁর মনোনয়পত্র জমাদেন। এর আগে সোমবার ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ’ এর প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
    ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সভাপতি পদে ২ জন সিনিয়র সহসভাপতি পদে ৩ জন এবং সহসভাপতি ৩ জন প্রার্থী হয়েছেন। পরিচালকের ১৬ টি পদের বিপরীতে ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ মাসুদুল হক বলেন, ১১ নভেম্বর মনোনয়নপ্রত্রগুলো যাচাই ও বাছাই করা করা হবে। ২১ নভেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। ৬ সিসেম্বর ভোট গ্রহন। তিনি জানিয়েছেন, ভোটারগণ সরাসরি ব্যালটে ভোট প্রদানের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। মোট ভোটার ১ হাজার ২৯৯ জন। মনোনয়নপত্র ব্যবসায়ী উন্নয়ন ও কল্যাণ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব তৌফিকুল আসলাম বাবু বলেন, নওগাঁ চেম্বর অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি জেলার সকল ব্যবসায়ীদের সংগঠন। আগামী দিনে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, ঝিমিয়ে পরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে দাঁড়াতে এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উদ্যোগ গ্রহন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
    চেম্বারের সিনিয়র সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আতাউর রহমান খোকা বলেন, অপার সম্বভাবনা থাকার পরও নওগাঁর ব্যবসায়ীরা নানা দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছেন। গ্যাস ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধার অভাবে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে না। চালকসহ ক্ষুদ্র ও মাঝাড়ি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। অনেক উৎপাদনকারী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। এসব চালুসহ করতে চেম্বার আগামী দিনে উদ্যোগ গ্রহন করবে।
    এছাড়া সকল ট্রেড সংগঠন এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে জেলার হারানো ব্যবসায়ী ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে আগামীর প্রতিনিধিগণ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • রহনপুর-রাজশাহী কমিউটার ট্রেনে বগির সিরিয়াল এলোমেলো ॥ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে!

    রহনপুর-রাজশাহী কমিউটার ট্রেনে বগির সিরিয়াল এলোমেলো ॥ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে!

    রহনপুর-রাজশাহী কমিউটার ট্রেনে বগির সিরিয়াল এলোমেলো ॥ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে!

    রহনপুর-রাজশাহী ও রাজশাহী-রহনপুর রুটে চলাচলকারী কমিউটার ট্রেনে বগির সিরিয়াল নম্বর এলোমেলোভাবে লাগানো থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ নেই। প্রতিদিন সকালে কিংবা বিকেলে ট্রেন ধরতে গিয়ে যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট টিকিটে নির্ধারিত বগি খুঁজে পেতে গিয়ে যাত্রীদের দৌড়ঝাঁপ লেগেই থাকে। অনেকেই ভুল বগিতে উঠে আবার নামতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে সময় নষ্ট হচ্ছে, বিশেষ করে বয়স্ক ও নারী যাত্রীদের জন্য এই অব্যবস্থাপনা হয়ে দাঁড়িয়েছে চরম দুর্ভোগে। রহনপুর স্টেশন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বগির গায়ে থাকা সিরিয়াল নম্বর অনেক ক্ষেত্রেই উল্টোপাল্টা বা মুছে গেছে। কোথাও বা নম্বর থাকলেও তা সঠিক ক্রমে নয়। এতে ট্রেন থামার পর যাত্রীরা কোন বগিতে উঠবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না। এক যাত্রী মনিরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিদিনই এই ঝামেলায় পড়ি। টিকিটে লেখা থাকে ৩ নম্বর বগি, কিন্তু ট্রেনে দেখা যায় সেটি একেবারে উল্টো পাশে। ছোট বাচ্চা আর মালপত্র নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে ভোগান্তির শেষ নেই। রহনপুর রেলস্টেশনের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ট্রেনের বগি বিন্যাসে কিছুদিন ধরে গড়মিল দেখা দিচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের পর বগি পরিবর্তনের সময় সিরিয়াল মেলানো হয় না, ফলে এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
    নিয়মিত ট্রেন যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, বগির নম্বর সঠিকভাবে সাজিয়ে দেয়া হলে এই ছোট্ট সমস্যা থেকেই মুক্তি বয়ে আনবে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত বগি নম্বর সঠিকভাবে বিন্যস্ত করে, তবে যাত্রীদের এ দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে। নয়তো রহনপুর-রাজশাহী কমিউটার ট্রেনের এই “সিরিয়াল জট” আরও যাত্রী ভোগান্তি বাড়াবে।

  • রহনপুর-রাজশাহী কমিউটার ট্রেনে বগির সিরিয়াল এলোমেলো ॥ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে!

    রহনপুর-রাজশাহী কমিউটার ট্রেনে বগির সিরিয়াল এলোমেলো ॥ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে!

    রহনপুর-রাজশাহী কমিউটার ট্রেনে বগির সিরিয়াল এলোমেলো ॥ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে!

    রহনপুর-রাজশাহী ও রাজশাহী-রহনপুর রুটে চলাচলকারী কমিউটার ট্রেনে বগির সিরিয়াল নম্বর এলোমেলোভাবে লাগানো থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ নেই। প্রতিদিন সকালে কিংবা বিকেলে ট্রেন ধরতে গিয়ে যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট টিকিটে নির্ধারিত বগি খুঁজে পেতে গিয়ে যাত্রীদের দৌড়ঝাঁপ লেগেই থাকে। অনেকেই ভুল বগিতে উঠে আবার নামতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে সময় নষ্ট হচ্ছে, বিশেষ করে বয়স্ক ও নারী যাত্রীদের জন্য এই অব্যবস্থাপনা হয়ে দাঁড়িয়েছে চরম দুর্ভোগে। রহনপুর স্টেশন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বগির গায়ে থাকা সিরিয়াল নম্বর অনেক ক্ষেত্রেই উল্টোপাল্টা বা মুছে গেছে। কোথাও বা নম্বর থাকলেও তা সঠিক ক্রমে নয়। এতে ট্রেন থামার পর যাত্রীরা কোন বগিতে উঠবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না। এক যাত্রী মনিরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিদিনই এই ঝামেলায় পড়ি। টিকিটে লেখা থাকে ৩ নম্বর বগি, কিন্তু ট্রেনে দেখা যায় সেটি একেবারে উল্টো পাশে। ছোট বাচ্চা আর মালপত্র নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে ভোগান্তির শেষ নেই। রহনপুর রেলস্টেশনের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ট্রেনের বগি বিন্যাসে কিছুদিন ধরে গড়মিল দেখা দিচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের পর বগি পরিবর্তনের সময় সিরিয়াল মেলানো হয় না, ফলে এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
    নিয়মিত ট্রেন যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, বগির নম্বর সঠিকভাবে সাজিয়ে দেয়া হলে এই ছোট্ট সমস্যা থেকেই মুক্তি বয়ে আনবে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত বগি নম্বর সঠিকভাবে বিন্যস্ত করে, তবে যাত্রীদের এ দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে। নয়তো রহনপুর-রাজশাহী কমিউটার ট্রেনের এই “সিরিয়াল জট” আরও যাত্রী ভোগান্তি বাড়াবে।

  • মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে ‘বাবা’ বানিয়ে ৩৫তম বিসিএস ক্যাডার কামাল হোসেন

    মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে ‘বাবা’ বানিয়ে ৩৫তম বিসিএস ক্যাডার কামাল হোসেন

    নাচোলের ইউএনও’র ডিএনএ টেস্টে দুদক!

    মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে ‘বাবা’ বানিয়ে ৩৫তম বিসিএস ক্যাডার কামাল হোসেন

    মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে ‘বাবা’ বানিয়ে ৩৫তম বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন কামাল হোসেন। ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা সদন বা সনদ জাল করে নিয়োগ হওয়া এই বিসিএস ক্যাডার বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতোপূর্বে তিনি মাগুরা জেলায় সাবেক সিনিয়র সহকারি কমিশনার ও পরে নওগাঁ জেলার আত্রাইয়ে ইউএনও হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন, মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে ইউএনও কামাল হোসেনসহ তার পিতা-মাতা ও চাচা চাচীর ডিএন এ টেস্ট করা হবে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, নাচোলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন তার সনদ পত্রে বাবা আবুল কাশেম ও মা হাবীবা খাতুন এর পরিবর্তে আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান হাবীব ও চাচী সানোয়ারা খাতুনকে পিতা মাতা বানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ ৩৫তম বিসিএস ক্যাডার (প্রশাসনে) যোগ দেন। ইতোপূর্বে তিনি মাগুরা জেলায় সাবেক সিনিয়র সহকারি কমিশনার ও পরে নওগাঁ জেলার আত্রাইয়ে ইউএনও হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এবিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক জানিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে ‘বাবা’ বানিয়ে ৩৫তম বিসিএস ক্যাডার হওয়া কামাল হোসেন এর তার সনদ পত্রে বাবা আবুল কাশেম ও মা হাবীবা খাতুন এর পরিবর্তে আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান হাবীব ও চাচী সানোয়ারা খাতুনকে পিতা মাতা বানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ ৩৫তম বিসিএস ক্যাডার (প্রশাসনে) যোগ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে ইউএনও কামাল হোসেনসহ তার পিতা-মাতা ও চাচা চাচীর ডিএন এ টেস্ট করা হবে। তারপরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মো. কামাল হোসেনের গ্রামের বাড়ি কুস্টিয়া জেলার দৌলতপুরে। উল্লেখ্য, প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ৩৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পান মো. কামাল হোসেন। মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা পরিচয়ে প্রতারণা-জালিয়াতি করে কোটা সুবিধা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও চাকরি নেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়। সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু বাদী হয়ে মামলাটি করেন। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এই তথ্য জানিয়েছেন। দুদক জানায়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৩৫ ব্যাচের কর্মকর্তা কামাল হোসেন বর্তমানে সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। তিনি নওগাঁর আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কর্মরত ছিলেন। এজাহারে বলা হয়, আসামি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে জন্মদাতা পিতা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুনের পরিবর্তে আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে পিতা-মাতা সাজিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে চরম প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি নেন। প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির অভিযোগে আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে আরও বলা হয়, মো. কামাল হোসেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নকালীন পিতার নাম হিসেবে তার প্রকৃত জন্মদাতা পিতা মো. আবুল কাশেমের নাম ব্যবহার করেন। পরবর্তী সময় একই স্কুলে নবম শ্রেণিতে তিনি তার আপন চাচা মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে পিতা-মাতা সাজিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন। দুদক জানায়, এসএসসি, এইচএসসিসহ বিভিন্ন উচ্চতর ডিগ্রি পরীক্ষায় চাচা-চাচির নামই পিতা-মাতার নাম হিসেবে ব্যবহার করেন। এছাড়া প্রতারণার মাধ্যমে মো. কামাল হোসেন তার জন্মসনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রকৃত পিতা-মাতার পরিবর্তে চাচা-চাচির নামই ব্যবহার করেন। মামলা তদন্তের প্রয়োজনে মো. কামাল হোসেনের ডিএনএ টেস্টেরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে এজাহারে বলা হয়েছে। এজাহারে আরও বলা হয়, মো. কামাল হোসেনের জন্মসনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে পিতা-মাতার নামের স্থলে চাচা-চাচির নামই উল্লেখ রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে তিনি আপন চাচা-চাচিকে পিতা-মাতা সাজিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে চরম প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি গ্রহণ করেছেন।

  • শিবগঞ্জে তিন দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন

    শিবগঞ্জে তিন দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন

    শিবগঞ্জে তিন দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন

    তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলা। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও জাতীয় মহিলা সংস্থার যৌথ আয়োজনে এ মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আজাহার আলী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও বলেন, নারীদের তৈরি পণ্যের প্রচার ও প্রসার ঘটানো, তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা এবং উদ্যোক্তা ও ভোক্তার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই এই মেলার মূল উদ্দেশ্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন আবু ফেরদৌস, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিন আকতার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। মেলায় মোট ৫০টি স্টল অংশ নিয়েছে, যেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে নারীদের তৈরি খাদ্যপণ্য, বস্ত্র, হস্তনির্মিত সামগ্রী ও প্রসাধনী। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে। আগামী ৬ নভেম্বর পর্যন্ত মেলা চলবে।

  • গোবিন্দগঞ্জে গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে নিহত ৩ জনের পরিচয় মিলছে

    গোবিন্দগঞ্জে গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে নিহত ৩ জনের পরিচয় মিলছে

    গোবিন্দগঞ্জে গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে নিহত ৩ জনের পরিচয় মিলছে

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের নাসিরাবাদ গ্রামে ইটের দেওয়াল কেটে গরু চুরি করে পালানোর সময় এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়ে গণপিটুনিতে নিহত ৩ চোরের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতরা হলেন, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দামগাছা বুড়িগঞ্জ এলাকার আলেব্বর আলীর ছেলে কাউসার (৫০), একই জেলার দুপচাচিয়া সাহাপাড়া গ্রামের হেরুঞ্জ গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে শাহীনুর (৩১) বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উত্তরপাড়া সিহালী গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে বুলবুল (৩৮) বলে জানা গেছে। ২ জনের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করার করা হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, গোবিন্দগঞ্জের কাটাবাড়ী ইউনিয়নের নারিসারবাদ গ্রামে শনিবার দিবাগত আড়াইটার দিকে কাটাবাড়ী ইউনিয়নের নাসিরাবাদ গ্রামে ছালাম নামে এক কৃষকের গোয়ালঘর থেকে দেওয়াল কেটে, অজ্ঞাত ৮-১০জনের চেরের দল পিকাপ যোগে গরু নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ীর লোকজন টের পেয়ে চিৎকার করে। এলাকাবাসী এগিয়ে এসে চোরদের ধাওয়া করলে, সন্দেহ ভাজন ৩ চোর পুকুরে লাফ দেয়। পরে এলাকাবাসী পুকুর থেকে তুলে গণপিটুনি দিলে ঘটনা স্থলে ২ জন ও হাসপাতালে নেয়ার পথে এক জন মারাযায়। এ খবর পেয়ে রোববার সকালে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিহত ৩ চোরের মরদেহ উদ্ধার করে পোষ্ট মোর্টেমের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার নিশাত এ্যাঞ্জেলা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সে সময় নিহত চোরদের পরিচয় পাওয়া না গেলে সনাক্ত করতে সিআইডি ক্রাইম সিন টিম কাজ করলে ও থানা পুলিশের প্রচেষ্টায়, পরে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়।

  • গোমস্তাপুরে ১৫ দিনব্যাপী ফুটবল ক্যাম্পের উদ্বোধন

    গোমস্তাপুরে ১৫ দিনব্যাপী ফুটবল ক্যাম্পের উদ্বোধন

    গোমস্তাপুরে ১৫ দিনব্যাপী ফুটবল ক্যাম্পের উদ্বোধন

    “খেলাধুলায় বাড়ে বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল” এ স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নে মাদকদ্রব্য থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখার জন্য ১৫ দিনব্যাপী একটি ফুটবল ক্যাম্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। ৩ নভেম্বর বোয়ালিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ ফুটবল ক্যাম্পের উদ্বোধন করা হয়। বোয়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য আবুল কালামের সভাপতিত্বে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামিউল ইসলাম (শ্যামল)। বক্তব্য রাখেন, বোয়ালিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক, বোয়ালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রানা, ক্রিড়া শিক্ষক মাসুদ রানা, ফুটবল ক্যাম্পের প্রধান কোচ শাহাবুদ্দিন প্রমূখ। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক রাকিবুল ইসলাম সুমন, শফিকুল মাস্টার, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মোস্তাক হাসান বকুল, আজিজুর রহমান, সহকারি কোচ ইফতিখার মাসরুর শুভ, শাহাবুদ্দিন সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ। উল্লেখ্য, ১৫ দিনব্যাপী এই ফুটবল ক্যাম্পে প্রায় শতাধিক খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করবে।

  • গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

    গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

    গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চাপড়িগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ৩ নভেম্বর সকালে গোবিন্দগঞ্জ থানার এস.আই তাহসিন ও এ.এস.আই আলমগীর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে একটি যাত্রীবাহি বাসে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেন। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম ছাদেক হোসাইন, তিনি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার ইনানী এলাকার জাফর আলমের ছেলে। পুলিশ জানায়, “আতাউল্যাহ স্পেশাল” নামের একটি পরিবহন বাস থেকে এসব গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছাদেক হোসাইন স্বীকার করেছেন, তিনি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি এলাকা থেকে গাঁজাগুলো কিনে নাটোরের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তার টিকিট যাচাই করেও দেখা গেছে, তিনি কুড়িগ্রাম থেকে নাটোরগামী ছিলেন। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেও একই পরিবহনের আরেকটি বাস থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছিল। এর আগে গত ১৪ অক্টোবর গোবিন্দগঞ্জ থানার এসআই আসাদুজ্জামান আসাদ গোবিন্দগঞ্জ চারমাথা এলাকায় অভিযান চালিয়ে “আতাউল্যাহ স্পেশাল” পরিবহনের আরেকটি বাস থেকে ১৪ কেজি গাঁজা ও ওয়াকিটকিসহ দুজনকে আটক করেন। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, একই পরিবহন বারবার মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় ‘আতাউল্যাহ স্পেশাল’ পরিবহনের ওপর বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

  • নিয়ামতপুরে বিনামূল্যে কৃষকের মাঝে সার বীজ বিতরণ

    নিয়ামতপুরে বিনামূল্যে কৃষকের মাঝে সার বীজ বিতরণ

    নিয়ামতপুরে বিনামূল্যে কৃষকের মাঝে সার বীজ বিতরণ

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রবি মৌসুমে গম, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, শীতকালীন পেঁয়াজ, মুগ, মসুর ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৮০৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (০৩ নভেম্বর) বেলা ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজাউল করিম। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) জাহিদুল ইসলাম, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা শফিউল আলম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনি আহমেদ প্রমুখ। উল্লেখ্য, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ৮ হাজার ৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে পর্যায়ক্রমে প্রণোদনার বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রতিজন কৃষককে ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার এবং বীজ দেওয়া হয়েছে।

  • সরকারি নিবন্ধন পেল ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’

    সরকারি নিবন্ধন পেল ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’

    সরকারি নিবন্ধন পেল ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’

    হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘সনাতন-দীননাথ যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থা’ দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের মুক্তাহার গ্রাম সহ আশেপাশের এলাকায় কাজ করে আসছে। সংস্থাটি ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্র ও যুব সমাজকে নিয়ে বাল্য বিবাহ রোধ, মাদক বিরোধী সচেতনতা, ইভটিজিং, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সহ সমাজের নানান অসঙ্গতিপূর্ণ বিষয় ও যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। ইতিমধ্যে গ্রামের ৩০ জন যুবক-যুবতীদের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে সংস্থাটি। সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের গতিশীল ও সন্তোষজনক কার্যক্রমে বিগত ২৯ অক্টোবর তারিখে নিবন্ধন সনদ ইস্যু করে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার মুক্তাহার গ্রামের দুই কীর্তি পুরুষ, ব্রিটিশ শাসনামলের নবীগঞ্জ থানার ৩৯ নং সার্কেল পঞ্চায়েতের সহোদর সরপঞ্চ, ব্রিটিশ বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের স্থানীয় সংগঠক এবং সামজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদ্বয় শ্রীমান সনাতন দাস ও শ্রীমান দীননাথ দাস এঁর নামানুসারে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নিবন্ধন প্রদানের বিষয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞা বলেন- ‘এই সংগঠনটি শিক্ষিত, দক্ষ ও উদ্দীপ্ত কিছু তরুন-তরুনীদের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে। যারা এই এলাকার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা এই সংগঠনের রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেছি। আমরা তাদের আগ্রহ ও কর্মকান্ডে খুশী। আশাকরি এই সংগঠন দ্বারা এলাকাবাসী ভালো কিছু পাবে। আমি এই সংগঠনের সমৃদ্ধি কামনা করি।’ নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন- ‘নবীগঞ্জ উপজেলার প্রাচীন দু’জন খ্যাতিমান ব্যক্তির নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনকে নিবন্ধন প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সবচেয়ে বড়ো কথা সংগঠনের অধিকাংশ সদস্যরা শিক্ষিত ও সুশীল। আশাকরি সংগঠনের সদস্যরা ঐতিহ্য আর আধুনিকতার সম্মিলনে ভালো কিছু করে দেখাবে।’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা রত্নদীপ দাস (রাজু) বলেন- ‘আমরা বৈষম্যহীন, সুখী-সমৃদ্ধ সমাজ তথা দেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। দেশ গঠনের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে যুব সমাজ। দেশের যুব সমাজকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে উন্নত বাংলাদেশ গড়া অসম্ভব নয়। আমরা যুবকদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব একেএম আব্দুল্লাহ ভূঞা, নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব জহিরুল ইসলাম ও সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব নজরুল ইসলামকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সংগঠনকে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করার জন্য। সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।’ সংগঠনের সভাপতি দেবাশীষ দাশ রতন বলেন-‘আমাদের সংগঠন কে নিবন্ধনে সহযোগিতা করায় নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা রত্নদীপ দাস (রাজু) প্রান্তিক পর্যায়ে আমাদেরকে নিয়ে যে জাগরণের সৃষ্টি করেছেন, তা একদিন জাতীয় পর্যায়ে মডেল হিসেবে পরিগনিত হবে আমরা আশা রাখি।’ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জনি দাশ বলেন- ‘সংগঠন কে শক্তিশালী করতে এলাকাবাসী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সকলের সহযোগিতা চাই। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা রত্নদীপ দাস (রাজু) আমাদেরকে নিয়ে অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি এই সংগঠনের মাধ্যমে তাঁর সহযাত্রী হতে পেরে আনন্দিত। আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’