ফরিদপুরের ভাঙ্গায় জমির পাট ও মেহগনি গাছ কেটে জমি জবরদখলের চেস্টা
ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার কাউলীবেড়া ইউনিয়নের চরমুখডোবা গ্রামে বিখ্যাত ভূমিদস্যুগণের সন্তানরা ও ভূমিদস্যু মুসা শেখ (৪৫) ও হাসা শেখ (৪০) বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অন্যায়ভাবে, জবরদখল করে মোহাম্মদ বাবু তালুকদারের (৭৫) ১৫ শতাংশ জমির পাট এবং ৫০ হাজার টাকার মূল্যের মেহগনি গাছ কেটে ফেলেছে। ঘাতকদের বাপ-দাদারাও নামকরা ভূমিদস্যু ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা (আলিম শেখ, এলেম শেখ, কাদের শেখ, মন্নান শেখ)। বর্তমানে তাদের সন্তানরাও জোরপূর্বক সাধারণ মানুষের জায়গা জমি গাছপালা বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন উপায়ে জবরদখল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। পার্শ্ববর্তী গ্রামের মোঃ বাবু তালুকদারের ১৫ শতাংশ জমির পাট কেটে নিয়ে যায় এবং মেহগনি গাছ কেটে নিয়ে যায়।

তাৎক্ষণিক গ্রামের দায়িত্বশীল লোকদের জানায় (মোহাম্মদ রিপন খা, মোহাম্মদ চুন্নু খান, মোঃ ইউনুস তালুকদার, মোহাম্মদ বাদশা তালুকদার, দেলোয়ার তালুকদার, বিউটি মেম্বার, মোঃ বাচ্চু মেম্বার, জামাই আলতাফ, সবুর শেখ)। স্থানীয়রা জানায়, ‘ওরা খারাপ লোক, ওরা অন্যান্য লোকদের সাথেও জোরপূর্বক সাধারণ মানুষের সম্পত্তি হস্তক্ষেপ করে, সুতরাং আপনি থানায় যেয়ে অভিযোগ করুন অথবা সাধারণ ডায়েরি করুন’। নিরুপায় হয়ে ৬ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে বারোটায় ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানায় এসে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আশরাফ এর সহযোগিতায় বাবু তালুকদার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি উপ-পরিদর্শক মোঃ রাকিব এর দায়িত্বে রয়েছে। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। ভূমিদস্যু মুসা শেখ ও হাসা শেখের (পূর্বপুরুষদের) একের অধিক ফরিদপুর ট্রাইব্যুনালে জায়গা সংক্রান্ত মামলা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। স্থানীয় সিরাজ খাঁ, মোফাজ্জেল খাঁ, সবুর শেখ,

এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামের সেকেন্ তালুকদার, সিরাজ তালুকদার, আল মাস তালুকদার, এনায়েত তালুকদার, সিদ্দিক বয়াতি বলেন, এমনকি সুপ্রিম কোর্টেও তাদের জায়গা জমির আত্মসাৎ এর মামলা চলমান। মুসা শেখের সাথে ফোনে পাটকাটা ও মেহেগনি গাছ কাটার সম্বন্ধে জানতে চাইলে প্রথমে তিনি হুমকি ও ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন।

পরে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তিনি স্বীকার করেন, তার ভাইয়ের বউ (চায়না) গাছটি কেটেছে এবং তার ভাই হাসা পাট কেটে নিয়েছে। জমির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি স্বীকার করেন এই জমি বাবু তালুকদারের। অন্যের জমির গাছ ও পাট কেন কাটলেন প্রশ্ন করলে তিনি ফোনটি কেটে দেন। উক্ত ভুক্তভোগীরা ভূমিদস্যু ও জবরদখল কারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং সেইসাথে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।