Blog

  • ঠাকুরগাঁওয়ে চালায় আয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    ঠাকুরগাঁওয়ে চালায় আয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    ঠাকুরগাঁওয়ে চালায় আয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    ঠাকুরগাঁওয়ের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে জনবল সংকট, স্বাস্থ্যকর্মী অনুপস্থিতি ও দীর্ঘদিনের ওষুধের ঘাটতির কারণে কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফলে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ওপর নির্ভরশীল প্রান্তিক জনগোষ্ঠী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, বাইরে-ভেতরে নীরবতা। নেই কোনো রোগী কিংবা স্বাস্থ্যকর্মী। দাঁড়িয়ে আছে শুধু একটি ভবন ও কিছু আসবাবপত্র। একমাত্র আয়া জান্নাতুন ফেরদৌস শিল্পী নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাস থেকে এখানে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের পদ শূন্য। নেই পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকাও। একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে রায়পুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে। প্রায় দুই বছর আগে এখানকার উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার অবসরে গেছেন। কিন্তু নতুন কেউ আর আসেনি। অন্যান্য পদও শূন্য। আয়া একাই নামমাত্র দায়িত্ব পালন করছেন। পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে মোট ৪৬টি। এর মধ্যে ২৮টি উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পদে ১৭টি, ৬৬টি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা পদে ৩৫টি, ৫২টি পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক পদে ৬টি, ৪১টি নিরাপত্তা প্রহরী পদে ১৮টি, ৫১টি আয়া পদে ৩৪টি পদশূন্য রয়েছে। অর্থাৎ অনুমোদিত পদ থাকা সত্ত্বেও অর্ধেকের বেশি পদ শূন্য আছে। আয়া খালেদা বেগম বলেন, ‘আমরা নিয়মিত আসি। কিন্তু স্বাস্থ্যকর্মী না থাকায় মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে না। শুধু নামমাত্র দায়িত্ব পালন করেই পার হয়ে যায় সময়।
    স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এখানে স্বাস্থ্যকর্মী নেই, ওষুধ নেই। অসুস্থ হলে বাধ্য হয়ে শহরে যেতে হয়। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে উপ-পরিচালক মো. শামসুদ্দীন মোল্লার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো তথ্য না দিয়ে এড়িয়ে যান। ঠাকুরগাঁও পরিবারপরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, জেলায় প্রায় ৫০ শতাংশ জনবল সংকট রয়েছে। ইতোমধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। নিয়োগ সম্পন্ন হলে সমস্যা সমাধান হবে। এছাড়া ওষুধ সংকটও রয়েছে। তবে আশা করছি, দ্রুতই এ সংকট কেটে যাবে।

  • যশোর জেনারেল হাসপাতালে দুদকের অভিযান ॥ নানা অনিয়ম

    যশোর জেনারেল হাসপাতালে দুদকের অভিযান ॥ নানা অনিয়ম

    যশোর জেনারেল হাসপাতালে দুদকের অভিযান ॥ নানা অনিয়ম

    যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। রোগী ও স্বজনরা অভিযোগ করছিলেন, খাবার কম দেওয়া হয়, ওষুধ-স্যালাইন মজুত থাকলেও বাইরে থেকে কিনতে হয়, আবার প্লাস্টার রুমে রোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর কার্যালয় থেকে অভিযান পরিচালনা করে হাসপাতালে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের সহকারী পরিচালক (এডি) মোহাম্মদ আল-আমিন। উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের আরএমও ডা. হাবিবা সিদ্দীকা ফোয়ারা, দুদকের ডিডি মোহাম্মদ তহিদুল ইসলাম ও চিরঞ্জীব নিয়োগীসহ আরও কর্মকর্তারা। অভিযানে রান্নাঘরে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের তথ্য মেলে। এ ছাড়াও নির্ধারিত ২’শ গ্রাম ভাতের পরিবর্তে কম ভাত, সকালের নাশতায় পাউরুটির পরিমাণ কম, ছোট ডিম সরবরাহ, নিম্নমানের লবণ, পেঁয়াজ-রসুন এবং চিকন চালের পরিবর্তে মোটা চাল ব্যবহার করা হ”েছ বলে জানতে পারে দুদক। হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী সদরের চুড়ামকাটি গ্রামের ইনতাজ মন্ডল (৬৫) বলেন, সরকার আমাদের জন্য খাবার দেয়, কিন্তু এখানে তা ঠিকভাবে পাচ্ছি না। ভাত কম, ডিম ছোট, আবার তরকারি নিম্নমানের। এদিকে, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে স্যালাইনের অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা মেলে। অভিযানকালে দেখা যায় হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ১৬০ পিস স্যালাইন থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরের দোকান থেকে কিনতে বলা হয়। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি শহরের খড়কি এলাকার রাজিয়া সুলতানার বোন তানিয়া সুলতানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি থেকেও আমাদের বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে হচ্ছে। গরিব মানুষ, কষ্টে টাকা জোগাড় করি, অথচ সরকার সরবরাহ করলেও তা রোগীদের দেওয়া হয় না। অভিযানকালে হাসপাতালের দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স দিলারা জামান বলেন, এটি ওপরের নির্দেশনা। আমরা ইচ্ছে করলে দিতে পারি না। দুদক কর্মকর্তারা তাকে শোকজ করার নির্দেশ দেন। অপরদিকে, অভিযানকালে প্লাস্টার রুমে ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়টি সামনে আসে। প্লাস্টার রুমে দেখা যায়, কাজ করছেন হাসপাতালের অনুমোদিত কর্মচারী নয় এমন লোকজন। তারা রোগীদের কাছ থেকে ১শ থেকে ৫শ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন। এ ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সেখানে ৫শ থেকে ১ হাজার টাকার চুক্তিতে মুসলমানি দিয়ে থাকেন। টাকা কম দিলে দুর্ব্যবহার করেন তারা। দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আল-আমিন বলেন, রোগীদের খাবার, চিকিৎসা সামগ্রী এবং সেবার মান নিয়ে গুরুতর অনিয়ম পাওয়া গেছে। বিশেষ করে প্লাস্টার রুম ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডের অনিয়ম অগ্রহণযোগ্য। এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হোসাইন শাফায়াত বলেন, দুদকের অভিযানে কিছু অনিয়ম ধরা পড়েছে। আমরা বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং রোগীদের সেবার মান উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • খুলনায় হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

    খুলনায় হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

    খুলনায় হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

    খুলনায় হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর রূপসা ট্রাফিক মোড়ে অবস্থিত ড্যাপস্ হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের তৃতীয় তলা থেকে ওই নবজাতককে চুরি হয়। নবজাতকের মা ফারজানা বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ি। অপর পাশের বেডে নবজাতক তার নানির পাশে শুয়ে ছিল। দুপুরে ঘুম থেকে উঠে শিশুটিকে না দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। এ ঘটনার পর থেকে স্বজনরা কান্নাকাটি করছেন। নবজাতকের আত্মীয়-স্বজনরা জানান, মোংলা থেকে আসা সুজন ও ফারজানা দম্পতির চারদিন আগে ছেলে সন্তান হয়। দুপুরে তৃতীয় তলা থেকে ওই নবজাতককে চুরি করে নিয়ে যায়। পরে সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায় দ্বিতীয় তলায় থাকা এক নারী তৃতীয় তলা থেকে এক শিশুকে ঢেকে নিয়ে যাচ্ছে। ওই নারী কাকে নিয়ে যাচ্ছে সেটি স্পষ্ট নয়। তবে তাদের সন্দেহের তীর ওই নারীর দিকে। তারা প্রশাসনকে দ্রুত নবজাতককে খুঁজে বের করার দাবি জানান। খুলনা সদর থানা পুলিশের ওসি হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, ড্যাপস্ হসপিটালে মায়ের কাছ থেকে এক শিশু খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি টিম মাছে কাজ করছে।

  • ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতার খাবার বিতরণ

    ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতার খাবার বিতরণ

    ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিএনপি নেতার খাবার বিতরণ

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি শতাধিক রোগীদের মাঝে উন্নত মানের খাবার বিতরণ করা হয়েছে। নওগাঁ ধামরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তারেক রহমানের পক্ষে রোগীদের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ এবং তাদের হাতে এসব খাবার তুলে দেন ৪৭-নওগাঁ-২ আসনে (পত্নীতলা ও ধামইরহাট) এম.পি পদপ্রার্থী ইসমাইল হোসেন মোস্তাক চেয়ারম্যান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মোঃ ইদ্রিস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান, নওগাঁ জেলা যুবদল এর সাবেক সহ-বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইসহাক আলী বাবু, ধামইরহাট উপজেলা মহিলাদলের ১নং সহ সভানেত্রী মরিয়ম বেগম মৌসুমী চৌধুরী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মাহাবুর রহমান বাবু, সাবেক ছাত্রনেতা আশিকুর জামান আশিক সহ অনেকে। এসময় ধামইরহাট ও পত্নীতলা উপজেলা এবং আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ইসমাইল হোসেন মোস্তাক চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্য ও মানবতার বিএনপি গড়ার লক্ষ্যে রোগীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়েছে। তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের এ মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে দুই বিচারপতিকে সংবর্ধণা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে দুই বিচারপতিকে সংবর্ধণা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে দুই বিচারপতিকে সংবর্ধণা

    নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সরদার মোঃ রাশেদ জাহাঙ্গীর এবং বিচারপতি মাহমুদ হাসানকে এক সংবর্ধণা দেয়া হয়েছে।

    রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ ইসাহাক আলীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারক মোঃ মিজানুর রহমান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মোঃ খন্দকার হায়দার আলী, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পি.পি) অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুল ওদুদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ গোলাম কবির ও সোলাইমান বিশু।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহমুদুল ইসলাম কনক। জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ নুরুল ইসলাম সেন্টু, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাডভোকেট মোঃ ময়েজ উদ্দিনসহ জেলা জজ আদালতের ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকগণ, সিনিয়র ও নবীন আইনজীবীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে অতিথি বিচারপতি সরদার মোঃ রাশেদ জাহাঙ্গীর বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন ও পেশাজীবী আইনজীবীদের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি বার ও বেঞ্চের সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিচারক ও আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে বিচার প্রার্থীরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়।

    তিনি বলেন, “জেলা পর্যায়ে আইনজীবী সমাজ দেশের বিচার ব্যবস্থার ভিত্তি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জনগণের আস্থা ধরে রাখতে বিচারক ও আইনজীবীদের আন্তরিকতা ও সততার কোনো বিকল্প নেই।” সংবর্ধনা শেষে বিচারপতিরা আইনজীবীদের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন এবং সমিতির কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে জামায়াতের ডক্টর মিজানুর’র গণসংযোগ ও পথসভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে জামায়াতের ডক্টর মিজানুর’র গণসংযোগ ও পথসভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে জামায়াতের ডক্টর মিজানুর’র গণসংযোগ ও পথসভা

    ৪৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডক্টর মিজানুর রহমান ব্যাপক গণসংযোগ, পথসভা, মতবিনিময় সভা, বৃক্ষরোপণসহ জনকল্যাণমূলক কাজে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডক্টর মিজানুর রহমান নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ৪৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে তিনি এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট ও পাশে থাকার আহ্বান জানান। তিনি তিনটি উপজেলার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় দিনরাত গণসংযোগ,সভা-সমাবেশ, মতবিনিময় সভা, বৃক্ষরোপণসহ জনকল্যাণমূলক কাজ করে চলেছেন। তিনি তার বক্তব্যে এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেন। তিনি জাতি, ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এগিয়ে এসে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রদানের আহ্বান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম বকুল, উপজেলা আমির ইমামুল হুদা, রহনপুর পৌর আমির প্রভাষক মনিরুজ্জামান ডাবলুসহ ৩ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ে নেতা-কর্মীরা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি দলীয় এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী পাপীয়া’র গণসংযোগ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি দলীয় এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী পাপীয়া’র গণসংযোগ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি দলীয় এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী পাপীয়া’র গণসংযোগ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৪- চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের (নাচোল ও গোমস্তাপুরে) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি এ্যাডভোকেট সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপীয়া। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের দুইবারের নির্বাচিত সাবেক ভিপি, রাজপথের সংগ্রামী সৈনিক, কারা নির্যাতিত ত্যাগী নেত্রী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক এ্যাডভোকেট বিপুল পরিমাণ গাড়িবহর নিয়ে নাচোল ও গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেছেন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী তিনি নাচোলের দোগাচ্ছী স্বপ্নপল্লী, নেজামপুর, নাচোল, মল্লিকপুর ও গোমস্তাপুরের টোডালা, বোয়ালিয়া, গোমস্তাপুর, রহণপুর, জাতাহারা, আড্ডা,

    ধানসুড়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের মাঝে দলীয় অবস্থান তুলে ধরেন। গণসংযোগকালে, স্বৈরাচার এরশাদ এবং ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের অকুতোভয় লড়াকু সৈনিক পাপিয়া বলেন, “সংবিধান ও রাষ্ট্রব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার, অর্থনৈতিক মুক্তি ও সুশাসনের মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবো।” তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৈষম্যহীন উন্নত বাংলাদেশ গঠনই তার প্রধান লক্ষ্য’। তিনি বক্তৃতায় তার পূর্বের কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এসময় সফরসঙ্গী হিসেবে নাচোল ও গোমস্তাপুর উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এলাকায় তার এই গণসংযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

  • নাচোলে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

    নাচোলে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

    নাচোলে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল “পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ”। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, ইভটিজিংসহ নানাবিধ সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নাচোল থানা প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোমস্তাপুর সার্কেল) হাসান তারেক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। পুলিশের একার পক্ষে চুরি, ছিনতাই কিংবা ইভটিজিং বন্ধ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সতর্ক থাকতে হবে এবং কোনো অপরাধ চোখে পড়লেই তা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানাতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সর্বদা জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাচোল সদর ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম, উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু তাহের খোকন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর ইয়াকুব আলী, পৌর আমীর মনিরুল ইসলাম এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হামিদুর রহমান মুকুল। তাঁরা বলেন, চুরি, ছিনতাই ও ইভটিজিং শুধু আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা নয়, এটি একটি সামাজিক ব্যাধি। সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, এসব অপরাধ প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। অনুষ্ঠানে সাধারণ জনগণও নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, এলাকায় মাঝে মাঝে ছিনতাই ও চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও অনেকেই ভয়ে মুখ খোলেন না। জনগণের দাবি— পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং আরও জোরদার করা এবং প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের জনসচেতনতা সভা আয়োজন করা। সভাপতির বক্তব্যে নাচোল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক, আইন থেকে কেউ রেহাই পাবে না। নাচোলকে অপরাধমুক্ত করতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সমাজকে সুরক্ষিত রাখতে পুলিশের সঙ্গে জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত থেকে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

  • ভালুকায় সাংবাদিকদের নামে প্রতিহিংসামূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    ভালুকায় সাংবাদিকদের নামে প্রতিহিংসামূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    ভালুকায় সাংবাদিকদের নামে প্রতিহিংসামূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    ময়মনসিংহের ভালুকায় চার সাংবাদিকের নামে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে গায়েবী ও প্রতিহিংসামূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভালুকা বাসস্ট্যান্ড চত্তরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ। জানা গেছে, উপজেলায় বনবিভাগের নানা ধরণের অনিয়ম ও দূর্নীতি নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয় দৈনিক নয়াদিগন্ত ও যুগান্তরসহ বিভিন্ন মিডিয়ায়। এরই জেরে দৈনিক নয়াদিগন্ত ভালুকা সংবাদদাতা আসাদুজ্জামান ফজলু, যুগান্তর ভালুকা প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম জুয়েল, মানবকন্ঠ ভালুকা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম সবুজ ও গ্লোবাল টিভির ভালুকা প্রতিনিধি শাহিদুজ্জামান সবুজের নামে মোট ছয়টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন স্থানীয় বনবিভাগ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভালুকা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা হারুন উর রশীদ খান ও হবিরবাড়ী বিট অফিসার আনোয়ার হুসেন খান সুফল প্রকল্পের বনায়নের নামে অর্থ লোপাট ও অনৈতিক সুবিধা নিয়ে বনভূমি দখল করে ঘর বাড়ি ও সিমানাপ্রাচীর নির্মাণ করতে সহযোগীতা করে ভূমিদস্যূদের। আর এসব বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে অসাধূ বনকর্মকর্তারা চার সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। বক্তারা অনতিবিলম্বে ওই সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও অসাধূ বনকর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়াসহ দূর্নীতিদমন কমিশনের মাধ্যমে অসাধূূ কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসেব নেয়ার জোর দাবি জানান । মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভালুকা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান পাঠান কামাল, মোহনা টিভির প্রতিনিধি এসএম শাহজাহান সেলিম,কালের কন্ঠ মোকলেছুৃর রহমান মনির, যুগান্তর জহিরুল ইসলাম জুয়েল, সময়ের আলো ফিরোজ খান, নয়াদিগন্ত আসাদুজ্জামান ফজলু, সাংবাদিক সফিউল্লাহ আনসারী, মানবকন্ঠ শফিকুল ইসলাম সবুজ, গ্লোবাল টিভির শাহিদুজ্জামান সবুজ, এনটিভি আলমগীর হোসেন, সংবাদ আতারউর রহমান, মাই টিভির মর্জিনা আক্তার মনি, আর টিভির আল আমিনসহ অন্যরা।

  • বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূকে বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ ॥ থানায় মামলা

    বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূকে বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ ॥ থানায় মামলা

    বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূকে বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগ ॥ থানায় মামলা

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় পারিবারিক কলহের জেরে আন্নি খাতুন (২১) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে আন্নির স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির পাঁচজন এবং অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে বাদী বোরহানুল ইসলাম উল্লেখ করেন,প্রায় দুই বছর আগে উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের বেগুনিয়া গ্রামের পল্টু মন্ডলের ছেলে পরশ মন্ডলের (২৩) সাথে তার বোন আন্নি খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে তাকে নির্যাতন করত।এজাহারে বলা হয়, ৯ সেপ্টেম্বর ভোরে পরিকল্পিতভাবে আন্নিকে শ্বশুরবাড়ির শয়নকক্ষে আটকে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।পরে স্বামীর নির্দেশে আন্নির ননদ পলি খাতুনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক কীটনাশক পান করায়। পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ অবস্থায় তাকে প্রথমে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৩টা ১০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক আন্নিকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ভাই দাবি করেছেন, মৃত্যুর আগে আন্নি খাতুন ঘটনার বিবরণ নিজ মুখে জানান এবং সেটি তিনি মোবাইলে রেকর্ড করেছেন। তবে আন্নির মৃত্যুর পর থেকে পলাতক থাকায় তার শ্বশুরবাড়ির কারো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় বাগাতিপাড়া মডেল থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান এ ঘটনায় মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।